Dr. Imran ডাঃ দেলোয়ার জাহান ইমরান ➤ ডিএইচএমএস (বিএইচএমসি এন্ড হসপিটাল), ডিএমএস; ঢাকা
➤ রেজিস্টার্ড হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক(রেজিঃ নং-৩৩৪৪২)
➤ বিশেষত্বঃ জন্মগত রোগ, পরিপাকতন্ত্র, মূত্রতন্ত্র, স্ত্রীরোগ ইত্যাদি
➤ আনোয়ার টাওয়ার, আল-আমিন রোড, কোনাপাড়া, যাত্রাবাড়ী-ডেমরা রোড, ঢাকা।
➤ ফোন : +৮৮ ০১৬৭১-৭৬০৮৭৪ এবং ০১৯৭৭-৬০২০০৪
➤ সাক্ষাৎ : সকাল ১১ থেকে বিকাল ৫ টা (শুক্রবার বন্ধ)
E-mail : delowaridb@gmail.com
➤ প্রোফাইল ➤ ফেইসবুক ➤ ইউটিউব

সাম্প্রতিক আপডেট

জন্মগত ত্রুটি

শিশুর জন্মগত ত্রুটি এবং মারাত্মক রোগ ব্যাধির কার্যকর চিকিৎসা

ডায়াবেটিস

ডায়াবেটিস নির্মূলের ম্যাজিক থেরাপি এবং হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা

ভেরিকোসিল

ভেরিকোসিলের অপারেশনবিহীন স্থায়ী চিকিৎসা হোমিওপ্যাথি

আইবিএস

পেটের পীড়া আইবিএস নির্মূলের স্থায়ী চিকিৎসা হোমিওপ্যাথি

আইবিডি

পরিপাক তন্ত্রের পীড়া আইবিডি নির্মূলের চিকিৎসা হোমিওপ্যাথি

মলদ্বারের রোগ

পাইলস, এনাল ফিশার এবং ফিস্টুলা সমস্যায় হোমিওপ্যাথি

গ্যাংরিন

গ্যাংরিন বা পচনশীল ক্ষত নিরাময়ে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা

পুরুষদের স্বাস্থ্য

পেটের পীড়া আইবিএস নির্মূলের স্থায়ী চিকিৎসা হোমিওপ্যাথি।

নারী স্বাস্থ্য স্ত্রীরোগ
নারীদের অর্থাৎ স্ত্রীরোগ সম্পর্কিত বিষয়াবলী
মা ও শিশু স্বাস্থ্য
মা ও শিশু স্বাস্থ্য সম্পর্কিত বিষয়াবলী
পুরুষদের স্বাস্থ্য
পুরুষদের স্বাস্থ্য সম্পর্কিত বিষয়াবলী
রোগ-ব্যাধি অসুখবিসুখ
নানা প্রকার রোগ-ব্যাধি সম্পর্কিত বিষয়াবলী
স্বাস্থ্য বিষয়ক টিপস
স্বাস্থ্য সম্পর্কিত যাবতীয় টিপস ও ট্রিকস

সাম্প্রতিক আপডেট

মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২০

IBS থেকে মুক্তি - প্রামাণ্য কেইস শাওন, আইবিএস এর হোমিও চিকিৎসা

শাওন যিনি জন্মলগ্ন থেকেই পেটের দুরারোগ্য সমস্যায় ভুগছিলেন। বহু বছর যাবৎ চিকিৎসা নিয়েও কোন ফল হচ্ছিলো না। অবশেষে প্রপার একটি হোমিও চিকিৎসায় আল্লাহ পাকের অশেষ মেহেরবানীতে তিনি এই সমস্যা থেকে পরিত্রান পান। 

আইবিএস বা ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোম IBS - Irritable Bowel Syndrome পেটের এই দুরারোগ্য সমস্যা নির্মূলের একমাত্র উন্নত চিকিৎসা হলো হোমিওপ্যাথি যার মাধ্যমে IBS পুরুপুরি নির্মূল হয়ে যায় । পেটের এই পীড়া সম্পূর্ণ ভাবে দূর করার জন্য হোমিওতে রয়েছে বহু কার্যকর ঔষধ। এক্সপার্ট একজন হোমিও চিকিৎসক রোগীর সার্বিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে নির্বাচনকৃত ঔষধ প্রয়োগের মাধ্যমে এই সমস্যা দূর করে থাকেন।
বিস্তারিত

আইবিএস থেকে মুক্তির উপায় রিয়েল হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা - প্রামাণ্য কেইস রায়হান

আইবিএস বা ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোম IBS - Irritable Bowel Syndrome পেটের এই দুরারোগ্য সমস্যা নির্মূলের একমাত্র উন্নত চিকিৎসা হলো হোমিওপ্যাথি যার মাধ্যমে IBS পুরুপুরি নির্মূল হয়ে যায় । পেটের এই পীড়া সম্পূর্ণ ভাবে দূর করার জন্য হোমিওতে রয়েছে বহু কার্যকর ঔষধ। এক্সপার্ট একজন হোমিও চিকিৎসক রোগীর সার্বিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে নির্বাচনকৃত ঔষধ প্রয়োগের মাধ্যমে এই সমস্যা দূর করে থাকেন।

রায়হান, ডেমরা ঢাকা। যিনি দীঘদিন যাবৎ আইবিএস সমস্যায় ভুগছিলেন। তার ২ বছর বয়সের শিশুও দুরারোগ্য পেটের পীড়ায় জন্মলগ্ন থেকেই ভুগছিল যাকে এলোপ্যাথিক চিকিৎসকগণ ক্রমাগত এন্টিবায়োটিক প্রয়োগ করে আসছিল কিন্তু সমস্যা কোন ক্রমেই দূর হচ্ছিলো না। একসময় শিশুটি আমার চিকিৎসাধীন আসে এবং আল্লাহ পাকের অশেষ মেহেরবানীতে কিছু দিনের মধ্যেই স্থায়ীভাবে সুস্থ্যতা লাভ করে।
তারপর রায়হান সাহেব তার নিজের সমস্যার কথা আমাকে জানান এবং দীঘদিন যাবৎ ভুগতে থাকা আইবিএস সমস্যা চিকিৎসা নিতে ইচ্ছা পোষণ করেন। তিনিও এই সমস্যায় বহু ডাক্তার দেখিয়ে বিফল হন। অবশেষে প্রপার একটি হোমিও চিকিৎসায় মাত্র তিন মাসেই আল্লাহ পাকের অশেষ মেহেরবানীতে এই সমস্যা থেকে স্থায়ীভাবে মুক্তি লাভ করেন।
বিস্তারিত

আইবিএস এর হোমিও চিকিৎসা, IBS থেকে মুক্তি - প্রামাণ্য কেইস রাসেল

হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় আইবিএস IBS সমস্যা দূর হয়ে যায় চিরতরে। কখন বুঝবেন আপনি আইবিএস থেকে আরোগ্য লাভ করেছেন। যখন দেখবেন আপনি যে খাবারগুলি আগে খেতে পারতেন না কিন্তু চিকিৎসার পর খেতে পারছেন এবং কোন প্রকার ঔষধ ছাড়াই সুস্থ আছেন তখন বুঝে নিবেন আল্লাহ পাক আপনাকে আইবিএস IBS থেকে শেফা দান করেছেন।
রাসেল সাহেব যিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে কর্মরত আছেন। দীর্ঘদিন যাবৎ পেটের জটিল পীড়া আইবিএস সমস্যায় ভুগছিলেন। এই সমস্যার কোন এলোপ্যাথিক চিকিৎসা না থাকায় বারবার Combined Military Hospital Or CMH গিয়েও তিনি তার সমস্যার কোন সমাধান পাননি। অবশেষে প্রপার একটি হোমিও চিকিৎসায় আল্লাহ পাকের অশেষ মেহেরবানীতে পেটের এই জটিল পীড়া থেকে মুক্তি লাভ করেন।
বিস্তারিত

