Dr. Imran ডাঃ দেলোয়ার জাহান ইমরান ➤ ডিএইচএমএস (বিএইচএমসি এন্ড হসপিটাল), ডিএমএস; ঢাকা
➤ রেজিস্টার্ড হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক(রেজিঃ নং-৩৩৪৪২)
➤ বিশেষত্বঃ পরিপাকতন্ত্র, মূত্রতন্ত্র, বক্ষব্যাধি, স্ত্রীরোগ (হোমিও মেডিসিন)
➤ আনোয়ার টাওয়ার, আল-আমিন রোড, কোনাপাড়া, ডেমরা, ঢাকা।
➤ ফোন : +৮৮ ০১৬৭১-৭৬০৮৭৪ এবং ০১৯৭৭-৬০২০০৪
➤ সাক্ষাৎ : সকাল ১১ টা থেকে বিকাল ৪ টা (শুক্রবার বন্ধ)
➤ শুধু এপয়েন্টমেন্টের জন্য ফোনে যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ
➤ প্রোফাইল ➤ ফেইসবুক ➤ ইউটিউব

শিশুর জটিল রোগ

শিশুর জন্মগত ত্রুটি এবং মারাত্মক রোগ ব্যাধির কার্যকর চিকিৎসা

প্যানক্রিয়াটাইটিস

অ্যাকিউট ও ক্রনিক প্যানক্রিয়াটাইটিস এর কার্যকর চিকিৎসা হোমিওপ্যাথি

ডায়াবেটিস

ডায়াবেটিস নির্মূলের ম্যাজিক থেরাপি এবং হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা

ভেরিকোসিল

ভেরিকোসিলের অপারেশনবিহীন স্থায়ী চিকিৎসা হোমিওপ্যাথি

আইবিএস

পেটের পীড়া আইবিএস নির্মূলের স্থায়ী চিকিৎসা হোমিওপ্যাথি

মলদ্বারের রোগ

পাইলস, এনাল ফিশার এবং ফিস্টুলা সমস্যায় হোমিওপ্যাথি

গ্যাংরিন

গ্যাংরিন বা পচনশীল ক্ষত নিরাময়ে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা

কিডনি ও মূত্রনালী

কিডনি এবং মূত্রনালীর রোগের চিকিৎসা হোমিওপ্যাথি।

নারী স্বাস্থ্য স্ত্রীরোগ
নারীদের অর্থাৎ স্ত্রীরোগ সম্পর্কিত বিষয়াবলী
মা ও শিশু স্বাস্থ্য
মা ও শিশু স্বাস্থ্য সম্পর্কিত বিষয়াবলী
পুরুষদের স্বাস্থ্য
পুরুষদের স্বাস্থ্য সম্পর্কিত বিষয়াবলী
রোগ-ব্যাধি অসুখবিসুখ
নানা প্রকার রোগ-ব্যাধি সম্পর্কিত বিষয়াবলী
স্বাস্থ্য বিষয়ক টিপস
স্বাস্থ্য সম্পর্কিত যাবতীয় টিপস ও ট্রিকস

সাম্প্রতিক আপডেট

সোমবার, ২৪ জানুয়ারী, ২০২২

শিশুর নেফ্রোটিক সিনড্রোম এর কারণ লক্ষণ ও কার্যকর চিকিৎসা

শিশুর নেফ্রোটিক সিনড্রোম অর্থাৎ বাচ্চাদের জটিল এই কিডনি রোগের কারণ লক্ষণ এবং এলোপ্যাথিক ও হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা সম্পর্কে বিস্তারিত জানবো এই পর্বে। Nephrotic Syndrome সমস্যায় কিডনির ছাঁকনি সাময়িক ভাবে শরীরের আমিষ জাতীয় পদার্থ বা অ্যালবুমিন ধরে রাখতে পারে না এবং প্রস্রাবের সঙ্গে তা বের হয়ে যাওয়ার কারণে রক্তনালিতে অ্যালবুমিনের ঘাটতি দেখা দেয়। নেফ্রোটিক সিনড্রোম সাধারণত দুই থেকে ছয় বছরের শিশুদের হয়ে থাকে। 

শিশুদের নেফ্রোটিক সিনড্রোম ইন চিলড্রেন - কষ্টগুলি

  • এই সমস্যায় শিশুর শরীর ধীরে ধীরে  ফুলে যায়
  • ফোলাটা প্রথমে মুখমণ্ডলের দিকে শুরু হয়। এরপর আস্তে আস্তে সমস্ত শরীরে ছড়িয়ে যায়
  • প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যায়
  • পেটে ব্যথা অনুভূত হয়
  • শিশুর অনেক সময় জ্বর হয়
  • কফ, কাশি হয়
  • শ্বাসকষ্ট হতে পারে, কারণ নেফ্রোটিক সিনড্রমের ফলে ফুসফুসের পর্দায় পানি জমে যায়
শিশুর নেফ্রোটিক সিনড্রোম

শিশুদের নেফ্রোটিক সিনড্রোম কেন হয়?

শিশুদের নেফ্রোটিক সিনড্রোমে ৯০ শতাংশের কোন কারণ আজ পর্যন্ত আবিষ্কার করতে পারেনি এলোপ্যাথিক চিকিৎসা শাস্ত্র। তাই এলোপ্যাথিতে এর চিকিৎসা অনেকটাই জটিল। তবে হোমিওপ্যাথিতে এই সমস্যার একটি কার্যকর ম্যানেজমেন্ট রয়েছে। আর বাকি ১০ ভাগ হলো সেকেন্ডারি নেফ্রোটিক সিনড্রোম। অর্থ্যাৎ কোন না কোন কারণের জন্য এই সমস্যা হয়ে থাকে। যেমনঃ 
  • কোন সংক্রমণ থেকে নেফ্রোটিক সিনড্রোম দেখা দিতে পারে যেমনঃ ম্যালেরিয়া
  • সিফিলিসের কারণে হতে পারে
  • বাচ্চার যদি লিম্ফোমা, লিউকোমিয়া হয় এসব কারণেও এই সিনড্রোম দেখা দিতে পারে
  • বিভিন্ন প্রকার এলোপ্যাথিক ওষুধের কারণে হতে পারে
  • উচ্চ রক্তচাপের ওষুধ খাওয়ার জন্য নেফ্রোটিক সিনড্রোম হতে পারে
  • পোকা, সাপ বা মৌমাছি কামড় দিলেও নেফ্রোটিক সিনড্রোম হতে পারে
আপনারা জেনেছেন, শিশুদের ৯০ শতাংশ নেফ্রোটিক সিনড্রোম কোন কারণ ছাড়াই হয়ে থাকে বলে দাবী করে এলোপ্যাথিক চিকিৎসা শাস্ত্র। তাই অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এর প্রপার চিকিৎসা দিয়ে আরোগ্য করতে ব্যর্থ হয় এলোপ্যাথিক চিকিৎসকরা। অথচ শৈশবের জীবনদর্শন, শিশুর মাতাপিতা, দাদা-দাদী, নানা-নানীর হিস্ট্রি নিয়ে অনায়াসেই একটি কার্যকর ম্যানেজমেন্ট দিতে পারে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা শাস্ত্র।

