Dr. Imran ডাঃ দেলোয়ার জাহান ইমরান ➤ ডিএইচএমএস (বিএইচএমসি এন্ড হসপিটাল), ডিএমএস; ঢাকা
➤ রেজিস্টার্ড হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক(রেজিঃ নং-৩৩৪৪২)
➤ বিশেষত্বঃ ইউরোলজি, গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি, গাইনিকোলজি (হোমিও মেডিসিন)
➤ আনোয়ার টাওয়ার, আল-আমিন রোড, কোনাপাড়া, যাত্রাবাড়ী-ডেমরা রোড, ঢাকা।
➤ ফোন : +৮৮ ০১৬৭১-৭৬০৮৭৪ এবং ০১৯৭৭-৬০২০০৪
➤ সাক্ষাৎ : সকাল ১১ থেকে বিকাল ৫ টা (শুক্রবার বন্ধ)
E-mail : delowaridb@gmail.com
➤ প্রোফাইল ➤ ফেইসবুক ➤ ইউটিউব

সাম্প্রতিক আপডেট

জন্মগত ত্রুটি

শিশুর জন্মগত ত্রুটি এবং মারাত্মক রোগ ব্যাধির কার্যকর চিকিৎসা

ডায়াবেটিস

ডায়াবেটিস নির্মূলের ম্যাজিক থেরাপি এবং হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা

ভেরিকোসিল

ভেরিকোসিলের অপারেশনবিহীন স্থায়ী চিকিৎসা হোমিওপ্যাথি

আইবিএস

পেটের পীড়া আইবিএস নির্মূলের স্থায়ী চিকিৎসা হোমিওপ্যাথি

আইবিডি

পরিপাক তন্ত্রের পীড়া আইবিডি নির্মূলের চিকিৎসা হোমিওপ্যাথি

মলদ্বারের রোগ

পাইলস, এনাল ফিশার এবং ফিস্টুলা সমস্যায় হোমিওপ্যাথি

গ্যাংরিন

গ্যাংরিন বা পচনশীল ক্ষত নিরাময়ে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা

পুরুষদের স্বাস্থ্য

পেটের পীড়া আইবিএস নির্মূলের স্থায়ী চিকিৎসা হোমিওপ্যাথি।

নারী স্বাস্থ্য স্ত্রীরোগ
নারীদের অর্থাৎ স্ত্রীরোগ সম্পর্কিত বিষয়াবলী
মা ও শিশু স্বাস্থ্য
মা ও শিশু স্বাস্থ্য সম্পর্কিত বিষয়াবলী
পুরুষদের স্বাস্থ্য
পুরুষদের স্বাস্থ্য সম্পর্কিত বিষয়াবলী
রোগ-ব্যাধি অসুখবিসুখ
নানা প্রকার রোগ-ব্যাধি সম্পর্কিত বিষয়াবলী
স্বাস্থ্য বিষয়ক টিপস
স্বাস্থ্য সম্পর্কিত যাবতীয় টিপস ও ট্রিকস

সাম্প্রতিক আপডেট

বৃহস্পতিবার, ১৪ জানুয়ারী, ২০২১

আইবিএস IBS এর সার্জারি ও স্থানিক চিকিৎসা অকার্যকর এবং নির্দোষ রোগ নিরাময়ে ব্যর্থ

আইবিএস IBS এর সার্জারি ও স্থানিক চিকিৎসা অকার্যকর এবং নির্দোষ রোগ নিরাময়ে ব্যর্থ। আপনি যখন হোমিওপ্যাথি ছাড়া অন্যান্য চিকিৎসা পদ্ধতিতে এই সমস্যার চিকিৎসা নিতে যাবেন তখন সে চিকিৎসা পদ্ধতির চিকিৎসক রোগ লক্ষণকে অবলম্বন করে স্থানিকভাবে সমস্যাটির কারণ নির্ণয় করার প্রচেষ্টা চালাবে যদিও বহু ক্ষেত্রেই তারা কোন কারণই খুঁজে পায় না। আবার দেখা যায়, কিছু স্থানিক কারণ খুঁজে পেলেও সেটিকে অবলম্বন করে চিকিৎসা দিলে রোগ লক্ষন সাময়িক ভাবে উপশম হয় কিন্তু ঔষধ না খেলে কিছুটা সময় পরেই আবার ফিরে আসে। এর পেছনের বাস্তব কারণ হলো, আপনার পেটে অথবা অন্ত্রে ঘা, ক্ষত, ফোলা, নুডুলস বা ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতি মূলত আপনার এই সমস্যা হওয়ার পেছনের প্রকৃত কারণ নয়। এইগুলি হলো আপনার DNA তে বর্তমান True Disease বা প্রকৃত রোগ সৃষ্ট কিছু লক্ষণ ও উপসর্গ মাত্র। আর এই সব লক্ষণ ও উপসর্গকে বিভিন্ন রোগের নাম দিয়ে মূলত চিকিৎসা দিয়ে থাকে বা ব্যবসা করে থাকে এলোপ্যাথিক চিকিৎসা সিস্টেমের মেডিক্যাল মাফিয়ারা। 

আপনার রোগ স্থায়ীভাবে সারানোর আদৌ কোন উদ্দেশ্য থাকে থাকে না তাদের। তারা মূলত আপনার রোগ পুষে রেখে রেখে আপনাকে আজীবন ঔষধ খাওয়াবে এবং আপনার সাথে ব্যবসা করে যাবে আজীবন। বলতে গেলে কোন রোগেরই স্থায়ী চিকিৎসা নেই এলোপ্যাথিতে। তবে কোন দুর্ঘটনায় তাৎক্ষণিক চিকিৎসা, হসপিটাল ম্যানেজমেন্ট বা একিউট রোগের ক্ষেত্রে এলোপ্যাথির স্থানিক চিকিৎসা বেশ ফলদায়ক সন্দেহ নেই। কিন্তু কোন রোগ নিয়ে আপনি এলোপ্যাথিতে গেলে আপনি দেখবেন আপনাকে সেই স্থানিক চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওয়ান টাইম রাসায়নিক ঔষধগুলিই জীবনভর ঔষধ খেয়ে যেতে বলছে তারা। ফলশ্রুতিতে রোগ নিয়ন্ত্রণে থাকলেও বছর বছর ধরে সেই ঔষধ খেয়ে যাওয়ার কারণে ভেতরে ভেতরে রোগটি আরো জটিল আরো কঠিন হতে থাকে। এর সাথে ক্ষতিকর ঔষধের পার্শপ্রতিক্রিয়ায় আর জটিল জটিল সমস্যা শরীরে তৈরী হতে থাকে।

আপনার আইবিএস IBS এর সমস্যা আছে। এক্ষেত্রে হয়তো আপনার Obstructed Defecation Syndrome (ODS) আছে অর্থাৎ রেক্টাম প্রাকৃতিক ভাবে পরিষ্কার হচ্ছে না। এছাড়া হয়তো রেক্টামে একটু ফোলা ভাব বা নুডুলস তৈরি করছে আপনার DNA তে বর্তমান প্রকৃত রোগটি। তবে নুডুলস বা ফোলাটি অথবা ODS মূলত একটি লক্ষণ বা উপসর্গ মাত্র। আপনার আইবিএস তৈরী হওয়ার পেছনে কিন্তু এই গুলির কোন ভূমিকা নেই। এই সমস্যার চিকিৎসা দিতে অক্ষম এমন কেউ হয়তো মূর্খতা বশতঃ আপনাকে বললো এই ফোলা ভাব বা নুডুলস বা এই ODS ই আপনার আইবিএস এর জন্য দায়ী। তাই আপনাকে সার্জারি করে সেটি কেটে ফেলে দিতে বলছে আর আপনিও যন্ত্রনা থেকে পরিত্রানের আশায় সেটিই করেছেন। ফলশ্রুতিতে কি হলো ?

