Dr. Imran ডাঃ দেলোয়ার জাহান ইমরান ➤ রেজিস্টার্ড হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক(রেজিঃ নং-৩৩৪৪২)
➤ ডিএইচএমএস (বিএইচএমসি এন্ড হসপিটাল), ডিএমএস; ঢাকা
➤ বিশেষত্বঃ প্যানক্রিয়াটাইটিস, আইবিএস, আইবিডি, অর্কাইটিস, ভেরিকোসিল...
➤ নিউটাউন হোমিও হল, নিউটাউন কেন্দ্রীয় মসজিদ সংলগ্ন, সাইনবোর্ড, ডেমরা, ঢাকা
➤ ফোন : +৮৮ ০১৬৭১-৭৬০৮৭৪ এবং ০১৯৭৭-৬০২০০৪
➤ সাক্ষাৎ : সকাল ১১ টা থেকে বিকাল ৪ টা (শুক্রবার বন্ধ)
➤ শুধু এপয়েন্টমেন্টের জন্য ফোনে যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ
➤ প্রোফাইল ➤ ফেইসবুক ➤ ইউটিউব

প্যানক্রিয়াটাইটিস

অ্যাকিউট ও ক্রনিক প্যানক্রিয়াটাইটিস এর কার্যকর চিকিৎসা হোমিওপ্যাথি

পিত্তথলির পাথর

অপারেশন ছাড়াই পিত্তথলির পাথর নির্মূলের কার্যকর চিকিৎসা

আইবিএস

পেটের পীড়া আইবিএস নির্মূলের স্থায়ী চিকিৎসা হোমিওপ্যাথি

আইবিডি

আলসারেটিভ কোলাইটিস ও ক্রনস ডিজিজ এর কার্যকর চিকিৎসা

ভেরিকোসিল

ভেরিকোসিলের অপারেশনবিহীন কার্যকর চিকিৎসা হোমিওপ্যাথি

মলদ্বারের রোগ

পাইলস, এনাল ফিশার এবং ফিস্টুলা সমস্যায় হোমিওপ্যাথি

পুরুষের স্বাস্থ্য

পুরুষদের বিভিন্ন রোগের কার্যকর হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা

নারী স্বাস্থ্য

নারীদের বিভিন্ন রোগের কার্যকর হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা

নারী স্বাস্থ্য স্ত্রীরোগ
নারীদের অর্থাৎ স্ত্রীরোগ সম্পর্কিত বিষয়াবলী
মা ও শিশু স্বাস্থ্য
মা ও শিশু স্বাস্থ্য সম্পর্কিত বিষয়াবলী
পুরুষদের স্বাস্থ্য
পুরুষদের স্বাস্থ্য সম্পর্কিত বিষয়াবলী
রোগ-ব্যাধি অসুখবিসুখ
নানা প্রকার রোগ-ব্যাধি সম্পর্কিত বিষয়াবলী
স্বাস্থ্য বিষয়ক টিপস
স্বাস্থ্য সম্পর্কিত যাবতীয় টিপস ও ট্রিকস

সাম্প্রতিক আপডেট

রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪

জিডিএম মরিঙ্গা ভেজিক্যাপ প্লাস ! রোগ শক্তি প্রতিরোধ ও সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করে

জিডিএম মরিঙ্গা ভেজিক্যাপ+ (GDM Moringa VEGECAP+) আমাদের ভাইটাল ফোর্সকে শক্তিশালী করে মারাত্মক ক্ষতিকারক রোগ শক্তির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সহায়তা করে। মরিঙ্গা ভেজিক্যাপ+ মূলত বেশ কিছু শক্তিশালী প্রাকৃতিক উপাদানে তৈরি করা একটি ন্যাচারাল ফুড সাপ্লিমেন্ট যা বাংলাদেশে তৈরি ও বাজারজাত করছে জিডিএম কোম্পানী।

সুস্বাস্থ্যকর পরিস্থিতিতে কোন মানুষ যে কোন ধরণের ক্ষতিকারক প্রভাব থেকে নিজেকে রক্ষা করতে সমর্থ হয়। আমাদের পার্থিব অস্তিত্ব প্রতিনিয়ত সহস্র রোগশক্তির কাছে উন্মোচিত অর্থাৎ আমরা সবাই সর্বদা সহস্র রোগশক্তি দ্বারা পরিবেষ্টিত, তা সত্ত্বেও সবাই রোগের কবলে পতিত হয় না বা রোগ যন্ত্রনা ভোগ করি না, কারণ ভাইটাল ফোর্স প্রতিনিয়ত মারাত্মক ক্ষতিকারক রোগ শক্তির বিরুদ্ধে সুরক্ষা দিয়ে চলেছে, যার জন্য আমরা সুস্থ থাকি। কিন্তু বিভিন্ন কারণে আমাদের এই ভাইটাল ফোর্স দুর্বল হয়ে পড়ে এবং আমরা নানা প্রকার রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়ি। ভাইটাল ফোর্সের দুর্বলতার জন্য দায়ী মূলতঃ দুটি ফ্যাক্টর। এখানে দেখুন বিস্তারিতঃ

মরিঙ্গা বা সজনে পাতাকে বলা হয় সুপার ফুড যার বহু স্বাস্থ্য উপকারীতা রয়েছে যা প্রায় সকলেরই জানা। কিন্তু জিডিএম মরিঙ্গা ভেজিক্যাপ প্লাস মরিঙ্গা বা সজনে পাতার পাশাপাশি আরো কিছু শক্তিশালী প্রাকৃতিক উপাদানের সমন্বয়ে তৈরি করা হয়েছে যা দুর্বল স্বাস্থ্যের অধিকারী ব্যক্তিকে ধীরে ধীরে হৃষ্টপুষ্ট বা সুস্বাস্থের অধিকারী করে তুলে।
জিডিএম মরিঙ্গা ভেজিক্যাপ প্লাস

জিডিএম মরিঙ্গা ভেজিক্যাপ প্লাস - উপাদান 

  • অর্গানিক মরিঙ্গা পাউডার 
  • জংলী চন্দ্রমল্লিকা
  • টারমারিক বা হলুদ
  • কালো জিরা 
  • মুথা মূল 
  • ইত্যাদি 