IBS থেকে মুক্তির স্থায়ী উপায়, আইবিএস এর চিকিৎসা হোমিওপ্যাথি - প্রামাণ্য কেইস সোহান

আইবিএস IBS - Irritable Bowel Syndrome পেটের এই দুরারোগ্য সমস্যা নির্মূলের একমাত্র উন্নত চিকিৎসা হলো হোমিওপ্যাথি যার মাধ্যমে আইবিএস IBS পুরুপুরি নির্মূল করা যায়। পেটের এই পীড়া সম্পূর্ণ ভাবে দূর করার জন্য হোমিওতে রয়েছে বহু ঔষধ। এক্সপার্ট একজন হোমিও চিকিৎসক রোগীর সার্বিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে নির্দিষ্ট ঔষধ প্রয়োগের মাধ্যমে এই সমস্যা দূর করে থাকেন। তবে এর চিকিৎসার জন্য অভিজ্ঞ কোন হোমিও চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করুন। ইতিপূর্বে বহু পেসেন্টই আইবিএস নামক এই দুরারোগ্য পেটের পীড়া থেকে মুক্তি লাভ করেছেন প্রপার হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায়।
সোহান বহুদিন যাবৎ এই সমস্যায় ভুগছিলেন এবং বহু এলোপ্যাথিক এবং হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক দেখিয়েও কোন ফল পাচ্ছিলেন না। ইন্ডিয়াতেও ডাক্তার দেখিয়েছেন কিন্তু তেমন কোন ফল পাননি। অবশেষে প্রপার একটি হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় আল্লাহ পাকের অশেষ মেহেরবানীতে তিনি এই সমস্যা থেকে স্থায়ী ভাবে মুক্তি লাভ করেন।
বিস্তারিত

বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২০

ক্রনিক কিডনি ডিসিজ Chronic kidney disease CKD কিডনি ফেইলিওর, দ্রুত ক্রিয়েটিনিন কমানোর হোমিও ঔষধ

ক্রনিক কিডনি ডিসিজ Chronic kidney disease (CKD) সমস্যায় দ্রুত সিরাম ক্রিয়েটিনিন কমানোর উপায় সম্পর্কে জানবো আজকের পর্বে। সাধারণভাবে সমস্যাটি লং টার্ম বা ক্রনিক রেনাল ডিজিজ বা Chronic Renal Failure (CRF) নামেও পরিচিত। এটি এমন একটি অসুখ, যা লক্ষণ প্রকাশ ছাড়াই কয়েক বছরব্যাপী ধীরে ধীরে কিডনিকে এমনভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে যে কিডনি তার স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। এ অসুখে কিডনি ধীরে ধীরে আক্রান্ত হয়, সাধারণত রোগের শেষ পর্যায়ে অসুস্থতা প্রকাশ পায়। এ রোগের জটিলতা হিসেবে উচ্চ রক্তচাপ, রক্তাল্পতা বা অ্যানিমিয়া, হাড় দুর্বল হয়ে যাওয়া, স্নায়ু ক্ষতিগ্রস্ত ইত্যাদি হতে পারে। যাদের দীর্ঘমেয়াদি কিডনির অসুখ থাকে তাদের কিডনি ফেইলিওর হতে পারে।

ক্রনিক কিডনি ডিসিজ - কেন হয়?

  • দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগের প্রধান দুটি কারণ হচ্ছে ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ। দেখা যায়, দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগে আক্রান্তদের তিন ভাগের দুই ভাগেরই এ দুটি রোগের একটি বা দুটোই থাকে।
  • ডায়াবেটিসের ক্ষেত্রে রক্তে চিনির মাত্রা বেশি থাকে। শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। যেমন- কিডনি, হার্ট, রক্তনালি, চোখ ও স্নায়ু।
  • আবার উচ্চ রক্তচাপ হলেই যে দীর্ঘমেয়াদি কিডনি অসুখ হবে তা নয়, যদি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে না থাকে বা প্রোপার হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা নিয়ে সেটি ঠিক করা না হয় তাহলে এটি হবে। আবার কিডনি অসুখ হলে রক্তচাপও বাড়তে পারে।
  • গ্লোমেরুলোনেফ্রাইটিস নামের কিডনির অসুখ যাদের থাকে, তাদেরও দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগ হতে পারে। এ রোগের প্রধান লক্ষণ শরীর, হাত-পা ফুলে যাওয়া।
  • বংশগত বা জন্মগত অসুখ যেমন পলিসিস্টিক কিডনি ডিজিজ থাকলেও দীর্ঘমেয়াদি কিডনি অসুখ হতে পারে। আবার মাতৃগর্ভে কিডনির গঠনগত অস্বাভাবিকতার জন্যও হতে পারে।
  • যাদের কিডনিতে পাথর, টিউমার আছে, যেসব পুরুষের প্রোস্টেটগ্রন্থি বড় তাদেরও কিডনির দীর্ঘমেয়াদি অসুখ হতে পারে। এমনকি যারা বারবার প্রস্রাব ইনফেকশনে আক্রান্ত হয় তাদেরও এ রোগ হওয়ায় ঝুঁকি থাকে।
  • এ ছাড়া কিডনি ধমনি সরু হয়ে যাওয়া, ম্যালেরিয়া, অতিরিক্ত এলোপ্যাথিক ব্যথানাশক ওষুধ সেবন, নেশা ইত্যাদিতেও অসুখটি হয়।
ক্রনিক কিডনি ডিসিজ

ক্রনিক কিডনি ডিসিজ - লক্ষণগুলি কি কি ?

বেশির ভাগ মানুষই রোগটি বেড়ে না যাওয়া পর্যন্ত বুঝতে পারে না। সাধারণ লক্ষণগুলোর মধ্যে আছে-
  • বেশি দুর্বল বোধ করা 
  • পরিশ্রম করার শক্তি হারিয়ে ফেলা
  • মনোযোগের ঘাটতি
  • রুচি কমে যাওয়া
  • ঘুমের অসুবিধা
  • রাতে শরীরের বিভিন্ন মাংসপেশিতে ব্যথা
  • পা ও গোড়ালি ফুলে যাওয়া
  • চোখের নিচে ফুলে যাওয়া, মুখ ফোলা ফোলা লাগা
  • চুলকানি ও শুষ্ক ত্বক
  • বারবার প্রস্রাব পাওয়া
  • প্রস্রাব ধরে রাখতে ব্যর্থ হওয়া
  • রাতে ঘুমের মধ্যে প্রস্রাব পাওয়া
  • অ্যানিমিয়া বা রক্তাল্পতা
  • প্রায় সব সময়ই মাথাব্যথা
  • পুরুষদের ক্ষেত্রে যৌন দুর্বলতা।