মাত্র ৩ থেকে ৬ মাস কিছুটা আরাম পেলেন মাত্র, আপনার আইবিএস কিন্তু আদৌ সাড়েনি। কিছুটা আরাম পেলেও এর মধ্যেও কিন্তু আপনি ভাল নেই। কিছু ক্ষেত্রে আপনি কিছুটা সময়ের জন্য কিছুটা আরাম পেয়েছেন মাত্র। ৩ থেকে ৬ মাস এর মধ্যেই আবার কিন্তু আপনার রেক্টামে একটু ফোলা ভাব বা নুডুলস তৈরি হয়ে যেতে পারে বা উপসর্গ পরিবর্তন হয়ে শরীরে অন্য জায়গায় আরো জটিল উপসর্গ তৈরী হয়ে যেতে পারে। অথবা রেক্টামে সার্জারি করে কাটাছেঁড়া করার কারণে সমস্যাটি আরো জটিল থেকে জটিলতর হয়ে উঠতে পারে। কারন, এখানে আপনি মূলত DNA তে বর্তমান প্রকৃত রোগ সৃষ্ট কিছু লক্ষণ এবং উপসর্গের স্থানিক চিকিৎসা করেছেন মাত্র আপনার প্রকৃত রোগের কোন চিকিৎসাই করেননি। যার কারণে প্রকৃত রোগটি বার বার আপনার আইবিএস IBS এর বিভিন্ন লক্ষণ ও উপসর্গ তৈরী করছে।
স্থায়ীভাবে আইবিএস নিরাময়ের চিকিৎসা হলো জন্মলগ্ন থেকে আপনার DNA তে বর্তমান সক্রিয় True Disease কে নিষ্ক্রিয় করা। আর সেটি বর্তমান বিশ্বে হোমিওপ্যাথি ছাড়া আর কোন চিকিৎসা শাস্ত্রই করতে পারে না। তাই সুস্বাস্থ্য ফিরিয়ে আনতে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা সর্বাধিক কার্যকর।

কিন্তু এর মানে এই নয় যে - আপনি একজন হোমিও ডাক্তারের কাছে গেলেন, কিছু দিন ঔষধ খেলেন আর ঠিক হয়ে গেলেন। আপনার DNA থেকে প্রকৃত রোগের জেনেটিক ম্যাটারিয়াল নিষ্ক্রিয় করা মানে হলো আপনি পা থেকে মাথা পর্যন্ত যাবতীয় রোগ থেকেই মুক্ত হয়ে যাচ্ছেন। এই মেথডে মূলত শুধু আপনার পেটের পীড়ার সিম্পটোম নেয়া হবে না। এখানে আপনার সারা জীবনের তথ্যাদি, আপনার ফ্যামিলি হিস্ট্রি নিয়ে আপনার DNA তে অবস্থানরত True Disease টি নির্ণয় করে চিকিৎসক সেটিকে প্রচ্ছন্ন করার ট্রিটমেন্ট দিবেন। এর জন্য কিছুটা সময় দরকার। কারণ DNA তে পরিবর্তন নিয়ে আসতে হলে দরকারি মেডিসিনগুলি কয়েকটা সাইকেল তৈরী করে নির্দিষ্ট অর্ডারে প্রয়োগ করতে হয় যা ভালো বুঝেন রিয়েল হোমিওপ্যাথিক মেথডে দক্ষ একজন চিকিৎসক। আর তাই চিকিৎসা নেয়ার পূর্বে এই মেথডে এক্সপার্ট হোমিও চিকিৎসক খুঁজে বের করাও আপনার জন্য একটা চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে।
বিস্তারিত

বুধবার, ৬ জানুয়ারী, ২০২১

কিডনি সমস্যায় গ্লোমেরুলার ফিলট্রেশন রেট GFR এবং অ্যালবুমিন ও ক্রিয়েটিনিনের অনুপাত ACR পরীক্ষা

কিডনি সমস্যায় গ্লোমেরুলার ফিল্টারেশন রেট GFR এবং অ্যালবুমিন ও ক্রিয়েটিনিনের অনুপাত ACR পরীক্ষা বা টেস্ট করালেই ধরা পড়ে কিডনি ঠিকঠাক কাজ করছে কি না। ক্রনিক কিডনি ডিসিজ Chronic kidney disease (CKD) সমস্যাটি সাধারণ ভাবে ক্রনিক রেনাল ডিজিজ বা Chronic Renal Failure (CRF) নামেও পরিচিত। এটি এমন একটি অসুখ, যা লক্ষণ প্রকাশ ছাড়াই কয়েক বছরব্যাপী ধীরে ধীরে কিডনিকে এমনভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে যে কিডনি তার স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। এ অসুখে কিডনি ধীরে ধীরে আক্রান্ত হয়, সাধারণত রোগের শেষ পর্যায়ে অসুস্থতা প্রকাশ পায়। অর্থাৎ আগাম কোন লক্ষণ দেখে বোঝার বা চেনার উপায় নেই যে ভয়াবহ কিডনি রোগে আপনি আক্রান্ত হচ্ছেন। যে কারণে রোগ ধরতে ধরতেই অনেক দেরি হয়ে যায় বহু ক্ষেত্রেই।

যাদের কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কোন রকম আশঙ্কা রয়েছে অর্থাৎ কেউ যদি ডায়াবেটিস বা উচ্চ রক্তচাপের রোগী হয়ে থাকেন বা কারো পরিবারে কিডনির অসুখ থেকে থাকে বা যাঁদের বয়স ৬০ পেরিয়েছে, তাঁদের উচিত বছরে অন্তত দু-বার দুটো পরীক্ষা করানো। Albumin to Creatinine Ratio (ACR)  এবং (GFR) Glomerular Filtration Rate এই দুটো সিম্পল টেস্ট করালেই ধরা পড়ে যাবে আপনার কিডনি ঠিকঠাক কাজ করছে কি না।

মূত্র পরীক্ষা বা ACR

ACR হল অ্যালবুমিন ও ক্রিয়েটিনিনের অনুপাত। Albumin to Creatinine Ratio (ACR). অ্যালবুমিন হল বিশেষ ধরনের প্রোটিন। মূত্রে অ্যালবুমিন আছে কি না, পরীক্ষা করে সেটাই দেখা হয়। আমাদের শরীরের জন্য প্রোটিন অত্যন্ত জরুরি। যে কারণে রক্তে প্রোটিন থাকা খুব স্বাভাবিক। কিন্তু, এই প্রোটিন কখনোই মূত্রে থাকার কথা নয়। যদি মূত্র পরীক্ষায় প্রোটিন পাওয়া যায়, তার মানে হল, কিডনি ঠিকঠাক ভাবে রক্তকে ছাঁকতে পারছে না। তাই ইউরিন টেস্টে প্রোটিন পজিটিভ হলে, নিশ্চিত হতে তাঁর Nephron Filtration Rate (NFR) করাতে হবে। যদি, তিন মাস বা তার বেশি সময় ধরে রেজাল্ট পজিটিভ হয়, তা কিডনি রোগের লক্ষণ। এবার আসুন অ্যালবুমিন ও ক্রিয়েটিনিনের অনুপাত অর্থাৎ ACR এর মানগুলি দেখে আসি-
অ্যালবুমিন ও ক্রিয়েটিনিনের অনুপাত ACR

GFR নির্ণয় করতে রক্ত পরীক্ষা

কিডনি খারাপ হলে, তা রক্ত থেকে ক্রিয়েটিনিন অর্থাত্‍‌ বর্জ্য পদার্থ ঠিকমতো বের করে দিতে পারে না। তবে, এই ক্রিয়েটিনিন পরীক্ষা হল প্রথম ধাপ। এরপর গ্লোমেরুলার ফিলট্রেশন রেট বা (GFR) Glomerular Filtration Rate দেখতে হবে। সেই রেজাল্ট দেখেই বুঝতে পারবেন আপনার কিডনি কেমন কাজ করছে। এবার আসুন জেনে নেই গ্লোমেরুলার ফিলট্রেশন রেট বা (GFR) এর মান ভেদে ক্রনিক কিডনি রোগের পর্যায় বা স্টেজ সম্পর্কে-
  • Stage 1:  With normal or high GFR (GFR > 90 mL/min)
  • Stage 2:  Mild CKD (GFR = 60-89 mL/min)
  • Stage 3A:  Moderate CKD (GFR = 45-59 mL/min)
  • Stage 3B:  Moderate CKD (GFR = 30-44 mL/min)
  • Stage 4:  Severe CKD (GFR = 15-29 mL/min)
  • Stage 5:  End Stage CKD (GFR <15 mL/min)
  • Here mL/min = milliliters per minute
কিডনি নিয়ে তাই কোন রকম ভয় হলে, অযথা দুশ্চিন্তাগ্রস্ত না হয়ে, এই পরীক্ষাগুলো করে নিতে পারেন। 