জিডিএম মরিঙ্গা ভেজিক্যাপ প্লাস - উপকারিতাঃ 

সুখী এবং স্বাস্থ্যকর জীবনের জন্য জিডিএম মরিঙ্গা ভেজিক্যাপ প্লাস হল একটি মিরাক্যাল সুপার ফুড। সংক্ষেপে বলতে গেলে এটি মূলতঃ 
  • অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট 
  • ফ্রী রেডিক্যাল প্রোটেক্টর 
  • অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি
  • অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল 
  • ডি-টক্সিফায়ার
  • এবং ইমিউন বোস্টার 
জিডিএম মরিঙ্গা ভেজিক্যাপ প্লাস সাপ্লিমেন্টে ব্যবহৃত বিভিন্ন উপাদানগুলির মধ্যে একটি হল অর্গানিক মরিঙ্গা পাউডার। নির্দিষ্ঠ পরিমান মরিঙ্গা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত প্রয়োগে শরীরের পুষ্টি সাধন করে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে এবং বিভিন্ন শারীরিক সমস্যাবলী দূরীকরণে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে থাকে। তাছাড়া অন্যান্য উপাদানগুলিরও রয়েছে স্বতন্ত্র কিছু স্বাস্থ্য উপকারিতা যা আমরা ধাপে ধাপে জানবো। 

মরিঙ্গা বা সজনে পাতার স্বাস্থ্য উপকারিতা

  • কোমর, হাত-পায়ের আঙ্গুল, জয়েন্টের ব্যথায় কার্যকর 
  • অস্টিওপোরোসিস বা হাড়ের রোগ রোধ করে
  • বার্ধক্যজনিত দূর্বলতা রোধ করে
  • ঠাণ্ডা জনিত হাঁপানি সমস্যা দূর করে
  • শ্বাসতন্ত্রে প্রদাহের সমস্যা দুর করে
  • ব্রেস্ট টিউমার জীবানু দুর করে
  • ডায়াবেটিস দুর্বলতা দুর করে
  • ভিটামিন ক্যালসিয়াম অভাব পূরণ করে
  • কোষ্টকাঠিন্য সমস্যা দুর করে
  • হজম দূর্বলতা আমাশয় সমস্যা দূর হয়
  • স্বাস্থ্যহীনতা রুগ্নতায় শরীর সবল করে
  • চোঁখ, হাত, পা, জ্বালাপোড়া রোধ করে
  • প্রসাবে জ্বালাপোড়া ইনফেকশন দূর করে
  • লিউকোরিয়া সমস্যা দূর করে
  • অনিয়মিত মাসিক দুর করে
  • পাইলস রোগে কার্যকরী
  • হিমোগ্লোবিন অভাব পূরণ করে
  • রিউমেটিক ফিভার বা বাতজ্বরে কার্যকরী
  • নার্ভের ব্যথা দূর করতে সহায়তা করে
  • মাইগ্রেন বা মাথা ব্যথা দুর করে
  • ঘুমের সমস্যা দুর করে
  • দৃষ্টি স্বল্পতা বা চোখে কম দেখা রোধ করে
  • শারীরিক দুর্বলতা দূর করে
  • মানব দেহের হরমোন ক্ষয়ের ঘাটতি পূরণ করে
  • গর্ভধারণে সহায়তা করে
  • ব্যথা বা চিবানো দূর করে
  • শরীরে রোগ প্রতিরোধ উন্নয়ন ঘটায়

চন্দ্রমল্লিকার স্বাস্থ্য উপকারিতা

  • চন্দ্রমল্লিকা ঠান্ডা, জ্বর, সর্দি ইত্যাদি রোগে ভালো কাজ করে থাকে।
  • ইহা আমাদের দেহের ত্বককে সবল রাখতে সহায়তা করে থাকে।
  • চোখের লাল ভাব, চোখ ফোলা সারাতে চন্দ্রমল্লিকা ব্যবহারে উপকার পাওয়া যায়।
  • চন্দ্রমল্লিকা ক্ষত সারাতে সাহায্য করে থাকে।
  • দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে চন্দ্রমল্লিকা ভালো কাজ করে থাকে।
  • চন্দ্রমল্লিকা এন্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে 
  • এটা আমাদের দেহের ডায়াবেটিস রোগের ক্ষেত্রে উপকারী।
  • চন্দ্রমল্লিকা হৃদরোগ প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে থাকে।
  • চন্দ্রমল্লিকা মাথার চুল কালো করতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

টারমারিক বা হলুদ এর স্বাস্থ্য উপকারিতা

  • হলুদে থাকা কারকিউমিন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে
  • হলুদ একটি উৎকৃষ্ট ফ্রি রেডিক্যাল প্রোটেক্টর যা আমাদের দেহে ফ্রি রেডিক্যাল এর  ক্ষতি প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।
  • হলুদ একটি উৎকৃষ্ট ডি-টক্সিফায়ার যা আমাদের শরীর থেকে বর্জ ও বিষাক্ত পদার্থ বা টক্সিন অপসারণ করতে সাহায্য করে।
  • হলুদের কারকিউমিনে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি বৈশিষ্ট্য থাকার কারণে এটি আপনার বাতের ব্যথা উপশম করতে সাহায্য করে
  • হলুদ হজমশক্তির উন্নতি ঘটতে পারে। এটি পরিপাক ক্রিয়াকে বাড়িয়ে দেয় এবং ওজন কমাতে সাহায্য করে।
  • হলুদে থাকা কারকিউমিনে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট আমাদের স্বাস্থ্যের পাশাপাশি ত্বকের জন্যও অনেক উপকারী।

