Dr. Imran ডাঃ দেলোয়ার জাহান ইমরান ➤ ডিএইচএমএস - বিএইচএমসি এন্ড হসপিটাল, ডিএমএস; ঢাকা
➤ প্রাইভেট প্রাক্টিশনার হোমিওপ্যাথি
➤ আনোয়ার টাওয়ার, আল-আমিন রোড, কোনাপাড়া, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা।
➤ ফোন : +৮৮ ০১৬৭১-৭৬০৮৭৪ এবং ০১৯৭৭-৬০২০০৪

ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন

নারী স্বাস্থ্য (স্ত্রীরোগ)
মা ও শিশু স্বাস্থ্য
পুরুষের স্বাস্থ্য
রোগ-ব্যাধি
হেল্থ টিপস
যোগাযোগ

Sunday, December 1, 2019

টেস্টিকুলার বা অণ্ডকোষের ক্যান্সার Testicular Cancer ! পুরুষদের একটি ভয়াবহ রোগ

টেস্টিকুলার বা অণ্ডকোষের ক্যান্সার Testicular Cancer মূলত পুরুষদের একটি ভয়াবহ রোগ।  এর আগের একটি আর্টিকেলে অন্ডকোষের টিউমার সম্পর্কে আলোকপাত করেছিলাম। শুধু পুরুষকে আক্রান্ত করে এমন এক ক্যান্সার হলো টেস্টিকুলার বা অণ্ডকোষের ক্যান্সার। পৃথিবীতে প্রতি ২৬৩ জন পুরুষের মাঝে একজন এই ক্যান্সারে আক্রান্ত হন। লক্ষণগুলো সহজে ধরা যায় না বলে এই রোগ আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করে। আসুন  টেস্টিকুলার ক্যান্সারের লক্ষণগুলি -
অণ্ডকোষে ব্যথাহীন একটি পিণ্ড : এই ক্যান্সারের সবচেয়ে বড় লক্ষণ হলো টেস্টিকল বা অণ্ডকোষে ব্যথাহীন একটি লাম্প বা পিণ্ড। এতে কোনো ধরণের ব্যথা বা অস্বস্তি দেখা যায় না, ফলে তা খেয়াল করেন না অনেকে। অণ্ডকোষে কোনো পিণ্ড তৈরি হয়েছে কিনা তা নিয়মিত পরীক্ষা করুন।
অণ্ডকোষ বা অণ্ডথলি ভারী অনুভূত হওয়া : কোনো পিণ্ড না থাকলেও অনেক পুরুষের কাছে অণ্ডথলি বা স্ক্রোটাম ভারী অনুভূত হতে পারে, চাপা ব্যথাও হতে পারে। যত দ্রুত সম্ভব ডাক্তারকে জানান এ লক্ষণটি।

সময়ের আগেই বয়ঃসন্ধি : টেস্টিকুলার ক্যান্সার শুধু বয়স্কদেরই নয়, বরং টিনেজার বা বয়ঃসন্ধিকালের কিশোরদেরও হতে পারে। অন্য কিশোরদের তুলনায় আগে বয়ঃসন্ধির লক্ষণ যেমন স্বরভঙ্গ এবং গোঁফ-দাড়ি গজানোটা টেস্টিকুলার ক্যান্সারের লক্ষণ হতে পারে। এক্ষেত্রে দ্রুত অভিজ্ঞ একজন হোমিও চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

স্তনে ব্যথা : অনেকেই ভাবতে পারেন বিভিন্ন অসুস্থতার কারণে শুধু নারীদের স্তনে ব্যথা হয়। কিন্তু টেস্টিকুলার ক্যান্সারের কারণে পুরুষের স্তনে ব্যথা এমনকি তরল নিঃসরণ হতে পারে। কিন্তু কেন? অণ্ডকোষে টিউমার হলে সেখানে এক ধরণের প্রোটিন তৈরি হয় যা স্তনে এসব প্রতিক্রিয়া তৈরি করে। এ ঘটনায় বিব্রত না হয়ে অতিসত্বর তা ডাক্তারকে জানানো উচিত।
অণ্ডকোষের আকার পরিবর্তন : একটি অণ্ডকোষের তুলনায় অন্যটি ছোট বা বড় হওয়া, ফুলে যাওয়া বা একদিকে ঝুলে যাওয়া টেস্টিকুলার ক্যান্সারের উপসর্গ।