ক্রনিক কিডনি ডিসিজ বা কিডনি ফেইলিওর - চিকিৎসা

এলোপ্যাথিক চিকিৎসা শাস্ত্রে ক্রনিক কিডনি ডিসিজ বা কিডনি ফেইলিওর এবং ক্রিয়েটিনিন কমানোর জন্য ভালো কোন ঔষধ নেই আর বাকিগুলি খেয়েও তেমন ফল হচ্ছে না বরং রোগ জটিলতা দিন দিন বাড়ছে। এ অবস্থায় হয়তো কিডনি বিকল হওয়ার কারণে ডায়ালিসিস, এমনকি কিডনি ট্রান্সপ্লান্ট করার চিন্তাও করছেন অনেকে। কিন্তু আপনার জেনে রাখা দরকার এইগুলি করেও শেষ রক্ষা হচ্ছে না অধিকাংশ ক্ষেত্রেই। সাথে তো মোটা অংকের একটা অর্থ ব্যায়ের দখল রয়েছেই। আপনি হয়তো জানেনই না ক্রিয়েটিনিন কমানো এবং ক্রনিক কিডনি ডিসিজ বা কিডনি ফেইলিওর এর চূড়ান্ত অবস্থায়ও কার্য্যকর এবং আশানুরূপ রেজাল্ট দিয়ে চলেছে হোমিওপ্যাথি। যদি কেউ ক্রনিক কিডনি ডিসিজ বা কিডনি ফেইলিওর সমস্যায় আক্রান্ত হয়ে থাকেন এবং যাদের ক্রিয়েটিনিন এর লেভেল অনেক বেশি তারা দ্রুত রেজিস্টার্ড এবং দক্ষ একজন হোমিও চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করে সুচিকিৎসা নিন। ধন্যবাদ

যা যা জেনেছেন-

  • গ্লোমেরুলার ফিল্টারেশন রেট
  • Glomerular filtration rate
  • GFR normal range
  • eGFR test
  • eGFR calculation
  • GFR Calculator
  • GFR Definition
  • eGFR Test cost in Bangladesh
বিস্তারিত

মঙ্গলবার, ৫ জানুয়ারী, ২০২১

ক্রিয়েটিনিন কি ? Serum Creatinine স্বাভাবিক মাত্রা কত? কিডনির ক্রিয়েটিনিন কমানোর উপায়

এই পর্বে আমরা জানবো, ক্রিয়েটিনিন কি এবং Serum Creatinine স্বাভাবিক মাত্রা কত সাথে আরো জানবো ক্রনিক কিডনি ডিসিজ বা কিডনি ফেইলিওর রোগীদের ক্ষেত্রে কিডনির ক্রিয়েটিনিন কমানোর কার্যকর উপায় কি রয়েছে। 

ক্রিয়েটিনিন হলো এক ধরনের বর্জ্য যেটি মাংসপেশীর কোষ ভেঙে তৈরি হয়। যখন ক্রিয়েটিনিন উৎপন্ন হয় তখন রক্তের সঙ্গে তা মিশে যায়। পরে রক্ত যখন কিডনির ভেতর দিয়ে প্রবাহিত হয় তখন কিডনি এই রক্ত ছেঁকে ক্রিয়েটিনিন প্রস্রাবের মাধ্যমে বের করে দেয়। তাই রক্তে ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা নির্ণয় করলে বোঝা যায় কিডনি কতখানি কর্মক্ষম আছে। ক্রিয়েটিনের মাত্রা নির্দিষ্ট লেভেলের উপরে হলেই বোঝা যায় তার কিডনি সমস্যা হয়েছে। রক্তে ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখার বেশ কিছু উপায় আছে।

রক্তে ক্রিয়েটিনিন - এর স্বাভাবিক মাত্রা

মানবদেহে মাংসপেশীর বিপাক কর্ম বা মেটাবলিজমের কারণে উৎপন্ন বর্জ্য পদার্থই হলো ক্রিয়েটিনিন, যা ক্রিয়েটিন থেকে উৎপন্ন হয় এবং রক্তের মাধ্যমে কিডনিতে পৌঁছায়। ক্রিয়েটিন মাংশপেশীতে শক্তি উৎপাদনের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। প্রতিদিন গড়ে ২% ক্রিয়েটিন বিপাকের ফলে ক্রিয়েটিনিনে পরিণত হয়। কিডনি ছাঁকনের মাধ্যমে দেহ হতে মূত্রের সাথে ক্ষতিকর ক্রিয়েটিনিন বের করে দেয়।
  • স্বাভাবিক নারীদের ক্ষেত্রে প্রতি ডেসিলিটার রক্তে ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা থাকে ০.৫-১.১ মিলিগ্রাম। স্বাভাবিক পুরুষের ক্ষেত্রে প্রতি ডেসি লিটার রক্তে এর মান ০.৬-১.২ মিলিগ্রাম। 
  • একটা কিডনী যাদের নেই তাদের ক্ষেত্রে ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা প্রতি ডেসি লিটার রক্তে ১.৮ মিলিগ্রাম পর্যন্ত স্বাভাবিক।
  • কিশোরদের ক্ষেত্রে প্রতি ডেসি লিটার রক্তে ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা ০.৫-১.০ মিলিগ্রাম 
  • শিশুদের ক্ষেত্রে রক্তে ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা ০.৩-০.৭ মিলিগ্রাম/ডিএল-এর বেশি হলে মারাত্মক কিডনী দুর্বলতা হয়েছে বলে বুঝা যায়। 
  • প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে রক্তে ক্রিয়েটিনিন ৫.০ মিলিগ্রাম/ডেসিলিটারের চেয়ে বেশি হলে কিডনী ড্যামেজ হয়েছে বুঝা যায়।
প্রতি মিনিটে কিডনি যতটা রক্ত থেকে ক্রিয়েটিনিন বের করে দিতে পারে সেটাই ক্রিয়েটিনিন ক্লিয়ারেন্স রেট। প্রাপ্তবয়স্ক সুস্থ মানুষের ক্ষেত্রে এ হার ১২৫ মি.লি.। এর অর্থ প্রতি মিনিটে কিডনি ১২৫ মি.লি. রক্ত থেকে সম্পূর্ণভাবে ক্রিয়েটিনিন বের করে দিতে সমর্থ। বয়স, লিঙ্গ ও শরীরের আকৃতির ওপর নির্ভর করে এই হার।

ক্রনিক কিডনি ডিসিজ এর ক্ষেত্রে ক্রিয়েটিনিন কমানোর - চিকিৎসা

এলোপ্যাথিক চিকিৎসা শাস্ত্রে ক্রিয়েটিনিন কমানোর জন্য ভালো কোন ঔষধ নেই আর বাকিগুলি খেয়েও তেমন ফল হচ্ছে না বরং রোগ জটিলতা দিন দিন বাড়ছে। এ অবস্থায় হয়তো কিডনি বিকল হওয়ার কারণে ডায়ালিসিস, এমনকি কিডনি ট্রান্সপ্লান্ট করার চিন্তাও করছেন অনেকে। কিন্তু জানেন কি? এইগুলি করেও শেষ রক্ষা হচ্ছে না অধিকাংশ ক্ষেত্রেই। সাথে তো মোটা অংকের একটা অর্থ ব্যায়ের দখল রয়েছেই। আপনি হয়তো জানেনই না দ্রুত ক্রিয়েটিনিন কমানো এবং ক্রনিক কিডনি ডিসিজ বা কিডনি ফেইলিওর এর চূড়ান্ত অবস্থায়ও কার্য্যকর এবং আশানুরূপ রেজাল্ট দিয়ে চলেছে হোমিওপ্যাথি। যদি কেউ ক্রনিক কিডনি ডিসিজ/কিডনি ফেইলিওর সমস্যায় আক্রান্ত হয়ে থাকেন এবং যাদের ক্রিয়েটিনিন এর লেভেল অনেক বেশি তারা দ্রুত রেজিস্টার্ড এবং দক্ষ একজন হোমিও চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করে সুচিকিৎসা নিন।