কালোজিরার স্বাস্থ্য উপকারিতা

  • কালোজিরা রক্তচাপের স্বাভাবিক মাত্রা সুনিশ্চিত করতে সহায়তা করে।
  • এটি শ্বসনতন্ত্র, সংবহন এবং ইমিউন সিস্টেমকে উন্নত করে। 
  • কালোজিরা মায়েদের বুকের দুধের প্রবাহ এবং স্থায়ীত্ব বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।
  • কালোজিরা ডায়াবেটিক রোগীদের রক্তের শর্করা কমিয়ে ডায়াবেটিক আয়ত্তে রাখতে সহায়তা করে।
  • কালোজিরা চুল পড়া বন্ধ করতে সহায়তা করে।
  • ইহা মস্তিস্কের রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধির মাধ্যমে স্মরণ শক্তি বাড়িয়ে তুলতে সাহায্য করে
  • কালোজিরা সেবনে শরীরের প্রতিটি অঙ্গ প্রত্যঙ্গকে সতেজ করে ও সার্বিকভাবে স্বস্থ্যের উন্নতি সাধন করে।
  • অরুচি, উদরাময়, শরীর ব্যথা, গলা ও দাঁতের ব্যথা, মাইগ্রেন  সমস্যায় কালোজিরা উপকারী।
  • চুলপড়া, সর্দি, কাশি, হাঁপানি ইত্যাদি সমস্যায় কালোজিরা উপকারী। 
  • ক্যান্সার প্রতিরোধক হিসাবে কালোজিরা সহায়ক ভূমিকা পালন করে।
  • জ্বর, কফ, গায়ের ব্যথা দূর করার জন্য কালোজিরা যথেষ্ট উপকারী। 
  • কালোজিরায় রয়েছে ক্ষুধা বাড়ানোর উপাদান। 
  • পেটের যাবতীয় রোগ-জীবাণু ও গ্যাস দূর করে ক্ষুধা বাড়ায়।
  • দেহের কাটা ছেঁড়া শুকানোর জন্য কাজ করে। 
  • কালো জিরা কৃমি দূর করার জন্য কাজ করে।
  • কালোজিরা নারী ও পুরুষের উভয়ের যৌন ক্ষমতা বাড়ায়।
  • অধিক ঋতু স্রাব, মাত্রাতিরিক্ত স্রাব প্রতিরোধ করতে কালোজিরার উপকারিতা অপরিসীম। 
  • কালোজিরা রিউমেটিক এবং পিঠে ব্যথা কমাতে সাহায্য করে।
  • কালোজিরায় রয়েছে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল এজেন্ট, অর্থাৎ শরীরের রোগ-জীবাণু ধ্বংসকারী উপাদান। এ উপাদানের জন্য শরীরে সহজে ঘা, ফোড়া, সংক্রামক রোগ হয় না।

মুথা মূল এর স্বাস্থ্য উপকারিতা

  • মুথা রক্ত পরিস্কারক, যকৃত, পাকস্থলী ও হৃদপিন্ডের শক্তিবর্ধক।
  • মুথা  মল রোধক, বায়ু, অজীর্ণ ও ক্রিমিনাশক।
  • মুথা  ক্ষত, বমি ও দাঁতের রোগ নাশক।
  • মুথা কফ, পিত্ত এবং গনোরিয়া রোগে উপকারী।
  • মূত্র ঘর্ম ও ঋতুস্রাব প্রবাহক হিসেবে মুথা কার্যকর।
  • মস্তিস্ক, যৌন ও স্নায়ুশক্তি বর্ধক হলো মুথা।
  • বীর্যস্তম্ভক ও যৌন উত্তেজক হিসেবে কাজ করে মুথা
  • বিছা ও বোলতার বিষ নাশক এবং পাচড়ায় উপকারী
  • আমাশয় সমস্যায় মুথা ভালো ফল দিয়ে থাকে।
  • এপিলেপ্সি বা মৃগী রোগে মুথা বেশ উপকারী ।
  • কোন কিছুর খোঁচা লেগে ঘা হলে মুথা যন্ত্রণা উপশম হয়।
  • পাইওরিয়া ও শোথ সারাতে মুথা বেশ কার্যকর।
  • হাত পা জ্বালায় নিরাময়ে মুথা উপকারী।
অর্গানিক মরিঙ্গা পাউডার, জংলী চন্দ্রমল্লিকা, টারমারিক বা হলুদ, কালো জিরা, মুথা মূল ইত্যাদির সমন্বয়ে তৈরী করা হয়েছে মিরাকল সুপারফুড জিডিএম মরিঙ্গা ভেজিক্যাপ প্লাস যা আমাদের ভাইটাল ফোর্সকে শক্তিশালী করে মারাত্মক ক্ষতিকারক রোগ শক্তির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সহায়তা করে এবং সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করে থাকে। 

যদিও এটি একটি ন্যাচারাল ফুড সাপ্লিমেন্ট, তবে কার কি পরিমান লাগবে বা কিভাবে কোন ডোজে মরিঙ্গা ভেজিক্যাপ প্লাস গ্রহণ করলে অধিকতর উপকার পাওয়া যাবে এর জন্য আপনার চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। নির্দিষ্ট মাত্রায় যেকোন ন্যাচারাল ফুড সাপ্লিমেন্টই আপনার স্বাস্থ্যের জন্য আর্শীবাদ বয়ে আনবে কিন্তু মাত্রাতিরিক্ত গ্রহণ করা থেকে বিরত থাকুন। প্রয়োজনে আপনার চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত জিডিএম মরিঙ্গা ভেজিক্যাপ প্লাস  (GDM Moringa VEGECAP+)  গ্রহণ করে সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করুন। ধন্যবাদ।
বিস্তারিত

শুক্রবার, ৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪

মরিঙ্গা গেইন - মেরুদন্ড কোমর হাটু গোড়ালি জয়েন্টের ব্যথায় বিশেষ কার্যকর

শরীরে ব্যথা, মেরুদন্ড কোমর হাটু গোড়ালি ব্যথা, কাঁধ বাহুতে ব্যথাসহ শরীরের যেকোন জয়েন্টের ব্যথায় বিশেষ কার্যকর মরিঙ্গা গেইন Moringa Gain. এটি জীবানু ধ্বংস করে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে বিশেষ কার্যকরী। এছাড়াও মরিঙ্গা গেইনের রয়েছে বহুবিদ স্বাস্থ্য উপকারীতা। আমাদের দেশের একটি জনপ্রিয় সবজি হল সজনে। এর বৈজ্ঞানিক নাম Moringa oleifera। সজনের পাশাপাশি সজনে পাতারও অনেক উপকারিতা রয়েছে। সজনে পাতাকে সুপার ফুড বলা হয়ে থাকে।

সজনে পাতার মধ্যে রয়েছে বিপুল পরিমাণে খনিজ পদার্থ ও ভিটামিন। পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, জিংক, ভিটামিন এ, ভিটামিন সি এগুলো ছাড়াও প্রোটিন ও কার্বোহাইড্রেটও আছে এতে। অনেকগুলো পুষ্টি একসঙ্গে থাকার কারণে এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। সজনে থেকেই তৈরী মরিঙ্গা গেইন নামক পণ্যটি, তবে এর সাথে রয়েছে আরো কিছু উপাদান।
বয়স চল্লিশের উপর যেসকল পুরুষ ও মহিলারা কোমর, হাত পায়ের আঙ্গুলের গাঁট, হাটু, গোড়ালি, কাঁধ, বাহু বা শরীরের নানাবিদ জয়েন্টের ব্যথায় কষ্ট করে থাকেন, ব্যথার কারণে যাদের নামাজে রুকু সেজদা দিতে কষ্ট হয় চিকিৎসকের পরামর্শক্রমে তারা মরিঙ্গা গেইন গ্রহণ করে উপকার পেতে পারেন।
মরিঙ্গা গেইন - জয়েন্টের ব্যথায় বিশেষ কার্যকর প্ৰাকৃতিক সমাধান