ক্রনিক কিডনি ডিসিজ - নির্ণয়ের উপায় 

রোগীর ব্যক্তিগত ও পারিবারিক ইতিহাস ছাড়া কিডনির রোগের ডায়াগনিসিস অসম্পূর্ণ থেকে যায়। তাই যেকোন হোমিও চিকিৎসক রোগীর ফ্যামিলি হিস্ট্রি নিয়ে থাকেন। পরবর্তীক্ষেত্রে, ডাক্তার হৃৎপিণ্ড বা রক্তবাহী নালিতে হওয়া সমস্যার লক্ষণ পরীক্ষার জন্য, শারীরিক এবং স্নায়ুতন্ত্রেরও পরীক্ষা করেন। 

কিডনি রোগের নির্ণয়ের জন্য রোগীকে সুনির্দিষ্ট কিছু পরীক্ষা করাতে হয়, যা হল-
  • রক্ত পরীক্ষা: কিডনি ফাংশান টেস্ট, প্রধানত রক্তে ক্রিয়েটিনিন ও ইউরিয়ার মত বর্জ পদার্থের মাত্রা পরীক্ষা করে। 
  • মুত্র পরীক্ষা: মুত্রের নমুনা পরীক্ষা করলে কিছু অস্বাভাবিক কারণ বেরোনোর সম্ভবনা থাকতেও পারে, যা ক্রনিক কিডনি ফেলিওরের দিকে ইঙ্গিত করতে পারে এবং একই সাথে কিডনির ক্রনিক রোগের কারণও চিহ্নিত করতে পারে।    
  • ইমেজিং টেস্ট: কিডনির সঠিক আকার ও আকৃতি মাপার জন্য ডাক্তাররা আলট্রাসাউন্ড ব্যবহার করতে পারেন। কিছু কিছু ক্ষেত্রে অন্যান্য ইমেজিং টেস্টও ব্যবহার করা যেতে পারে। 
  • টেস্টের জন্য কিডনির টিস্যুর নমুনা বের করা: নির্দিষ্ট এই রোগ নির্ণয় করতে, কিডনি বায়োপসি বা কিডনির টিস্যুর বের করা হয়। চামড়া ফুটো করে কিডনির ভেতরে লম্বা ও পাতলা সূচ ঢুকিয়ে স্থানীয়ভাবে অ্যানাস্থেসিয়া করে কিডনি বায়োপসি করা হয়। কিডনির পরীক্ষা ও এর পেছনে কোন কারণ দায়ী সেটা বের করতে, বায়োপসির নমুনা তারপরে ল্যাবে পাঠানো হয়। 

ক্রিয়েটিনিন কি ?

ক্রিয়েটিনিন হলো এক ধরনের বর্জ্য যেটি মাংসপেশীর কোষ ভেঙে তৈরি হয়। যখন ক্রিয়েটিনিন উৎপন্ন হয় তখন রক্তের সঙ্গে তা মিশে যায়। পরে রক্ত যখন কিডনির ভেতর দিয়ে প্রবাহিত হয় তখন কিডনি এই রক্ত ছেঁকে ক্রিয়েটিনিন প্রস্রাবের মাধ্যমে বের করে দেয়। তাই রক্তে ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা নির্ণয় করলে বোঝা যায় কিডনি কতখানি কর্মক্ষম আছে।  ক্রিয়েটিনের মাত্রা নির্দিষ্ট লেভেলের উপরে হলেই বোঝা যায় তার কিডনি সমস্যা হয়েছে। রক্তে ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখার বেশ কিছু উপায় আছে।

রক্তে ক্রিয়েটিনিন - এর স্বাভাবিক মাত্রা

মানবদেহে মাংসপেশীর বিপাক কর্ম বা মেটাবলিজমের কারণে উৎপন্ন বর্জ্য পদার্থই হলো ক্রিয়েটিনিন, যা ক্রিয়েটিন থেকে উৎপন্ন হয় এবং রক্তের মাধ্যমে কিডনিতে পৌঁছায়। ক্রিয়েটিন মাংশপেশীতে শক্তি উৎপাদনের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। প্রতিদিন গড়ে ২% ক্রিয়েটিন বিপাকের ফলে ক্রিয়েটিনিনে পরিণত হয়। কিডনি ছাঁকনের মাধ্যমে দেহ হতে মূত্রের সাথে ক্ষতিকর ক্রিয়েটিনিন বের করে দেয়।
স্বাভাবিক নারীদের ক্ষেত্রে প্রতি ডেসিলিটার রক্তে ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা থাকে ০.৫-১.১ গ্রাম। স্বাভাবিক পুরুষের ক্ষেত্রে প্রতি ডেসি লিটার রক্তে এর মান ০.৬-১.২ মিলিগ্রাম। একটা কিডনী যাদের নেই তাদের ক্ষেত্রে ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা প্রতি ডেসি লিটার রক্তে ১.৮ মিলিগ্রাম পর্যন্ত স্বাভাবিক। শিশুদের ক্ষেত্রে রক্তে ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা ২ গ্রাম/ডিএল-এর বেশি হলে মারাত্মক কিডনী দুর্বলতা হয়েছে বলে বুঝা যায়। প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে রক্তে ক্রিয়েটিনিন ৫.০ মিলিগ্রাম/ডেসিলিটারের চেয়ে বেশি হলে কিডনী ড্যামেজ হয়েছে বুঝা যায়।
প্রতি মিনিটে কিডনি যতটা রক্ত থেকে ক্রিয়েটিনিন বের করে দিতে পারে সেটাই ক্রিয়েটিনিন ক্লিয়ারেন্স রেট। প্রাপ্তবয়স্ক সুস্থ মানুষের ক্ষেত্রে এ হার ১২৫ মি.লি.। এর অর্থ প্রতি মিনিটে কিডনি ১২৫ মি.লি. রক্ত থেকে সম্পূর্ণভাবে ক্রিয়েটিনিন বের করে দিতে সমর্থ। বয়স, লিঙ্গ ও শরীরের আকৃতির ওপর নির্ভর করে এই হার।

ক্রনিক কিডনি ডিসিজ/কিডনি ফেইলিওর - চিকিৎসা

এলোপ্যাথিক চিকিৎসা শাস্ত্রে ক্রিয়েটিনিন কমানোর জন্য ভালো কোন ঔষধ নেই আর বাকিগুলি খেয়েও তেমন ফল হচ্ছে না বরং রোগ জটিলতা দিন দিন বাড়ছে। এ অবস্থায় হয়তো কিডনি বিকল হওয়ার কারণে ডায়ালিসিস, এমনকি কিডনি ট্রান্সপ্লান্ট করার চিন্তাও করছেন অনেকে। কিন্তু জানেন কি? এইগুলি করেও শেষ রক্ষা হচ্ছে না অধিকাংশ ক্ষেত্রেই। সাথে তো মোটা অংকের একটা অর্থ ব্যায়ের দখল রয়েছেই। আপনি হয়তো জানেনই না দ্রুত ক্রিয়েটিনিন কমানো এবং ক্রনিক কিডনি ডিসিজ বা কিডনি ফেইলিওর এর চূড়ান্ত অবস্থায়ও কার্য্যকর এবং আশানুরূপ রেজাল্ট দিয়ে চলেছে হোমিওপ্যাথি। যদি কেউ ক্রনিক কিডনি ডিসিজ/কিডনি ফেইলিওর সমস্যায় আক্রান্ত হয়ে থাকেন এবং যাদের ক্রিয়েটিনিন এর লেভেল অনেক বেশি তারা দ্রুত রেজিস্টার্ড এবং দক্ষ একজন হোমিও চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করে সুচিকিৎসা নিন। 