কিডনি ফেইলিওর ও ক্রিয়েটিনিন কমানোর হোমিও ঔষধ

হোমিওপ্যাথিতে কিডনি ফেইলিওর সমস্যায় এবং ক্রিয়েটিনিন কমানোর জন্য রয়েছে বহু কার্যকর ঔষধ। এখানে Synthesis Repertory থেকে মাত্র দুটি রুব্রিক থেকে কিছু ঔষধ দেখানো হলো। প্রথমেই আসুন কিডনি ফেইলিওর সমস্যায় বা ক্রনিক কিডনি ডিসিজ এর ক্ষেত্রে ক্রিয়েটিনিন কমানোর জন্য রয়েছে বহু হোমিওপ্যাথিক ঔষধ
পেসেন্টের হিস্ট্রি নিয়ে এই ঔষধগুলি থেকে নির্বাচিত মেডিসিন অথবা পেসেন্টের কনস্টিটিউশন অনুযায়ী নির্বাচিত ঔষধ নির্দিষ্ট মাত্রায় প্রয়োগকরা হয়ে থাকে। দ্রুত রেজাল্ট পেতে এবং প্রপার ট্রিটমেন্টের জন্য রেজিস্টার্ড এবং দক্ষ একজন হোমিও চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ

যা যা জানতে হবে 

  • ক্রিয়েটিনিন কমানোর হোমিও ঔষধ
  • ক্রিয়েটিনিন কত হলে ডায়ালাইসিস করতে হয়
  • কিডনির জন্য ক্ষতিকর খাবার
  • কিডনি রোগীর ডায়েট চার্ট
  • ক্রিয়েটিনিন কমানোর ওষুধ
  • ক্রিয়েটিনিন টেস্ট
  • ক্রিয়েটিনিন ১ ৫
  • কিডনি রোগের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা
  • কিডনি রোগের প্রাকৃতিক চিকিৎসা
  • কিডনি বিশেষজ্ঞ ডাক্তার ঢাকা
  • কিডনি রোগের ঘরোয়া চিকিৎসা
  • কিডনি হাসপাতাল
  • কিডনি রোগের ঔষধ কি
  • ডায়ালাইসিস মেশিনের দাম
  • কিডনি ডায়ালাইসিস এর খরচ
  • ডায়ালাইসিস করতে কত টাকা লাগে
  • ডায়ালাইসিসের বিকল্প
  • কিডনি ডায়ালাইসিস কিভাবে করে
  • ডায়ালাইসিস করার নিয়ম
  • ডায়ালাইসিস রোগীর খাবার তালিকা
  • ক্রিয়েটিনিন কমানোর প্রাকৃতিক উপায়
  • ডায়ালাইসিস ছাড়া কিডনি চিকিৎসা
বিস্তারিত

বুধবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০২০

আইবিএস IBS রোগীদের হোমিওপ্যাথিক ঔষধ গ্রহণে বিশেষ সতর্কতা ! PTS তৈরি হচ্ছে যেভাবে

এলোপ্যাথিতে আইবিএস IBS এর কোন চিকিৎসা না থাকায় স্বভাবতই এই সমস্যায় আক্রান্তরা হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা নিয়ে থাকেন যদিও অধিকাংশ রোগীরাই ডাক্তার নির্বাচনে ব্যর্থ হওয়ার কারণে প্রপার চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হন। তাছাড়া এ দেশের শিক্ষিত জনগোষ্ঠীর অধিকাংশ লোকজনই হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা সম্পর্কে তেমন কোন ধারণাই রাখেন না বিধায় যখন এলোপ্যাথিক চিকিৎসায় বিফল হন তারা হোমিও চিকিৎসা নিতে গিয়ে বিভ্রান্তিতে পড়ে যান। নিজেদের অজ্ঞতার কারণে অধিকাংশ লোকজনই হোমিও চিকিৎসকের কাছে না গিয়ে হোমিওপ্যাথিক মেডিসিন বিক্রেতাদের নিকট যাচ্ছে চিকিৎসা নিতে। ফলশ্রুতিতে একটি প্রপার হোমিও চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন নিজের অজান্তেই।

তাছাড়া বহু মেডিসিন বিক্রেতারাই অনলাইনে বিভিন্ন রোগের নাম দিয়ে ঔষধ বিক্রি করে বেড়াচ্ছে। অনেকেরই ধারণা এই সকল ঔষধ খেয়েই তারা সুস্থ হয়ে যাবেন। দেখা যায়, এভাবে হোমিওপ্যাথির নিয়মনীতি বহির্ভুত ভাবে হোমিও ঔষধ প্রয়োগের ফলে তাদের মধ্যে উল্টো Post Trauma Syndrome (PTS) তৈরী হচ্ছে অর্থাৎ নিজের অজান্তেই দিন দিন তারা আরো জটিল স্বাস্থ্য সমস্যায় আক্রান্ত হচ্ছেন।  একজন পেশেন্ট কর্তৃক নির্বিচারে প্রয়োগকৃত হোমিও মেডিসিনের একটি লিস্ট দেখুন যেটি তিনি নিজেই নিয়ে এসেছিলেন-
রোগী কর্তৃক সেবনকৃত হোমিও ঔষধসমূহ
যেকোন জটিল স্বাস্থ্য সমস্যায় রেজিস্টার্ড এবং অভিজ্ঞ একজন হোমিও চিকিৎসকের তথ্যাবধানে না থেকে হোমিও ঔষধ গ্রহণ করা থেকে বিরত থাকুন। কারণ, ক্রনিক ডিজিসের ক্ষেত্রে ডায়নামিক হোমিও মেডিসিন প্রয়োগের জন্য হোমিওপ্যাথিক প্রিন্সিপাল অনুযায়ী কেইস টেকিং এবং ইনভেস্টিগেশন জরুরী। যা করতে পারেন অভিজ্ঞ একজন হোমিও চিকিৎসক। 
যার স্বাস্থ্য সমস্যা থাকবে তিনি সেটি থাকে রেহাই পাওয়ার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু সেই চেষ্টা যদি ভুল পথে করা হয় তাহলে সমস্যা সমাধানের পরিবর্তে উল্টো সেটা দিন দিন জটিল থেকে জটিলতর হবে তাতে সন্দেহ নেই। কিছু দিন পূর্বে একজন পেশেন্ট ২৪ হোমিও ঔষধের একটি লিস্ট নিয়ে এসে বলছেন তিনি এই ঔষধগুলি ছাড়াও আরো বহু ঔষধ খেয়েছেন বিভিন্ন হোমিওপ্যাথির বই পড়ে, ইন্টারনেটে বিভিন্ন ঔষধ বিক্রেতাদের সাজেশনে, নানা সময় নানা হোমিও ডাক্তারের পরামর্শক্রমে। কিন্তু সমস্যা দূর হওয়ার পরিবর্তে দিন দিন জটিল থেকে জটিলতর হতে লাগল। বিস্তারিত ভিডিওতে দেখুন-
আপনার DNA তে অর্জিত True Disease নির্ণয় করে সেটিকে প্রচ্ছন্ন না করলে এই সমস্যাগুলি বার বার ফিরে আসবে। হয়ত কিছু দিন স্থূল মাত্রার হোমিও ঔষধ খেয়ে আপনি আরাম পেতে পারেন কিন্তু আপনি হয়তো দেখে থাকবেন সমস্যা পরিপূর্ণ ভাবে আদৌ ঠিক হচ্ছে না বরং একদিকে আরাম পেলেও অন্য দিকে আরো জটিল জটিল লক্ষণ ও উপসর্গ প্রকাশ পাচ্ছে। যেকোন ক্রনিক ডিজিসের চিকিৎসার ক্ষেত্রে হোমিওপ্যাথিক নিয়মে ইনভেস্টিগেশন করে আপনার DNA তে অর্জিত True Disease গুলির মধ্যে কোনটি প্রি-ডোমিনেন্ট সেটি নির্ণয় করার পর সেই আলোকে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা দেয়া বা নেয়া জরুরি।