Ingredients of Moringa Gain

  • Moringa Oleifera
  • Oregano Vulgare Extract
  • Rosemary Extract
  • Pomegranate  Peel Extract
  • Shilajit Extract
  • Vitamin C (Ascorbic Acid)
  • Piper Nigrum Extract
  • Vitamin B12 (Methylcobalamin)

মরিঙ্গা গেইন - বিশেষ উপকারিতাঃ

প্রায় ত্রিশটি রোগের ক্ষেত্রে মরিঙ্গ গেইন কার্যকর হলেও মাথা ব্যাথা থেকে শুরু করে শরীরের সকল ব্যথা যেমন কোমর, হাত-পায়ের আঙ্গুল, জয়েন্টের ব্যথা দূর করতে বিশেষ কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে। বয়স চল্লিশের উপর যেসকল পুরুষ ও মহিলারা কোমর, হাত পায়ের আঙ্গুলের গাঁট, হাটু, গোড়ালি, কাঁধ, বাহু বা শরীরের নানাবিদ জয়েন্টের ব্যথায় কষ্ট করে থাকেন, ব্যথার কারণে যাদের নামাজে রুকু সেজদা দিতে কষ্ট হয় চিকিৎসকের পরামর্শক্রমে তারা মরিঙ্গা গেইন গ্রহণ করে উপকার পাবেন। 

মরিঙ্গা গেইন - সতর্কতা

  • আপনার শরীরে হয়তো নির্দিষ্ঠ কোন ফুড সাপ্লিমেন্ট এর পর্যাপ্ত অভাব নাও থাকতে পারে। তাই  যেকোন ডায়েটারি সাপ্লিমেন্ট বা ফুড সাপ্লিমেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে আপনার চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। 
  • খুব বেশি ব্যথায় কাতর রোগীদের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে বিশেষ ক্ষেত্রে ১ বা ২টি ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে মনে রাখবেন, এই প্রকারের সাপ্লিমেন্ট অনলাইন থেকে নিজে নিজে কিনে খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। 
  • কিডনি বা লিভার সমস্যায়, হার্ট ব্লক, উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত ব্যক্তি এবং গর্ভবতী ও শিশুদের ক্ষেত্রে মরিঙ্গ গেইন সেবন প্রযোজ্য নয়।

আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা

এলোপ্যাথি, হোমিওপ্যাথি, হারবাল, উইনানী বিভিন্ন চিকিৎসা নিয়েও প্রায় ৫৫ বছর বয়স্ক মহিলা রোগীর ক্ষেত্রে ক্রনিক আর্থ্রাইটিসের ব্যথা খুব একটা কমছিল না। এমনকি বিশেষজ্ঞ এলোপ্যাথিক চিকিৎসক Ketorolac ৫ দিন প্রয়োগ করেও কোনো রেজাল্ট পাচ্ছিলেন না, Pregabalin সহ অন্য ঔষধ দিয়েও  চিকিৎসা করেছেন, এমনকি Prednisolone (steroid) টানা ২০ দিন প্রয়োগ করে কিছুটা হালকা অনুভব করলেও শরীরের সব অঙ্গের ব্যথা কমছিল না এবং পুনরায় রোগী ব্যথায় কাতর হয়ে উঠছিলেন। সেক্ষেত্রে মরিঙ্গা গেইন প্রয়োগ করাতে আরামের দিকে যাচ্ছিলেন। এখন প্রশ্ন হল-
  • প্রাকৃতিক উপাদানের পাশাপাশি কি অন্যকোন রাসায়নিক উপাদান ব্যবহার করা হচ্ছে ?
  • পণ্যটি কি ঠিক ঠাক ভাবে পরীক্ষা করে বাজারজাত করা হচ্ছে ? 
বিস্তারিত

সোমবার, ৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪

হোমিওপ্যাথিতে মায়াজম পরিচিতি বা রোগের মূল কারণ

মহাত্মা হ্যানিম্যান বলেন, যাবতীয় রোগ মায়াজমের অশুভ প্রভাবে সৃষ্টি হয়। মায়াজম শব্দের অর্থ উপবিষ, কলুষ, পুতিবাষ্প, ম্যালেরিয়ার বিষ প্রভৃতি। যাবতীয় রোগের কারণই হল এই মায়াজম। তরুণ পীড়া তরুণ মায়াজমের অশুভ প্রভাবে এবং চিররোগ চির মায়াজমের অশুভ প্রভাবে সৃষ্টি হয়। ইহা প্রাকৃতিক রোগ সৃষ্টিকারী দানব। 
হোমিওপ্যাথিতে মায়াজম
ডাক্তার হ্যানিম্যান এর মতে মায়াজম হচ্ছে একটি অদৃশ্য রোগবীজ। তৎক্ষালীন সময়ে যদি মাইক্রোবায়োলজির উন্নত অবস্থা থাকতো তাহলে হয়তো হ্যানিম্যান মায়াজম না লিখে মাইক্রোঅর্গানিজম শব্দটি ব্যবহার করতেন। বর্তমান যুগের হোমিওপ্যাথি ফিলোসোফার প্রফেসর জর্জ ভিথুলকাস এর মতে মায়াজমের তিনটি চরিত্র রয়েছে -
  • দেহে মায়াজম সংঘটিত হতে হলে ইনফেশন থাকতে হবে। 
  • এর ইফেক্ট এর পরবর্তী ইফেক্ট থাকতে হবে। 
  • জেনারেশন ট্রান্সফার হওয়ার ক্ষমতা থাকতে হবে। 

তবে মায়াজমকে যখন বিস্তারিতভাবে দেখবেন, তখন আর রোগ বীজ থাকেনা, তখন মায়াজম হয়ে যায় অবস্থা। মায়াজম যে ব‍্যক্তিটি অর্জন করে তার শরীরে শুধুমাত্র রোগবীজ হিসেবেই থাকে কিন্তু যখনই পরবর্তী প্রজন্মে স্থানান্তরিত হয় তখন আর মাইক্রোঅনু বা জীবাণু অবস্থায় থাকে না। ধরুন, কোন এক ব্যক্তি সিফিলিস মায়াজম কে অর্জন করলেন দুষিত সহবাসে, এতে তার সিফিলিস বা অন্যান্য 

রোগগুলো হলো, আমরা জানি এই ব‍্যক্তি যদি কুচিকিৎসায় তার সিফিলিস ক্ষত রোগটি চাপা দেয় তাহলে ব‍্যক্তিটির মধ্যে এর মায়াজমিক অবস্থা তৈরি হয়। এবং সেই মায়াজম আবার তার পরবর্তী প্রজন্মে যাবেই।

