Dr. Imran ডাঃ দেলোয়ার জাহান ইমরান ➤ ডিএইচএমএস - বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল; ঢাকা
➤ ডিএমএস(অ্যালো), বিএসসি এন্ড এমএসসি(ফিজিক্স) - ঢাকা
➤ রেজিস্টার্ড হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক(রেজিঃ নং-৩৩৪৪২)
➤ বিশেষত্বঃ গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি, ইউরোলজি, গাইনিকোলজি (হোমিও মেডিসিন)
➤ আনোয়ার টাওয়ার, আল-আমিন রোড, কোনাপাড়া, যাত্রাবাড়ী-ডেমরা রোড, ঢাকা।
➤ ফোন : +৮৮ ০১৬৭১-৭৬০৮৭৪ এবং ০১৯৭৭-৬০২০০৪
E-mail : delowaridb@gmail.com
➤ প্রোফাইল ➤ ফেইসবুক ➤ ইউটিউব

সাম্প্রতিক আপডেট

জন্মগত ত্রুটি

শিশুর জন্মগত ত্রুটি এবং মারাত্মক রোগ ব্যাধির কার্যকর চিকিৎসা

ডায়াবেটিস

ডায়াবেটিস নির্মূলের ম্যাজিক থেরাপি এবং হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা

ভেরিকোসিল

ভেরিকোসিলের অপারেশনবিহীন স্থায়ী চিকিৎসা হোমিওপ্যাথি

আইবিএস

পেটের পীড়া আইবিএস নির্মূলের স্থায়ী চিকিৎসা হোমিওপ্যাথি

আইবিডি

পরিপাক তন্ত্রের পীড়া আইবিডি নির্মূলের চিকিৎসা হোমিওপ্যাথি

মলদ্বারের রোগ

পাইলস, এনাল ফিশার এবং ফিস্টুলা সমস্যায় হোমিওপ্যাথি

গ্যাংরিন

গ্যাংরিন বা পচনশীল ক্ষত নিরাময়ে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা

পুরুষদের স্বাস্থ্য

পেটের পীড়া আইবিএস নির্মূলের স্থায়ী চিকিৎসা হোমিওপ্যাথি।

নারী স্বাস্থ্য স্ত্রীরোগ
নারীদের অর্থাৎ স্ত্রীরোগ সম্পর্কিত বিষয়াবলী
মা ও শিশু স্বাস্থ্য
মা ও শিশু স্বাস্থ্য সম্পর্কিত বিষয়াবলী
পুরুষদের স্বাস্থ্য
পুরুষদের স্বাস্থ্য সম্পর্কিত বিষয়াবলী
রোগ-ব্যাধি অসুখবিসুখ
নানা প্রকার রোগ-ব্যাধি সম্পর্কিত বিষয়াবলী
স্বাস্থ্য বিষয়ক টিপস
স্বাস্থ্য সম্পর্কিত যাবতীয় টিপস ও ট্রিকস

সাম্প্রতিক আপডেট

বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২০

থ্যালাসেমিয়া কি এবং কেন হয়? Thalassemia রোগীর লক্ষণ ও চিকিৎসা

থ্যালাসেমিয়া Thalassemia একটি ব্লাড ডিজ়অর্ডার এবং জিনগত রোগ। বংশ পরম্পরায় শিশুর দেহে বাসা বাঁধে। এই রোগের ফলে শরীরে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা কমতে থাকে। এই রোগে আক্রান্ত রোগীদের রক্তে লোহিত রক্তকণিকা ও হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ মারাত্মক কমে যায়। খুব স্বাভাবিক ভাবেই রক্তাল্পতার সমস্যা দেখা দেয়। যদি বাবা-মা দু'জনেই থ্যালাসেমিয়ার বাহক হন, সে ক্ষেত্রে সন্তান থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত হতে পারে।

থ্যালাসেমিয়া - টাইপ 

  • আলফা থ্যালাসেমিয়া
  • বিটা থ্যালাসেমিয়া
বিটা থ্যালাসেমিয়ার চেয়ে আলফা থ্যালাসেমিয়া কম তীব্র হয়। আলফা থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত রোগীদের উপসর্গ মৃদু বা মাঝারি প্রকৃতির। বিটা থ্যালাসেমিয়ার ক্ষেত্রে রোগের তীব্রতা বেশি। তবে বিশ্বে আলফা থ্যালাসেমিয়ার প্রাদুর্ভাব বেশি।

আলফা থ্যালাসেমিয়া: এর জন্য ১৬ নম্বর ক্রোমোজ়োমে উপস্থিত আলফা-চেন উৎপাদনকারী জিনের মিউটেশন বা ডিলিশন দায়ী। চারটি জিন দিয়ে আলফা থ্যালাসেমিয়া চেন তৈরি হয়। বাবা-মায়ের থেকে প্রাপ্ত চারটির মধ্যে এক বা একাধিক জিন ত্রুটিপূর্ণ হলে আলফা থ্যালাসেমিয়া হয়। জিন যত ত্রুটিপূর্ণ হবে, সমস্যা তত বাড়বে।
  • একটি ত্রুটিপূর্ণ জিন হলে থ্যালাসেমিয়ার কোনও লক্ষণ বা উপসর্গ দেখা যাবে না। তবে আক্রান্ত ব্যক্তির মাধ্যমে তাঁর সন্তানের মধ্যে এই রোগ ছড়াতে পারে। 
  • দু'টি জিন ত্রুটিপূর্ণ হলে হালকা উপসর্গ দেখা যাবে। একে বলে আলফা থ্যালাসেমিয়া মাইনর বা আলফা থ্যালাসেমিয়া ট্রেট। 
  • তিনটি জিন ত্রুটিপূর্ণ হলে থ্যালাসেমিয়ার উপসর্গ মাঝারি থেকে মারাত্মক আকার ধারণ করে। একে বলা হয় হিমোগ্লোবিন এইচ ডিজ়িজ়। 
  • চারটি জিনই ত্রুটিপূর্ণ হলে বলা হয় আলফা থ্যালাসেমিয়া মেজর বা হাইড্রপস ফিটালিস।
বিটা থ্যালাসেমিয়া: ২টি জিন দিয়ে বিটা থ্যালাসেমিয়ার চেন গঠিত হয়। মা-বাবার কাছ থেকে প্রাপ্ত জিন ত্রুটিপূর্ণ হলেই বিটা থ্যালাসেমিয়া হয়ে থাকে।
  • একটি জিন ত্রুটিপূর্ণ হলে কিছুটা কম উপসর্গ দেখা যায়। একে বলা হয় বিটা থ্যালাসেমিয়া মাইনর বা বিটা থ্যালাসেমিয়া ট্রেট। 
  • দু'টি জিন ত্রুটিপূর্ণ হলে মাঝারি থেকে মারাত্মক উপসর্গ দেখা যায়। একে বলে বিটা থ্যালাসেমিয়া মেজর অথবা হাইড্রপস ফিটালিস। 
নবজাতক যে শিশুদের এই সমস্যা থাকে, তারা কিন্তু জন্মের সময়ে বেশ স্বাস্থ্যবান হয়। তবে জন্মের প্রথম দু'বছরের মধ্যেই এর উপসর্গ দেখা দিতে শুরু করে।
থ্যালাসেমিয়া

থ্যালাসেমিয়া - কীভাবে হয় ?

যে কোন সাধারন ব্যাক্তির শরীরে ৪৬ টি ক্রোমোজম থাকে, তার ২৩টি পিতা থেকে এবং বাকি ২৩টি তার মায়ের থেকে আসে। যে কোন ধরনের থ্যালাসেমিয়াই বংশগত হয়, অর্থাৎ কোন পিতা মাতার শরীরের DNA তে থ্যালাসেমিয়া জীন থাকলে, তা তাদের শিশুর শরীরে চলে আসে ও সেই শিশুটি থালাসেমিয়া রোগে আক্রান্ত হয় ।
  • মাতা বা পিতা কারো শরীরেই যদি থ্যালাসেমিয়ার জীন না থাকে, তাহলে শিশুটি সম্পূর্ন সুস্থ হয়
  • যদি মাতা বা পিতার মধ্যে কোন একজনের শরীরে থ্যালাসেমিয়ার জীন থাকে তাহলে, শিশুর থ্যালাসেমিয়া হওয়ার ৫০ শতাংশ সম্ভাবনা থাকে
  • যদি মাতা বা পিতা দুজনের শরীরেই থ্যালাসেমিয়ার জীন থাকে, তাহলে শিশুরও থ্যালাসেমিয়া হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা থাকে

থ্যালাসেমিয়া - লক্ষণসমূহ

  • রক্তাল্পতা বা অ্যানিমিয়া
  • হলদে ত্বক বা জন্ডিস
  • প্লীহা বড় হয়ে যাওয়া
  • লিভার বেরে যায়
  • সংক্রমণ বা ইনফেকশন
  • বুক ধড়ফড় করা
  • অস্বস্তি এবং শ্বাসকষ্ট
  • দুর্বলতা এবং অবসাদ অনুভব
  • হাড়ের গঠন অস্বাভাবিক হয়
  • গাঢ় রঙের প্রস্রাব
  • হৃৎপিণ্ডে সমস্যা
  • মুখ-মন্ডল ফ্যাকাশে হয়ে যাওয়া
  • মুখের হাড়ের বিকৃতি
  • ধীরগতিতে শারীরিক বৃদ্ধি