বিস্তারিত

সোমবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০২০

অর্শ বা পাইলস সারানোর উপায় Piles এর সার্জারী বা অপারেশন ছাড়া স্থায়ী চিকিৎসা

অর্শ Haemorrhoids, Piles বা পাইলস সারানোর উপায় এবং সার্জারী বা অপারেশন ছাড়া পাইলস এর চিকিৎসা হলো হোমিওপ্যাথি। অর্শ বা পাইলস হলো মলদ্বারের ভেরিকোজ ভেইন অর্থাৎ রেক্টামের নিচের অংশে এবং মলদ্বারে ফুলে যাওয়া এবং ফাঁপা শিরা। এই রোগ হলে মলদ্বারে আঙ্গুর ফলের মতো বলি বের হতে পারে, সাথে রক্তপাত, মলদ্বার ভেজা, চুলকানি এবং জ্বালাযন্ত্রণা থাকতে পারে।

অনেকেই অপারেশন করে অর্শ বা পাইলসের  বলি অপসারণ বা কেটে ফেলে এর যন্ত্রনা থেকে মুক্তি পেতে চায় যদিও ৯৫% ক্ষেত্রেই তা সম্ভব নয়। এই সমস্যায় সার্জারী করলেও সেটা আবার হয়ে যায় বহু ক্ষেত্রেই। কারণ অর্শ বা পাইলসের সার্জারী বা অপারেশন হলো একটি সাময়িক চিকিৎসা আদৌ কোন স্থায়ী চিকিৎসা নয়। পাইলসের উপসর্গের মধ্যে রয়েছে পায়খানার সঙ্গে রক্ত যাওয়া, এ রক্ত সাধারণত টাটকা লাল হয়। তাছাড়া মলদ্বারে ব্যথা বা জ্বালা, মলদ্বারে মাংসপিণ্ড ফুলে ওঠা যাকে বলি বলা হয়ে থাকে, যা কখনও কখনও মলদ্বারের বাইরে ঝুলে পড়ে এবং হাত দিয়ে ভেতরে ঢুকিয়ে দিতে হয়। আর সেটাই কেটে সাময়িক সময়ের জন্য আরাম দেয়া হয়ে থাকে। 
সার্জারী বা অপারেশন অর্শ বা পাইলস সারানোর কোন স্থায়ী উপায় নয় বরং জোড়াতালি মার্কা একটি সাময়িক আরাম দেয়ার চিকিৎসা মাত্র। কারণ এখানে মূল রোগটির কোন চিকিৎসা করা হচ্ছে না বরং মূল রোগ কর্তৃক সৃষ্ট একটি উপসর্গের চিকিৎসা করা হচ্ছে। তাছাড়া এই রকম জটিল সমস্যাগুলির মূলত কোন স্থায়ী এলোপ্যাথিক চিকিৎসা নেই। কারণ এলোপ্যাথিক চিকিৎসায় রেজাল্ট অফ ডিজিসের চিকিৎসা করা হয় মূল রোগের কোন চিকিৎসাই করা হয় না। 

সার্জারী বা অপারেশন করলেও অর্শ বা পাইলস আবার হয় কেন?

দেখা যায়, অর্শ বা পাইলস হওয়ার পেছনে বহু দিনের নানা প্রকার পেটের পীড়াকে সাধারণভাবে দায়ী করা হয়ে থাকে যদিও এই রোগ হওয়ার প্রকৃত কারণ হলো রোগীর DNA. বিস্তারিত দেখুন। আপনি বহু দিন যাবৎ পেটের পীড়া যেমন - আমাশয়, ডায়রিয়া, কোষ্ঠকাঠিন্য, IBS, IBD ইত্যাদিতে ভুগছেন। আপনার পেটের অসুখ যেমন আমাশয়, ডায়রিয়া, কোষ্ঠকাঠিন্য ইত্যাদি দীর্ঘদিন থাকলে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই রেক্টামে বারবার চাপ সৃষ্টি হওয়ার ফলে সেখানে অর্থাৎ মলদ্বারের ভেতর বা বাহিরে শিরা ফুলে অর্শ বা পাইলসের বলি তৈরি হলো আর আপনি সার্জারি করে সেটিকে কেটে ফেলে কিছুটা সময়ের জন্য স্বস্তি পেলেন মাত্র আপনার মূল সমস্যা তো থেকেই গেলো। অর্থাৎ যেহেতু আপনার পেটের অসুখের স্থায়ী চিকিৎসা না করে একটা লক্ষণ বা উপসর্গের চিকিৎসা করলেন তাই কিছুটা সময় পর আবার আপনার মলদ্বারের ভেতর বা বাহিরে শিরা ফুলে অর্শ বা পাইলসের বলি তৈরি হচ্ছে। গর্ভাবস্থায়ও অর্শ বা পাইলস তৈরী হতে পারে আবার এর কারণে মলদ্বার দিয়ে রক্তও যেতে পারে। 
Piles এর সার্জারী বা অপারেশন ছাড়া স্থায়ী চিকিৎসা
এখানে মূলত সার্জারী বা অপারেশন অর্শ বা পাইলস সারানোর কোন স্থায়ী উপায় নয় বরং জোড়াতালি মার্কা একটি সাময়িক আরাম দেয়ার চিকিৎসা মাত্র। আপনার পেটের সমস্যার স্থায়ী চিকিৎসা না করা হলে আপনি বার বার অর্শ বা পাইলসের সমস্যায় আক্রান্ত হতে পারেন। আর এই রকম জটিল রোগ-ব্যাধির মূলত কোন স্থায়ী এলোপ্যাথিক চিকিৎসা নেই। কারণ এলোপ্যাথিক চিকিৎসায় রেজাল্ট অফ ডিজিসের চিকিৎসা করা হয় মূল রোগের কোন চিকিৎসাই করা হয় না। মূল রোগটি থাকে মানুষের DNA এর মধ্যে যা জন্মলগ্ন থেকেই মানুষ নিয়ে আসে। সেখানে যে True Disease টি প্রি-ডোমিনেন্ট অবস্থায় থাকে সেটিই শরীরে নানা প্রকার লক্ষণ ও উপসর্গ তৈরি করে থাকে আর সেই লক্ষণ ও উপসর্গগুলিকে রোগের নাম দিয়ে চিকিৎসা করে থাকে এলোপ্যাথিক চিকিৎসা শাস্ত্র। কিন্তু DNA তে বিদ্যমান True Disease কে প্রচ্ছন্ন করার কোন এলোপ্যাথিক চিকিৎসাই নেই। আর তাই এলোপ্যাথিক চিকিৎসায় অর্শ বা পাইলসের মতো সমস্যাগুলি স্থায়ীভাবে ভালো হয় না ৯৫% ক্ষেত্রেই। ৫% ক্ষেত্রে পেটের সমস্যা নিয়ন্ত্রণ করে চললে কিছুটা সুফল পাওয়া যায় মাত্র। তাছাড়া আপনি হয়তো দেখে থাকবেন, বিভিন্ন রোগ-ব্যাধিতে এলোপ্যাথিক চিকিৎসকরা ঔষধ খেয়ে যেতে বলে সারা জীবন ধরে। আর কিছু কিছু সমস্যায় সার্জারী করে রোগ লক্ষণ বা উপসর্গের চিকিৎসা দিয়ে সাময়িক আরাম দেয়ার চেষ্টা করা হয়ে থাকে মাত্র, নির্দোষ ভাবে রোগ আদৌ নির্মূল হয় না।

অর্শ বা পাইলসের সার্জারী বা অপারেশন জটিলতাগুলির মধ্যে রয়েছে - ঘন ঘন মল ত্যাগের প্রবৃত্তি সৃষ্টি হওয়া, মলদ্বার ফুটো হয়ে যাওয়া, ইনফেকশন ঝুঁকি ইত্যাদি। তবে পাইলস সার্জারী করার পর সেটি ৯৫% ক্ষেত্রেই আবার হয়ে যায়। অর্থাৎ যেহেতু মূল রোগের চিকিৎসা না করে মূল রোগটি সৃষ্ট একটি লক্ষণ বা উপসর্গের চিকিৎসা করা হচ্ছে তাই DNA তে বিদ্যমান True Disease টি আবার মলদ্বারে সেই লক্ষন ও উপসর্গ তৈরী করে থাকে। আর এই কারণে সার্জারী বা অপারেশন করেও Piles আদৌ সারানো যায় না।

অর্শ বা পাইলস সারানোর স্থায়ী উপায় কি?