অণ্ডথলিতে পানি আসা : অণ্ডথলি বা স্ক্রোটামে পানি আসা স্বাভাবিক, কিন্তু সপ্তাহখানেক ধরে এই অবস্থা বজায় থাকাটা নিঃসন্দেহে অস্বাভাবিক। টিউমার থাকলে এমনটা হতে পারে। এর পাশাপাশি অন্যান্য উপসর্গ দেখা দিলে  অভিজ্ঞ কোন হোমিও ডাক্তারের পরামর্শ নিতে দেরি করবেন না।

পিঠে ব্যথা ও কাশি :  ক্যান্সার যখন মেটাস্টেসিস প্রক্রিয়ায় শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছড়ায় তখন এর একটি লক্ষণ হতে পারে পিঠে ব্যথা, কাশি এমনকি ঘাড়ে ফুলে থাকা পিণ্ড। শরীরের যে কোনো স্থানে পিণ্ড দেখা দিলেই তা পরীক্ষা করিয়ে নেওয়া জরুরী। কারণ এর অর্থ হতে পারে আপনার টেস্টিকুলার ক্যান্সার আছে এবং তা ছড়িয়ে পড়েছে।

তলপেটে ব্যথা: টেস্টিকুলার ক্যান্সার বেড়ে যাবার আরেকটি উপসর্গ হতে পারে তলপেতে ব্যথা। ফুলে যাওয়া লিম্ফ নোড এবং লিভারে এই ক্যান্সার ছড়িয়ে পড়ার কারণে পেটে ব্যথা হতে পারে।

এসব লক্ষণের যে কোনো একটি বা কয়েকটি শনাক্ত করতে পারলে অভিজ্ঞ কোন হোমিও ডাক্তারকে জানান দ্রুত। যত দ্রুত চিকিত্‍সা শুরু করতে পারেন, সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা ততই বেশি। পুরুষের টেস্টিস বা অন্ডকোষ সংক্রান্ত যত সমস্যাগুলি হয়ে থাকে মূলত সেগুলির তেমন কোন এলোপ্যাথিক চিকিৎসা নেই। সেগুলির অধিকাংশগুলিই সার্জারি করে ঠিক করার চেষ্টা করা হয়ে থাকে যদিও এই স্থানে সার্জারি ততটা নিরাপদ নয়। তবে টেস্টিস বা অন্ডকোষ সংক্রান্ত রোগের উন্নত চিকিৎসা রয়েছে হোমিওপ্যাথিতে। এর জন্য অভিজ্ঞ কোন হোমিও চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। 
বিস্তারিত

অন্ডথলিতে টিউমারের মতো ছোট ছোট গুটি - সেবাসিয়াস সিস্ট Sebaceous Cyst on Scrotum

অন্ডথলিতে  সেবাসিয়াস সিস্ট যাকে অনেকেই না বুঝে অন্ডকোষে ছোট ছোট গোটা, অন্ডকোষের ভিতরে গুটি, অন্ডকোষের থলিতে গুটি, অণ্ডকোষে গোটা,অন্ডকোষে টিউমার অন্ডকোষে দানা ইত্যাদি নাম অবহিত করে থাকেন। মূলত পুরুষদের অন্ডথলিতে টিউমারের মতো ছোট ছোট গুটিকা গুলি সেবাসিয়াস সিস্ট Sebaceous Cyst on Scrotum. এই সিস্টের ভেতর সাদা তরল ও চর্বিজাতীয় পদার্থ থাকে যাকে মূলত সেবাম বলা হয়ে থাকে। প্রাথমিক অবস্থায় এর কোনো ব্যথা থাকে না। কিন্তু কোনো কারণে ইনফেকশন হলে বা পেকে গেলে ভেতরে পুঁজের মতো দেখা যায়। এ সিস্টের একটা পাতলা আবরণ থাকে, যা ভেতরের সব পদার্থকে ঢেকে রাখে। দেখা যায় পুরুষদের যৌনাঙ্গে বা অন্ডকোষে ছোট ছোট মুক্তার দানার মত সিস্ট হচ্ছে। যা একটি দুটি থেকে অসংখ্য সংখ্যায় হতে পারে। যা দেখতে বেশি বিশ্রী বিব্রতকর এবং যে কখনো দেখেনি, সে হয়তো ভয় পেতে পারে। হোমিওপ্যাথি চিকিৎসায় এই সমস্যাটি অধিকাংশ সময়েই দূর হয়ে যায়।