শিশুদের নেফ্রোটিক সিনড্রোম চিকিৎসা

অ্যান্টিবায়োটিক, স্টেরয়েড দিয়ে মূলতঃ শিশুর নেফ্রোটিক সিনড্রোম এর চিকিৎসা দিয়ে থাকে এলোপ্যাথিক চিকিৎসকরা। এলোপ্যাথিক ওষুধ প্রয়োগের ফলে জটিলতা যদি বেশি দেখা দেয়, তখন স্টেরয়েডের সঙ্গে অন্য ওষুধ ব্যবহার করে থাকে ডাক্তাররা। কারণ স্টেরয়েডের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াগুলো বেশি জটিলতার সৃষ্টি করে থাকে। সর্বোপরি এই সমস্যার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন ভাল চিকিৎসা নেই এলোপ্যাথিতে। 
তবে একেবারেই হতাশ হওয়ার আদৌ কোন কারণ নেই। বর্তমান বিশ্বে শিশুর নেফ্রোটিক সিনড্রোম সমস্যায় কার্যকর চিকিৎসা হলো হোমিওপ্যাথি। তবে এটা ভাববেন না যে, একজন হোমিও ডাক্তারের কাছে গেলেন, রোগের কথা বললেন, ডাক্তার কিছু ঔষধ দিল সেগুলি আপনার শিশুকে খাওয়ালেন আর অমনি সে ভালো হয়ে গেল !!  বিষয়টি এমন নয়।
এখানে প্রথমেই আপনাকে দক্ষ একজন হোমিও চিকিৎসক খুঁজে বের করতে হবে যিনি শিশুদের এই প্রকারের জটিল সমস্যাগুলি হ্যান্ডেল করতে পারেন। এখানে হোমিওপ্যাথিক নিয়মে একটি প্রপার ইনভেস্টিগেশন জরুরী। শৈশবের জীবনদর্শন, শিশুর মাতাপিতা, দাদা-দাদী, নানা-নানীর হিস্ট্রি পর্যালোচনাপূর্বক চিকিৎসক বুঝতে পারবেন কোন True Diseases প্রি-ডোমিনেন্ট থাকার ফলে শিশুটির মধ্যে নেফ্রোটিক সিনড্রোম এর মতো একটি জটিল সমস্যা জেগে উঠেছে। এখানে মূলতঃ সেই সমস্যাটিকে নির্ণয় করে রিসিসিভ করার জন্য যথাযথ চিকিৎসা দিবেন দক্ষ একজন হোমিও চিকিৎসক। তখনই মূলতঃ শিশুর নেফ্রোটিক সিনড্রোম নির্মূলের দিকে আগাবে এবং একসময় চিরতরে দূর হয়ে যাবে ইনশা-আল্লাহ।

যা যা জেনেছেন

  • নেফ্রোটিক সিনড্রোম ইন চিলড্রেন
  • শিশুদের কিডনি রোগের লক্ষণ
  • নেফ্রোটিক সিনড্রোম রোগীর খাবার
  • নক নি সিনড্রোম রোগ হয় কিসের অভাবে
  • শিশু কিডনি রোগ
বিস্তারিত

সোমবার, ১০ জানুয়ারী, ২০২২

শিশুর মলদ্বার দিয়ে রক্তক্ষরণ বন্ধই হচ্ছে না ! করনীয় কি

বাচ্চাদের রক্ত আমাশয়, এনাল ফিসার, আইবিডি, আইবিএস, বিরল ক্ষেত্রে পাইলস ইত্যাদি হলো মলদ্বার দিয়ে রক্তক্ষরণের অন্যতম কিছু কারণ যেগুলির কার্যকর হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা রয়েছে। কোন শিশুর পায়খানার সময় মলদ্বার দিয়ে রক্তক্ষরণ হলে বহু ক্ষেত্রেই শিশুটির রক্ত আমাশয় হয়েছে বলে মনে করা হয়। কিন্তু যখন দেখা যায় এই সমস্যা কোন এন্টিবায়োটিক দিয়েও ঠিক হচ্ছে না তখন হয়তো শিশুর পিতামাতার টনক নড়ে উঠে।
 
রক্ত আমাশয় হলে শিশু পায়খানা করার সময় চাপ দিবে। রক্তের সঙ্গে পিচ্ছিল একটা পদার্থ এবং পায়খানাও থাকবে। আর যদি পলিপের জন্য হয় তাহলে টাটকা রক্ত যাবে। কোন ব্যথা থাকবে না।
শিশুর মলদ্বার দিয়ে রক্তক্ষরণ
ক্রোন'স ডিজিস হলো শিশুদের মলদ্বার দিয়ে রক্তক্ষরনের একটি বড় কারণ। এটি হলো আইবিডি এর একটি ধরণ এবং বড় রকমের একটি সংক্রমণ যা পাচন তন্ত্রের আস্তরণের আভ্যন্তরীণ অংশকে আক্রমণ করে। এছাড়াও এটি আবার কোলাইটিসের একটি রূপ হিসেবেও অভিহিত। এই সংক্রমণের ফলে অন্ত্রের মধ্যে আলসার হয়ে থাকে যা তীব্র প্রদাহের কারণ। এই আলসারগুলিই আবার মল পাস করার সময় ফেটে যেতে পারে এবং তার পরিণামে ডায়রিয়ার পাশাপাশি মলদ্বার থেকে রক্ত পড়তে থাকে।

আইবিএস IBS হিসেবে সুপরিচিত এই রোগটিতে বহু শিশু এবং প্রাপ্ত বয়স্করাও ভুগে থাকেন। এটি এমন একটি অবস্থা যেখানে অন্ত্র আলোড়ন বা মল ত্যাগ অনিয়মিত ধারায় হয়ে থাকে, যার পরিণামে কোষ্ঠকাঠিন্যের সাথে ডায়রিয়া বা আমাশয়ও হয়ে থাকে। এই লাগাতার আমাশয় অথবা ডায়রিয়ার উপস্থিতি এবং মল পাস করানোর জন্য অন্ত্রের পেশীগুলির তীব্র জোরাল আন্দোলন রক্ত কোষগুলিকে ফাটিয়ে দিতে পারে, যার ফলে মলদ্বারের মধ্যে রক্তক্ষরণ হতে থাকে।

আরেকটি কারণে শিশুদের পায়খানার সঙ্গে রক্ত যায় সেটি হলঃ এনাল ফিসার। আজকাল অতি আধুনিক পিতামাতার শিশুরা বাইরের খাবার, ফাস্টফুড, জাংফুড ইত্যাদির প্রতি অভ্যস্ত হয়ে পড়ছে। এগুলো খাওয়ার কারণে পায়খানা শক্ত হয় এবং এক সময় মলদ্বার ফেটে যায়। ফেটে গেলে পায়খানার সঙ্গে রক্ত আসে। একে আমরা বলি এনাল ফিসার। এটাতে কিন্তু শিশুরা পায়খানা করতে চাইবে না। দেখবেন যখন বেগ হবে, লাফালাফি করছে। বসতে চাচ্ছে না। আর পায়খানা আঠার মতো লেগে থাকে এবং ফোঁটা ফোঁটা রক্ত পড়ে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে শিশুদের পাইলসও হতে দেখা যায়।