বর্তমান বিশ্বে অর্শ বা পাইলস সারানোর একটি স্থায়ী উপায় হলো - Real Homeopathic Therapeutic System অর্থাৎ Go Back ফর্মুলায় চিকিৎসা দেয়া বা নেয়া। এই মেথডে চিকিৎসা দিলে বা নিলে যে কারণে পাইলস তৈরি হয়ে থাকে সেটি অর্থাৎ রোগীর DNA তে বিদ্যমান অর্শ বা পাইলসের লক্ষণ সৃষ্টিকারী True Disease টি প্রচ্ছন্ন হয়ে আসে তখন পায়খানার সঙ্গে রক্ত যাওয়া, মলদ্বারে মাংসপিণ্ড ফুলে ওঠা, মলদ্বারে ব্যথা বা জ্বালার মতো উপসর্গগুলি স্থায়ী ভাবে দূর হয়ে যায় এবং তা আর ফিরে আসে না। তবে এই সমস্যার চিকিৎসা নিতে হলে আগে আপনাকে রিয়েল হোমিওপ্যাথিতে এক্সপার্ট একজন হোমিও চিকিৎসক খুঁজে বের করতে হবে যিনি ঠিকঠাক ভাবে আপনার কেইস টেকিং করে চিকিৎসা কার্যটি সম্পাদন করতে পারবেন। ধন্যবাদ। 

যা যা জেনেছেন -

  • পাইলস কি
  • পাইলস এর চিকিৎসা কোথায় ভালো হয়
  • অপারেশন ছাড়া পাইলস এর চিকিৎসা
  • পাইলস অপারেশন
  • পাইলস অপারেশন এর খরচ
  • পাইলস এর চিকিৎসা
  • পাইলস অপারেশন ভিডিও
  • পাইলস এর ডাক্তার ঢাকা
  • পাইলস সারানোর উপায়
  • পাইলস চিকিৎসা
  • অর্শ রোগের হোমিও ঔষধ
  • piles center dhaka
  • piles doctor specialist
  • colorectal surgeon in uttara dhaka
  • colorectal surgeon in bsmmu
বিস্তারিত

মঙ্গলবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০২০

সুস্বাস্থ্যবান মানুষের ক্ষেত্রে অশরীরী Vital Force ভাইটাল ফোর্সের ভূমিকা কি ?

মানুষের সুস্থাবস্থায় বস্তুগত দেহকে অর্থাৎ শরীরযন্ত্রকে যে শক্তি বাচিঁয়ে রাখে তাকে অপার্থিব বা অশরীরী (Spiritual) স্বয়ংচালিত বা Autocracy জৈবশক্তি বলে। তা অসীম প্রভাবে দেহকে পরিচালিত করে। ইহা অনুভূতি ও কার্যকারিতায় দেহযন্ত্রের যাবতীয় অংশকে সুন্দররূপে ও সুশৃঙ্খলভাবে নিয়ন্ত্রিত করে। তার ফলেই অনুসন্ধিৎসু, যুক্তিবাদী মানুষ এই জীবন্ত, সুস্থ শরীরযন্ত্রকে মানবজীবনের মহত্তর উদ্দেশ্য সাধনে স্বাধীনভাবে সমর্থ হয়। - স্যার স্যামুয়েল হ্যানিম্যান।

জৈবশক্তি ব্যতীত জড় দেহ অনুভব করতে, কাজ করতে বা আত্বরক্ষা করতে পারে না। একমাত্র এই অশরীরী সত্তা (জৈবনিক মূলনীতি বা Vital Principal) হতেই জীবনের সর্বপ্রকার অনুভূতি ও কার্যকলাপ উদ্ভুত হয়। সুস্থ এবং অসুস্থ উভয় অবস্থাতে ইহাই এই জড় শরীরযন্ত্রকে সঞ্জীবিত রাখে। - স্যার স্যামুয়েল হ্যানিম্যান।

একজন আপাতঃ সুস্থ Apparently Healthy মানুষের ক্ষেত্রে Vital Force ভাইটাল ফোর্সের ভূমিকা - 

  • কোন প্রতিবন্ধকতা ছাড়াই দেহযন্ত্রকে বাচিয়ে রাখে এবং নিয়ন্ত্রণ করে।
  • দেহযন্ত্রের স্বাভাবিক অনুভূতি এবং কার্যকারিতার সমন্বয় সাধন করে।
  • জীবন্ত, সুস্থ শরীরযন্ত্রকে মানবজীবনের মহত্তর উদ্দেশ্য সাধনে স্বাধীনভাবে নিযুক্ত করতে সমর্থ হয়।
  • রোগ শক্তির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলে এবং সুস্বাস্থ্য বজায় রাখে।
ভাইটাল ফোর্স মানব দেহযন্ত্রকে আয়ত্ত এবং নিয়ন্ত্রণে রেখে তার জীবন্ত সত্তাকে অটুট রাখে। ভাইটাল ফোর্সের অধীনে দেহযন্ত্র দৈহিক, মানুষিক বিভিন্ন ধরণের কাজ করে। জীবন্ত দেহযন্ত্রের বিভিন্ন চেতনা বা অনুভূতি এবং শরীরবৃত্তীয় কার্যকলাপ যেমনঃ শ্বাসপ্রশ্বাস, রক্ত চলাচল, পরিপাক, রেচন এবং অনাক্রমতা (নিরাপত্তা বা প্রতিরোধ ব্যবস্থা) সব কিছুই ভাইটাল ফোর্সের উপর নির্ভরশীল। দেহযন্ত্রের জীবন্ত সত্তার বিভিন্ন ধরণের প্রকাশ ভাইটাল ফোর্সের উপর নির্ভরশীল।
সুস্বাস্থ্যবান মানুষের ক্ষেত্রে অশরীরী Vital Force ভাইটাল ফোর্সের ভূমিকা
ভাইটাল ফোর্স দেহযন্ত্রের বিভিন্ন অঙ্গ, তন্ত্রের শরীরবৃত্তীয় বিভিন্ন কার্যকলাপ সুশৃঙ্খলভাবে সমন্বয় সাধন করে যেমনঃ হৃদপিন্ড স্পন্দিত হয়, ফুসফুস সম্প্রসারিত এবং সংকোচিত হয়, পরিপাকতন্ত্রের সঞ্চালন হয় ইত্যাদি। কিন্তু মজার ব্যাপার হল একজন সুস্বাস্থের অধিকারী মানুষ কিছুই বুঝতে পারে না যে তার দেহযন্ত্রের মধ্যে কত সব অঙ্গ-তন্ত্র রয়েছে এবং সেগুলির মধ্যে কত দ্রুত কত কিছু প্রতিনিয়ত অবিরাম ঘটেই চলেছে। সুস্বাস্থ্যকর অবস্থায় প্রতিটি অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ঐ মানুষটির ইচ্ছা অনুসারে পরিচালিত হয় এবং দেহ ও মনের মধ্যে ভারসাম্যতা বজায় থাকে।

স্বাস্থ্যকর পরিস্থিতিতে দেহ এবং মনের মধ্যে যথাযথ ভারসাম্য বজায় থাকে বলে মানুষটি নিজেকে মাববজীবনের মহত্তর উদ্দেশ্য সাধনে স্বাধীনভাবে নিযুক্ত করতে সমর্থ হয়। 