অন্ডথলিতে সেবাসিয়াস সিস্ট - কারণ সমূহ 

  • সেবাসিয়াস গ্ল্যান্ডের ব্লক 
  • লোমকূপ ফুলে যাওয়া 
  • ত্বকে কোন ধরনের আঘাত 
  • পুরুষদের মাত্রাতিরিক্ত টেস্টোস্টেরোন হরমোন নিঃস্বরণ ইত্যাদি 
অন্ডথলিতে সেবাসিয়াস সিস্ট - লক্ষণ ও উপসর্গ 
  • স্ক্রোটামের ত্বকে শক্ত দলার মত ছোট ছোট গুটি অনুভূত 
  • ধীরে ধীরে গুটিকার পরিমান বাড়তে থাকে 
  • গুটিকাগুলি কয়েকটি থেকে অধিক পরিমান হতে পারে 
  • প্রথমে ব্যথা না হলেও পরে ব্যথা হতে পারে 
  • কারো ক্ষেত্রে চুলকানি হতে পারে 
  • টিপলে আঠালো সাদা পদার্থ বের হতে পারে 

অন্ডথলিতে সেবাসিয়াস সিস্ট - চিকিৎসা 

মূলত এই সমস্যা নির্মূলের কোন এলোপ্যাথিক চিকিৎসা নেই। এইগুলি মূলত সার্জারি করে অপসারণ করা হয়ে থাকে। যদি অল্প কয়েকটি হয়ে থাকে আর নতুন করে না হয় তাহলে সেগুলি সার্জারি করে সুফল পেতে পারেন। কিন্তু যখন অনবরত হতে থাকে তাহলে সার্জারি করলেও কোন ফল হয় না কারণ নতুন করে আবার হয়ে আগের মত হয়ে যায়। তবে এই সমস্যার ভালো হোমিও চিকিৎসা রয়েছে। অভিজ্ঞ হোমিও চিকিৎসকের পরামর্শক্রমে ট্রিটমেন্ট নিলে সুফল পাবেন আশা করি।
বিস্তারিত