সোরিক, সিফিলিটিক, সাইকোটিক এবং টিউবারকুলার মায়াজমের প্রধান কিছু বৈশিষ্ট্য
কিন্তু এই ব্যক্তির সন্তানদের সিফিলিস হবে? অথবা ওই ব্যক্তির সন্তানের সন্তানদের বা নাতি নাতনিদের অথবা তারও পরের প্রজন্মের কি ওই সিফিলিস রোগই হবে? উত্তর - না, সিফিলিস অর্জনকারী ব্যক্তির পরের প্রজন্মের কারোরই সিফিলিস রোগ হবে না। তাদের সিফিলিস রোগ না হয়ে, সিফিলিস রোগের ওই রোগ বীজ পরবর্তী প্রজন্মের শারীরিক, গাঠনিক, মানুষিক ও রোগজ পরিবর্তন করবে। হ‍্যা বংশগত প্রাপ্ত হওয়ার পাশাপাশি কোনো ব‍্যক্তি যদি নিজ জীবনেও পূণরায় একই মায়াজম অর্জন করে দূষিত সহবাসের মাধ্যমে তাহলে তার সিফিলিস ক্ষত বা গনোরিয়া জাতীয় রোগ হতেই পারে।

এই যে সিফিলিস রোগের পরিবর্তিত অবস্থা মানুষকে শারীরিক, গাঠনিক, মানুষিক ও রোগজ ভাবে পরিবর্তন করছে এর জন্যই মায়াজমকে রোগ বীজ না বলে অবস্থা বলা হয়। অর্থাৎ ব্যক্তির এখন সিফিলিস না দেখে, শারীরিক, মানসিক, গাঠনিক ও রোগজ অবস্থা দেখে মায়াজম চিনতে হয়, তাই আমরা সহজভাবে বলতে পারি ব্যক্তির শারীরিক, গাঠনিক ও মানসিক অবস্থাকে মায়াজম বলে।
বিস্তারিত

বুধবার, ৩১ জানুয়ারী, ২০২৪

টাম্মি ক্লিন কোষ্ঠ কাঠিন্যযুক্ত আইবিএস ও কঠিন গ্যাস্ট্রিক রোগের প্রাকৃতিক ফুড সাপ্লিমেন্ট

টাম্মি ক্লিন Tammy Clean - কোষ্ঠ কাঠিন্যযুক্ত আইবিএস, কিছু কিছু ওডিএস অর্থাৎ বাধাগ্রস্থ মল ত্যাগের প্রবৃত্তি সমস্যায়, পাইলস বা অর্শ এবং কঠিন প্রকৃতির গ্যাস্ট্রিক রোগের ক্ষেত্রে দুর্দান্ত উপকারী ফুড বা ডায়েটারি সাপ্লিমেন্ট। এটি মূলত কিছু প্রাকৃতিক উপাদানের মিশ্রনে তৈরী করা কোলন ও পাকস্থলী পরিষ্কারক যার কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই।

ডায়েটারি সাপ্লিমেন্ট হলো একটি বস্তু বা উপাদান যা কোন খাবারের পরিবর্তে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। ঐ খাবারের সমস্ত উপাদান সমূূহ সাপ্লিমেন্টের পরিপূরক হিসাবে দেয়া হয়, যাতে ঐ বস্তুর মধ্যে সঠিক মাত্রায় গুনগত মান ঠিক রেখে সমস্ত পুষ্টির মান সমূহ দেয়া থাকে। ডায়েটারি সাপ্লিমেন্টের উপাদান সমূহ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রয়োজনীয় কিছু উপাদানের সমন্বয়ে তৈরী হয়ে থাকে। ডায়েটারি সাপ্লিমেন্ট সমূহ বিভিন্ন অবস্থায় পাওয়া যেতে পারে- যেমন ট্যাবলেট, ক্যাপসুল, সফট জেল, জেলক্যাপ, লিকুইড বা তরল এবং পাউডার আকারে। টাম্মি ক্লিন Tammy Clean মূলত পাউডার আকারে পাওয়া যায়। 
টাম্মি ক্লিন কোষ্ঠ কাঠিন্যযুক্ত আইবিএস ও কঠিন গ্যাস্ট্রিক রোগের প্রাকৃতিক ফুড সাপ্লিমেন্ট
ডায়েটারি সাপ্লিমেন্ট বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি হতে আপনাকে রক্ষা করবে। সাথে সাথে আপনার শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াবে। আপনার বিভিন্ন অরগানের কার্যক্ষমতা দ্রুত বাড়াবে। টাম্মি ক্লিন তেমনি একটি ফুড সাপ্লিমেন্ট বা ডায়েটারি সাপ্লিমেন্ট যা কোষ্ঠ কাঠিন্যযুক্ত আইবিএস ও কঠিন প্রকৃতির গ্যাস্ট্রিক রোগের ক্ষেত্রে দুর্দান্ত উপকারী প্রমাণিত হয়েছে।

টাম্মি ক্লিন কি কি কাজ করে?

  • কোষ্ঠ কাঠিন্যযুক্ত আইবিএস সমস্যায় সুফল দায়ক
  • কিছু কিছু ওডিএস অর্থাৎ বাধাগ্রস্থ মল ত্যাগের প্রবৃত্তি সমস্যায় সুফলদায়ক
  • কঠিন গ্যাস্ট্রিক ও বুক জ্বালাপোড়া বন্ধ করে
  • পাকস্থলী পরিষ্কার রাখে
  • দ্রুত রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়
  • হজমশক্তি বৃদ্ধি করে 
  • এন্টি অক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে
  • দেহে রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়
  • দৈহিক সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে
  • রক্তের খারাপ কোলেস্টেরল কমায়
  • লিভারের সংক্রমণ প্রতিরোধ করে
  • লিভারে পিত্তরস নিঃস্বরণ বাড়ায়
  • শরীরের বাড়তি ওজন কমাতে সাহায্য করে