সুস্বাস্থ্যকর পরিস্থিতিতে কোন মানুষ যে কোন ধরণের ক্ষতিকারক প্রভাব থেকে নিজেকে রক্ষা করতে সমর্থ হয়। আমাদের পার্থিব অস্তিত্ব প্রতিনিয়ত সহস্র রোগশক্তির কাছে উন্মোচিত অর্থাৎ আমরা সবাই সর্বদা সহস্র রোগশক্তি দ্বারা পরিবেষ্টিত, তা সত্ত্বেও সবাই রোগের কবলে পতিত হয় না বা রোগ যন্ত্রনা ভোগ করি না, কারণ ভাইটাল ফোর্স প্রতিনিয়ত মারাত্মক ক্ষতিকারক রোগ শক্তির বিরুদ্ধে সুরক্ষা দিয়ে চলেছে, যার জন্য আমরা সুস্থ থাকি।

ভাইটাল ফোর্সের দুর্বলতার জন্য দায়ী মূলতঃ দুটি ফ্যাক্টর

  • The Endogenous Factor
  • The Exogenous Factor
The Endogenous Factor গুলি জন্মগত (Innate) যা কোন মানুষের মধ্যে আসে বংশগতির মাধ্যমে Incurred from the heredity.
  • দুর্বল ভাইটাল ফোর্স কোন Individual এর মধ্যে আসতে পারে দুর্বল বাবা এবং মা অথবা দুজনের যেকোন একজন থেকে।
  • এক বা একাধিক Predominant প্রকট True disease নিয়ে জন্মাবার ফলে Vital Force দুর্বল হতে পারে।
  • Real Homoeopathic Therapeutic System অনুসরণ করে চিকিৎসা না করা হলে সুপ্ত সোরা Recessive Psoric Miasm প্রাকৃতিক নিয়মে প্রকট হবেই। Psora is the evolution of the state of man's will, the ultimate of his sin অর্থাৎ ভাইটাল ফোর্স দুর্বল হবেই এবং তখনই অন্যান্য True disease গুলি ক্রমে ক্রমে প্রকট হবে
The Exogenous Factor গুলি হলো পরিবেশের বিভিন্ন অভ্যন্তরীন প্রভাব The various intimate details of the environment factors যা কোন মানুষকে জন্ম থেকে ক্রমাগত এবং নিরবিচ্ছিন্ন ভাবে প্রভাবিত করতে থাকে যেমনঃ
  • জন্ম হয়েছিল অপরিণত অবস্থায় (আট মাসে), মায়ের রক্তচাপ অতিমাত্রায় বৃদ্ধি পাওয়ায় অসময়ে গর্ভপাত করাতে হয়েছিল, তখন মায়ের বুকের দুধ শুকিয়ে যায় অর্থাৎ শিশুটি কখনও মায়ের বুকের দুধ পায়নি বলে দুর্বল ভাইটাল ফোর্সের কারণে একের পর এক বিভিন্ন অসুখে কষ্ট পায়। 
  • Acute Infectious disease (Pox/Measles/Typhoid) ইত্যাদিতে ভীষণ কষ্ট পাওয়ার পর ভাইটাল ফোর্স দুর্বল হয়, তারপর থেকে বিভিন্ন দৈহিক সমস্যা একের পর এক লেগেই আছে। 
  • মানুষিক আঘাত বা মানুষিক চাপের ফলে ভাইটাল ফোর্স দুর্বল হয় যেমনঃ দৈনন্দিন জীবনে কোন দুর্ঘটনা Accident ঘটে যাওয়ার পর (ভালো চাকরিটা চলে গেলো, একমাত্র সন্তানের কঠিন দুরারোগ্য অসুখ ধরা পড়লো বা মারা গেল) ইত্যাদিতে প্রচণ্ড মানুষিক আঘাত। ভাইটাল ফোর্স দুর্বল হলে রক্তচাপ Blood Pressure বেড়ে গেল, Diabetes ধরা পড়ল, একের পর এক বিভিন্ন সমস্যা শুরু হতে লাগলো। ভীষণ ভয় বা আতঙ্কেও এমন হতে পারে। 
  • পরিবেশের প্রতিকূলতায় ভাইটাল ফোর্স দুর্বল হয়। বাসস্থান, কর্মক্ষেত্রে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি মনের উপর বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে এবং সেটি যদি দীর্ঘদিন চলতে থাকে তাহলে ভাইটাল ফোর্স দুর্বল হয়। 
  • Superficial Homeopathic Treatment অর্থাৎ যেক্ষেত্রে True disease এর চিকিৎসা না করে Result of the disease এর চিকিৎসা করা হয় অর্থাৎ Patient এর তাৎক্ষণিক Symptoms বা Rubrics কে গুরুত্ব দিয়ে ঔষধ নির্বাচন এবং প্রয়োগ করে কষ্টের উপশম দেয়া হয় ফলে ভাইটাল ফোর্স দুর্বল হয়। 
  • চিকিৎসা বিভ্রাটের ফলে ভাইটাল ফোর্স দুর্বল হয় যেমনঃ 
    • একের পর এক বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করতে বিভিন্ন ঔষধের প্রয়োগ।
    • বিভিন্ন প্রকার ভ্যাকসিন বা টিকা
    • হাই-পাওয়ারের ক্ষতিকর সব এন্টিবায়োটিক
    • ক্রমাগত বিভিন্ন এলোপ্যাথিক বা রাসায়নিক ঔষধ সেবন
    • ঔষধের ভুল প্রয়োগের ফলে। 
    • ঔষধের পরিমাপ অযৌক্তিক ভাবে বেশি হলে। 
    • ঔষধের Dose এবং Potency মাত্রাতিরিক্ত হলে। 
    • বিভিন্ন Results of the disease এর সমাধান করতে বিভিন্ন ঔষধের এক সঙ্গে প্রয়োগের ফলে এমন ঘটনা ঘটে। 
  • দীঘদিন ধরে বিষাক্ত পানি (Arsenic) যুক্ত এবং বিষাক্ত খাবার খেলেও ভাইটাল ফোর্স দুর্বল হবে। 
  • নেশা হয় এমন বস্তু Intoxicant দীর্ঘদিন ধরে শরীরে প্রবেশ করলে ভাইটাল ফোর্স দুর্বল হয়। 
  • রোগগ্রস্থ মানুষের সঙ্গে মেলামেশা করলে ভাইটাল ফোর্স দুর্বল হয়। 

ভাইটাল ফোর্সের বৈশিষ্ট

  • Spiritual
  • Autocratic
  • Automatic
  • Dynamic
  • Unintelligent and instinctive
Spiritual এর অর্থ অপার্থিব বা অশরীরী Immaterial. ভাইটাল ফোর্স ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য নয় অর্থাৎ একে প্রত্যক্ষ করা যায় না Imperceptible অর্থাৎ সূক্ষ্ম Subtle.

ভাইটাল ফোর্সের উপস্থিতি বা অস্তিত্ব বা বাস্তবতাকে উপলব্ধি করা যায় শুধুমাত্র তখনই যখন এটি পার্থিব দেহযন্ত্রের মাধ্যমে ক্রিয়া প্রতিক্রিয়ায় অংশ নেয়। ক্রিয়া প্রতিক্রিয়ায় অংশ নেয় বলতে সর্বোচ্চ কর্তৃত্বকারী হিসেবে নিজের মতো করে দেহযন্ত্রকে নিয়ন্ত্রণ করে, যার ফলে দেহযন্ত্রের বিভিন্ন কোষ, কলা, সিস্টেম, অঙ্গপ্রতঙ্গের মধ্যে অখন্ডতা (Integrity) রক্ষা পায়।

বিভিন্ন প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও কেউ কেউ কিভাবে সুস্থ থাকে?