Tuesday, November 19, 2019

এপিডিডাইমাল সিস্ট Epididymal Cyst পুরুষদের অন্ডকোষের রোগ ! উপসর্গ ও জটিলতা

এপিডিডাইমাল সিস্ট Epididymal Cyst পুরুষদের অন্ডকোষের রোগ। পুরুষদের প্রতিটি টেস্টিসের বা অণ্ডকোষের উপরের অংশ যেখানে বীর্য সংরক্ষিত হয় তাকে এপিডিডাইমিস বলে। এর মাধ্যমে শুক্রাণু টেস্টিকল থেকে স্পার্মাটিক নালীতে যেয়ে থাকে। এতে কোন ধরনের অস্বাভাবিক থলি বা সিস্ট ডেভেলপ করলেই তাকে এপিডিডাইমাল সিস্ট Epididymal Cyst বলা হয়।
এপিডিডাইমাল সিস্ট Epididymal Cyst উপসর্গ : ছোট আকারের কারণে প্রথমে এপিডিডাইমাল সিস্টের লক্ষণগুলি অনেকের ক্ষেত্রেই বুঝা যায় না। তার বৃদ্ধির সময় ব্যথা অনুভব করতে শুরু করে, এক সময় প্রসারিত সিস্টটি স্নায়ু এবং রক্তনালীগুলি সংকুচিত করতে শুরু করে। আরো যে যে লক্ষণগুলি দেখা যায়-
  • অণ্ডকোষে বা এপিডিডাইমিসে ব্যথা হয়
  • অণ্ডকোষ বা কুঁচকি ফোলে যেতে পারে
  • স্থানটি গরম হয়ে থাকতে পারে
  • মলত্যাগ করার সময় ব্যথা অনুভব করুন
  • বীর্যপাতের সময় বা যৌন মিলনের সময় ব্যথা
  • কারো কারো ক্ষেত্রে জ্বালাপোড়া হতে পারে
  • বেশি বড় হয়ে গেলে হাঁটতে অসুবিধা
  • জ্বর এবং আরও প্রদাহ হতে পারে
এপিডিডাইমাল সিস্ট Epididymal Cyst জটিলতা: কারো কারো ক্ষেত্রে কোন সমস্যা হয় না। কিন্তু যাদের ক্ষেত্রে তীব্র ইনফ্লামেশন তৈরি করে তাদের শুক্রাণু এবং টেস্টোস্টেরোন হরমোন উৎপাদনে বাধাগ্রস্থ হয়ে থাকে। বেশি বড় হয়ে গেলে অবস্ট্রাক্টিভ এজোস্পার্মিয়া বা পুরুদের বন্ধ্যাত্বের সমস্যা তৈরী হয়ে থাকে। তাই ঠিক সময়ে চিকিৎসা না নিলে বহু ক্ষেত্রেই জটিল সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়। 

এপিডিডাইমাল সিস্ট Epididymal Cyst চিকিৎসা: এলোপ্যাথিতে এই সমস্যা নির্মূলের কোন চিকিৎসা নেই। তাই এলোপ্যাথিক চিকিৎসকগণ এটিকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের আরেকটি শাখা সার্জারিতে ট্র্যান্সফার করে থাকে। কিন্তু সার্জারি করে এটি দূর করা হলেও অনেকের ক্ষেত্রেই সমস্যাটি আবার হতে দেখা যায়। তবে এপিডিডাইমাল সিস্ট Epididymal Cyst নির্মূলের একটি কার্যকর চিকিৎসা হলো হোমিওপ্যাথি। প্রথম পর্যায়ে এই সমস্যার ভালো একটি হোমিও চিকিৎসা নিলে অতি দ্রুত এই রোগ নির্মূল হয়ে যায়। কিন্তু বহু দিন যাবৎ ভুগতে থাকার পর অর্থাৎ ক্রনিক অবস্থায় এই রোগের হোমিও চিকিৎসা নিলে এই ভালো হতে বেশ সময় নিয়ে নেয়। তাই শুরুতেই অভিজ্ঞ কোন হোমিও ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন। 
বিস্তারিত

Wednesday, October 9, 2019

স্পার্মাটিক কর্ড বা শুক্রবাহী নালীতে টিউমার Spermatic Cord Tumor চিকিৎসা হোমিওপ্যাথি