শিশুর মলদ্বারে রক্তক্ষরণ: চিকিৎসা

কারণ যেটিই হোক, যখন দেখবেন এলোপ্যাথিক চিকিৎসকদের এন্টিবায়োটিক কেন তাদের কোন চিকিৎসাতেই কাজ হচ্ছে না বরং লাগাতার অযথা একের পর এক মেডিক্যাল টেস্ট দিয়ে দিয়ে শিশুর জীবন উল্টো দুর্বিষহ করে তুলছে তখন কাল বিলম্ব না করে দক্ষ এবং রেজিস্টার্ড একজন হোমিও চিকিৎসক খুঁজে বের করে প্রোপার চিকিৎসা নিবেন। মনে রাখবেন, এলোপ্যাথিক চিকিৎসায় নতুন রোগ অর্থাৎ একিউট ডিজিস ভালো হলেও পুরাতন রোগ বা ক্রনিক ডিজিস আদৌ ভালো হয় না। সেগুলির একমাত্র স্থায়ী চিকিৎসা হোমিওপ্যাথি।

যা যা জেনেছেন 

  • বাচ্চাদের রক্ত আমাশয় হলে কি করনীয়
  • বাচ্চাদের রক্ত আমাশয় ঔষধ
  • পায়খানার রাস্তায় ব্যথা হলে করণীয়
  • বাচ্চাদের রক্ত আমাশয় হলে কি খাওয়া উচিত
  • বাচ্চাদের রক্ত আমাশয় কেন হয়
  • পায়খানার সাথে রক্ত যাওয়ার চিকিৎসা
  • পায়খানার সাথে রক্ত পড়া কিসের লক্ষণ
বিস্তারিত

মঙ্গলবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০২১

এপেন্ডিসাইটিস কি? অপারেশন ছাড়াই মুক্তি মিলে যেভাবে !

এপেন্ডিসাইটিস  Appendicitis এর কারণ লক্ষণ পরীক্ষা অপারেশন ঘরোয়া বা হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা বা প্রতিকার সম্পর্কে বিস্তারিত থাকছে এই পর্বে। মানবদেহের বৃহদন্ত্র নলের মতো ফাঁপা। বৃহদন্ত্রের তিনটি অংশের মধ্যে প্রথম অংশ হচ্ছে সিকাম। এই সিকামের সাথে ছোট একটি আঙ্গুলের মত দেখতে প্রবৃদ্ধি হল এপেনডিক্স। আর এর প্রদাহকে বলা হয় এপেন্ডিসাইটিস। এটি অ্যাকিউট এবং ক্রনিক দুটিই হতে পারে।

এপেনডিক্স একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ যেটি আমাদের হজমের সহায়ক উপকারী ব্যাক্টেরিয়ার আশ্রয়স্থল। ডায়রিয়া বা অন্য কোন কারণে যখন আমাদের পেট পুরুপুরি পরিষ্কার হয়ে হজমে সহায়ক উপকারী সব ব্যাক্টেরিয়া ধ্বংস হয়ে পড়ে ঠিক তখনই অ্যাপেন্ডিক্স থেকে আগত সেই উপকারী ব্যাক্টেরিয়াগুলি আমাদের হজম প্রক্রিয়াকে পুনরুজ্জীবিত করে তুলে। আপনি অ্যাপেন্ডিক্সকে হজমে সহায়ক উপকারী ব্যাক্টেরিয়াগুলির আশ্রয়স্থল হিসেবেও চিন্তা করতে পারেন।

এপেন্ডিসাইটিস
কিন্তু এলোপ্যাথিক চিকিৎসকগণ আপনাকে বুঝাবে এটি একটি অকেজো অঙ্গ। তাই অ্যাপেন্ডিক্স এর কোনরূপ সমস্যায় এটিকে কেটে ফেলে দিয়ে থাকে তারা। কারণ এলোপ্যাথিতে এপেন্ডিসাইটিস এর স্থায়ী কোন চিকিৎসা নেই। 
কিন্তু আপনি নিশ্চিত থাকুন, এপেন্ডিসাইটিস এর দ্রুত কার্যকর হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা রয়েছে। আপনি এটিও জেনে রাখুন, আল্লাহ পাক মানব দেহের কোন অঙ্গকেই বৃথা সৃষ্টি করেননি।

অ্যাপেন্ডিসাইটিস - কেন ও কীভাবে হয়

দুর্ঘটনা বশতঃ কোন কারণে যদি অ্যাপেন্ডিক্স এর মধ্যে পাঁচিত খাদ্য, মল বা কৃমি ঢুকে যায়, তাহলে রক্ত ও পুষ্টির অভাব দেখা দেয়। নানান জীবাণুর আক্রমণে ঐ অংশে বিভিন্ন উপসর্গ দেখা দেয়। একেই এপেনডিসাইটিস বলে।

এপেন্ডিসাইটিস - লক্ষণ ও উপসর্গ

এপেন্ডিসাইটিস এর প্রধান লক্ষণ হল ব্যথা। ব্যথা সাধারণত নাভির চারপাশে শুরু হয়, পরে ধীরে-ধীরে ডানে সরে গিয়ে তলপেটের ডান পাশে স্থায়ী হয়। এই স্থানে চাপ প্রয়োগ করলে ব্যথা বেশি অনুভূত হয়। চাপ প্রয়োগ করতে করতে একসময় হঠাত্‍ করে ছেড়ে দিলে ব্যথা আরও বেশি অনুভূত হয়। কাশি দিলেও ঐ স্থানে ব্যথা লাগে। বমি বমি ভাব থাকে, কখনও বমি হতে পারে, সঙ্গে জ্বরও থাকতে পারে। কাশি, কোষ্ঠকাঠিণ্যও হতে পারে।

এপেনডিসাইটিস - পরীক্ষা

রোগীকে কাশি দিতে বলে দেখতে হবে পেটে তীব্র ব্যথা হয় কিনা। অথবা ধীরে ধীরে কুঁচকির একটু ওপরে জোরে চাপ দিন যতক্ষণ না একটু ব্যথা লাগে। তারপর চট করে হাতটা সরিয়ে নিন। এছাড়া তলপেটের বামদিকে সমানভাবে চাপদিলে পেটের মধ্যে নাড়িভুঁড়ি বাঁদিক থেকে সরে ডান দিকে যায়। যদি এর ফলে ডানদিকের তলপেটে একটা প্রচন্ড তীব্র ব্যথা অনুভূত হয় তাহলে সম্ভবতঃ এপেনডিসাইটিস হয়েছে বলে বুঝতে হবে। এছাড়া আল্ট্রাসনোগ্রাম করেও আপনি তা বুঝতে পারেন। 