বিভিন্ন প্রতিকূল পরিস্থিতিতে জীবন যাপন করা সত্ত্বেও কোন কোন মানুষ সুস্থ থাকে যার বদান্যতায় Generosity, তার নাম ভাইটাল ফোর্স। এই ভাইটাল ফোর্সের পাঁচটি বৈশিষ্ট্যের মধ্যে একটি হলো Automatic or Self-acting যার অর্থ স্বয়ংক্রিয় সত্তা যা দেহযন্ত্রকে বাঁচিয়ে রাখে এবং যেকোন অপশক্তির বিরুদ্ধে স্বতঃস্ফূর্তভাবে প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তুলে। এই কাজে যে শক্তির প্রয়োজন তার জন্য ভাইটাল ফোর্সকে কারো উপর নির্ভর করতে হয় না। কারণ এটি স্বাবলম্বী বা আত্মনির্ভরশীল একটি সত্তা অর্থাৎ Self-powered. ভাইটাল ফোর্স সর্বোচ্চ কর্তৃত্বকারী হিসেবে দেহযন্ত্রকে বাঁচিয়ে রাখে বলে একে Autocratic বলে।

এই ভাইটাল ফোর্স দেহযন্ত্রের বিভিন্ন কোষ, কলা, সিস্টেম, অঙ্গপ্রতঙ্গের মধ্যে অখন্ডতা (Integrity) রক্ষা করে। এই গতিশীল সত্তা, ভাইটাল ফোর্স, মানব দেহযন্ত্রের প্রতিটি কোষে, প্রতিটি অনু-পরমাণুতে সমানভাবে প্রভাব বিস্তার করে। এই গতিশীল সত্তা মানব দেহযন্ত্রকে বিভিন্ন রোগ যন্ত্রণার হাত থেকে রক্ষা করে সদাসর্বদা প্রাণবন্ত Animated রাখে। তাই মানুষের ভাইটাল ফোর্স যদি Healthy থাকে তাহলে ঐ মানবদেহের প্রতিটি অনু-পরমাণু, কোষ, কলা, সিস্টেম, অঙ্গপ্রতঙ্গ বিভিন্ন প্রতিকূল পরিস্থিতিকে জয় করতে সক্ষম হবে যার জন্য ঐ মানুষটি স্বাচ্ছন্দ Freedom উপভোগ করবে।

এরপরও কোন মানুষ রোগগ্রস্ত হয়, এই রোগগ্রস্ত হওয়ার হাত থেকে রক্ষা পেতে চাইলে একটি মাত্র উপায় রয়েছে - সেটি হলো Real Homeopathic Therapeutic System এর রীতিনীতি কঠোরভাবে Strictly মেনে চিকিৎসা নেয়া বা চিকিৎসা দেয়া। 
বিস্তারিত

সোমবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২০

মুক্তিযুদ্ধের বন্ধু শ্রীমতি ইন্দিরা গান্ধী স্মৃতি সম্মাননা ২০২০ পেলেন ডাঃ দেলোয়ার জাহান ইমরান

মুক্তিযুদ্ধের বন্ধু শ্রীমতি ইন্দিরা গান্ধী স্মৃতি সম্মাননা ২০২০ পেলেন ডাঃ দেলোয়ার জাহান ইমরান। আনোয়ার টাওয়ার, আল-আমিন রোড, কোনাপাড়া, যাত্রাবাড়ী-ডেমরা রোড, ঢাকা।

দুরারোগ্য রোগের চিকিৎসা সেবায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ মুক্তিযুদ্ধের বন্ধু শ্রীমতি ইন্দিরা গান্ধী স্মৃতি সম্মাননা ২০২০ পেলেন ডাঃ দেলোয়ার জাহান ইমরান। 

১২ ডিসেম্বর ২০২০ তারিখে "বাংলাদেশ স্বপ্নকুঁড়ি ফাউন্ডেশন" এ সম্মাননা প্রদান করেন।

বাংলাদেশ শিশু কল্যাণ পরিষদের সম্মেলন কক্ষে স্বপ্নকুঁড়ি ফাউন্ডেশন মনোজ্ঞ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সাবেক মন্ত্রী নাজিম উদ্দিন আল আজাদ, অর্থ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব পীরজাদা শহিদুল হারুন। অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অথিতি তাঁর হাতে এ পুরস্কার তুলে দেন।
মুক্তিযুদ্ধের বন্ধু শ্রীমতি ইন্দিরা গান্ধী স্মৃতি সম্মাননা ২০২০
বিশ্বের অন্যান্য চিকিৎসা ব্যবস্থায় দুরারোগ্য রোগগুলি নির্মূলের ক্ষেত্রে তেমন কোন সফলতা দেখাতে না পারলেও হোমিওপ্যাথি বরাবরই এক্ষেত্রে শুরু থেকেই সফলতা দেখিয়ে আসছে। মেডিক্যাল মাফিয়াদের ক্রমাগত অপপ্রচার সত্ত্বেও হোমিওপ্যাথি বিশ্বের প্রায় ৮০টিরও বেশি দেশে ব্যাপক জনপ্রিয়। অন্যান্য চিকিৎসা পদ্ধতিগুলি যেখানে রোগ পুষে রাখে এবং ক্রমাগত ঔষধ প্রয়োগ করে করে মানব জীবনকে বিপর্যস্ত করে তুলছে সেখানে হোমিওপ্যাথি পার্শপ্রতিক্রিয়াহীন ঔষধ প্রয়োগের মাধ্যমে রোগ নির্মূলের ক্ষেত্রে ব্যাপক সাফল্য দেখিয়ে আসছে শুরু থেকেই। অভিজ্ঞ হোমিও চিকিৎসকগণ সারিয়ে তুলছেন অন্যান্য চিকিৎসা পদ্ধতিগুলির নাম দেয়া দুরারোগ্য রোগগুলি। কারণ হোমিওপ্যাথি অন্যান্য চিকিৎসা পদ্ধতিগুলির মত রেজাল্ট অফ ডিজিসের চিকিৎসা করে না বরং DNA তে স্বক্রিয় মানব দেহের True Diseases বা প্রকৃত রোগগুলির চিকিৎসা করে থাকে। 

আমাদের DNA তে বর্তমান True Disease মূলতঃ আমাদের শরীরের নানা অঙ্গে বিভিন্ন লক্ষণ ও উপসর্গ তৈরি করে থাকে তার তীব্রতা অনুসারে। হোমিওপ্যাথি ছাড়া অন্যান্য ট্রিটমেন্ট সিস্টেম মূলতঃ স্থানিক ভাবে প্রকাশিত লক্ষণ ও উপসর্গকে রোগের নাম দিয়ে স্থানিক ভাবে সেগুলির চিকিৎসা করে থাকে তাই সেগুলি স্থায়ীভাবে দূর হয় না বরং সেসকল চিকিৎসা শাস্ত্রের উদ্ভাবিত ওয়ান টাইম ঔষধগুলিই বার বার প্রয়োগ করে করে রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখতে হয়। যেমন আইবিএস এর ক্ষেত্রে পেটের নানা লক্ষণে - আমাশয়ের ক্ষেত্রে আমাশয়ের ওয়ান টাইম মেডিসিন, ডায়রিয়ার লক্ষণে ডায়রিয়ার ওয়ান টাইম মেডিসিন, কোষ্ঠকাঠিন্যের লক্ষণে কোষ্ঠকাঠিন্যের ওয়ান টাইম মেডিসিনগুলিই ক্রমাগত জীবনভর খেয়ে যেতে বলে। কিন্তু রোগ নির্মূল তো দূরের কথা বরং ঔষধ খেয়ে সাময়িক আরাম পেলেও রোগ জটিলতা দিন দিন বাড়তে থাকে।

হোমিওপ্যাথি স্থানিক ভাবে রোগের লক্ষণের চিকিৎসা না দিয়ে রোগীর DNA তে স্বক্রিয় কোন True Disease এর কারণে তার আইবিএস সমস্যা হলো সেটিকে নির্ণয় করে তার চিকিৎসা দিয়ে থাকে। তখন দেখা যায় আইবিএসসহ রোগীর শরীরে আরো যত উপসর্গ থাকে সবগুলি নির্মূল হয়ে রোগী সুস্বাস্থ ফিয়ে পায়। ঠিক তেমনি ভাবে অন্যান্য সকল দুরারোগ্য রোগের ক্ষেত্রেই হোমিও তার নীতি অনুসারে চিকিৎসা দিয়ে শুরু থেকেই সফলতা দেখিয়ে আসছে। তবে এর জন্য অবশ্যই রেজিস্টার্ড এবং দক্ষ একজন হোমিও চিকিৎসকের পরামর্শক্রমে চিকিৎসা নেয়া জরুরী।
বিস্তারিত