কিডনি ফেইলিওর ও ক্রিয়েটিনিন কমানোর হোমিও ঔষধ

হোমিওপ্যাথিতে কিডনি ফেইলিওর সমস্যায় এবং ক্রিয়েটিনিন কমানোর জন্য রয়েছে বহু কার্যকর ঔষধ। এখানে Synthesis Repertory থেকে মাত্র দুটি রুব্রিক থেকে কিছু ঔষধ দেখানো হলো। প্রথমেই আসুন কিডনি ফেইলিওর সমস্যায় বা ক্রনিক কিডনি ডিসিজ এর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত কার্যকর হোমিওপ্যাথিক ঔষধগুলি দেখে নিই-
কিডনি ফেইলিওর হোমিও ঔষধ
আবার দ্রুত ক্রিয়েটিনিন কমানোর জন্য রয়েছে বহু হোমিওপ্যাথিক ঔষধ 
ক্রিয়েটিনিন কমানোর হোমিও ঔষধ
পেসেন্টের হিস্ট্রি নিয়ে এই ঔষধগুলি থেকে নির্বাচিত মেডিসিন অথবা পেসেন্টের কনস্টিটিউশন অনুযায়ী নির্বাচিত ঔষধ নির্দিষ্ট মাত্রায় প্রয়োগকরা হয়ে থাকে। দ্রুত রেজাল্ট পেতে এবং প্রপার ট্রিটমেন্টের জন্য রেজিস্টার্ড এবং দক্ষ একজন হোমিও চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ

যা যা জেনেছেন

  • কিডনি ফেইলিয়র
  • কিডনি রোগের ঔষধ
  • কিডনি রোগের লক্ষণ কি কি
  • ক্রিয়েটিনিন টেস্ট
  • ক্রিয়েটিনিন কেন বাড়ে
  • ক্রিয়েটিনিন কত হলে ডায়ালাইসিস করতে হয়
  • ক্রিয়েটিনিন ১ ৫
  • পলিসিস্টিক কিডনি রোগ
  • ক্রনিক কিডনি রোগ
  • কিডনি রোগের প্রতিকার
  • কিডনি রোগ কেন হয়
  • কিডনি রোগের কারন
  • কিডনি রোগের চিকিৎসা
  • সিরাম ক্রিয়েটিনিন টেস্ট
  • ক্রিয়েটিনিন কমানোর হোমিও ঔষধ
  • সিরাম ক্রিয়েটিনিন কমানোর উপায়
বিস্তারিত

বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২০

থ্যালাসেমিয়া কি এবং কেন হয়? Thalassemia রোগীর লক্ষণ ও চিকিৎসা

থ্যালাসেমিয়া Thalassemia একটি ব্লাড ডিজ়অর্ডার এবং জিনগত রোগ। বংশ পরম্পরায় শিশুর দেহে বাসা বাঁধে। এই রোগের ফলে শরীরে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা কমতে থাকে। এই রোগে আক্রান্ত রোগীদের রক্তে লোহিত রক্তকণিকা ও হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ মারাত্মক কমে যায়। খুব স্বাভাবিক ভাবেই রক্তাল্পতার সমস্যা দেখা দেয়। যদি বাবা-মা দু'জনেই থ্যালাসেমিয়ার বাহক হন, সে ক্ষেত্রে সন্তান থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত হতে পারে।

থ্যালাসেমিয়া - টাইপ 

  • আলফা থ্যালাসেমিয়া
  • বিটা থ্যালাসেমিয়া
বিটা থ্যালাসেমিয়ার চেয়ে আলফা থ্যালাসেমিয়া কম তীব্র হয়। আলফা থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত রোগীদের উপসর্গ মৃদু বা মাঝারি প্রকৃতির। বিটা থ্যালাসেমিয়ার ক্ষেত্রে রোগের তীব্রতা বেশি। তবে বিশ্বে আলফা থ্যালাসেমিয়ার প্রাদুর্ভাব বেশি।

আলফা থ্যালাসেমিয়া: এর জন্য ১৬ নম্বর ক্রোমোজ়োমে উপস্থিত আলফা-চেন উৎপাদনকারী জিনের মিউটেশন বা ডিলিশন দায়ী। চারটি জিন দিয়ে আলফা থ্যালাসেমিয়া চেন তৈরি হয়। বাবা-মায়ের থেকে প্রাপ্ত চারটির মধ্যে এক বা একাধিক জিন ত্রুটিপূর্ণ হলে আলফা থ্যালাসেমিয়া হয়। জিন যত ত্রুটিপূর্ণ হবে, সমস্যা তত বাড়বে।
  • একটি ত্রুটিপূর্ণ জিন হলে থ্যালাসেমিয়ার কোনও লক্ষণ বা উপসর্গ দেখা যাবে না। তবে আক্রান্ত ব্যক্তির মাধ্যমে তাঁর সন্তানের মধ্যে এই রোগ ছড়াতে পারে। 
  • দু'টি জিন ত্রুটিপূর্ণ হলে হালকা উপসর্গ দেখা যাবে। একে বলে আলফা থ্যালাসেমিয়া মাইনর বা আলফা থ্যালাসেমিয়া ট্রেট। 
  • তিনটি জিন ত্রুটিপূর্ণ হলে থ্যালাসেমিয়ার উপসর্গ মাঝারি থেকে মারাত্মক আকার ধারণ করে। একে বলা হয় হিমোগ্লোবিন এইচ ডিজ়িজ়। 
  • চারটি জিনই ত্রুটিপূর্ণ হলে বলা হয় আলফা থ্যালাসেমিয়া মেজর বা হাইড্রপস ফিটালিস।
বিটা থ্যালাসেমিয়া: ২টি জিন দিয়ে বিটা থ্যালাসেমিয়ার চেন গঠিত হয়। মা-বাবার কাছ থেকে প্রাপ্ত জিন ত্রুটিপূর্ণ হলেই বিটা থ্যালাসেমিয়া হয়ে থাকে।
  • একটি জিন ত্রুটিপূর্ণ হলে কিছুটা কম উপসর্গ দেখা যায়। একে বলা হয় বিটা থ্যালাসেমিয়া মাইনর বা বিটা থ্যালাসেমিয়া ট্রেট। 
  • দু'টি জিন ত্রুটিপূর্ণ হলে মাঝারি থেকে মারাত্মক উপসর্গ দেখা যায়। একে বলে বিটা থ্যালাসেমিয়া মেজর অথবা হাইড্রপস ফিটালিস। 
নবজাতক যে শিশুদের এই সমস্যা থাকে, তারা কিন্তু জন্মের সময়ে বেশ স্বাস্থ্যবান হয়। তবে জন্মের প্রথম দু'বছরের মধ্যেই এর উপসর্গ দেখা দিতে শুরু করে।
থ্যালাসেমিয়া

থ্যালাসেমিয়া - কীভাবে হয় ?