থ্যালাসেমিয়া - রোগ শনাক্ত

  • এইচপিএলসি - হাই পাওয়ার লিকুইড ক্রোমাটোগ্রাফি
  • কমপ্লিট ব্লাড কাউন্ট
  • ডিএনএ টেস্ট
  • হিমোগ্লোবিন ইলেকট্রোফোরেসিস টেস্ট 
এখানে কমপ্লিট ব্লাড কাউন্ট অর্থাৎ রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে রক্তে লোহিত রক্তকণিকার মাত্রা, লোহিত রক্ত কণিকার আকারের পরিবর্তন, বিবর্ণ লোহিত রক্ত কণিকা, লোহিত রক্ত কণিকায় হিমোগ্লোবিনের অসম থাকা, শিশুর রক্তে আয়রণ ও লৌহের পরিমাণ, হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ ইত্যাদি জানা যায়। আবার ডিএনএ টেস্টের মাধ্যমে রোগীর থ্যালাসেমিয়া আছে কিনা অথবা রোগী ত্রটিপূর্ণ হিমোগ্লোবিন জিন বহন করছে কিনা তা নির্ণয় করা যায়। গর্ভস্থ সন্তানের থ্যালাসেমিয়া আছে কিনা তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য কোরিওনিক ভিলিয়াস স্যাম্পলিং, এ্যামনিওসেনটিসিস, ফিটাল ব্লাড স্যাম্পলিং ইত্যাদি পরীক্ষা করা যেতে পারে।

থ্যালাসেমিয়া -  চিকিৎসা 

ব্লাড ট্রান্সফিউশন:- এ ক্ষেত্রে রোগীকে নিয়মিত রক্ত বদলাতে হয়। রক্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে তিনটি ভাগ রয়েছে। শিশুর জন্মের প্রথম ছ'মাসের মধ্যে মেজর থ্যালাসেমিয়ার জন্য সুপার ট্রান্সফিউশন প্রোগ্রাম নেওয়া হয়। এ ক্ষেত্রে রক্তে হিমোগ্লোবিন ১২ গ্রাম/ডিএল-এর কমে নামতে দেওয়া হয় না। এই চিকিৎসার ফলে একজন রোগী তিরিশ বছর পর্যন্ত ভাল থাকতে পারেন। অন্য দিকে পূর্ণবয়স্কদের জন্য প্রয়োগ করা হয় হাইপার ট্রান্সফিউশন। এখানে রক্তে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ ১০ থেকে ১২ গ্রাম/ডিএল-এর মধ্যে রাখা হয়। আরও একটি পদ্ধতি হল সেফ লেভেল। এই স্তরে সপ্তাহে এক দিন রোগীকে হিমোগ্লোবিনের লেভেল বা স্তর ধরে রাখতে রক্ত দিতে হয়। তবে নিয়মিত রক্ত দেওয়ার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও রয়েছে। এতে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে অতিরিক্ত আয়রন জমে যায়। ফলে যকৃত বিকল হয়ে রোগীর প্রাণনাশের আশঙ্কাও থাকে।

মেডিকেশন ও সাপ্লিমেন্ট-আয়রন সিলেকশন:- দেহের অতিরিক্ত আয়রন বার করে দেওয়ার জন্য আয়রন চিলেটিং দেওয়া হয়ে থাকে। আয়রনযুক্ত খাবার এবং ওষুধ খাওয়া চলবে না। এর সঙ্গে ফলিক অ্যাসিড সাপ্লিমেন্ট হিসেবে দেওয়া হয়ে থাকে। বাড়তি আয়রন শরীর থেকে বার করে দেওয়া যেমন প্রয়োজন, তেমনই নিয়মিত ফলিক অ্যাসিড এবং ক্যালসিয়াম খাওয়াও জরুরি।

প্লীহা ও গল ব্লাডার বাদ:- বারবার রক্ত দেওয়ার ফলে অনেকের প্লীহা বড় হয়ে যায়। তখন সেটি চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে বাদ দিয়ে দেওয়া বাঞ্ছনীয়। অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে গল ব্লাডারও বাদ দেওয়া হয়।

বোন ম্যারো ট্রান্সপ্ল্যান্ট:- অস্থিমজ্জা প্রতিস্থাপন বা বোন ম্যারো ট্রান্সপ্ল্যান্টেশন কার্যকর চিকিৎসা। তবে এই চিকিৎসা পদ্ধতি অনেক জটিল এবং খরচসাপেক্ষ।

হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা :- যেহেতু এটি একটি জেনেটিক বা জিনগত রোগ তাই এই রোগের সব চেয়ে ভালো চিকিৎসা হলো হোমিওপ্যাথি। এ ক্ষেত্রে রিয়েল হোমিপ্যাথিক থেরাপিউটিক সিস্টেমে চিকিৎসা দিলে আশানুরূপ ফলাফল নিয়ে আসা যায়। এ ক্ষেত্রে চিকিৎসক রোগীর এবং তার পিতা-মাতা, দাদা-দাদি, নানা-নানী অর্থাৎ পারিবারিক হিস্ট্রি নিয়ে চিকিৎসা শুরু করবেন। পেসেন্টের অভিভাবকের উচিত কেইস টেকিং এর সময় যথাযথ তথ্যাদি দিয়ে চিকিৎসককে সহায়তা করা। এতে খুব দ্রুত কাংখিত ফলাফল পাওয়া যায়। তবে এর জন্য রিয়েল হোমিপ্যাথিক থেরাপিউটিক সিস্টেমে দক্ষ একজন হোমিও চিকিৎসক খুঁজে বের করুন।

যা যা জেনেছেন 

  • থ্যালাসেমিয়া কি
  • থ্যালাসেমিয়া রোগীর লক্ষণ
  • থ্যালাসেমিয়ার লক্ষণ
  • থ্যালাসেমিয়া রোগের কারন
  • থ্যালাসেমিয়া কি কারনে হয়
  • থ্যালাসেমিয়া রোগ কেন হয়
  • থ্যালাসেমিয়া রোগীর বিয়ে
  • থ্যালাসেমিয়া রোগীর খাবার
  • থ্যালাসেমিয়া ডাক্তার
  • থ্যালাসেমিয়া পরীক্ষা
  • হিমোগ্লোবিন ই বিটা থ্যালাসেমিয়া
  • থ্যালাসেমিয়া টেস্ট
  • থ্যালাসেমিয়া হাসপাতাল
  • থ্যালাসেমিয়া চিকিৎসা
  • থ্যালাসেমিয়া কি ধরনের রোগ
বিস্তারিত

রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২০

অ্যাকিউট ও ক্রনিক প্যানক্রিয়াটাইটিস! অগ্ন্যাশয় বা প্যানক্রিয়াস প্রদাহের কারণ লক্ষণ জটিলতা চিকিৎসা

কোন কারণে আমাদের প্যানক্রিয়াস বা অগ্ন্যাশয়ে প্রদাহ হলে তাকে প্যানক্রিয়াটাইটিস Pancreatitis বলা হয়ে থাকে।প্যানক্রিয়াস দেহের খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ। এর অবস্থান পেটের ভেতর পাকস্থলীর পেছনে, যার ওজন প্রায় ৮০ গ্রামের মতো। প্যানক্রিয়াসের কাজ হল দু'টি। একটি হলো পাচক রস বা এনজ়াইম তৈরি করা। যা আমাদের খাবার হজম করতে সাহায্য করে। শর্করা, আমিষ এবং স্নেহ এই তিন ধরনের খাবার হজমেই সাহায্য করে অগ্ন্যাশয়ে তৈরি হওয়া এই উৎসেচক। প্যানক্রিয়াসের সঙ্গে আবার কিছু ডাক্টের মাধ্যমে ইনটেস্টাইন বা অন্ত্রের সংযোগ থাকে। যেগুলি দিয়ে প্যানক্রিয়াসে তৈরি পাচক রস অন্ত্রে পৌঁছয়। তার পরেই খাবার হজমের প্রক্রিয়া শুরু হয়। একে এক্সোক্রিন প্যানক্রিয়াস বলে। প্যানক্রিয়াসের আর একটি কাজ হল ইনসুলিন বা ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণকারী হরমোন তৈরি করা। একে এন্ডোক্রিন প্যানক্রিয়াস বলে।  