পুরুষদের স্পার্মাটিক কর্ড বা শুক্রবাহী নালীতে অনেকের ক্ষেত্রে টিউমার হতে দেখা যায়। ঠিক কি কারণে Spermatic Cord Tumor হয় এর সঠিক কারণ অনেক ক্ষেত্রেই জানা যায় না। তবে অনেকের ক্ষেত্রে আঘাতের ফলেও এই টিউমার তৈরী হতে পারে। যখন এই সমস্যা হয় তখন অনেক পুরুষই বিষয়টি আমলে নেন না। এক সময় এটি তাদের বন্ধ্যাত্বের সমস্যাও তৈরী করতে পারে।
এখানে যে টিউমারগুলি হয়ে থাকে তাদের অধিকাংশই বিনাইন প্রকৃতির। যেমন লাইপোমা। তবে দেখা গেছে প্রায় ২৫% ক্ষেত্রে মালিগন্যান্ট প্রকৃতির কিছু টিউমার হয়ে থাকে। যেমন -
  • Liposarcoma
  • Leiomyosarcoma
  • Rhabdomyosarcoma
  • Malignant fibrous histiocytoma
  • Fibrosarcoma
স্পার্মাটিক কর্ড বা শুক্রবাহী নালীতে টিউমার হলে কি কি লক্ষণ বা উপসর্গ দেখা দিতে পারে আসুন জেনে নেই -
  • স্পার্মাটিক কর্ডে ফোলা অনুভূত হবে 
  • কারো ক্ষেত্রে শক্ত এবং কারো ক্ষেত্রে কিছুটা নরম অনুভত হতে পারে 
  • কারো ক্ষেত্রে ব্যথা অনুভত হতে পারে আবার কারো ক্ষেত্রে ব্যথা থাকে না
  • কারো ক্ষেত্রে শিরার পাশাপাশি অন্ডোকোষেও ব্যথা হতে পারে 
  • ইনফ্লামেশন বেশি থাকলে  অন্ডোকোষ ফোলে যেতে পারে 
স্পার্মাটিক কর্ড বা শুক্রবাহী নালীতে টিউমার হলে অবস্ট্রাক্টিভ এজোস্পারমিয়া বা একপ্রকার পুরুষ বন্ধ্যাত্ব হতে পারে। সঠিক সময়ে এই রোগের চিকিৎসা না নিলে এটি বেশ জটিল আকার ধারণ করে। এই সমস্যা নির্মূলের মূলত কোন ভালো এলোপ্যাথিক চিকিৎসা নেই। স্পার্মাটিক কর্ড বা শুক্রবাহী নালীতে টিউমার Spermatic Cord Tumor নির্মূলের উন্নত চিকিৎসা মূলত হোমিওপ্যাথি। তবে এর জন্য এক্সপার্ট একজন হোমিও চিকিৎসকের পরামর্শ ক্রমে চিকিৎসা নেয়া জরুরী। 
বিস্তারিত

Friday, September 27, 2019

টেস্টিস বা অন্ডকোষের টিউমার ! স্থায়ী মুক্তি হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা

পুরুষদের টেস্টিস বা অন্ডকোষে যখন টিউমার হয় তখন তাকে Testicular Tumor বলা হয়ে থাকে। টেস্টিস বা অন্ডকোষের টিউমার হয় এর প্রকৃত কারণ অজানা। অন্ডকোষের বা টেস্টিকুলার টিউমার মূলত ২০ থেকে ৩৫ বছর বয়সী পুরুষদের ক্ষেত্রেই বেশি হতে দেখা যায়।
এখানে বিভিন্ন প্রকারের টিউমার হতে দেখা যায়। Germ cell tumors (95%) যেগুলির মধ্যে রয়েছে Seminoma tumor (40%) এবং Nonseminoma tumors 60% এর মধ্যে রয়েছে Embryonal carcinoma, Teratoma, Testicular choriocarcinoma, Yolk sac tumor, Mixed germ cell tumors তারপর আরেক প্রকারের মধ্যে রয়েছে Non germ cell tumors (5%) এখানে রয়েছে Leydig cell tumors, Sertoli cell tumors এবং Secondary testicular tumors যেমন Lymphoma. যখন অন্ডকোষে টিউমার হয় তখন মূলত টেস্টিস হঠাৎ করে ফুলে যায়, অস্বাভাবিকভাবে বড় হয়ে যায়। কারো ক্ষেত্রে ব্যথা থাকে কারো ক্ষেত্রে থাকে না।
টেস্টিস বা অন্ডকোষের টিউমার - লক্ষণসমূহ
  • টেস্টিসের অস্বাভাবিকভাবে বড় হওয়া
  • টেস্টিস হঠ্যাৎ ফুলে যাওয়া
  • বেশিরভাগ সময় ব্যথা থাকে না
  • কখনও কখনও প্রচন্ড ব্যথা নিয়েও আসতে পারে
  • ছোট বাদাম আকার থেকে কোকোনাট সাইজ পর্যন্ত হতে পারে
  • দূরবর্তী স্থানে ছড়াইয়া পরতে পারে যেমনঃ পেটে, গলায়, ফুসফুসে ইত্যাদি স্থান
  • স্তন ফুলে যেতে পারে
টেস্টিস বা অন্ডকোষের টিউমার - চিকিৎসা 
এই সমস্যার তেমন কোন এলোপ্যাথিক চিকিৎসা না থাকলেও হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় অন্ডকোষের টিউমার দূর হয়ে যায়।
বিস্তারিত