এপেন্ডিসাইটিস এর  চিকিৎসা

আগেই বলেছি এলোপ্যাথিতে এপেন্ডিসাইটিস এর কোন চিকিৎসা নেই তাই সার্জারি করে অঙ্গটি কেটে ফেলে দিয়ে থাকে তারা। এর কোন স্থায়ী ঘরোয়া নিরাময়ও নেই। তবে কোন প্রকার অপারেশন ছাড়াই আপনি এই সমস্যা থেকে ঠিক হয়ে উঠতে পারেন দ্রুত সময়ের মধ্যেই প্রপার একটি হোমিও চিকিৎসায়।
কিন্তু যে বিষয়ে আপনাকে সতর্ক থাকতে হবে সেটি হলো দক্ষ একজন হোমিওপ্যাথিক ডাক্তার নির্বাচনে ব্যর্থ হলে ফলাফল শূন্য হতে পারে। অধিকাংশ হোমিও ডাক্তাররাই রেপার্টরির আলোকে গদবাধা কিছু হোমিও ঔষধ যেমনঃ বেলেডোনা (Belladona), আইরিস টেনাক্স (Iris Tenax), আর্নিকা মন্ট (Arnica Mont), প্লাম্বব মেট (Plumbum Met), এচিনেশিয়া (Echinacea), ফেরাম ফস (Ferrum Phos), লাইকোপোডিয়াম (Lycopodium), ল্যাকেসিস (Lachesis) ইত্যাদি ঔষধ প্রয়োগ করে এপেন্ডিসাইটিস সারানোর ব্যর্থ প্রচেষ্টা চালায়। এই ঔষধগুলি রোগীকে কিছুটা আরাম দিলেও এপেন্ডিসাইটিস নির্মূলে ব্যর্থ হয়। অর্থাৎ শুরুর দিকে আরাম দিলেও কিছু দিন পর আবার সমস্যা দেখা দেয়। 
তাই এপেন্ডিসাইটিস সমস্যা থেকে পরিত্রানের জন্য দক্ষ এবং রেজিস্টার্ড একজন হোমিও চিকিৎসক নির্বাচন করুন যিনি রোগীর বর্তমান অবস্থা, তার জীবন দর্শন এবং ফ্যামিলি হিস্ট্রি নিয়ে প্রপার একটি হোমিও চিকিৎসা দিতে পারেন। মনে রাখবেন, দক্ষ একজন হোমিও ডাক্তার কর্তৃক নির্বাচিত একটি মাত্র হোমিও ঔষধের যথাযথ প্রয়োগ এপেন্ডিসাইটিস এর সমস্যা সমূলে নির্মূল করে দিতে পারে। শুধু তাই না, ঔষধ প্রয়োগ করার পরই রোগীর যাবতীয় উপসর্গ কমতে শুরু করে এবং রোগী বিষ্ময়কর উন্নতি দেখতে পায়।

যা যা জেনেছেন ?

  • এপেন্ডিসাইটিস এর লক্ষণ
  • এপেন্ডিসাইটিস এর কারণ
  • এপেন্ডিসাইটিস এর ঔষধ
  • এপেন্ডিসাইটিস চিকিৎসা
  • এপেন্ডিসাইটিস ছবি
  • এপেন্ডিসাইটিস এর পরীক্ষা
  • এপেন্ডিসাইটিস ফেটে গেলে
  • এপেন্ডিসাইটিস এর লক্ষণ কি
  • এপেন্ডিসাইটিস অপারেশন খরচ
  • এপেন্ডিসাইটিস এর ঘরোয়া চিকিৎসা
  • এপেন্ডিসাইটিস হয় কি কারনে
  • এপেন্ডিসাইটিস এর অপারেশন খরচ
  • এপেন্ডিসাইটিস এর ব্যথা কোথায় হয়
বিস্তারিত

শুক্রবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০২১

পিত্তথলির পাথর গলানোর উপায়! হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা নাকি অপারেশন !

পিত্তথলির পাথর গলানোর ঔষধ, ভেষজ প্রতিকার বা হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা, অপারেশনের খরচ বা গলব্লাডার স্টোন সার্জারি করার পর জটিলতা নিয়ে ভাবছেন অনেকেই। আজ থাকছে - পিত্তথলির পাথর হওয়ার কারণ, লক্ষণ, জটিলতা এবং এর উন্নত চিকিৎসা পদ্ধতি নিয়ে। আপনারা এই তথ্যগুলি পেয়ে উপকৃত হবেন অবশ্যই। আগেই একটি কথা বলে নেই - এখানে পিত্তথলির পাথর গলানো বলতে বুঝানো হয়েছে পাথরকে ভেঙে বা ক্ষয় করে এই সমস্যা দূর করা। 
প্রথমেই জেনে রাখুনঃ চিকিৎসা বিজ্ঞানে এটি কোলেলিথিয়াসিস Cholelithiasis নামে পরিচিত আর এই যন্ত্রনাদায়ক সমস্যা হোমিও চিকিৎসাতেই সেরে যায় অধিকাংশ ক্ষেত্রেই। তাই অপারেশন বা সার্জারির আদৌ কোন প্রয়োজন পড়ে না। তবে এর চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন রেজিস্টার্ড এবং দক্ষ হোমিও চিকিৎসক যিনি এই সমস্যার প্রপার ট্রিটমেন্ট দিতে জানেন। দক্ষ চিকিৎসক নির্বাচনে ব্যর্থ হলে আপনি এই সমস্যা থেকে আরোগ্য লাভ করতে প্রায় শত ভাগ বিফল হবেন।
মানব দেহের বুকের পাঁজরের ডান দিকে পেটের ওপরে অংশের যকৃত বা লিভারের নিচে যুক্ত থাকে গলব্লাডার বা পিত্তথলি। আমাদের যকৃত বা লিভারে পিত্তরস বা বাইল তৈরি হয়। ছোট নালীর মাধ্যমে এই রস পিত্তথলিতে জমা হয়। পিত্তথলিতে এই রস জমা থাকে। আমরা যখন চর্বি জাতীয় খাবার খাই তখন কোলেসিস্টোবাইনিন নামে এক ধরনের হরমোন নিঃসরণ হয়। এই হরমোনের প্রভাবে পিত্তথলি সঙ্কোচিত হয় এবং জমা থাকা রস বের করে দেয়। পরে এই রস ক্ষুদ্রাতন্ত্রে গিয়ে খাদ্য হজমে সাহায্য করে।
পিত্তথলির পাথর নির্মূলে ম্যাজিক দেখাচ্ছে হোমিওপ্যাথি
পিত্তথলিতে পাথর জমা হওয়াকে পিত্তপাথুরি বলে। এতে নাভি প্রদেশে দারুণ শূল বেদনা হয়। আর এটি অতি কষ্টদায়ক ব্যাধি। বর্তমান যুগে পিত্তপাথুরির প্রকোপ প্রচণ্ড রূপে দেখা দিয়েছে। অপারেশন বা অস্ত্রোপচারের পর কিছু কিছু রোগী আরোগ্য লাভ করলেও এদের মধ্যে অনেক রোগী পরবর্তীতে ক্যান্সার, জন্ডিস, বি-ভাইরাস ইত্যাদি রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। তাছাড়া বর্তমানে বাংলাদেশে দেখা যাচ্ছে - অপারেশনের নাম করে পিত্তথলি টাকেই কেটে ফেলে দেয়া হচ্ছে আর এর ফলে পরবর্তীতে বেশির ভাগ রোগীরাই পেটের ভীষণ জটিলতায় ভুগে থাকে।