সাধারণত পাচক রস বা এনজ়াইমস তৈরি হওয়ার পরে তা প্যানক্রিয়াসে নিষ্ক্রিয় অবস্থায় থাকে। অন্ত্রে পৌঁছনোর পরেই সেগুলি সক্রিয় হয়। এবং খাবার হজমের ক্ষমতা তৈরি হয়। কিন্তু কোনও কারণে যদি প্যানক্রিয়াসে থাকা অবস্থাতেই এনজ়াইমগুলি সক্রিয় হয়ে ওঠে, তখন তা প্যানক্রিয়াস গ্ল্যান্ডকেই হজম করতে শুরু করে। হজম করার এই প্রক্রিয়ার ফলে ইনফ্ল্যামেটরি মিডিয়েটর বেরোয়। যা ইনফ্ল্যামেশন বা প্রদাহে সাহায্য করে। অগ্ন্যাশয়ের এই প্রদাহকেই প্যানক্রিয়াটাইটিস বলে। প্যানক্রিয়াসের প্রদাহ দুই রকমভাবে হতে পারে-
  • অ্যাকিউট প্যানক্রিয়াটাইটিস
  • ক্রনিক প্যানক্রিয়াটাইটিস
অ্যাকিউট প্যানক্রিয়াটাইটিস:-  যে সকল কারণে উপরের পেটে মাঝারি হতে তীব্র ব্যথা হয় সেগুলির মধ্যে অ্যাকিউট প্যানক্রিয়াটইটিস বা প্যানক্রিয়াসের আকস্মিক তীব্র প্রদাহ অন্যতম। কোন কারণে আমাদের প্যানক্রিয়াসে আকস্মিক তীব্র প্রদাহ ঘটলে তাকে অ্যাকিউট প্যানক্রিয়াটাইটিস বলা হয়ে থাকে। এর ফলে কিডনি কাজ করা বন্ধ করে দিতে পারে বা হার্টফেল হতে পারে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে অ্যাকুইট প্যানক্রিয়াটাইটিসের প্রধান কারণ পিত্তনালির পাথর বা গলস্টোন। এ ছাড়া অতিরিক্ত মদ্যপান, রক্তে ক্যালসিয়ামের মাত্রা বৃদ্ধি, ডায়াবেটিস, অগ্ন্যাশয়ে আঘাত, এলোপ্যাথিক ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, অতিরিক্ত ওজন, সার্জারি, ইনফেকশন, জন্মগত ত্রুটি, আলসার বা জিনগত কারণেও অগ্ন্যাশয়ের প্রদাহ হতে পারে। তবে অনেক ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কোনো কারণ থাকে না।

ক্রনিক প্যানক্রিয়াটাইটিস:- প্রচুর মদ্যপানের কারণে দীর্ঘমেয়াদী বা ক্রনিক প্যানক্রিয়াটিটিস দেখা দেয়। এটা দীর্ঘসময় ধরে থাকে এবং রিয়েল হোমিওপ্যাথিক ট্রিটমেন্ট ছাড়া এর ঠিক হওয়ার সম্ভাবনাও খুবই কম থাকে। ক্রনিক প্যানক্রিয়াটাইটিস রোগীর ঘন ঘন পেটে ব্যথা হয়। খাদ্য হজম হয় না। ওজন কমে যায়। ফেনাযুক্ত পায়খানা হয়। ডায়াবেটিস হতে পারে।
অ্যাকিউট ও ক্রনিক প্যানক্রিয়াটাইটিস

প্যানক্রিয়াটাইটিস - লক্ষণ ও উপসর্গ

  • তীব্র পেটের উপরিভাগে এবং পিঠে ব্যথা
  • পেট ফুলে যাওয়া।
  • বমি বমি ভাব
  • বমি হওয়া
  • দ্রুত হৃদস্পন্দন
  • তীব্র ব্যথার সঙ্গে বমি হতে পারে
  • অনেক ক্ষেত্রেই রোগী অজ্ঞান হয়ে যায়
  • জ্বর হওয়া
  • ডায়েরিয়া হওয়া
  • ওজন কমে যাওয়া
  • অতিরিক্ত ঘাম হওয়া
  • অগ্নাশয় বা পিত্তনালি নালী বন্ধ হয়ে যাওয়া
  • পিত্তনালি সরু হয়ে গেলে জন্ডিস দেখা দিতে পারে
  • হঠাৎ প্রদাহে রোগী মারাও যেতে পারে

প্যানক্রিয়াটাইটিস - কারণগুলি কি কি

  • মদ্যপান
  • গলব্লাডারে পাথর
  • অগ্নাশয়ের বংশগত সমস্যা
  • এলোপ্যাথিক ঔষধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া যেমন : স্টেরয়েড
  • পেটে আঘাত পাওয়া
  • প্যানক্রিয়াটিক ক্যান্সার
  • হাইপারগ্লাইসেমিয়া এবং হাইপারট্রাইগ্লাইসেরিডেমিয়া
  • মাম্পস

প্যানক্রিয়াটাইটিস - রোগ নির্ণয়

  • রক্তে অ্যামাইলেজের মাত্রা
  • আল্ট্রাসাউন্ড
  • কিছু ক্ষেত্রে সিটিস্ক্যান
  • কিছু ক্ষেত্রে ইআরসিপির 

প্যানক্রিয়াটাইটিস - জটিলতা

  • অগ্ন্যাশয়ের প্রদাহ থেকে অনেক জটিলতা হতে পারে। যেমন :
  • অগ্ন্যাশয়ের ক্ষতিগ্রস্ত কোষে ঘা বা ফোঁড়া তৈরি হওয়া
  • শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি দেখা দেওয়ার কারণে খিঁচুনি হওয়া
  • অগ্ন্যাশয়-সংলগ্ন অন্ত্রনালি সরু হয়ে যাওয়া ইত্যাদি
  • অগ্ন্যাশয় ক্ষতিগ্রস্ত হলে উৎপন্ন তরল পদার্থ জমে জমে এক ধরনের সিস্ট Psendocyst তৈরি করে
  • জটিলতা হিসেবে রোগীর ডায়াবেটিসও হতে পারে
  • শ্বাসতন্ত্র আক্রান্ত হয়ে শ্বাসকষ্ট শুরু হতে পারে
  • অন্যান্য অঙ্গের কার্যকারিতা নষ্ট হতে পারে যেমন : কিডনি বিকল হওয়া, লিভার বিকল হওয়া ইত্যাদি
  • পিত্তনালি বন্ধ হয়ে গিয়ে জন্ডিস হতে পারে
  • ভালো হয়ে যাওয়ার পরও অনেক রোগী দীর্ঘমেয়াদি ধীরগতির প্রাদাহে আক্রান্ত হতে পারে। সঠিক সময়ে রোগনির্ণয় এবং চিকিৎসা শুরু না হলে রোগী মারা যেতে পারে

প্যানক্রিয়াটাইটিস - চিকিৎসা

এটি একটি জটিল প্রকৃতির সমস্যা। অগ্ন্যাশয়ে হঠাৎ প্রদাহ একটি জরুরি অবস্থা। যত দ্রুত সম্ভব হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা শুরু করতে হয়। মনে রাখতে হবে, আইসিইউ-এর ব্যবস্থা রয়েছে, এমন হাসপাতালে রোগীকে ভর্তি করা ভাল। কারণ এ সময়ে হঠাৎই রোগীর বিভিন্ন অঙ্গ বিকল হতে শুরু করে, শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা দেখা দিতে পারে। সে ক্ষেত্রে আইসিইউ বা সিসিইউ জরুরি। পিত্তে পাথরের জন্য এই রোগ হলে অস্ত্রোপচার বাধ্যতামূলক হয়ে পড়ে। তবে প্যানক্রিয়াটাইটিস সারিয়ে নিয়ে তবেই অস্ত্রোপচার করতে হবে।

কেউ যদি বারবার অ্যাকিউট প্যানক্রিয়াটাইটিসে আক্রান্ত হন, তখন প্যানক্রিয়াস ক্ষতিগ্রস্ত হতে থাকে। সে ক্ষেত্রে প্রপার হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা ভালো ফলাফল বয়ে আনে। দেখা যায় যারা এই সমস্যায় আক্রান্ত হন তাদের কিছু দিন পর পরই হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়। এর চিকিৎসায় বিভিন্ন কারণে সার্জারি করার পরামর্শ দিয়ে থাকে এলোপ্যাথিক চিকিৎসকগণ কিন্তু এক্ষেত্রে এর চিকিৎসা বেশ ব্যয়বহুল। তবে আপনি হয়তো জেনে স্বস্তি পাবেন যে - প্যানক্রিয়াটাইটিস এর মতো জটিল প্রকৃতির রোগের অসাধারণ চিকিৎসা রয়েছে রিয়েল হোমিওপ্যাথিক থেরাপিউটিক সিস্টেমে। তবে এর জন্য অবশ্যই দক্ষ একজন হোমিও চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করবেন আশা করি নিরাশ হবেন না ইনশা-আল্লাহ।

প্যানক্রিয়াটাইটিস - সাবধানতা

ক্রনিক প্যানক্রিয়াটাইটিস হলে চর্বিজাতীয় খাবার যেমন ডিম, দুধ, রেড মিট এড়িয়ে চলতে হবে। তেল জাতীয় খাবার বা ভাজাভুজিও চলবে না। ধূমপান এবং মদ্যপানও বন্ধ করতে হবে। 
  • পেনক্রিয়াস কি
  • অগ্নাশয়ের অবস্থান
  • অগ্নাশয় ইনফেকশন
  • পেনক্রিয়াস পাথর
  • প্যানক্রিয়াস ইনফেকশন
  • প্যানক্রিয়াটাইটিস রোগীর খাদ্য
  • ক্রনিক প্যানক্রিয়াটাইটিস
  • প্যানক্রিয়াটাইটিস ক্যান্সার
  • অ্যাকিউট প্যানক্রিয়াটাইটিস
  • প্যানক্রিয়াটাইটিস বিশেষজ্ঞ
  • প্যানক্রিয়াস ইনফেকশন
  • অগ্নাশয় ভালো রাখার উপায়
বিস্তারিত

মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০

পচনশীল ক্ষত গ্যাংরিন নিরাময়ে হোমিওপ্যাথিক ঔষধ ও চিকিৎসা স্থায়ী কার্যকর

গ্যাংগ্রিন এর হোমিও চিকিৎসা সম্পর্কে আজ আমরা জানবো। আগের পর্বে আমরা গ্যাংরিন সম্পর্কে বিস্তারিত জেনেছি। যখন টিস্যুতে কোন কারণে রক্তের সরবরাহ খুবই কমে যায় বা বন্ধ হয়ে যায় অথবা ব্যাক্টেরিয়ার গুরুতর সংক্রমণ ঘটে তখনই Gangrene গ্যাংরিন এর মতো পচনশীল দূষিত ক্ষত তৈরী হয়ে থাকে। সাধারণত ক্লোসট্রিডিয়াম পারফ্রিঞ্জেন্স নামক ব্যাকটেরিয়া, গ্রুপ এ স্ট্রেপ্টোকোক্কাস, স্ট্যাফাইলোকোক্কাস অরিয়াস এবং ভিব্রিও ভালনিফিকাস এর কারণে এই রোগ হয়ে থাকে। এই ব্যাকটেরিয়া সর্বত্র বিরাজ করে। এটি শরীরের ভিতরে প্রবেশ করে বিষাক্ত গ্যাস উৎপন্ন করে দেহের টিস্যু, কোষ ও রক্তনালীকে নষ্ট করে দেয় এবং গ্যাস গ্যাংরিন তৈরী করে থাকে।

আমরা সাধারণত দেখে থাকি, ডায়াবেটিক রোগীদের অনেকেরই পায়ে ঘা বা আলসার হয়ে থাকে। দীর্ঘদিন ডায়াবেটিস থাকার কারণে রোগীর পায়ে যে আলসার হয়ে থাকে তাকে ডায়াবেটিক ফুট বা ডায়াবেটিক ফুট সিন্ড্রম বলা হয়ে থাকে। পায়ের ঘা বিস্তার লাভ করলে একপর্যায়ে পচন ধরে অর্থ্যাৎ গ্যাংরিন সৃষ্টি হয়। গ্যাংরিন তৈরী হলে তীব্র জ্বালা-যন্ত্রনাসহ কঠিন কষ্ট করতে হয় ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীদের। তাছাড়া পৃথিবীতে যত রোগীর পা কাটা লাগে তার মধ্যে ৮৪% হল ডায়াবেটিক ফুট বা পা। অথচ প্রপার হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা নিলে ডায়াবেটিক রোগীদের গ্যাংরিন ভালো হয়ে যায় যা আমরা অনেকেই জানি না। রোগীর পা বা আক্রান্ত অঙ্গ কেটে ফেলার প্রয়োজন পড়ে না।

গ্যাংরিন যে শুধু হাত, পা বা হাত-পায়ের আঙুলেই হয় বিষয়টি তা নয়। এটি কানে, গলায়, পুরুষ ও নারীদের প্রজননতন্ত্র, ফুসফুস ইত্যাদিসহ শরীরের বিভিন্ন জায়গায় হতে পারে। তবে সেটা শরীরের যেখানেই হোক না কেন তা নির্মূলের জন্য রয়েছে ডায়নামিক হোমিওপ্যাথিক মেডিসিন। ভিডিওতে বিস্তারিত..
গ্যাংরিন সমস্যায় যারা আক্রান্ত হন তারা বলতে গেলে একটা নরকযন্ত্রনা ভোগ করে থাকেন। চিন্তা করে দেখুন - জীবিত থাকা অবস্থায় একটি মানুষের কোন অঙ্গে পচন ধরেছে, এর জন্য কি পরিমান দুর্বিসহ জ্বালা-যন্ত্রনা সহ্য করতে হচ্ছে তাকে। যখনই কেউ পচনশীল ক্ষত বা গ্যাংরিনে আক্রান্ত হন তাদেরকে এলোপ্যাথিক চিকিৎসকগণ অঙ্গটির ঐ অংশ কেটে ফেলার পরামর্শ দিয়ে থাকে কারণ গ্যাংরিন স্থায়ী ভাবে নিরাময়ের কোন এলোপ্যাথিক চিকিৎসা নেই। এর চিকিৎসা হলো হোমিওপ্যাথি। অথচ দেখা যায় নিজের অজ্ঞতার কারণে কোন প্রকার খুঁজ খবর না নিয়েই অঙ্গটির ঐ অংশ কেটে ফেলে দিচ্ছে আক্রান্ত ব্যক্তি। কিছুটা সময় ভালো থাকার পর সেখানে আবার গ্যাংরিন তৈরী হতে দেখা যায়, তখন আবার সেটা কেটে ফেলে দিয়ে বলা হয় - আর একভাবেই চলতে থাকে।

জেনে রাখুন গ্যাংরিন সেটা যত গুরুতরই হোক না কেন অধিকাংশ কেইসই প্রপার হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় অল্প সময়ের মধ্যেই ভালো হয়ে যায়। তাছাড়া এর ফলে পেসেন্টকে যে ব্যথা, যন্ত্রণা বা জ্বালা-পোড়া সহ্য করতে হয় হোমিও ঔষধ প্রয়োগ করার সাথে সাথেই সেটা কমতে শুরু করে। তাই কোন চিকিৎসক গ্যাংরিন আক্রান্ত অঙ্গ কেটে ফেলে দিতে বললে তাৎক্ষণিক ভাবে সেটা না করে নিকটস্থ রেজিস্টার্ড এবং দক্ষ একজন হোমিও চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করুন যিনি গ্যাংরিন এর সুচিকিৎসা দিতে পারেন। তখন আপনি একটা ম্যাজিক রেজাল্ট পেয়ে যাবেন ইনশা-আল্লাহ। 
বিস্তারিত

শুক্রবার, ১৪ আগস্ট, ২০২০

ডায়াবেটিক রোগীদের পায়ে ঘা, ক্ষতস্থানে দুর্গন্ধযুক্ত পচন বা গ্যাংরিন! চিকিৎসা হোমিওপ্যাথি

ডায়াবেটিক রোগীদের অনেকেরই পায়ে ঘা বা আলসার হয়ে থাকে। দীর্ঘদিন ডায়াবেটিস থাকার কারণে রোগীর পায়ে যে আলসার হয়ে থাকে তাকে ডায়াবেটিক ফুট বা ডায়াবেটিক ফুট সিন্ড্রম বলা হয়ে থাকে। পায়ের ঘা বিস্তার লাভ করলে একপর্যায়ে পচন ধরে অর্থ্যাৎ গ্যাংরিন সৃষ্টি হয়। গ্যাংরিন তৈরী হলে তীব্র জ্বালা-যন্ত্রনাসহ কঠিন কষ্ট করতে হয় ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীদের। তাছাড়া পৃথিবীতে যত রোগীর পা কাটা লাগে তার মধ্যে ৮৪% হল ডায়াবেটিক ফুট বা পা।

ডায়াবেটিস রোগীর পায়ে আঘাত লাগলে বা ক্ষত হলে সেখানে ক্ষুদ্র রক্তনালীর বিকাশ, এক্সট্রাসেলুলার ম্যাট্রিক্স, ত্বক ইত্যাদির বৃদ্ধি খুব ধীর গতিতে হয়। ফলে ক্ষত নিরাময় প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হয় এবং শুকাতে দীর্ঘ সময় লেগে যায়। এতে জীবাণু সংক্রমণের সম্ভাবনা বেড়ে যায়। কোন কোন ক্ষেত্রে ক্ষতস্থানে দুর্গন্ধযুক্ত পচন ধরে যায় অর্থাৎ গ্যাংরিন তৈরি হয়। গ্যাংরিন বিভিন্ন প্রকারের হয়ে থাকে - শুকনো, ভেজা এবং গ্যাস গ্যাংরিন। একেক টির ক্ষেত্রে একেক রকম লক্ষণ প্ৰকাশ করতে পারে। চূড়ান্ত কোন এলোপ্যাথিক চিকিৎসা না থাকায় রোগীর জীবন রক্ষার্থে অনেক সময় পা বা পায়ের কিছু অংশ কেটে বাদ দিতে পরামর্শ দেন এলোপ্যাথিক চিকিৎসকরা।
তবে আপনারা হয়তো অনেকেই জানেন না, ডায়াবেটিস রোগীদের গ্যাংরিন সারানোর কার্যকর হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা রয়েছে। ডায়াবেটিক রোগীদের পায়ে ঘা, ক্ষতস্থানে দুর্গন্ধযুক্ত পচন বা গ্যাংরিন সমস্যায় অভিজ্ঞ কোন হোমিও চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করে প্রপার ট্রিটমেন্ট নিন। আশা করি বিফল হবেন না ইনশা-আল্লাহ। 
ডায়াবেটিক রোগীদের পায়ে ঘা, ক্ষতস্থানে দুর্গন্ধযুক্ত পচন বা গ্যাংগ্রিন

ডায়াবেটিক রোগীদের পায়ে ঘা - কারণ 

দীর্ঘদিন ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীদের যেসব কারণে পায়ে ক্ষত তৈরি হওয়ার প্রবণতা অনেক বেশি, সেগুলো হলো :
  • পায়ের বোধশক্তি কমে আসা (নিউরোপ্যাথি)
  • পায়ের রক্ত চলাচলের পরিমাণ কমে যাওয়া (পেরিফেরাল ভাস্কুলার ডিজিজ)
  • ছোট কোনো ক্ষত বা পায়ের তলায় তৈরি হওয়া ফাটল (ক্র্যাক) দিয়ে জীবাণুর অনুপ্রবেশ ইত্যাদি।
ডায়াবেটিক নিউরোপ্যাথী: ডায়াবেটিক নিউরোপ্যাথী হল পায়ে ব্যথার অনুভূতি কমে যাওয়া বা অসারতা। পা তখন গরম বা ঠাণ্ডা কোন বস্তুর সংস্পর্শে এলেও রোগী তা বুঝতে পারে না। তৈরি হয় ছোট একটি ক্ষত, যেটা পরবর্তী সময়ে বড় হতে থাকে। আবার বোধশক্তি না থাকায় অনেক সময় পায়ে ছোটখাটো আঘাত বা পায়ে কোনো কিছু ফুটে গেলেও রোগী বুঝতে পারে না। সেখান থেকে তৈরি হয় বড় ক্ষত।