যে কোন সাধারন ব্যাক্তির শরীরে ৪৬ টি ক্রোমোজম থাকে, তার ২৩টি পিতা থেকে এবং বাকি ২৩টি তার মায়ের থেকে আসে। যে কোন ধরনের থ্যালাসেমিয়াই বংশগত হয়, অর্থাৎ কোন পিতা মাতার শরীরের DNA তে থ্যালাসেমিয়া জীন থাকলে, তা তাদের শিশুর শরীরে চলে আসে ও সেই শিশুটি থালাসেমিয়া রোগে আক্রান্ত হয় ।
  • মাতা বা পিতা কারো শরীরেই যদি থ্যালাসেমিয়ার জীন না থাকে, তাহলে শিশুটি সম্পূর্ন সুস্থ হয়
  • যদি মাতা বা পিতার মধ্যে কোন একজনের শরীরে থ্যালাসেমিয়ার জীন থাকে তাহলে, শিশুর থ্যালাসেমিয়া হওয়ার ৫০ শতাংশ সম্ভাবনা থাকে
  • যদি মাতা বা পিতা দুজনের শরীরেই থ্যালাসেমিয়ার জীন থাকে, তাহলে শিশুরও থ্যালাসেমিয়া হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা থাকে

থ্যালাসেমিয়া - লক্ষণসমূহ

  • রক্তাল্পতা বা অ্যানিমিয়া
  • হলদে ত্বক বা জন্ডিস
  • প্লীহা বড় হয়ে যাওয়া
  • লিভার বেরে যায়
  • সংক্রমণ বা ইনফেকশন
  • বুক ধড়ফড় করা
  • অস্বস্তি এবং শ্বাসকষ্ট
  • দুর্বলতা এবং অবসাদ অনুভব
  • হাড়ের গঠন অস্বাভাবিক হয়
  • গাঢ় রঙের প্রস্রাব
  • হৃৎপিণ্ডে সমস্যা
  • মুখ-মন্ডল ফ্যাকাশে হয়ে যাওয়া
  • মুখের হাড়ের বিকৃতি
  • ধীরগতিতে শারীরিক বৃদ্ধি

থ্যালাসেমিয়া - রোগ শনাক্ত

  • এইচপিএলসি - হাই পাওয়ার লিকুইড ক্রোমাটোগ্রাফি
  • কমপ্লিট ব্লাড কাউন্ট
  • ডিএনএ টেস্ট
  • হিমোগ্লোবিন ইলেকট্রোফোরেসিস টেস্ট 
এখানে কমপ্লিট ব্লাড কাউন্ট অর্থাৎ রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে রক্তে লোহিত রক্তকণিকার মাত্রা, লোহিত রক্ত কণিকার আকারের পরিবর্তন, বিবর্ণ লোহিত রক্ত কণিকা, লোহিত রক্ত কণিকায় হিমোগ্লোবিনের অসম থাকা, শিশুর রক্তে আয়রনের পরিমাণ, হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ ইত্যাদি জানা যায়। আবার ডিএনএ টেস্টের মাধ্যমে রোগীর থ্যালাসেমিয়া আছে কিনা অথবা রোগী ত্রটিপূর্ণ হিমোগ্লোবিন জিন বহন করছে কিনা তা নির্ণয় করা যায়। গর্ভস্থ সন্তানের থ্যালাসেমিয়া আছে কিনা তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য কোরিওনিক ভিলিয়াস স্যাম্পলিং, এ্যামনিওসেনটিসিস, ফিটাল ব্লাড স্যাম্পলিং ইত্যাদি পরীক্ষা করা যেতে পারে।

থ্যালাসেমিয়া -  চিকিৎসা 

ব্লাড ট্রান্সফিউশন:- এ ক্ষেত্রে রোগীকে নিয়মিত রক্ত বদলাতে হয়। রক্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে তিনটি ভাগ রয়েছে।
  • সুপার ট্রান্সফিউশন: শিশুর জন্মের প্রথম ছ'মাসের মধ্যে মেজর থ্যালাসেমিয়ার জন্য সুপার ট্রান্সফিউশন প্রোগ্রাম নেওয়া হয়। এ ক্ষেত্রে রক্তে হিমোগ্লোবিন ১২ গ্রাম/ডিএল-এর কমে নামতে দেওয়া হয় না। এই চিকিৎসার ফলে একজন রোগী তিরিশ বছর পর্যন্ত ভাল থাকতে পারেন। 
  • হাইপার ট্রান্সফিউশন: অন্য দিকে পূর্ণবয়স্কদের জন্য প্রয়োগ করা হয় হাইপার ট্রান্সফিউশন। এখানে রক্তে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ ১০ থেকে ১২ গ্রাম/ডিএল-এর মধ্যে রাখা হয়। 
  • সেফ লেভেল: আরও একটি পদ্ধতি হল সেফ লেভেল। এই স্তরে সপ্তাহে এক দিন রোগীকে হিমোগ্লোবিনের লেভেল বা স্তর ধরে রাখতে রক্ত দিতে হয়। 
তবে নিয়মিত রক্ত দেওয়ার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও রয়েছে। এতে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে অতিরিক্ত আয়রন জমে যায়। ফলে যকৃত বিকল হয়ে রোগীর প্রাণনাশের আশঙ্কাও থাকে।

মেডিকেশন ও সাপ্লিমেন্ট-আয়রন সিলেকশন:- দেহের অতিরিক্ত আয়রন বার করে দেওয়ার জন্য আয়রন চিলেটিং দেওয়া হয়ে থাকে। আয়রনযুক্ত খাবার এবং ওষুধ খাওয়া চলবে না। এর সঙ্গে ফলিক অ্যাসিড সাপ্লিমেন্ট হিসেবে দেওয়া হয়ে থাকে। বাড়তি আয়রন শরীর থেকে বার করে দেওয়া যেমন প্রয়োজন, তেমনই নিয়মিত ফলিক অ্যাসিড এবং ক্যালসিয়াম খাওয়াও জরুরি।

প্লীহা ও গল ব্লাডার বাদ:- বারবার রক্ত দেওয়ার ফলে অনেকের প্লীহা বড় হয়ে যায়। তখন সেটি চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে বাদ দিয়ে দেওয়া বাঞ্ছনীয়। অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে গল ব্লাডারও বাদ দেওয়া হয়।

বোন ম্যারো ট্রান্সপ্ল্যান্ট:- অস্থিমজ্জা প্রতিস্থাপন বা বোন ম্যারো ট্রান্সপ্ল্যান্টেশন কার্যকর চিকিৎসা। তবে এই চিকিৎসা পদ্ধতি অনেক জটিল এবং খরচসাপেক্ষ।

হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা :- যেহেতু এটি একটি জেনেটিক বা জিনগত রোগ তাই এই রোগের সব চেয়ে ভালো চিকিৎসা হলো হোমিওপ্যাথি। এ ক্ষেত্রে রিয়েল হোমিপ্যাথিক থেরাপিউটিক সিস্টেমে চিকিৎসা দিলে আশানুরূপ ফলাফল নিয়ে আসা যায়। এ ক্ষেত্রে চিকিৎসক রোগীর এবং তার পিতা-মাতা, দাদা-দাদি, নানা-নানী অর্থাৎ পারিবারিক হিস্ট্রি নিয়ে চিকিৎসা শুরু করবেন। পেসেন্টের অভিভাবকের উচিত কেইস টেকিং এর সময় যথাযথ তথ্যাদি দিয়ে চিকিৎসককে সহায়তা করা। এতে খুব দ্রুত কাংখিত ফলাফল পাওয়া যায়। তবে এর জন্য রিয়েল হোমিপ্যাথিক থেরাপিউটিক সিস্টেমে দক্ষ একজন হোমিও চিকিৎসক খুঁজে বের করুন।