পিত্তথলির পাথর হওয়ার কারণ

পিত্তথলি লিভার থেকে তৈরি পিত্তরস বা বাইল জমা রাখে এবং চর্বি জাতীয় খাবার খেলে হজমের জন্য পিত্তথলি থেকে পিত্তরস বেরিয়ে আমাদের খাদ্য নালীতে চলে আসে এবং হজমে সহায়তা করে। পিত্তরস পিত্তথলিতে থাকার সময়কালে পিত্তরস তথা বাইলের কিছু পরিবর্তন সাধিত হয়। পিত্তরস হলুদ রঙের তরল পদার্থ। এতে থাকে কোলেস্টেরল, ক্যালসিয়াম, লবণ, এসিড ও অন্যান্য রাসায়নিক উপাদান। এই পিত্তরসের বিভিন্ন উপাদান দিয়ে তৈরি হয় পিত্তথলির পাথর। 
  • পিত্ত একটি তরল পদার্থ যার মধ্যে কিছু কঠিন পদার্থ থাকে। তরল পদার্থের পরিমাণ কমে গেলে কঠিন পদার্থের পরিমাণ বেড়ে গেলে পাথর হতে পারে। 
  • কোন কারণে যদি পিত্তথলির সঙ্কোচন ও প্রসারণের ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায় তাহলে পিত্তথলিতে পাথর হতে পারে। 
  • তাছাড়া গবেষকদের মতে যারা চর্বি জাতীয় খাবার বেশি খায়, যারা ভেজাল খাবার খান, যাদের ডায়াবেটিস আছে, লিভারের রোগে যারা আক্রান্ত, যেসব নারী বারবার গর্ভবর্তী হন, যারা মোটা ও ওজন বেশি তাদের পিত্তথলিতে পাথর হতে পারে।

পিত্তথলিতে পাথর হলে তার লক্ষণ

  • উপরের পেটের ডান দিকে তীব্র ব্যথা যা ডান কাঁধে ছড়ায় এবং রোগীর বমি হয়।
  • অনেক সময় কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসতে পারে।
  • তৈলাক্ত খাবার, চর্বিজাতীয় খাবার বা মাংস খেলে এ রকম ব্যথা হতে পারে।
  • মধ্য পেটে ব্যথা হয়। মধ্য পেটে ব্যথা হয়ে একেবারে পেছন দিকে চলে যায়।
  • জ্বরের সঙ্গে বমি হতে পারে।
  • জ্বরের সঙ্গে জন্ডিস হতে পারে। এ ক্ষেত্রে যা হয় তা হলো পাথর হয়তো পিত্তনালিতে চলে যায়।

পিত্তপাথরের জটিলতা

পিত্তথলিতে পাথরের জটিলতা নিম্নরুপঃ 
  • গলব্লাডার বা পিত্তথলিতে প্রদাহ
  • জন্ডিস এবং এর সাথে পিত্তনালীতে প্রতিবন্ধকতা
  • অগ্ন্যাশয়ের নালীর প্রতিবন্ধকতা এবং অগ্ন্যাশয় প্রদাহ অর্থ্যাৎ প্যানক্রিয়েটাইটিস
  • গলব্লাডার বা পিত্তথলিতে ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়বে

পিত্তথলিতে পাথর হলে চিকিৎসা কি ?

বহু হোমিও চিকিৎসক ইতিপূর্বে বলে আসছেন, পিত্তথলিতে পাথর হলে হোমিওপ্যাথিতে অধিকাংশ রোগীই আরোগ্য হয় না এবং এর জন্য সার্জারি বা অপারেশন করা উচিত। কিন্তু আধুনিক রিয়েল হোমিওপ্যাথি ভিন্ন কথা বলছে। দেখা যাচ্ছে, প্রপার কেইস টেকিং করে যথাযথ চিকিৎসা দিলে রোগীর যাবতীয় জটিল উপসর্গ কিছু দিনের মধ্যেই দূর হয়ে যাচ্ছে এবং ধারাবাহিক চিকিৎসায় পিত্তথলির পাথরের সমস্যা পুরুপুরি নির্মূল হয়ে যাচ্ছে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই।

তাই জেনে রাখুন যেসব হোমিও ডাক্তাররা বলে থাকে পিত্তথলির পাথর হোমিওপ্যাথিতে ভালো হয় না তারা মূলতঃ হোমিওপ্যাথিক প্রপার চিকিৎসা জানে না বরং আপনি দেখবেন কিছু গদবাধা হোমিও ঔষধ যেমনঃ কোলেস্টেরিনাম, কার্ডুয়াস মেরিয়েনাস, ক্যালকেরিয়া কার্ব, মার্ক সল, আর্ণিকা, চেলিডোনিয়াম, চায়না, ডিজিটেলিস, আর্সেনিক এল্ব, ফসফরাস, ব্রায়োনিয়া, হাইড্রাসটিস, ডায়োঙ্কোরিয়া ইত্যাদি রোগীকে ক্রমাগত প্রয়োগ করে করে ব্যর্থ হয়ে বলছে রোগী আর ভালো হবে না তাই অপারেশন করুন!
ভালো করে জেনে রাখুন, কিছু ক্ষেত্রে এই ঔষধগুলি প্রয়োগ করে রোগীর যন্ত্রনা কিছুটা কমলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সমস্যা আদৌ নির্মূল করে না। 
তাই পিত্তথলিতে পাথর হলে এর চিকিৎসার জন্য রেজিস্টার্ড এবং দক্ষ একজন হোমিও চিকিৎসক খুঁজে বের করুন যিনি প্রপার কেইস টেকিং এবং হোমিওপ্যাথিক নিয়মে ইনভেস্টিগেশন করে যথাযথ চিকিৎসা দিতে পারেন। দক্ষ চিকিৎসক নির্বাচন করে চিকিৎসা নিতে পারলে আপনি সুনিশ্চিত ফলাফল পাবেন ইনশা-আল্লাহ। কারণ পিত্তথলির পাথর নির্মূলের ক্ষেত্রে হোমিওপ্যাথির সাফল্যের হারই বেশি। তবে এক্ষেত্রে প্রপার ইনভেস্টিগেশনের জন্য রোগীর পূর্ব রোগের ইতিহাস, তার পিতা-মাতা, দাদা-দাদী এবং নানা-নানীর হিস্ট্রি জানা প্রয়োজন যা চিকিৎসক কেইস টেকিং এর সময় জেনে নিবেন। পিত্তথলির পাথর সমস্যায় শুরুতেই অপারেশন করার চিন্তা না করে আগে মেডিসিন প্রয়োগ করে সারানোর চেষ্টা করা উচিত।