পেরিফেরাল ভাস্কুলার ডিজিজ: পায়ের হাড়, মাংস অর্থাৎ পায়ের কোষ অথবা  টিস্যুগুলো বা বাঁচিয়ে রাখার জন্য সঠিক মাত্রায় রক্তপ্রবাহ প্রয়োজন। ডায়াবেটিক রোগীদের এই রক্তপ্রবাহে ব্যাঘাত ঘটে, ফলে পায়ে সহজে ক্ষত সৃষ্টি হয়, তৈরি হওয়া ক্ষত সহজে সারে না। রক্তপ্রবাহ একেবারেই বন্ধ হয়ে গেলে পায়ে পচন ধরে, যেটাকে বলা হয় গ্যাংরিন।

পায়ের তলায় ফাটল (ক্র্যাক): দীর্ঘদিনের ডায়াবেটিক রোগীদের পায়ের তলার চামড়া শুকিয়ে ফাটল তৈরি হয়। এই ফাটলগুলো দিয়ে রোগজীবাণুর সংক্রমণ ঘটে এবং পায়ে ও পায়ের হাড়ে ক্ষত  বা অস্টিওমায়েলাইটিস সৃষ্টি হতে পারে।

ডায়াবেটিক রোগীদের পায়ে ঘা - চিকিৎসা

এই সমস্যার ক্রনিক অবস্থায় তেমন কোন এলোপ্যাথিক চিকিৎসা না থাকায় সার্জারি করে পা কেটে ফেলার পরামর্শ দেয়া হয়ে থাকে। কিন্তু আপনি হয়তো জানেন না ডায়াবেটিক রোগীদের পায়ে ঘা, ক্ষতস্থানে দুর্গন্ধযুক্ত পচন বা গ্যাংরিন সমস্যার কার্যকর হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা রয়েছে। অভিজ্ঞ হোমিও চিকিৎসকের পরামর্শক্রমে প্রপার ট্রিটমেন্ট নিলে এই সমস্যা দূর হয়ে পা আবার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে।

যা যা জেনেছেন -

  • ডায়াবেটিক ফুট
  • ডায়াবেটিস ক্ষত
  • ডায়াবেটিস রোগীর ক্ষত
  • ডায়াবেটিস রোগীর পায়ে ঘা
  • ডায়াবেটিসে পায়ের সমস্যা
  • ডায়াবেটিস রোগীর পায়ের ব্যথা
  • ডায়াবেটিস রোগীর পায়ের যত্ন
বিস্তারিত

সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২০

অল্প সময়ে ইনসুলিন ফ্রি হওয়ার হোমিওপ্যাথিক ম্যাজিক ট্রিটমেন্ট ! ডায়াবেটিস রোগের চিকিৎসা

ডায়াবেটিস রোগের চিকিৎসা এবং দ্রুত ডায়াবেটিস কমানোর উপায় নিয়ে অনেকেই চিন্তিত থাকেন। আজ আপনারা জানবেন, অল্প খরচে এবং অল্প সময়ে বহু বছর যাবৎ ইনসুলিন নিচ্ছেন এমন Diabetes রোগীরা কিভাবে প্রোপার হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার মাধ্যমে ইন্সুলিন ফ্রি হবেন এবং ধীরে ধীরে এই সমস্যা থেকে কিভাবে সেরে উঠবেন কোন প্রকার জটিলতা ছাড়াই। এটি মূলত অল্প খরচে প্রাকৃতিক উপায়ে ডায়াবেটিস চিকিৎসা এবং ডায়াবেটিস সারানোর সবচেয়ে কার্যকর উপায়। তবে এর জন্য অবশ্যই রেজিস্টার্ড এবং দক্ষ একজন হোমিও চিকিৎসকের পরামর্শক্রমে চিকিৎসা নেয়া জরুরি। অন্যথায় আপনি হয়তো কোন ফলাফলই পাবেন না। এবার আসুন মূল বিষয়ে আসি- 

দীর্ঘদিন যাবৎ মেডিক্যাল মাফিয়ারা মানুষকে বুঝিয়ে আসছে ডায়াবেটিসে একবার আক্রান্ত হলে, সে রোগ থেকে রেহাই পাওয়া যায় না বরং এলোপ্যাথিক বা বিভিন্ন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াযুক্ত ক্ষতিকর রাসায়নিক ঔষধ সারা জীবন ধরেই নিয়ে যেতে হয়। নিজেকে শিক্ষিত পরিচয় দেয়া এলিট শ্রেণীর বহু অজ্ঞ লোকজনই তাদের অনুসরণ করে আসছে শুরু থেকেই কোন প্রকার যাচাই বাছাই করা ছাড়াই। বিনিময়ে দিন দিন আরো নানা জটিল পীড়ায় আক্রান্ত হয়ে দুঃসহ জীবন যাপন করে একসময় সুন্দর পৃথিবীর বুকে নরক যন্ত্রনা ভোগ করে করে একসময় পরপারে পাড়ি জমিয়েছে এবং এখনও সে ধারা অব্যাহত রয়েছে।

বিভিন্ন রাসায়নিক ঔষধ ক্রমাগত শরীরে প্রয়োগ করার ফলে মানুষ দিন দিন আরো জটিল রোগে আক্রান্ত হচ্ছে, এর সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মেডিসিনের সংখ্যাও। মূলত এটি হলো মেডিক্যাল মাফিয়াদের একটি বিজনেস পলিসি। রোগ নির্মূল না করে বরং রোগ নিয়ন্ত্রণ বা পুষে রাখার পদ্ধতি হলো তাদের ঔষধ ব্যবসার নীতি। মানুষের অজ্ঞতার সুযোগ নিয়ে তারা এটি করে আসছে যুগ যুগ ধরে। যাদের জন্য যে ঔষধের কোন প্রয়োজন নেই তাদেরকেও নানা প্রকার ক্ষতিকর ঔষধ প্রয়োগ করে রোগী বানিয়ে দিচ্ছে। অথচ প্রোপার হোমিও চিকিৎসার মাধ্যমে এবং আপনার দৈনন্দিন খাবার দাবার আর জীবন যাত্রায় কিছুটা পরিবর্তন আনলেই ডায়াবেটিসের মতো সমস্যা থেকে আপনি অনায়াসেই মুক্ত থাকতে পারেন। আজকাল মিডিয়ার সুবিধা সবার হাতের লাগালে চলে আসায় মানুষ সত্য মিথ্যা যাচাই করার সুযোগ পাচ্ছে।
অনেকেই জানেন না যে - ডায়াবেটিস সমস্যায় প্রথম দিকে কোন প্রকার রাসায়নিক ঔষধ শরীরে প্রয়োগ না করে অভিজ্ঞ হোমিও ডাক্তার দেখিয়ে প্রোপার হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা নিলে এই সমস্যাটি কয়েক মাসের মধ্যেই নির্মূল হয়ে যায়।
মানব দেহের অনেক দুরারোগ্য সমস্যার পেছনে দায়ী রয়েছে এই ডায়াবেটিস যেমন - চোখের সমস্যা, হৃদরোগ, স্ট্রোক বা কিডনির সমস্যা ইত্যাদি। ডায়াবেটিস হলে কেউ যদি প্রোপার হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার মাধ্যমে সেটাকে না সারিয়ে এলোপ্যাথিক বিভিন্ন রাসায়নিক ঔষধের মাধ্যমে শুধু নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করে যায় তাহলে সেই সকল রাসায়নিক ঔষধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় ব্যাক্তির ভাইটাল ফোর্স বা জীবনী শক্তি দিন দিন দুর্বল থেকে দুর্বলতর হতে থাকে এবং যত দিন যেতে থাকে ততই নানা প্রকার দুরারোগ্য এবং জটিল স্বাস্থ্য সমস্যা শরীরে বাসা বাঁধতে থাকে। এভাবে চলতে থাকলে এক সময় একটি দুঃসহ জীবন নিয়ে চলতে হয়। আপনার আশেপাশে একটু চোখ কান খোলা রাখলেই এই রকম অনেক রোগী পেয়ে যাবেন যারা বেঁচে থেকেও নরক যন্ত্রণা সহ্য করে চলেছেন শুধু মাত্র সঠিক সময় সঠিক চিকিৎসাটি না পাওয়ার কারণে।
হোমিওপ্যাথিক ম্যাজিক ট্রিটমেন্ট
ডায়াবেটিস রোগীরা প্রথম দিকে কোন প্রকার এলোপ্যাথিক চিকিৎসা না নিয়ে অভিজ্ঞ হোমিও ডাক্তার কর্তৃক প্রোপার হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা নিলে অধিকাংশ রোগীরাই ৪-৬ মাসের মধ্যেই এই সমস্যা থেকে মুক্তি লাভ করেন। কিন্তু যারা বহুদিন যাবৎ ডায়াবেটিসে ভুগছেন এবং বছরের পর বছর নানা প্রকার রাসায়নিক ঔষধের মাধ্যমে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে আরো দূরারোগ্য জটিল রোগ-ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়েছেন তাদের ক্ষেত্রে এই সমস্যা থেকে সেরে উঠতে কিছুটা সময়ের প্রয়োজন। তবে হোমিও চিকিৎসা শুরু করার কিছু দিনের মধ্যেই যারা ইনসুলিন ছাড়া এক দিনও থাকতে পারতেন না তাদের অধিকাংশই অল্প সময়ে ইনসুলিন ফ্রি হয়ে যান অর্থাৎ সুগার লেভেল স্বাভাবিক হয়ে আসায় তাদের ইনসুলিন নেয়ার আদৌ কোন প্রয়োজন পড়ে না। এর সাথে ভাইটাল ফোর্স অর্থাৎ জীবনীশক্তি দিন দিন বাড়তে থাকায় শরীরে শক্তি অনুভব করতে থাকেন। তখন তাদের দেহ এবং মনে সতেজতা এবং আনন্দ বিরাজ করে।