যা যা জেনেছেন 

  • থ্যালাসেমিয়া কি
  • থ্যালাসেমিয়া রোগীর লক্ষণ
  • থ্যালাসেমিয়ার লক্ষণ
  • থ্যালাসেমিয়া রোগের কারন
  • থ্যালাসেমিয়া কি কারনে হয়
  • থ্যালাসেমিয়া রোগ কেন হয়
  • থ্যালাসেমিয়া রোগীর বিয়ে
  • থ্যালাসেমিয়া রোগীর খাবার
  • থ্যালাসেমিয়া ডাক্তার
  • থ্যালাসেমিয়া পরীক্ষা
  • হিমোগ্লোবিন ই বিটা থ্যালাসেমিয়া
  • থ্যালাসেমিয়া টেস্ট
  • থ্যালাসেমিয়া হাসপাতাল
  • থ্যালাসেমিয়া চিকিৎসা
  • থ্যালাসেমিয়া কি ধরনের রোগ
বিস্তারিত

রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২০

অ্যাকিউট ও ক্রনিক প্যানক্রিয়াটাইটিস! অগ্ন্যাশয় বা প্যানক্রিয়াস প্রদাহের কারণ লক্ষণ জটিলতা চিকিৎসা

কোন কারণে আমাদের প্যানক্রিয়াস বা অগ্ন্যাশয়ে প্রদাহ হলে তাকে প্যানক্রিয়াটাইটিস Pancreatitis বলা হয়ে থাকে।প্যানক্রিয়াস দেহের খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ। এর অবস্থান পেটের ভেতর পাকস্থলীর পেছনে, যার ওজন প্রায় ৮০ গ্রামের মতো। প্যানক্রিয়াসের কাজ হল দু'টি। একটি হলো পাচক রস বা এনজ়াইম তৈরি করা। যা আমাদের খাবার হজম করতে সাহায্য করে। শর্করা, আমিষ এবং স্নেহ এই তিন ধরনের খাবার হজমেই সাহায্য করে অগ্ন্যাশয়ে তৈরি হওয়া এই উৎসেচক। প্যানক্রিয়াসের সঙ্গে আবার কিছু ডাক্টের মাধ্যমে ইনটেস্টাইন বা অন্ত্রের সংযোগ থাকে। যেগুলি দিয়ে প্যানক্রিয়াসে তৈরি পাচক রস অন্ত্রে পৌঁছয়। তার পরেই খাবার হজমের প্রক্রিয়া শুরু হয়। একে এক্সোক্রিন প্যানক্রিয়াস বলে। প্যানক্রিয়াসের আর একটি কাজ হল ইনসুলিন বা ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণকারী হরমোন তৈরি করা। একে এন্ডোক্রিন প্যানক্রিয়াস বলে।  

সাধারণত পাচক রস বা এনজ়াইমস তৈরি হওয়ার পরে তা প্যানক্রিয়াসে নিষ্ক্রিয় অবস্থায় থাকে। অন্ত্রে পৌঁছনোর পরেই সেগুলি সক্রিয় হয়। এবং খাবার হজমের ক্ষমতা তৈরি হয়। কিন্তু কোনও কারণে যদি প্যানক্রিয়াসে থাকা অবস্থাতেই এনজ়াইমগুলি সক্রিয় হয়ে ওঠে, তখন তা প্যানক্রিয়াস গ্ল্যান্ডকেই হজম করতে শুরু করে। হজম করার এই প্রক্রিয়ার ফলে ইনফ্ল্যামেটরি মিডিয়েটর বেরোয়। যা ইনফ্ল্যামেশন বা প্রদাহে সাহায্য করে। অগ্ন্যাশয়ের এই প্রদাহকেই প্যানক্রিয়াটাইটিস বলে। প্যানক্রিয়াসের প্রদাহ দুই রকমভাবে হতে পারে-
  • অ্যাকিউট প্যানক্রিয়াটাইটিস
  • ক্রনিক প্যানক্রিয়াটাইটিস
অ্যাকিউট প্যানক্রিয়াটাইটিস:-  যে সকল কারণে উপরের পেটে মাঝারি হতে তীব্র ব্যথা হয় সেগুলির মধ্যে অ্যাকিউট প্যানক্রিয়াটইটিস বা প্যানক্রিয়াসের আকস্মিক তীব্র প্রদাহ অন্যতম। কোন কারণে আমাদের প্যানক্রিয়াসে আকস্মিক তীব্র প্রদাহ ঘটলে তাকে অ্যাকিউট প্যানক্রিয়াটাইটিস বলা হয়ে থাকে। এর ফলে কিডনি কাজ করা বন্ধ করে দিতে পারে বা হার্টফেল হতে পারে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে অ্যাকুইট প্যানক্রিয়াটাইটিসের প্রধান কারণ পিত্তনালির পাথর বা গলস্টোন। এ ছাড়া অতিরিক্ত মদ্যপান, রক্তে ক্যালসিয়ামের মাত্রা বৃদ্ধি, ডায়াবেটিস, অগ্ন্যাশয়ে আঘাত, এলোপ্যাথিক ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, অতিরিক্ত ওজন, সার্জারি, ইনফেকশন, জন্মগত ত্রুটি, আলসার বা জিনগত কারণেও অগ্ন্যাশয়ের প্রদাহ হতে পারে। তবে অনেক ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কোন কারণ খুঁজে পাওয়া যায় না ।

ক্রনিক প্যানক্রিয়াটাইটিস:- প্রচুর মদ্যপানের কারণে দীর্ঘমেয়াদী বা ক্রনিক প্যানক্রিয়াটিটিস দেখা দেয়। এটা দীর্ঘসময় ধরে থাকে এবং রিয়েল হোমিওপ্যাথিক ট্রিটমেন্ট ছাড়া এর ঠিক হওয়ার সম্ভাবনাও খুবই কম থাকে। ক্রনিক প্যানক্রিয়াটাইটিস রোগীর ঘন ঘন পেটে ব্যথা হয়। খাদ্য হজম হয় না। ওজন কমে যায়। ফেনাযুক্ত পায়খানা হয়। ডায়াবেটিস হতে পারে।
অ্যাকিউট ও ক্রনিক প্যানক্রিয়াটাইটিস

প্যানক্রিয়াটাইটিস - লক্ষণ ও উপসর্গ

  • পেটের উপরিভাগে এবং পিঠে তীব্র ব্যথা
  • পেট ফুলে যাওয়া।
  • বমি বমি ভাব
  • বমি হওয়া
  • দ্রুত হৃদস্পন্দন
  • তীব্র ব্যথার সঙ্গে বমি হতে পারে
  • অনেক ক্ষেত্রেই রোগী অজ্ঞান হয়ে যায়
  • জ্বর হওয়া
  • ডায়েরিয়া হওয়া
  • ওজন কমে যাওয়া
  • অতিরিক্ত ঘাম হওয়া
  • অগ্নাশয় বা পিত্তনালি বন্ধ হয়ে যাওয়া
  • পিত্তনালি সরু হয়ে গেলে জন্ডিস দেখা দিতে পারে
  • হঠাৎ প্রদাহে রোগী মারাও যেতে পারে

প্যানক্রিয়াটাইটিস - কারণগুলি কি কি

  • মদ্যপান
  • গলব্লাডারে পাথর
  • অগ্নাশয়ের বংশগত সমস্যা
  • এলোপ্যাথিক ঔষধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া যেমন : স্টেরয়েড
  • পেটে আঘাত পাওয়া
  • প্যানক্রিয়াটিক ক্যান্সার
  • হাইপারগ্লাইসেমিয়া এবং হাইপারট্রাইগ্লাইসেরিডেমিয়া
  • মাম্পস