কারা কারা টাম্মি ক্লিন ব্যবহার করবেন না

  • যারা আমাশয় ও ডায়রিয়ার সমস্যায় আক্রান্ত
  • যারা মিউকাস কোলাইটিস এ আক্রান্ত 
  • যারা ইনফ্লেমেটরি বাওয়েল ডিজিজ (আইবিডি) অর্থাৎ অলসারেটিভ কোলাইটিস ও ক্রনস ডিজিজে আক্রান্ত
  • যারা আমাশয় ও ডায়রিয়াযুক্ত আইবিএস সমস্যায় আক্রান্ত
  • টাম্মি ক্লিন শিশু এবং গর্ভবর্তী মহিলাদের জন্য উপযোগী নয়
কোষ্ঠ কাঠিন্যযুক্ত আইবিএস, পাইলস বা অর্শ, ও কঠিন প্রকৃতির গ্যাস্ট্রিক সমস্যায় আপনার চিকিৎসকের পরামর্শক্রমে ফুড সাপ্লিমেন্ট হিসেবে টাম্মি ক্লিন Tammy Clean ব্যবহার করতে পারেন। তবে যেকোন সমস্যার জটিল অবস্থায় রেজিস্টার্ড এবং অভিজ্ঞ একজন হোমিও চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। ধন্যবাদ।
বিস্তারিত

শুক্রবার, ২৬ জানুয়ারী, ২০২৪

স্লিপ ডিস্ক বা হার্নিয়েশন বা ডিস্ক প্রলাপ্স! কোমর ব্যথার কার্যকর হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা

স্লিপ ডিস্ক বা হার্নিয়েশন বা ডিস্ক প্রলাপ্স (PLID, Disc Prolapse, Slipped or Herniated Disc) বা কোমর ব্যথার কার্যকর হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা রয়েছে। বিভিন্ন সমীক্ষায় দেখা গেছে জীবনের কোন না কোন সময় ৬০% থেকে ৮০% মানুষ কোমর, পিঠ বা ঘাড়ের ব্যথায় কষ্ট পেয়ে থাকেন। এদের বেশির ভাগই হয়ে থাকেন মধ্য বয়সী অথবা ৩৫ থেকে ৬০ বছর বয়স্ক ব্যক্তি। বিভিন্ন কারণে মেরুদণ্ডের অসুবিধা হলে ঘাড়, পিঠ আর কোমরের ব্যথায় কাতর হতে হয়। এই ব্যথার একটি অন্যতম কারণ হলো স্লিপ ডিস্ক বা ডিস্ক হার্নিয়েশন।
স্লিপ ডিস্ক বা হার্নিয়েশন বা ডিস্ক প্রলাপ্স
যে কোন বয়সের মানুষের যে কোন সময়ে ডিস্ক হার্নিয়েশনের ঝুঁকি থাকলেও ছেলেদের ক্ষেত্রে এই  ঝুঁকি মেয়েদের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ বেশি। আসলে ভারী কাজ, বৃষ্টি ভিজতে গিয়ে পিছলে পড়ে যাওয়া, মাঠে ফুটবল খেলা, সাইকেল নিয়ে কসরত করা বা অতিরিক্ত দৌড় ঝাঁপ করার কারণে এই অসুখের সম্ভাবনা বাড়ে। ইদানীং আবার প্রপার ট্রেনার ছাড়া জিম ও ওয়েট লিফটিং করতে গিয়েও স্লিপ ডিস্কের ঝুঁকি বাড়ে। ৩৫ ঊত্তীর্ণদের মধ্যে ৫% পুরুষ ও ২.৫% মহিলা এই অসুখের শিকার হন। সমীক্ষায় জানা গিয়েছে যে বংশে থাকলে এই অসুখের ঝুঁকি বাড়ে। তবে নিয়মিত শিরদাঁড়ার সঠিক এক্সারসাইজ ও যত্ন এই রোগ প্রতিরোধ করতে পারে।

ডিস্ক প্রলেপস - কারণগুলি কি কি ?

  • আঘাত পেলে বা উঁচু স্থান থেকে পড়ে গেলে।
  • দীর্ঘক্ষণ নিচে বসে কাজ করলে।
  • সামনে ঝুঁকে ভারী জিনিস তোলা ডিস্ক হার্নিয়েশনের অন্যতম রিস্ক ফ্যাক্টর। 
  • অটো, বাস অথবা রিকশার ঝাঁকুনিতে আঘাত পাওয়া যা সাথে সাথে বোঝা যায় না। 
  • অতিরিক্ত পরিশ্রম, মাসল বা পেশীতে আঘাত ।
  • মেরুদন্ডের জন্মগত ও গঠনগত ত্রুটি ।
  • বেশি বয়সে হাড় ক্ষয়ে গিয়ে ডিজেনারেটিভ ডিস্ক ডিজিজ ।
  • আমাদের মেরুদণ্ডের সঙ্গে যে স্পাইনাল লিগামেন্ট ও মাংসপেশি থাকে এগুলো দুর্বল হয়ে গেলে।
  • অসচেতনভাবে সামনের দিকে ঝুকে ভারী কিছু উঠাতে গেলে।
  • সামনের দিকে ঝুঁকে জুতার ফিতা বাঁধতে গেলে 
  • বেসিনে মুখ ধুতে গেলেও ডিস্ক প্রলেপস হতে পারে।

ডিস্ক প্রলেপস - কোথায় হয়?

সাধরণত ডিস্ক প্রলেপস আমাদের ঘাড় বা সারভাইক্যাল স্পাইন ও কোমর বা লাম্বার স্পাইনে বেশি হয়। সারভাইক্যাল স্পাইনের সি ৫-৬ ও সি ৬-৭ লেভেলে ও লাম্বার স্পাইনে এল ৪-৫ ও এল ৫ – এস ১ লেভেলে বেশি হয়।

ডিস্ক প্রলেপস - লক্ষণগুলি কি কি ?

  • লক্ষণ ও উপসর্গ একেক জনের ক্ষেত্রে একেক রকম হয়ে থাকে। 
  • কারো ক্ষেত্রে ব্যথা ঘাড় থেকে হাতের দিকে ছড়ায় ও হাতে তীব্র ব্যথা হয়।
  • হাত ঝুলিয়ে রাখলে ও বিছানায় শুলে বেশি ব্যথা করে।
  • হাত ঝিনঝিন করে বা অবশ অবশ মনে হয়।
  • হাতের শক্তি কমে যায় বা হাত দুর্বল হয়ে আসে
  • অনেকক্ষেত্রে হাতের মাংসপেশি শুকিয়ে আসে ইত্যাদি।
  • কারো ক্ষেত্রে কোমরে ব্যথা হয়।
  • ব্যথা কোমর থেকে পায়ের দিকে ছড়ায়।
  • পা ঝিন ঝিন করে, অবশ অবশ মনে হয়।
  • খানিকক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকলে কিংবা হাটলে আর হাঁটার ক্ষমতা থাকে না। তবে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিলে আবার হাঁটতে পারে।
  • পা ভারী বা অধিক ওজন মনে হয়।
  • পায়ে জ্বালাপোড়া অনুভূত হয়।
  • পায়ের শক্তি কমে যায় এবং অনেক ক্ষেত্রে মাংসপেশী শুকিয়ে যায়।
  • অনেক ক্ষেত্রে আক্রান্ত ব্যক্তির প্রসাব ও পায়খানায় নিয়ন্ত্রণ থাকে না।