ডায়াবেটিস রোগীদের হোমিও চিকিৎসা নিলে সুবিধা

  • চিকিৎসা খরচ এলোপ্যাথির তুলনায় বহুগুন কম
  • ঔষধ খাওয়ার ক্ষেত্রে তেমন কোন ঝামেলা নেই
  • ঔষধ খুব দ্রুত কাজ করে এবং দ্রুত ফল দিতে শুরু করে
  • চিকিৎসার শুরুতেই শরীর ও মনে পরিবর্তন আসে
  • যারা ইনসুলিন নিচ্ছেন তারা খুব দ্রুত ইনসুলিন ফ্রি হয়ে যান
  • ঔষধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থেকে মুক্ত থাকা যায়
  • কোন জটিল রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি নেই
  • দ্রুত ভাইটাল ফোর্স অর্থাৎ জীবনীশক্তি উন্নত হতে থাকে
  • অন্যকোন জটিল রোগে আক্রান্ত থাকলে সেটিও ঠিক হয়ে আসে
  • খুব তাড়াতাড়ি শরীরে শক্তি ফিরে আসে
  • দেহ এবং মনে দ্রুত সতেজতা এবং আনন্দ ফিরে আসে
ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীদের মূলতঃ হোমিওপ্যাথিক পদ্ধতিতে একটি শক্তিশালী জেনেটিক ট্রিটমেন্ট দেয়া হয়ে থাকে। আপনারা হয়তো অনেকেই জানেন যে - মানব শিশু তাদের পিতামাতা থেকেই ক্রোমোজোমের মাধ্যমে তাদের পূর্ব পুরুষের রোগ ব্যাধি বা সেগুলির জেনেটিক ম্যাটেরিয়ালস পেয়ে থাকে। যেগুলিকে আমরা প্রকৃত রোগ বা True Disease বলে থাকি। বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে বিভিন্ন কারণে যখন মানুষের ভাইটাল ফোর্স দুর্বল হতে থাকে তখন ভেতরে থাকা সেই প্রকৃত রোগটি বিভিন্ন উপসর্গ প্রকাশ করতে থাকে। আর সেই উপসর্গগুলিকে বিভিন্ন রোগের নামে নামকরণ করে থাকে বিভিন্ন ট্রিটমেন্ট সিস্টেম।

ভাইটাল ফোর্স যে যে কারণে দুর্বল হতে পারে 

নিম্নোক্ত কারণে ভাইটাল ফোর্স দুর্বল হলে ডায়াবেটিসের মতো জটিল সমস্যাগুলি জেগে উঠতে পারে
  • বিভিন্ন প্রকার ভ্যাকসিন বা টিকা
  • হাই-পাওয়ারের ক্ষতিকর সব এন্টিবায়োটিক
  • ক্রমাগত বিভিন্ন এলোপ্যাথিক ঔষধ সেবন
  • বড় ধরনের শারীরিক আঘাত
  • বড় ধরণের মানসিক আঘাত
  • এছাড়া বয়স বাড়ার সাথে সাথে স্বাস্থ্য বিধি অনুসরণ না করা, অনিয়ন্ত্রিত জীবন-যাপন করা ইত্যাদি
হোমিওপ্যাথি ছাড়া অন্যান্য চিকিৎসা শাস্ত্রগুলি যেহেতু প্রকৃত রোগটি নির্ণয় না করে সেটি দ্বারা সৃষ্ট উপসর্গগুলিকে রোগের নাম দিয়ে চিকিৎসা করে তাই True Disease বা প্রকৃত রোগটি কখনই নির্মূল হয় না, যার ফলে উপসর্গ কিছু সময়ের জন্য দূর হলেও আবার জেগে উঠে। এভাবে ঔষধ খেয়ে খেয়ে থাকতে হয় আর রোগ জটিলতাও দিন দিন বাড়তে থাকে। কিন্তু হোমিওপ্যাথি মানুষের প্রকৃত রোগটির চিকিৎসা দিয়ে সেটিকে ঠিক করে বিধায় সৃষ্ট উপসর্গগুলি একেবারে দূর হয়ে যায়।
যারা ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হন তারা মূলত একাধিক প্রকৃত রোগ বা True Disease এর অধিকারী অর্থাৎ Multiple Miasm এর হয়ে থাকেন। তাই তাদের জীবন দর্শন, শিশুকাল থেকে এখন পর্যন্ত যাবতীয় রোগের ইতিহাস, পিতা-মাতা, নানা-নানী, দাদা-দাদীর হিস্ট্রি নিয়ে এক্সপার্ট একজন হোমিও চিকিৎসক তার মধ্যে থাকা প্রকৃত রোগগুলি নির্ণয় করে ধাপে ধাপে সেগুলিকে ঠিক করার জন্য পর্যায়ক্রমে ডায়নামিক হোমিওপ্যাথিক মেডিসিন প্রয়োগ করে থাকেন। একসময় তার শরীরের যাবতীয় রোগ ব্যাধির উপসর্গ নির্মূল হয়ে পূর্ণাঙ্গ সুস্বাস্থ্য ফিরে আসে।
ফ্যামিলি হিস্ট্রি নিয়ে প্রোপার হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় খুব দ্রুত দুর্বল জীবনীশক্তির ডায়াবেটিস পেসেন্টদের ভাইটাল ফোর্স শক্তিশালী করা হয় বলে ঔষধ প্রয়োগ করার সাথে সাথেই তারা শরীরে তার প্রতিক্রিয়া অনুভব করতে থাকে। এর সাথে চলে ডায়াবেটিস নির্মূলের একটি প্রাকৃতিক ম্যাজিক থেরাপি
বছরের পর বছর ধরে বিভিন্ন এলোপ্যাথিক বা রাসায়নিক ঔষধ শরীরে প্রয়োগের ফলে সৃষ্ট ট্রমা এবং পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দূর করে নির্জীব জীবনীশক্তিকে সঞ্জীবনী শক্তি দিতে অথাৎ দুর্বল ভাইটাল ফোর্সকে শক্তিশালী করতে অভিজ্ঞ হোমিও চিকিৎসকের পরামর্শক্রমে ডাইনামিক হোমিওপ্যাথিক ঔষধ নির্দিষ্ট নিয়মে নির্দিষ্ট মাত্রায় প্রয়োগ করার দরকার পড়ে কিছু কিছু পেসেন্টের। এছাড়াও কিছু ক্ষেত্রে আরো কিছু ম্যানেজমেন্টেরও প্রয়োজন হয় যা চিকিৎসক প্রয়োজনবোধে দিয়ে থাকেন। বিশেষ করে যারা দীর্ঘদিন ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের জন্য নানা প্রকার অপচিকিৎসা নিয়েছেন এবং একের পর এক রাসায়নিক ঔষধ প্রয়োগ করে করে শরীরে আরো জটিল জটিল রোগ ব্যাধি যেমনঃ উচ্চ রক্ত চাপ, কিডনি সমস্যা, হার্টের সমস্যা ইত্যাদি সৃষ্টি করেছেন তাদেরকে নিবিড় যোগাযোগে রেখে ঔষধ প্রয়োগ করে করে স্বাভিবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে হয়।

আর যারা কোন ধরনের অপচিকিৎসার খুব বেশি শিকার হননি অর্থাৎ বছরের পর বছর ধরে বিভিন্ন এলোপ্যাথিক বা রাসায়নিক ঔষধ প্রয়োগের ফলে ভেতরে খুব বেশি মেডিসিনাল ট্রমা ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া তৈরী করেননি অর্থাৎ আরো জটিল জটিল রোগ ব্যাধি যেমনঃ উচ্চ রক্ত চাপ, কিডনি সমস্যা, হার্টের সমস্যা ইত্যাদিতে আক্রান্ত হননি তারা খুব দ্রুত ইম্প্রোভমেন্টের দিকে আগায় যা হয়তো অনেকের কাছেই ম্যাজিকের মতো মনে হয়।