প্যানক্রিয়াটাইটিস - রোগ নির্ণয়

  • রক্তে অ্যামাইলেজের মাত্রা
  • আল্ট্রাসাউন্ড
  • কিছু ক্ষেত্রে সিটিস্ক্যান
  • কিছু ক্ষেত্রে ইআরসিপি

প্যানক্রিয়াটাইটিস - জটিলতা

  • অগ্ন্যাশয়ের ক্ষতিগ্রস্ত কোষে ঘা বা ফোঁড়া তৈরি হওয়া
  • শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি দেখা দেওয়ার কারণে খিঁচুনি হওয়া
  • অগ্ন্যাশয়-সংলগ্ন অন্ত্রনালি সরু হয়ে যাওয়া
  • অগ্ন্যাশয় ক্ষতিগ্রস্ত হলে উৎপন্ন তরল পদার্থ জমে জমে এক ধরনের সিস্ট Psendocyst তৈরি করে
  • জটিলতা হিসেবে রোগীর ডায়াবেটিসও হতে পারে
  • শ্বাসতন্ত্র আক্রান্ত হয়ে শ্বাসকষ্ট শুরু হতে পারে
  • অন্যান্য অঙ্গের কার্যকারিতা নষ্ট হতে পারে যেমন : কিডনি বিকল হওয়া, লিভার বিকল হওয়া ইত্যাদি
  • পিত্তনালি বন্ধ হয়ে গিয়ে জন্ডিস হতে পারে
  • ভালো হয়ে যাওয়ার পরও অনেক রোগী দীর্ঘমেয়াদি ধীরগতির প্রদাহে আক্রান্ত হতে পারে। সঠিক সময়ে রোগনির্ণয় এবং চিকিৎসা শুরু না হলে রোগী মারা যেতে পারে।

প্যানক্রিয়াটাইটিস - চিকিৎসা

এটি একটি জটিল প্রকৃতির সমস্যা। অগ্ন্যাশয়ে হঠাৎ প্রদাহ একটি জরুরি অবস্থা। যত দ্রুত সম্ভব হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা শুরু করতে হয়। মনে রাখতে হবে, আইসিইউ-এর ব্যবস্থা রয়েছে, এমন হাসপাতালে রোগীকে ভর্তি করা ভাল। কারণ এ সময়ে হঠাৎই রোগীর বিভিন্ন অঙ্গ বিকল হতে শুরু করে, শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা দেখা দিতে পারে। সে ক্ষেত্রে আইসিইউ বা সিসিইউ জরুরি। পিত্তে পাথরের জন্য এই রোগ হলে অস্ত্রোপচার বাধ্যতামূলক হয়ে পড়ে। তবে প্যানক্রিয়াটাইটিস সারিয়ে নিয়ে তবেই অস্ত্রোপচার করতে হবে।

কেউ যদি বারবার অ্যাকিউট প্যানক্রিয়াটাইটিসে আক্রান্ত হন, তখন প্যানক্রিয়াস ক্ষতিগ্রস্ত হতে থাকে। সে ক্ষেত্রে প্রপার হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা ভালো ফলাফল বয়ে আনে। দেখা যায় যারা এই সমস্যায় আক্রান্ত হন তাদের কিছু দিন পর পরই হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়। এর চিকিৎসায় বিভিন্ন কারণে সার্জারি করার পরামর্শ দিয়ে থাকে এলোপ্যাথিক চিকিৎসকগণ কিন্তু এক্ষেত্রে এর চিকিৎসা বেশ ব্যয়বহুল। তবে আপনি হয়তো জেনে স্বস্তি পাবেন যে - প্যানক্রিয়াটাইটিস এর মতো জটিল প্রকৃতির রোগের অসাধারণ চিকিৎসা রয়েছে রিয়েল হোমিওপ্যাথিক থেরাপিউটিক সিস্টেমে। তবে এর জন্য অবশ্যই দক্ষ একজন হোমিও চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করবেন আশা করি নিরাশ হবেন না ইনশা-আল্লাহ। প্যানক্রিয়াটাইটিসে আক্রান্তদের ক্ষেত্রে যে ত্রুটি প্রকট থাকে তার মধ্যে প্রধান হলো PRS - Post Rabies Syndromeএক্ষেত্রে হিস্ট্রি নিলে পোস্ট রেবিস সিন্ড্রম দোষে দোষ্ট কোন না কোন তথ্য উঠে আসে। আসুন এ সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিই..

পোস্ট রেবিস সিন্ড্রম যাদের ক্ষেত্রে প্রিডোমিনেন্ট

যেকোন Animal Bite (Dogs, Cats, Bates, Snakes etc) এবং ঐ Bite এর কারণে চিকিৎসায় ব্যবহৃত Vaccine বা টিকা জনিত সমস্যা, পরবর্তী সময়ে এবং পরবর্তী প্রজন্মগুলিতে যেসকল জটিল পরিস্থিতি তথা বিভিন্ন অস্বাভাবিক এবং ভয়ঙ্কর সমস্যার সৃষ্টি হয়, সেগুলিকে একত্রে Post Rabies Syndrome (PRS) আখ্যা দেয়া হয়েছে।
  • এই বিষে বিষাক্ত Zygote থেকে সৃষ্ট শিশু, কখনো কখনো মাকে গর্ভাবস্থায় ভীষণ কষ্ট দেয় অর্থাৎ গর্ভাবস্থায় মা ভীষণ কষ্ট ভোগ করেন যদিও সব ক্ষেত্রে এমনটি হয় না।
  • এই বিষাক্ত Zygote থেকে সৃষ্ট শিশু মারাত্মক দৈহিক ত্রুটি নিয়ে জন্ম নেয়, অবস্থা এমন ভয়ঙ্কর থাকে যে জন্ম নেয়ার সঙ্গে সঙ্গে NICU তে ভর্তি করতে হয়, কাউকে আবার তক্ষনি অপারেশন করতে হয়, যেমন CDH - Congenital Diaphragmatic Hernia, শিশু জন্ম নিয়েছে কিন্তু মলদ্বার হয়নি ইত্যাদি।
  • শিশু জন্ম নেয়ার আগের মুহূর্তে মায়ের পানি ভেঙে গিয়ে এমন ভযঙ্কর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল যে শিশুটিকে তক্ষনি পেট কেটে (Cesarean Section) না করলে মারা যেত।
  • শিশুটি মায়ের পেট থেকে বেরিয়ে এসেছিলো নীলবর্ণ, মৃতপ্রায় অবস্থায়, বাঁচবার কোন আশাই ছিল না।
  • এর আগে দুটি শিশু যথাক্রমে তিন মাসে এবং পাঁচ মাসে নষ্ট হয়ে গেছে। অনেক চিকিৎসার পর এই শিশুটি মৃতপ্রায় হয়ে জন্মেছে।
  • আবার এমন বিষাক্ত Zygote থেকে সৃষ্ট শিশু জন্ম নিয়েছে দুরারোগ্য Genetic Disease নিয়ে যেমনঃ Down Syndrome, Cerebral palsy, Autism, Juvenile Diabetes mellitus, Gilbert Syndrome, Thalaseemia, Hemophilia, Huntington's Chorea, SLE (Systemic lupus erythrematosus), Psoriasis, Neurofibromatosis, Congenital Heart Diseases etc.
  • কখনো এমন বিষাক্ত Zygote থেকে সৃষ্ট শিশু Pancreas এর তীব্র সমস্যা নিয়ে জন্মায়। এই সমস্যা পরবর্তী সময়ে Acute pancreatitis, Chronic pancreatitis, Pancreatic carcinoma ইত্যাদি রূপে প্রকাশ পায়।
  • Post Rabies Syndrome (PRS) প্রকট, এমন শিশুরা মায়ের গর্ভে অবস্থান কালে মাকে ভীষণ কষ্ট দেয়, Neonatal period এও মাকে ভীষণ কষ্ট দেয় যেমনঃ দিবারাত্র ভীষণ কান্না, যার জন্য মায়ের খাওয়া-ঘুম থাকে না, আবার হঠাৎ হঠাৎ এমন ভয়ংকর অসুস্থ হয়ে যায় যে চিকিৎসকের নির্দেশে তক্ষনি হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়। এই সকল শিশু অপ্রতুল Vital Force নিয়ে জন্মায় যার কারণে তাদের Immune System খুব দুর্বল থাকে ফলে এরা খুব সহজেই বিভিন্ন Infectious disease (Severe Pneumonia, Bronchitis, Typhoid, Gastroenteritis, Cold, Cough, Fever, Measles, Mumps, Pox, Tonsillitis, Cholera, Malaria etc) এ আক্রান্ত হয় এবং প্রত্যেকটি Infectious disease ই দ্রুত ভয়ঙ্কর রূপ নেয়।
  • আবার এমনও হতে পারে যে জন্মের সময় একটু সমস্যা ছিল বা ছিল না কিন্তু কিছু দিন পর ক্যান্সার বা ক্যান্সারের মতো ভয়ঙ্কর রোগ শুরু হলো।
এছাড়া সারাটা জীবন একটা না একটা সমস্যা লেগেই থাকে, সুস্থতার আনন্দ সৃষ্টিকর্তা তাদের জন্য মঞ্জর করেননি। এদের বয়স যত বাড়তে থাকে এদের রোগের জটিলতাও বাড়তে থাকে, কারণ PRS প্রকট এমন শিশু বা মানুষেরা যখন কোন দৈহিক বা মানুষিক সমস্যার চিকিৎসার জন্য বিভিন্ন Therapeutic System এর চিকিৎসকের কাছে যান, তারা Symptomatic বা উপরি উপরি চিন্তা করে লক্ষণ ভিত্তিক চিকিৎসা দিয়ে তাৎক্ষণিক আরাম দিয়ে পেসেন্টকে সন্তুষ্ট করেন কিন্তু যে কারণে ঐ কষ্টকর লক্ষণগুলির সৃষ্টি, সেটির কোন প্রতিকার করা হয় না বলে মূল সমস্যা জটিল থেকে জটিলতর এবং সবশেষে জটিলতম অবস্থায় পৌঁছায়। তখন চিকিৎসকরা বলেন - "বয়স হয়েছে, আমরাও যথাসাধ্য চেষ্টা করেছি, বাড়িতে নিয়ে গিয়ে ভালোমন্দ খেতে দিন।"