ডিস্ক প্রলেপস - নির্ণয় পদ্ধতি

আক্রান্ত স্পাইনের এম আর আই বা ম্যাগনেটিক রিজোনেনস ইমেজিং পরীক্ষার মাধ্যমে কোন লেভেলে কতটুকু ডিস্ক প্রলেপস তা সঠিকভাবে নির্ণয় করে থাকেন।

স্লিপ ডিস্ক বা হার্নিয়েশন - চিকিৎসা

এই সমস্যার প্রপার হোমিওপ্যাথিক ট্রিটমেন্ট রয়েছে তবে এর পাশাপাশি কারো কারো ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ বিশ্রাম নেয়া দরকার হয়ে থাকে। অর্থাৎ সেই সময় খুব বেশি হাঁটাচলা করা যাবে না। স্লিপ ডিস্ক বা হার্নিয়েশন বা ডিস্ক প্রলাপ্স চিকিৎসার জন্য রেজিস্টার্ড এবং অভিজ্ঞ একজন হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করুন আশা করি ভাল ফলাফল পাবেন ইনশা আল্লাহ।
বিস্তারিত

শনিবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৩

জাতীয় সংসদে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা শিক্ষা বিল ২০২৩ পাস

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ২৫ তম ও শেষ অধিবেশনে, বাংলাদেশে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় ডিপ্লোমা, স্মাতক ও স্মাতকোত্তর সনদ প্রদান, নিবন্ধন, গবেষণা এবং চিকিৎসা শিক্ষার মানোন্নয়নে এবং হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা শিক্ষায় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও গবেষক তৈরি করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা শিক্ষা বিল-২০২৩ পাশ করা হয়েছে।

সামরিক আমলে জারিকৃত ‘দ্য বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক প্র্যাকটিশনার্স অর্ডিন্যান্স, ১৯৮৩’ রহিতক্রমে নতুনভাবে আধুনিক ও যুগোপযোগী করে বাংলায় এই আইন প্রণয়ন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (০২ রা নভেম্বর ২০২৩) মহান জাতীয় সংসদের ২৫ তম অধিবেশনের সর্বশেষ দিনের প্রথমার্ধে স্বাস্থ্য মন্ত্রী জাহিদ মালেক অনুপস্থিত থাকায় বিলটি পাশের জন্য গ্রহন ও পাশের অনুরোধ জানান জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন।

অতঃপর বিল’র পক্ষে কয়েকজন সংসদ সদস্য আলোচনা করেন। এরপর উপস্থিত সকল সংসদ সদস্যদের সর্ব সম্মতিক্রমে তা পাস হয়।

এর আগে প্রাথমিক অনুমোদন ও চূড়ান্ত অনুমোদনের পর গত ২৩ অক্টোবর বিল’টি জাতীয় সংসদে উত্থাপিত ও সংসদীয় কমিটিতে প্রেরণ করেন। অতঃপর গত ২৬ অক্টোবর বিলটি যাচাই বাছাই করে রিপোর্ট প্রদান করে। যার পরিপ্রেক্ষিতে ২৯ অক্টোবর সংসদে বিলটি গৃহীত হয় এবং ০২ রা নভেম্বর মহান সংসদে বিলটি পাশ হয়।

এই আইনের মাধ্যমে দেশের হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা ব্যবস্থায় নতুন সূর্য উদিত হলো।

যা যা জেনেছেনঃ 

  • Homeopathic Medical Education Bill 2023 passed in parliament
  • Parliament passes bill to create Homeopathy Council
  • বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা শিক্ষা আইন ২০২৩
  • বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা শিক্ষা আইন ২০২১
  • বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা আইন ২০১৯
  • হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা
বিস্তারিত

মঙ্গলবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৩

স্ট্রোক এবং হাত পা, চোখের পাতা অবশ বা প্যারালাইসিস হলে করনীয়

মস্তিষ্কের স্ট্রোক এর ফলে বিভিন্ন অঙ্গে পক্ষাঘাত বা প্যারালাইসিস হতে দেখা যায়। স্ট্রোকের ফলে সৃষ্ট অনেকগুলো জটিলতার মধ্যে প্যারালাইসিস অন্যতম। মস্তিষ্ক নিউরন নামক অসংখ্য কোষ দ্বারা গঠিত। এই কোষ তথা নিউরনসমূহ অত্যন্ত সংবেদনশীল। যেহেতু একমাত্র রক্তের মাধ্যমে মস্তিষ্কে অক্সিজেন এবং শর্করা সরবরাহ হয়, তাই রক্ত প্রবাহে বাধার ফলে অক্সিজেন এবং শর্করার অভাবে দ্রুত এই নিউরনগুলো মরে যায়। ফলে ঐ নিউরনগুলো শরীরের যে অংশ নিয়ন্ত্রণ করতো, সেই অংশগুলোর প্যারালাইসিস বা পক্ষাঘাত হয়ে যায়। 