ডায়াবেটিস চিকিৎসায় হোমিওপ্যাথিক ঔষধ

হোমিওপ্যাথিতে ডায়াবেটিস চিকিৎসার জন্য রয়েছে বহু কার্যকর মেডিসিন। যেগুলি থেকে কেইস টেকিং এর মাধ্যমে পেশেন্টের জন্য নির্বাচিত ঔষধ যথাযথ ভাবে প্রয়োগ করা হয়ে থাকে। আর এই কাজটি করে থাকেন এক্সপার্ট একজন হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক। এখানে Synthesis Repertory থেকে ডায়াবেটিস চিকিৎসায় ব্যবহৃত হোমিওপ্যাথিক ঔষধগুলি দেয়া হলো -
ডায়াবেটিস চিকিৎসায় ব্যবহৃত হোমিওপ্যাথিক ঔষধ
এছাড়া ইউরিন চ্যাপ্টারে সুগারের জন্য আমরা পাই নিম্নুক্ত ঔষধগুলি-
Synthesis Repertory Urine Sugar
বলতে গেলে একমাত্র হোমিওপ্যাথি ছাড়া আর কোন ট্রিটমেন্ট সিস্টেমে ডায়াবেটিস চিকিৎসার জন্য এতো ঔষধ নেই। তবে এই সকল ঔষধ থেকে পেশেন্টের জন্য কেইস হিস্ট্রি নিয়ে নির্বাচিত ঔষধটি প্রয়োগ করতে হয় হোমিওপ্যাথির নির্দিষ্ট নিয়মনীতি মেনে। অন্যথায় আপনি কোন ফলাফল পাবেন না। তাই ডায়াবেটিস সমস্যায় কার্যকর হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা পেতে অবশ্যই রেজিস্টার্ড এবং অভিজ্ঞ কোন হোমিও চিকিৎসকের পরামর্শক্রমে চিকিৎসা নেয়া জরুরি।

যে বিষয়গুলি আপনি জেনেছেন -

  • প্রাকৃতিক উপায়ে ডায়াবেটিস চিকিৎসা
  • ডায়াবেটিস চিকিৎসায় নতুন উপায়
  • ডায়াবেটিসের প্রাকৃতিক চিকিৎসা
  • ডায়াবেটিস কমানোর উপায়
  • ডায়াবেটিস বেড়ে গেলে করনীয়
  • ডায়াবেটিস সারানোর উপায়
  • ডায়াবেটিস এর আধুনিক চিকিৎসা
  • ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে হোমিও
  • ইনসুলিন হোমিও
  • বহুমূত্র রোগের হোমিও ঔষধ
  • ডায়াবেটিস এ হোমিও চিকিৎসা
  • ডায়াবেটিসের সর্বশেষ নতুন চিকিৎসা
  • ডায়াবেটিস এর আধুনিক হোমিও চিকিৎসা
  • হোমিওপ্যাথিক ঔষধের মাধ্যমে ডায়াবেটিসের স্থায়ী মুক্তি
বিস্তারিত

সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২০

কার্বাংকল Carbuncles দুষ্টব্রণ, ফোঁড়া থেকেও ভয়ঙ্কর - কারণ লক্ষণ এবং স্থায়ী চিকিৎসা

কার্বাঙ্কল মূলত লাল, ফোলা এবং ব্যথাযুক্ত একপ্রকার ফোঁড়া এবং এই ফোড়া বেশ বেদনাদায়ক হয়ে থাকে যেগুলি গুচ্ছাকারে ত্বকের নীচে একে অপরের সাথে সংযুক্ত থাকে। এই ফোঁড়া বা কার্বাংকল Carbuncle বা দুষ্টব্রণ হচ্ছে চামড়ার লোমকূপ বা হেয়ার ফলিকলের একপ্রকার সংক্রমণ যেগুলির মধ্যে পুঁজ থাকে। এই যন্ত্রণাদায়ক কার্বাংকল শরীরের যেকোন স্থানেই হতে পারে যেমন - নিতম্ব, উরু, কুঁচকি এবং বগলে। তবে তা পিঠে ও ঘাড়ের পিছন দিকে সবচেয়ে বেশি হতে দেখা যায়। মহিলাদের তুলনায় পুরুষেরা বেশি কার্বাংকলে আক্রান্ত হয়ে থাকে। যেহেতু এই সমস্যা সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া সংক্রামক তাই একই সময়ে পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের কার্বাংকল হতে পারে। প্রায়ই কার্বাংকল এর কারণ নির্ণয় করা যায় না।

কার্বাংকল Carbuncles - কারণ 

বেশির ভাগ কার্বাংকল Staphylococcus Aureus ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্টি হয়ে থাকে। এই ব্যাকটিরিয়াগুলি চুলের ফলিকল, ছোট আঁচড় বা ছিদ্র দিয়ে ত্বকে প্রবেশ করে সংক্রমণ ঘটায়, যদিও কখনও কখনও প্রবেশের কোনও সুস্পষ্ট বিন্দু থাকে না। সংক্রমণটি ছোঁয়াচে, অর্থাৎ এটি দেহের অন্যান্য অংশে বা অন্যদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়তে পারে।

কার্বাঙ্কল যেকোন জায়গায় হতে পারে। কিন্তু তা পিঠে ও ঘাড়ের পিছন দিকে হতে সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। মহিলাদের তুলনায় পুরুষেরা বেশি কার্বাংকলে আক্রান্ত হয়ে থাকে। যেহেতু সমস্যা সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া সংক্রামক তাই একই সময়ে পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের কার্বাংকল হতে পারে। প্রায়ই কার্বাংকল এর কারণ নির্ণয় করা যায় না।

কার্বাংকল Carbuncles - লক্ষণসমুহ

  • চামড়ার নিচে ফোলা পিণ্ড দেখা দেয়া
  • লাল বর্ণ ধারণ করা এবং জ্বালাপোড়া করা
  • স্পর্শকাতর ব্যথা হওয়া 
  • খুব দ্রুত বেড়ে উঠা 
  • পুঁজ দ্বারা পরিপুর্ণ থাকা
  • পুঁজ বের হওয়া
  •  অন্যান্য ত্বকের অংশে ছড়িয়ে পড়া
এছাড়াও আরো কিছু লক্ষণ এবং উপসর্গ প্রকাশ পেতে পারে, তবে সেগুলি ব্যক্তি বিশেষের ক্ষেত্রে ভিন্ন ভিন্ন হতে পারে যেমনঃ
  • জ্বর জ্বর অনুভব করা
  • অস্বস্তি বোধ করা 
  • ক্লান্তি বোধ করা 
  • কার্বাংকল হওয়ার পূর্বে ত্বকে চুলকানি

কার্বাংকল Carbuncles - ঝুঁকিতে আছেন যারা 

  • কিডনি সমস্যা যাদের আছে 
  • লিভারের সমস্যা যাদের আছে 
  • ডায়াবেটিস যাদের আছে 
  • দুর্বল ইমিউন সিসটেম
  • পুরাতন চর্মরোগ যাদের আছে 

কার্বাংকল Carbuncles - চিকিৎসা 

চিকিৎসা দিতে গিয়ে দেখেছি যারা এই সমস্যায় আক্রান্ত হন তারা সুচিকিৎসা না পেয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ এই সমস্যাটি নিয়ে কষ্টকর একটি জীবন যাপন করে আসছেন। অথচ প্রপার হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় কার্বাংকল Carbuncles বা শরীরে এই ফোঁড়ার সমস্যা চিরতরে নির্মূল হয়ে যায়। হোমিওপ্যাথিতে এই সমস্যা নির্মূলের অনেক মেডিসিন রয়েছে। এখানে Oscar E Boericke এর রেপার্টরী থেকে দেখানো হলো -
Oscar E Boericke-Carbuncles
একই ভাবে Synthesis Repertory তে কার্বাংকলCarbuncle এর জন্য যে মেডিসিনগুলি রয়েছে -
Synthesis Repertory-Carbuncles
এই ঔষধগুলি থেকে চিকিৎসক কেইস টেকিং এর সময় আপনার বিস্তারিত তথ্যাদি নিয়ে আপনার উপযোগী ঔষধ আপনার শরীরে নির্দিষ্ট মাত্রায় প্রয়োগ করবেন। এই সমস্যায় কেউ আক্রান্ত হয়ে থাকলে অভিজ্ঞ কোন হোমিও চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করে সুচিকিৎসা নিন, দেখবেন সমস্যাটি কিছুটা সময়ের ব্যবধানে চিরতরে নির্মূল হয়ে আপনি সুস্থ হয়ে উঠছেন। ধন্যবাদ
বিস্তারিত

মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২০

পাইলস, এনাল ফিশার এবং ফিস্টুলা বা ভগন্দর - কারণ লক্ষন চিকিৎসা ও হোমিওপ্যাথিক ঔষধ

অর্শ বা পাইলস Haemorrhoids (Piles), এনাল ফিশার (Anal Fissure), অ্যানাল ফিস্টুলা Anal Fistula (ভগন্দর) ইত্যাদি হলো মানুষের মলদ্বারের জটিল এবং কষ্টদায়ক রোগগুলির মধ্যে অন্যতম। কেউ এই সমস্যাগুলির যেকোন একটিতে আক্রান্ত হলে যদি প্রপার হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা না নিয়ে বিভিন্ন অপচিকিৎসার শিকার হয় তাহলে তাদের কষ্ট বা দুর্ভোগের সীমা থাকে না। যথা সময়ে প্রপার হোমিও চিকিৎসা নিলে এই সমস্যাগুলি তাড়াতাড়ি ঠিক হয়ে যায় কিন্তু রোগটি যদি বহু দিনের পুরাতন হয়ে যায় বা ক্রনিক অবস্থায় থাকে তাহলে পুরুপুরি সারতে কিছুটা সময় লাগে। তবে হোমিও চিকিৎসার শুরুতে কয়েক দিনের মধ্যেই রোগীর যাবতীয় জটিল উপসর্গ বা কষ্টগুলি কমতে শুরু করে বিধায় রোগী প্রথম দিকেই অনেক আরাম অনুভব করতে থাকে।