এছাড়া Post Rabies Syndrome (PRS) প্রকট নিয়ে জন্মানো শিশুদের মধ্যে বিভিন্ন অস্বাভাবিকতা দেখা যায় যেমন -
  • ভয়ঙ্কর দৈহিক পরিস্থিতি নিয়ে শিশুটি ভুমিষ্ঠ হয়েছে
  • জন্মাবার পর দীর্ঘক্ষণ কান্না করেনি, এমনকি অনেক চেষ্টার পরও
  • দীর্ঘক্ষণ পায়খানা প্রস্রাব করেনি
  • স্তনপান করেনি বরং বলা ভালো স্তনপান করবার শক্তিটুকু ছিল না
  • মস্তিষ্কে বা অন্য কোন অঙ্গে বড় টিউমার নিয়ে জন্মেছে
  • অসামঞ্জস্য দৈহিক গড়ন
  • শিশুটি ভূমিষ্ঠ হয়েছে দাঁত, চুল, দাঁড়ি, গোঁফ ইত্যাদি নিয়ে
  • জন্ম সময়ে শিশুটির মলদ্বার ছিল না
  • শিশুটি জন্মেছে মাথাটি অস্বাভাবিক বড়
  • এমন বিপদজনক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় যে EDD [Expected date of delivery] এর ১ থেকে ২ মাস পূর্বেই গর্ভের শিশুকে বের করে নিতে হয় (Cesarean Section) অন্যথায় শিশুটির জীবন সংশয় দেখা দিতে পারে
  • শিশুটি জন্ম নেয়ার পর থেকে বা ১-২ দিন পর থেকে দিবারাত্র অবিরাম কান্না দীর্ঘদিন ধরে, কোন কিছুতেই কান্না বন্ধ হতো না, বেদনানাশক বা অচেতন করার ঔষধ না দিলে
এছাড়া আরো যে যে কারণে Post Rabies Syndrome (PRS) সদৃশ পরিস্থিতি তৈরী হয় -
  • শিশুটি গর্ভে আসার আগে বাবা অথবা মা খুব কঠিন রোগের জন্য প্রচুর ঔষধ খেয়েছিলেন
  • শিশুটি জন্মগ্রহণ করার পর বাবা অথবা মায়ের ক্যান্সার ধরা পড়েছে
  • এই শিশুটি গর্ভে আসার পূর্বে পরপর তিনবার বিভিন্ন সময়ে বা মাসে Spontaneous Abortion হয়েছে বলে প্রচুর ঔষধ খাওয়ার পর এই শিশুটি জন্মেছে
  • গর্ভের শিশুটিকে অনাকাঙ্খিত মনে করে বিভিন্ন ঔষধ খেয়ে Induced Abortion করার চেষ্টা হয়েছিল কিন্তু গর্ভপাত হয়নি
  • পাঁচ বছর আগে বিয়ে হলেও কোন সন্তান হয়নি বলে প্রচুর ঔষধ খেয়ে এই শিশুটি জন্মেছে
  • বিষধর সাপের দংশন এবং দংশনজনিত চিকিৎসার পর বিভিন্ন জটিল সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে
  • মায়ের ছোট বেলা অর্থাৎ প্রথম মাসিকের আগে থেকেই সাদা স্রাবের সমস্যা ছিল
  • মায়ের প্রথম মাসিকে প্রচন্ড ব্যথা (Dysmenorrhoea) ছিল।

প্যানক্রিয়াটাইটিস - সাবধানতা

ক্রনিক প্যানক্রিয়াটাইটিস হলে চর্বিজাতীয় খাবার যেমন ডিম, দুধ, রেড মিট এড়িয়ে চলতে হবে। তেল জাতীয় খাবার বা ভাজাভুজিও চলবে না। ধূমপান এবং মদ্যপানও বন্ধ করতে হবে। 
  • পেনক্রিয়াস কি
  • অগ্নাশয়ের অবস্থান
  • অগ্নাশয় ইনফেকশন
  • পেনক্রিয়াস পাথর
  • প্যানক্রিয়াস ইনফেকশন
  • প্যানক্রিয়াটাইটিস রোগীর খাদ্য
  • ক্রনিক প্যানক্রিয়াটাইটিস
  • প্যানক্রিয়াটাইটিস ক্যান্সার
  • অ্যাকিউট প্যানক্রিয়াটাইটিস
  • প্যানক্রিয়াটাইটিস বিশেষজ্ঞ
  • প্যানক্রিয়াস ইনফেকশন
  • অগ্নাশয় ভালো রাখার উপায়
বিস্তারিত