Tuesday, September 24, 2019

জক ইচ Jock Itch দুই রানের বা উরুর মধ্যবর্তী স্থানে চুলকানিযুক্ত চর্মরোগ

দুই রানের বা উরুর মধ্যবর্তী স্থানে অস্বস্তিকর চুলকানিতে আক্রান্তদের মধ্যে পুরুষের সংখ্যাই বেশি থাকে। এই চুলকানিকে বলা হয় হয় জক ইচ Jock itch বা Tinea Cruris. জক ইচ এক প্রকার রিং ওয়ার্ম বা দাদ। তবে এটি কিছুটা আলাদা ধরণের। সাধারণ চামড়ার বাইরের অংশে, নখে ফাঙ্গাল ইনফেকশনের কারণে এই রোগটি দেখা যায়। চামড়ার উপরিভাগে লাল বা খয়েরি রঙের র‍্যাশ দেখা যায় যা পানি ভর্তি থাকে, প্রচণ্ড চুলকায় এবং জ্বালাপোড়া হয়। এই রোগটি শরীরের কোন একটি অংশে হলে অন্যান্য অংশেও খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। এছাড়া এটি বিভিন্নভাবে অন্যের শরীরেও ছড়িয়ে যায়।
এটি হল একটি ফাঙ্গাল সংক্রমণ, যা ছোঁয়াচে। ত্বকের উপরিতলের উপর ছত্রাকের বৃদ্ধিটি যা আর্দ্র এবং উষ্ণ হয়। তাই, খুবই টাইট বা ভেজা অন্তর্বাস পড়লে তা ঝুঁকির বিষয় হতে পারে। অতিরিক্ত ওজনের ব্যক্তিদের যাদের ত্বকের ভাজ ছুঁতে থাকে, তাদেরও একটি বিশাল ঝুঁকি থাকে। সংক্রামিত টাওয়েল, চাদর ইত্যাদি ব্যবহার করার মাধ্যমে জক ইচ ছড়াতে পারে। যেহেতু এটি ভিষন ছোঁয়াচে তাই সংস্পর্শের মাধ্যমে আপনার শরীরের অন্য অংশেও ছড়িয়ে যেতে পারে। এই অবস্থাটি মহিলাদের থেকে পুরুষদের বেশি প্রভাবিত করে। আমাদের শরীরের আর্দ্র স্থান যেমন কটিসন্ধি, উরু বা রানের সংযোগস্থল এবং নিতম্বে এই ফাঙ্গাস/ছত্রাক বেশি জন্মায়। সাধারণত শরীরের এই স্থানগুলোতে ঘাম বেশি হয়, তৈলাক্ত থাকে ফলে ফাঙ্গাস তার উপযুক্ত পরিবেশ পেয়ে যায়।

নারী ও পুরুষ উভয়ই এই রোগে আক্রান্ত হন, তবে নারীদের রোগের ধরন ও প্রতিকারের পদ্ধতি কিছুটা ভিন্ন, যা পরবর্তী লেখায় বিস্তারিত তুলে ধরা হবে।এই রোগের ভাইরাস বিভিন্নভাবে এক শরীর থেকে অন্য শরীরের ছড়িয়ে পড়তে পারে। ব্যবহৃত পোশাক, পানি, বিছানা ইত্যাদি এর বাহক হিসেবে কাজ করে।