অর্শ বা পাইলস Hemorrhoids (Piles)

অর্শ বা পাইলস হলো মলদ্বারের ভেরিকোজ ভেইন অর্থাৎ রেক্টামের নিচের অংশে মলদ্বারে ফুলে যাওয়া এবং ফাঁপা শিরা। এই রোগ হলে মলদ্বারে আঙ্গুর ফলের মতো বলি বের হতে পারে, সাথে রক্তপাত, মলদ্বার ভেজা, চুলকানি এবং জ্বালাযন্ত্রণা থাকতে পারে। অর্শ বিভিন্ন কারণে হতে পারে, যদিও এর সঠিক কারণ প্রায়ই জানা যায় না। তবে আমরা যেগুলি বেশি দেখে থাকি এর মধ্যে রয়েছে- দীর্ঘমেয়াদী কোষ্ঠকাঠিন্য, দীর্ঘমেয়াদী ডায়রিয়া, পরিবারে কারও পাইলস থাকার ইতিহাস ইত্যাদি। এছাড়া মলত্যাগের সময়ে অত্যধিক চাপ দেওয়ার কারণে বা গর্ভাবস্থায় রেক্টামের শিরার উপর চাপ পড়ার কারণেও হতে পারে।

লক্ষণগুলির মধ্যে রয়েছে - পায়খানার সময় ব্যথাহীন রক্তপাত হওয়া, মলদ্বারে জ্বালাপোড়া, যন্ত্রণা বা চুলকানি হওয়া, কোনো কোনো ক্ষেত্রে মলদ্বারে ব্যথাও হতে পারে। এটি নির্ভর করে অর্শের তীব্রতার উপরে। যে অর্শ কোষ্ঠকাঠিন্যের জন্য হয়, খাদ্যাভ্যাসের এবং জীবনধারার গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন করা উচিত।

এনাল ফিশার (Anal Fissure) মলদ্বারে ফাটা, ঘা

এনাল ফিশার মলদ্বারের বা পায়ুপথের আরকেটি জটিল প্রকৃতির রোগ। এই রোগের সাধারণ লক্ষণ হল ব্যথা এবং রক্তপাত। সাধারণত, মলত্যাগ করার সময় ব্যথাটা শুরু হয় এবং প্রায় এক ঘন্টার জন্য থাকতে পারে। এতে ফোলাভাব ও অনুভব করা যায়। সাধারনত ব্যথার তীব্রতা সহ্য করা যায়, কিন্তু কখনো কখনো অসহ্য ব্যথাও হতে পারে। পায়খানায়, টিস্যু পেপারে, বা মলদ্বারের চারপাশে লাল রক্তের দাগ দেখা যায়। এছাড়া জ্বালা, চুকলানি, রক্ত, পুঁজ ইত্যাদি দেখা দিয়ে থাকে। মলদ্বারের চামড়ায় একটি পাতলা ফাটল দেখা যায়। দুইবার মলত্যাগ করার মাঝে এই লক্ষণগুলো সাধারনত আর দেখা যায় না।

প্রধানত কোষ্ঠকাঠিন্যের জন্য পায়ু নালীর মাধ্যমে শক্ত, বড় আকারের মল নামার ফলে এনাল ফিশার হয়। ইনফ্লেমমেটরি বাওয়েল ডিজিজ আইবিডি, যেমন - ক্রনস ডিজিজ এর ফলেও ফিশার হতে পারে। গর্ভাবস্থায় এবং সন্তানের জন্মের সময় ফিশার হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এছাড়াও পাতলা পায়খানা এবং স্থায়ী ডায়রিয়া ও এই রোগের কারণ হতে পারে।

অ্যানাল ফিস্টুলা Anal Fistula (ভগন্দর)

মলদ্বারে ফোঁড়া বা অ্যাবসেস হলে সেটা এক সময় বাইরে এবং পায়ুপথের ভিতরে ফেটে যায় এবং পায়ুপথের সঙ্গে বাইরের একটি সংযোগ বা নালি তৈরি করে যাকে Anal Fistula অ্যানাল ফিস্টুলা বা ভগন্দর বলা হয়ে থাকে। এটি দিয়ে মলদ্বার বা পায়ুপথ থেকে পুঁজ, রক্ত, মল ইত্যাদি বাইরে আসতে থাকে।

মলদ্বারের ভেতরে অনেক গ্রন্থি রয়েছে, এগুলোর সংক্রমণের কারণে ফোড়া হয়। এই ফোড়া এক সময় ফেটে গিয়ে মলদ্বারের চতুর্দিকের কোনো এক স্খানে একটি ছিদ্র দিয়ে বের হয়ে আসে এবং পুঁজ নির্গত হতে থাকে এবং তা নালী হয়ে বাহিরের দিকে বের হয় যা দেখতে পোড়ার মত মনে হয় । ( কেউ কেউ মনে করেন কৃমির বাসা থেকে এর উৎপত্তি ! আসলে তা ঠিক নয় তবে কৃমির উপদ্রবের কারনে নুখ দিয়ে চুলকাতে গিয়ে অনেক সময় পায়খানার রাস্থার ভিতরে ইনফেকশন বা ছিদ্র হয়ে হতে পারে)

এই সমস্যা তৈরী হওয়ার পেছনে যে যে কারণগুলি দায়ী সেগুলির মধ্যে রয়েছে - যক্ষ্মা, মলাশয় বা পায়ুপথের ক্যান্সার, এইচআইভি ও এইডস, ক্ল্যামিডিয়া,সিফিলিস, আলসার, সেখানে বিভিন্ন অপারেশনের জটিলতা ইত্যাদি।

পাইলস, এনাল ফিশার, ফিস্টুলা - চিকিৎসা

এই রোগগুলির স্থায়ী কোন এলোপ্যাথিক চিকিৎসা নেই। তাই এলোপ্যাথিক চিকিৎসকরা এই সমস্যা হলে চিকিৎসা বিজ্ঞানের আরেকটি শাখা সার্জারিতে ট্রান্সফার করে। তবে সার্জারি বা অপারেশন করলে সাময়িক কিছু সময়ের জন্য আরাম পাওয়া যায় কিন্তু তারপর সমস্যাটি আবার ফিরে আসে এবং সাথে সাথে সমস্যাটি আরো জটিল আকার ধারণ করে। তাই সার্জারি এই সমস্যাগুলির কোন স্থায়ী সমাধান নয়। এই সমস্যাগুলি প্রপার হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় রোগের তীব্রতা অনুসারে কমবেশি সময়ের ব্যবধানে ঠিক হয়ে যায়। তাই অর্শ বা পাইলস Hemorrhoids (Piles), এনাল ফিশার (Anal Fissure) মলদ্বারে ফাটা, অ্যানাল ফিস্টুলা Anal Fistula (ভগন্দর) মলদ্বারের এই সব জটিল পীড়ায় অভিজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শক্রমে প্রপার হোমিও চিকিৎসা নিন। ধন্যবাদ।

পাইলস, এনাল ফিশার, ফিস্টুলা - হোমিওপ্যাথিক ঔষধ

মলদ্বারের এই জটিল এবং কষ্টদায়ক রোগগুলি চিকিৎসার জন্য রয়েছে বিভিন্ন শক্তির বহু হোমিওপ্যাথিক ঔষধ। একজন হোমিও চিকিৎসক মূলত পেশেন্টের হিস্ট্রি নিয়ে তার সার্বদৈহিক অবস্থা এবং জেনেটিক অবস্থা বিবেচনা পূর্বক নির্দিষ্ট ঔষধ নির্দিষ্ট শক্তিতে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য প্রয়োগ করে করে ইম্প্রোভমেন্টে নিয়ে যাবেন। রেপার্টরীতে পাইলস চিকিৎসার জন্য যে যে ঔষধগুলি রয়েছে-
পাইলস - হোমিওপ্যাথিক ঔষধ
এই ঔষধগুলি থেকে পেশেন্টের জন্য নির্বাচিত ঔষধ একজন এক্সপার্ট হোমিও চিকিৎসক পেশেন্টের শরীরে প্রয়োগ করবেন। আবার ফিশার চিকিৎসার জন্য হোমিওতে যে যে ঔষধগুলি রয়েছে-
এনাল ফিশার-হোমিওপ্যাথিক ঔষধ
এনাল ফিস্টুলার চিকিৎসার জন্যও রয়েছে বহু হোমিওপ্যাথিক ঔষধ। এখানে রেপার্টরীতে যে যে ঔষধগুলি রয়েছে -
এনাল ফিস্টুলা-হোমিওপ্যাথিক ঔষধ
এই ঔষধগুলি থেকে পাইলস, এনাল ফিশার এবং ফিস্টুলা বা ভগন্দর এর চিকিৎসার ক্ষেত্রে একেক জনের জন্য একেক রকম ঔষধ প্রয়োগ করতে হয় পেশেন্টের হিস্ট্রি নিয়ে। আর এটি করতে পারেন এক্সপার্ট একজন হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক। তাই প্রপার হোমিও চিকিৎসার মাধ্যমে রোগ নির্মূলের জন্য অভিজ্ঞ একজন হোমিও চিকিৎসকের পরামর্শক্রমে চিকিৎসা নেয়া জরুরী।
বিস্তারিত