যা যা জেনেছেন 

  • কলিলিথিয়াসিস
  • পিত্তনালীর পাথর
  • গলব্লাডার স্টোন সার্জারি
  • গলব্লাডারে পাথর হোমিওপ্যাথি
  • পিত্তথলির পাথর হওয়ার কারণ
  • পিত্তথলি ফেলে দিলে কি হয়
  • পিত্তথলি অপারেশন পরবর্তী জটিলতা
  • পিত্তথলির পাথর ডাক্তার ঢাকা
  • পিত্তথলির পাথর সাইজ
  • পিত্তথলির পাথর এর লক্ষণ
  • পিত্তথলির পাথর কেন হয়
  • পিত্তথলিতে পাথর হলে কি কি সমস্যা হয়
  • পেটে পাথর হলে কি খেলে ভালো হবে
  • পিত্তথলির পাথরের হোমিও চিকিৎসা
  • পিত্তথলির পাথর অপারেশন খরচ কত
  • পিত্তথলির পাথর in english
  • গলব্লাডার স্টোন কি
  • গলব্লাডার স্টোন অপারেশন কস্ট ইন বাংলাদেশ
  • পিত্তথলির পাথর অপারেশন খরচ কত বাংলাদেশ
বিস্তারিত

সোমবার, ১ নভেম্বর, ২০২১

প্যানক্রিয়াটাইটিস বিশেষজ্ঞ ডাক্তার বাংলাদেশ ! পেটের ভীষণ ব্যথা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি যখন

পেটে ব্যথা হলে বিশেষ করে উপর পেট থেকে ব্যথা শুরু হয়ে সম্পূর্ণ পেটে এবং বুকে ও পিঠে ব্যথা  অনুভত হলে অর্থাৎ অগ্ন্যাশয় বা প্যানক্রিয়াস প্রদাহ হলে প্যানক্রিয়াটাইটিস বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের কাছে এর সমাধান খুঁজতে যান অনেকেই। পেটের ভীষণ ব্যথা নিয়ে কিছু দিন পর পর হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন এই জটিল রোগে আক্রান্ত রোগীরা। কিন্তু হায় ! এলোপ্যাথিক হাসপাতালে এই সমস্যার ইমার্জেন্সি ট্রিটমেন্ট দিতে পারলেও প্যানক্রিয়াটাইটিস রোগ নির্মূল করতে পুরুপুরি অক্ষম। কারণ এই সমস্যার স্থায়ী চিকিৎসা নেই এলোপ্যাথিতে। তারপরও এই রোগে আক্রান্ত লোকজন দৌড়াচ্ছেন এলোপ্যাথিক গ্যাস্ট্রোলিভার বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের পেছনে - অযথাই !! কারণ, আধুনিক যুগেও শিক্ষিত সমাজ জানেনই যে, এই রোগের সর্বাধুনিক এবং কার্যকর চিকিৎসা হলো - হোমিওপ্যাথি।
যেখানে তাদের সমাধান পাওয়ার কথা সেখানে পৌঁছানোর আগ পর্যন্ত অনেকে নিজের ভিটেমাটি পর্যন্ত বিক্রি করে দিচ্ছে হাসপাতালে দৌড়াতে দৌড়াতে। স্থায়ী কোন চিকিৎসা না থাকার কারণে যেখানে এলোপ্যাথিক চিকিৎসকগণ বিষয়টিকে ভয়াবহ একটি পেটের রোগ বলে দাবী করেছে সেখানে অতি আধুনিক হোমিও চিকিৎসকরাই ঠিকই এই সমস্যা সারিয়ে তুলছেন প্রোপার ইনভেস্টিগেশন এবং পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন মেডিসিন প্রয়োগের মাধ্যমে।
প্যানক্রিয়াটাইটিস বিশেষজ্ঞ ডাক্তার বাংলাদেশ
তাই সাধারণ লোকজনকে আগে থেকেই জানতে হবে কোন রোগের স্থায়ী চিকিৎসা কোন ট্রিটমেন্ট সিস্টেম দিয়ে থাকে আর কোথায় গেলে সেটি পাওয়া যাবে। যথা সময়ে যথাযথ চিকিৎসা অর্থ এবং সময় দুটিই বাঁচিয়ে দেয়। আর অসময়ে ঠিকঠাক জায়গা পর্যন্ত যেতে পারলেও রোগের তীব্রতা তখন আগের মতো থাকে না বরং বিভিন্ন অপচিকিৎসা বা কুচিকিৎসায় সেটি আরো জটিল থেকে জটিল আকার ধারণ করে যা প্রপার চিকিৎসাধীন আসলেও রোগ আরোগ্যের সময়কে কিছুটা হলেও বিলম্বিত করে।

তাই অ্যাকিউট ও ক্রনিক প্যানক্রিয়াটাইটিস হলে ইমার্জেন্সি ট্রিটমেন্ট এর জন্য মাঝে মাঝে হাসপাতালে চিকিৎসা নিলেও এর স্থায়ী চিকিৎসার জন্য অবশ্যই রেজিস্টার্ড এবং দক্ষ একজন হোমিও চিকিৎসক খুঁজে বের করা উচিত যিনি এই সমস্যার কার্যকর চিকিৎসা দিতে জানেন। প্রোপার হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় Pancreatitis সমূলে নির্মূল হওয়া সময়ের ব্যাপার মাত্র।
  • pancreatitis treatment in Bangladesh
  • pancreatitis doctor in Dhaka
  • pancreatitis doctors near me
  • best doctor to treat pancreatitis
  • acute pancreatitis treatment
  • treatment for pancreatitis
  • pancreatitis when to worry
বিস্তারিত

মঙ্গলবার, ৩১ আগস্ট, ২০২১

মানুষকে বোকা বানিয়ে যেভাবে ব্যবসা করছে - মেডিক্যাল মাফিয়ারা

ডায়াগনসিস বা মেডিক্যাল টেস্টের ফাঁদে আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা!

ধরা যাক, দু'দিনেও জ্বর ভালো না হওয়ায় আপনি ডাক্তারের কাছে গেলেন। ডাক্তার সাহেব আপনাকে শুরুতেই তিনটি পরীক্ষা (টেস্ট) দেবেন। টেস্ট রিপোর্ট-এ জ্বরের কারণ খুঁজে পাওয়া না গেলেও কোলেস্টেরল আর ব্লাড সুগার লেভেল একটু বেশি পাওয়া যাবে! এখন আপনি আর জ্বরের রোগী নন, ডাক্তারের কথায় আপনিও বিশ্বাস করবেন- আপনার কোলেস্টেরল বেশি আর প্যারা-ডায়াবেটিস হয়ে আছে। আপনাকে এখন থেকে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণের ওষুধ খেতে হবে, সঙ্গে অনেকগুলো খাবারে নিষেধাজ্ঞা। আপনি খাবারের নিষেধাজ্ঞা ঠিকঠাক না মানলেও ওষুধ খেতে ভুল করবেন না।