সাধারণত মস্তিষ্কের ডান অংশ নিয়ন্ত্রণ করে শরীরের বাঁ অংশকে এবং বাঁ অংশ নিয়ন্ত্রণ করে শরীরের ডান অংশকে। তাই স্ট্রোক মস্তিষ্কের যে পাশে হয়, শরীরে প্যারালাইসিস তার বিপরীত পাশে হয়। রোগীর শরীরের কতটুকু অংশের প্যারালাইসিস হবে, তা নির্ভর করে মস্তিষ্কের অঞ্চলসমূহের কোন এলাকায় রক্ত চলাচলে ব্যত্যয় ঘটলো বা রক্তপাত হলো, কতটা এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হলো এবং কত তাড়াতাড়ি চিকিৎসা শুরু করা হলো, তার উপর।
স্ট্রোক এবং হাত পা, চোখের পাতা অবশ বা প্যারালাইসিস
স্ট্রোক ছাড়াও পক্ষাঘাত বা প্যারালাইসিস সাধারণতঃ স্নায়ুতে আঘাতের ফলে শুরু হয়ে থাকে, বিশেষ করে শিরদাঁড়া অর্থাৎ মেরুদণ্ডে আঘাত লেগে। অন্যান্য কিছু কারণ হল পোলিও, পার্কিন্সন্স ডিজিজ, এ এল এস, বোটুলিজম, মালটিপ্ল স্ক্লেরোসিস, গুলে বারে সিনড্রোম, জন্মগত সিফিলিস, স্পাইনা বাইফিডা, সেরিব্রাল প্যালসি ইত্যাদি। 
তবে আজ আমরা মূলতঃ স্ট্রোক এর পর হাত পা, চোখের পাতা পক্ষাঘাত বা প্যারালাইসিস সম্পর্কে আলোকপাত করবো। স্ট্রোক সাধারণত তিন ধরনের হয়ে থাকে-
  • ইসকেমিক(Ischemic) স্ট্রোক: এ ধরনের স্ট্রোকে মস্তিষ্কের রক্তনালীর অভ্যন্তরে রক্ত জমাট বেঁধে যায়। ফলে ওই রক্তনালী দিয়ে মস্তিষ্কের নির্দিষ্ট অংশে রক্ত প্রবাহিত হতে পারে না। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এই ধরনের স্ট্রোক দেখা যায়।
  • হেমোরেজিক(Hemorrhagic) স্ট্রোক: এ ধরনের স্ট্রোকে মস্তিষ্কের রক্তনালী ছিঁড়ে যায় এবং রক্তপাত হয়। এ ধরনের স্ট্রোক তুলনামূলকভাবে বেশি মারাত্মক।
  • ছোট স্ট্রোক (Mini Stroke or Transient Ischemic Attack - TIA): মস্তিষ্কের রক্তনালীতে অস্থায়ীভাবে অল্প কিছু সময়ের জন্য রক্ত জমাট বেধে এই স্ট্রোক সৃষ্টি করে । যেটা দ্রুতই আবার ২৪ ঘন্টার ভিতরে ভাল হয়ে যায়।
হঠাৎ করে মস্তিষ্কের কোনো অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হলে বা রক্ত সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে একদিকের অঙ্গগুলো কাজ করা বন্ধ করে দেয়। মস্তিষ্কের ভিন্ন ভিন্ন জায়গা শরীরের ভিন্ন ভিন্ন অংশের কাজের জন্য নির্দিষ্ট থাকে। তাই মস্তিষ্কের কোথায় কতটুকু আক্রান্ত হয়েছে, তার ওপর নির্ভর করে স্ট্রোকের উপসর্গ। এর ফলে যে যে উপসর্গ দেখা দিতে পারে-
  • স্ট্রোকের পর শরীরের এক পাশ অথবা অনেক সময় দুই পাশই অবশ হয়ে যায়
  • মাংসপেশির টোন বা স্থিতিস্থাপকতা প্রাথমিক পর্যায়ে কমে যায়। পরে আস্তে আস্তে টোন বাড়তে থাকে অথবা হাত ও পায়ের মাংশপেশি দুর্বল ও নরম হয়ে যায়
  • হাঁটতে না পারা  
  • হাত ও পায়ে ব্যথা থাকতে পারে। নড়াচড়া সম্পূর্ণ বা আংশিক কমে যেতে পারে
  • মাংসপেশি শুকিয়ে অথবা শক্ত হয়ে যেতে পারে
  • কথা বলা বা খাবার খেতেও সমস্যা দেখা দিতে পারে
  • চোখের পাতা ঝুলে পরতে পারে
  • অজ্ঞান হয়ে যাওয়া
  • খিঁচুনি হওয়া
  • মুখ বেঁকে যাওয়া, হাসলে মুখ অন্য পাশে চলে যাওয়া
  • কথা বলতে না পারা, কথা জড়িয়ে যাওয়া
  • হঠাৎ চোখে না দেখা, চোখে একটি জিনিস দু’টি দেখা
  • গিলতে সমস্যা হওয়া
  • বমি বমি ভাব বা বমি, ঘুম ঘুম ভাব
  • প্রচণ্ড মাথাব্যথা প্রভৃতি
  • দীর্ঘমেয়াদি জটিলতার মধ্যে অন্যতম হলো নিউমোনিয়া ও মূত্রথলির নিয়ন্ত্রণ হারানো

স্ট্রোক হওয়ার পেছনে দায়ী

উচ্চ রক্তচাপ হলো স্ট্রোকের প্রধান ঝুঁকিপূর্ণ উপাদান। অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়গুলোর মধ্যে অন্যতম হলো-
  • অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস
  • হার্টের রোগ থাকলে
  • স্থূলতা অর্থ্যাৎ অতিরিক্ত ওজনের মানুষ
  • ধূমপান, মদ্যপান
  • রক্তে বেশি মাত্রায় কোলেস্টেরল থাকলে
  • পারিবারিক ইতিহাস প্রভৃতি
  • কায়িকশ্রম যারা কম করে
  • জন্মবিরতিকরণ পিল খেলে

স্ট্রোক এর পর অবশ বা প্যারালাইসিস হলে করনীয়

স্ট্রোকের চিকিৎসা সাধারণত দু’টি পর্যায়ে বিভক্ত। একটি হলো স্ট্রোকের তাৎক্ষণিক চিকিৎসা যা হাসপাতালে নেয়ার পর দেয়া হয়ে থাকে আর দ্বিতীয়টি হলো প্যারালাইসিস হলে এর চিকিৎসা। তাই স্ট্রোক হলে যত দ্রুত সম্ভব রোগীকে হাসপাতালে নিতে হবে। হাসপাতালে তাৎক্ষণিক চিকিৎসার অল্প কিছুদিন পর প্যারালাইসিসের চিকিৎসা নিতে হয়। প্যারালাইসিস বিভিন্ন অঙ্গপ্রতঙ্গে হতে পারে যার প্রপার হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা রয়েছে। এর জন্য একজন অভিজ্ঞ এবং রেজিস্টার্ড একজন হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকের পরামর্শক্রমে চিকিৎসা নিলে সুফল পাবেন ইনশা-আল্লাহ।

যা যা জেনেছেনঃ

  • প্যারালাইসিস কেন হয়
  • প্যারালাইসিস থেকে মুক্তির উপায়
  • প্যারালাইসিস এর ওষুধ
  • প্যারালাইসিস লক্ষণ
  • প্যারালাইসিস রোগের চিকিৎসা
  • প্যারালাইসিস কি ভালো হয়
  • মিনি স্ট্রোক এর লক্ষণ
  • স্ট্রোক কি
  • স্ট্রোক হলে করনীয়
  • ব্রেন স্ট্রোক এর লক্ষণ
  • স্ট্রোক কি কারনে হয়
  • স্ট্রোকের পূর্ব লক্ষণ
  • হেমোরেজিক স্ট্রোক
বিস্তারিত