জক ইচ Jock Itch - লক্ষণ

  • উরুর সংযোগস্থল ও নিতম্বে তীব্র চুলকানি ভাব অনুভূত হওয়া
  • লাল বা খয়েরি রঙয়ের র‍্যাশ ও পানি ভর্তি ফুসকুড়ি দেখা দেয়া
  • চুলকানোর পর এই পানি ভর্তি ফুসকুড়িগুলো ফেটে যাওয়া
  • আক্রান্ত স্থানে পানি লাগলে জ্বালাপোড়া করা
  • আক্রান্ত স্থান কালো এবং শুষ্ক হয়ে যাওয়া
  • আকারে গোল হয় ।
  • ক্ষতর জায়গাটা খুবই প্রবলভাবে চিহ্নিত হয়ে যায়
  • ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার সমকেন্দ্রিক বৃত্তের ভিতর স্বাভাবিক দেখতে চামড়া থাকতেও পারে।
  • ক্ষতটি একটু উঁচু দেখাবে
  • ক্ষতটি সহ ফোস্কা হতে পারে
  • চুলকুনি এবং অস্বস্তি সাধারণতভাবে দেখা যায়
  • ব্যায়াম করলে উপসর্গগুলি আরও খারাপ হয়

জক ইচ Jock Itch - চিকিৎসা

যেহেতু এটি মূলত একটি ফাঙ্গাল ইনফেকশন তাই এলোপ্যাথিতে বিভিন্ন প্রকার এন্টি-ফাঙ্গাল ঔষধের মাধ্যমে এর চিকিৎসা করা হয়ে থাকে। তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই এই সকল এলোপ্যাথিক ঔষধ এই রোগ স্থায়ী ভাবে নিরাময়ে ব্যর্থ হয়ে থাকে এবং সমস্যাটি দিন দিন জটিল এক প্রকার চর্মরোগের রূপ ধারণ করে থাকে। তবে এর স্থায়ী চিকিৎসা মূলত হোমিওপ্যাথি। এর জন্য অভিজ্ঞ কোন হোমিও ডাক্তারের পরামর্শক্রমে চিকিৎসা নিন। 
বিস্তারিত

Thursday, September 12, 2019

যুবকদের যৌন সমস্যা নির্মূলের অব্যর্থ চিকিৎসা রয়েছে 100% Natural

প্রি-ম্যাচিউর ইজাকুলেশেন বা সহবাসে স্থায়িত্বের অভাব, ইরেকশন ফেইলিউর বা পুরুষাঙ্গের উত্থানে দুর্বলতা, পেনিট্রেশন ফেইলিউর বা যৌনাঙ্গ ছেদনে অক্ষমতা। উত্থান জনিত সমস্যা, ইরেকশন সমস্যা সমাধান, পুরুষত্বহীনতা দূর করার উপায়, ধ্বজভঙ্গ রোগের চিকিৎসা, শীঘ্রপতন বন্ধ করার ঔষধ, ইরেকটাইল ডিসফাংশন এর সমাধান হলো যথাযথ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা গ্রহণ করা। তবে এর জন্য এমন একজন হোমিও চিকিৎসকের পরামর্শক্রমে চিকিৎসা নেয়া দরকার যিনি ক্লাসিক্যাল, ক্লিনিক্যাল এবং কমপ্লেক্স হোমিওপ্যাথিতে পারদর্শী।
পুরুষের শারীরিক অক্ষমতা বা দুর্বলতা আজকাল আমাদের সমাজে প্রকট আকার ধারণ করছে। একদম তরুণ থেকে শুরু করে যেকোনো বয়সী পুরুষের মাঝে দেখা যাচ্ছে এমন যৌন সমস্যা।অনেক পুরুষ অকালেই হারিয়ে ফেলছেন নিজের সক্ষমতা, উঠতি বয়সের যুবকরা রীতিমতো হতাশ হয়ে পড়ছেন। এতে বাড়ছে দাম্পত্যে অশান্তি, সন্তানহীনতার হার। এই সমস্যা দূর করতে গিয়ে ৮০% তরুণরাই ভুল চিকিৎসার শিকার হচ্ছেন এবং অকালে হারাচ্ছেন জীবনের সুখ স্বাচ্ছন্দ। আপনার মনে রাখা জরুরী। পুরুষ ও মহিলাদের যৌন সংক্রান্ত সমস্যাগুলি নিরাময়ের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া এবং অব্যর্থ চিকিৎসা হলো হোমিওপ্যাথি।
বিস্তারিত