এভাবে তিন মাস যাওয়ার পর আবার টেস্ট। এবারে দেখা যাবে কোলেস্টেরল-এর মাত্রা কিছুটা কমেছে, কিন্তু রক্তচাপ বেড়ে গেছে- যেটাকে নিয়ন্ত্রণ করতে আরেকটি ওষুধ লাগবে। এদিকে কখন কী হয়ে যায়; এখনো তো কোনোকিছুই গোছানো হয়নি- এমন দুশ্চিন্তায় আপনার রাতের ঘুম হারাম হয়ে গেছে। ফলে ডাক্তারের পরামর্শে অথবা নিজের বুদ্ধিতে ঘুমের ওষুধ খাওয়া শুরু করে দেবেন! ওদিকে একসঙ্গে এতোগুলো ওষুধ খাওয়ামাত্রই বুক জ্বালাপোড়া করে বিধায় প্রতিবেলা খাওয়ার আগে গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ খেয়ে নিতে হবে। মাঝে মধ্যে সোডিয়াম কমে যায়, সেজন্যও আছে সাপ্লিমেন্ট!
মানুষকে বোকা বানিয়ে যেভাবে ব্যবসা করছে - মেডিক্যাল মাফিয়ারা
এভাবে বছর খানেক যাওয়ার পর আপনি বুকে ব্যাথা অনুভব করায় হাসপাতালের ইমার্জেন্সিতে ছুটে গেলেন। ডাক্তার সবকিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে বলবেন, সময়মতো আসায় এই যাত্রায় বেঁচে গেলেন, আরেকটু দেরি করলেই সর্বনাশ হয়ে যেত! তারপর আরো কিছু বিশেষায়িত পরীক্ষা করে বলা হবে, আপনি যে ওষুধগুলো খাচ্ছেন, ওভাবেই চলবে, সঙ্গে হার্ট-এর জন্য আরো দু’টো ওষুধ খেতে হবে আর অবিলম্বে একজন হরমোন বিশেষজ্ঞের সঙ্গে দেখা করুন। সেখানে যাওয়ার পরে যোগ হবে ডায়াবেটিস-এর ওষুধ! এভাবে আরো ছয় মাস চলার পর প্রস্রাবের সমস্যা দেখা দেবে। রুটিন চেক-আপ করতে গিয়ে জানতে পারবেন- আপনার কিডনিতে সামান্য সমস্যা আছে; ক্রিটিনিন একটু বেশি, নিয়মিত ওষুধ খেলে আর কোনো চিন্তা নেই। ফলে মোট ওষুধের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো দশ-এ।
 
আপনি এখন খাবারের চেয়ে ওষুধ বেশি খান আর নানারকম পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় খুব দ্রুত মৃত্যুর দিকে ধাবিত হচ্ছেন! অথচ যে জ্বরের জন্য আপনি সর্বপ্রথম ডাক্তারের কাছে গিয়েছিলেন, তিনি যদি বলতেন, তেল আর চিনি খাওয়া বাদ দিন, পর্যাপ্ত জল পান করুন, কার্বোহাইড্রেড কমিয়ে টাটকা শাকসবজি ও ফলমূল বেশি করে খান আর ভোরবেলা ঘুম থেকে উঠে হাঁটাহাটি করুন. তাহলেই আপনার শরীর ফিট হয়ে যেত। কোনোপ্রকার ওষুধের প্রয়োজনই হতো না। কিন্তু সেটা করলে ডাক্তার সাহেব আর ওষুধ কোম্পানিগুলোর পেট ভরবে কিভাবে?!? তারচেয়েও বড় প্রশ্ন হলো- কিসের ভিত্তিতে ডাক্তারগণ আপনাকে কোলেস্টেরল, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, কিডনি বিকল আর হৃদরোগী ঘোষণা করছেন, কী সেই মানদন্ড- যা কিনা বিনা চ্যালেঞ্জ-এ সমগ্র বিশ্বব্যাপী ব্যাপক চর্চিত হয়ে আসছে আর সেটি নির্ধারণ করলেন কে বা কারা??? প্রথমেই ডায়াবেটিস

মানুষকে যেভাবে কৌশলে ডায়াবেটিস রোগী বানানো হচ্ছে !

১৯৭৯ সালে রক্তে শর্করার মাত্রা 200ml/dl দেখালে ডায়াবেটিস হিসেবে গণ্য করা হতো। সেই হিসেবে তখন সমগ্র পৃথিবীর মাত্র ৩.৫% মানুষ টাইপ-২ ডায়াবেটিস-এ আক্রান্ত হিসেবে চিহ্নিত হয়। তারপর ১৯৯৭ সালে ইনসুলিন প্রস্তুতকারকদের চাপে সেই মাত্রা এক লাফে কমিয়ে 126ml/dl করা হয়। ফলে ডায়াবেটিস রোগীর সংখ্যা ৩.৫% থেকে এক লাফে বেড়ে ৮% হয়ে যায় অর্থাৎ রোগের কোনোরূপ বহিঃপ্রকাশ ছাড়াই স্রেফ ব্যবসায়িক স্বার্থে ৪.৫% মানুষকে রোগী বানিয়ে ফেলা হলো! ১৯৯৯ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও এই মানদন্ডে সায় দেয়। ওদিকে ফুলে-ফেঁপে ওঠা ইনসুলিন প্রস্তুতকারকেরা অঢেল মুনাফা বিনিয়োগ করে সারাবিশ্বে নিত্য-নতুন প্ল্যান্ট বসাতে থাকে। তাদের চাপে নতি স্বীকার করে American Diabetes Association (ADA) ২০০৩ সালে রক্তে শর্করার মাত্রা 100ml/dl-কে ডায়াবেটিস রোগের মানদন্ড হিসেবে গণ্য করার ঘোষণা দেয়। ফলে কোনো কারণ ছাড়াই ২৭% মানুষ ডায়াবেটিস রোগী হয়ে যায়!
 
বর্তমানে American Diabetes Association (ADA) কর্তৃক ঘোষিত মানদন্ড >140mg/dl (P.P) or >100mg/dl (Fasting) or >HbA1C>5.6% হিসেবে বিশ্বের ৫০.১% মানুষকে কৌশলে ডায়াবেটিস রোগী বানিয়ে ফেলা হয়েছে! এদের অধিকাংশ ডায়াবেটিস রোগী না হওয়া সত্ত্বেও নিয়মিত ওষুধ খেয়ে নানাবিধ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে অর্থনৈতিকভাবে নিঃস্ব হয়ে মারা যাচ্ছেন। অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে যে, টেস্ট করালেই যে কোনো মানুষ প্রি-ডায়াবেটিস রোগী হিসেবে গণ্য হবেন! প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ১৯৫৪ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এক কনভেনশনে সিদ্ধান্ত হয় যে, প্রচলিত ওষুধ দিয়ে ৪৮টি রোগের চিরস্থায়ী নিরাময় সম্ভব নয়; সেই তালিকায় ডায়াবেটিসও রয়েছে।
 
কিন্তু আমাদের দেশের ওষুধ কোম্পানিগুলো ডায়াবেটিস-এর মানদন্ড হিসেবে রক্তে শর্করার মাত্রা ৬.৫%-৭% থেকে ৫.৫%-এ নামিয়ে আনার জন্য তাদের এজেন্ট/প্রতিনিধিদের দ্বারা অবিরাম ডাক্তারদের মগজ ধোলাই করে চলেছেন এবং অনেকাংশে সফলও হয়েছেন। পরিণামে আর কিছু হোক বা না হোক দেশে ডায়াবেটিসের ওষুধ বিক্রিতে মাত্রাতিরিক্ত প্রবৃদ্ধি সুনিশ্চিত হয়েছে। যদিও অনেক প্রাকৃতিক চিকিৎসক মনে করেন- রক্তে শর্করার মাত্রা সর্বোচ্চ ১১% পর্যন্ত ডায়াবেটিস হিসেবে গণ্য করা যায় না। প্রসঙ্গক্রমে আরেকটি ঘটনার কথাও উল্লেখ করা যেতে পারে।
 
২০১২ সালে আমেরিকার সুপ্রিম কোর্ট বিশ্ববিখ্যাত এক ওষুধ কোম্পানিকে তিন বিলিয়ন ডলার জরিমানা করেছিল। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে যে, তারা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য যে ওষুধ বাজারজাত করছে, তা খেয়ে ২০০৭ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে রোগীর মৃত্যুহার ৪৩% বেড়ে গেছে! পরে জানা যায়, ওই কোম্পানির কর্তৃপক্ষ আগে থেকেই ব্যাপারটি জানত এবং তাদের ট্রায়াল থেকেও একই রিপোর্ট এসেছিল। কিন্তু তারা সেদিকে দৃষ্টিপাত না করে মুনাফা অর্জনকে প্রাধান্য দিয়েছিল, মানুষের প্রাণের কোনো মূল্য তাদের বিবেচনায় ছিল না। ফলে ওই সময়ে তারা প্রায় ৩০০ বিলিয়ন মুনাফা করে।
বিস্তারিত

শুক্রবার, ৬ আগস্ট, ২০২১

ঔষধ ছাড়াই কোভিড ১৯ এর প্রাকৃতিক চিকিৎসা ! COVID-19 কিউর ডাইট

ঔষধ ছাড়াই COVID-19 বা করোনা রোগীর প্রাকৃতিক চিকিৎসা পদ্ধতি নিয়ে ব্যাপক পরীক্ষা নিরীক্ষার পর আশানুরূপ ফলাফল পাওয়া যাচ্ছে যা রাসায়নিক বা এলোপ্যাথিক ঔষধের তুলনায় দুর্দান্ত কার্যকর এবং সহজ। কোভিড ১৯ সমস্যায় দক্ষ হোমিও চিকিৎসকের পরামর্শক্রমে চিকিৎসা নিলে খুব দ্রুত ফলাফল পাবেন এবং পোস্ট কোভিড সিনড্রোমে আক্রান্ত হওয়ারও কোন ঝুঁকি নেই। কিন্তু আপনি কোথাও যেতে পারছেন না সেই মুহূর্তে অথবা জ্বর, কাশি, সর্দি, ব্যথা বা কোভিড ১৯ এ আক্রান্ত হওয়ার প্রথম থেকেই ঘরে বসে নাচারোপ্যাথির এই পদ্ধতি অনুসরণ করতে পারেন। ম্যাজিকের মতো রেজাল্ট পাবেন ইনশা-আল্লাহ। 

COVID-19 কিউর ডাইট

ভাইরাস, জ্বর, কাশি, সর্দি, ব্যথা বা কোভিড১৯ রোগী প্রতিদিন ২০ মিনিট রোদের তাপ নিন আর নিচের থেরাপি অনুসরণ করুন -

জ্বর ১০০ এর নীচে রাখবে

  • ৬ পিস কালো গোল মরিচ, ৬ পিস তুলশি পাতা, কাচা হলুদ হাফ ইঞ্চি, লং ৪ পিস, আদা ১ চামচ, সব একসাথে মিশিয়ে পেস্ট করে। সকালে-দুপুরে-রাতে খাবার আগে খাবেন। এটা এক বেলার/দিনের জন্য দেয়া হল।
  • গরম পানি খাবেন ও গড়গড়া করে কুলি করুন দিনে ৪ বার।
  • যা যা খেতে হবে: ফল ভিটামিন সি- মাল্টা, কমলা, আনারস, আমলকি, ডাব, আনার।

প্রথম  দিন যা যা খেতে হবে 

  • তরল বা জুস খাবার।
  • যদি আপনার ওজন ৭০ কেজি হয় তাহলে ৭০ ÷ ১০ = ৭ গ্লাস। এর মানে হচ্ছে, সারাদিনে ৭ গ্লাস মাল্টা/কমলা/আনারস ফলের জুস + ৭ গ্লাস ডাবের পানি বা আনার ফলের জুস। 

দ্বিতীয় দিন যা যা খেতে হবে

  • তরল খাবার।
  • যদি আপনার ওজন ৭০ কেজি হয় তাহলে ৭০ ÷ ২০ = ৩.৫ গ্লাস। এর মানে হচ্ছে, সারাদিনে ৩.৫ গ্লাস মাল্টা/কমলা/আনারস ফলের জুস + ৩.৫ গ্লাস ডাবের পানি বা আনার ফলের জুস। 
  • সেইসাথে টমেটো + শসার সালাদ খেতে হবে। ওজন যদি হয় ৭০ কেজি তাহলে ৭০✕৫=৩৫০ গ্রাম খেতে হবে দুপুরে ও রাতে।

তৃতীয় দিন যা যা খেতে হবে 

  • সলিড খাবার।
  • যদি আপনার ওজন ৭০ কেজি হয় তাহলে ৭০ ÷ ৩০=২.৫ গ্লাস। এর মানে হচ্ছে, সারাদিনে ২.৫ গ্লাস মাল্টা/কমলা/আনারস ফলের জুস + ২.৫ গ্লাস ডাবের পানি বা আনার ফলের জুস।
  • সেইসাথে টমেটো + শসার সালাদ খেতে হবে। ওজন যদি হয় ৭০ কেজি তাহলে ৭০✕৫=৩৫০ গ্রাম খেতে হবে দুপুরে ও রাতে।
  • রাতে রান্না করা খিচুরি খেতে দিন।
  • গরম পানির ভাব নিন। ২ গ্লাস গরম পানিতে ১ চামচ কালিজিরার তেল, ৪ পিস লং এর গুড়া, ২ চিমটি হলুদ গুড়া, হাফ লেবু দিন। পানি গরম হলে ভাব নিন ৫ মিনিট। দিনে ৩ বার।

ফুসফুসে পানি জমা হলে কি করবেন?

  • নিউমোনিয়া বা ফুসফুসের ইনফেকসন বা শ্বাসকষ্ট থেকে বাচতে হলে, প্রতিদিন ১ চামুচ কাচা হলুদ, ১ গ্লাস গরম পানিতে ফুটাতে হবে,ফুটানো পানি অর্ধেক হয়ে আসলে, ঠান্ডা করে পান করুন। দিনে ৩ বার পান করেন, খাবারের ৩০ মিনিট আগে।
  • কফ জমে গেলে বুকে ৫ চামচ পেয়াজের রস খালি পেটে খেতে দিন।

মালিশ থেরাপি

  • বুকে ও পিঠে ৫ চামচ সরিষার, ৫ চামচ রসুন বাটা, ৫ মিনিট চুলায় গরম করুন, এরপর তেল এ মিশিয়ে এক চিমটি কর্পূর মিশিয়ে মালিশ করুন। দিনে দুইবার।
বিঃদ্রঃ আগে থেকেই দুরারোগ্য কোন রোগে আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে বা যেকোন জটিল পরিস্থিতিতে রেজিস্টার্ড এবং দক্ষ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন প্রয়োজন বোধে নিকটস্থ হাসপাতালে যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ

যা যা জেনেছেন 

করোনার ঘরোয়া চিকিৎসা
বিস্তারিত