Dr. Imran ডাঃ দেলোয়ার জাহান ইমরান ➤ ডিএইচএমএস (বিএইচএমসি এন্ড হসপিটাল), ডিএমএস; ঢাকা
➤ রেজিস্টার্ড হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক(রেজিঃ নং-৩৩৪৪২)
➤ বিশেষত্বঃ আইবিএস, আইবিডি, প্যানক্রিয়াটাইটিস, পিত্তথলির প্রদাহ ও পাথর...
➤ আনোয়ার টাওয়ার, আল-আমিন রোড, কোনাপাড়া, ডেমরা, ঢাকা।
➤ ফোন : +৮৮ ০১৬৭১-৭৬০৮৭৪ এবং ০১৯৭৭-৬০২০০৪
➤ সাক্ষাৎ : সকাল ১১ টা থেকে বিকাল ৪ টা (শুক্রবার বন্ধ)
➤ শুধু এপয়েন্টমেন্টের জন্য ফোনে যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ
➤ প্রোফাইল ➤ ফেইসবুক ➤ ইউটিউব

প্যানক্রিয়াটাইটিস

অ্যাকিউট ও ক্রনিক প্যানক্রিয়াটাইটিস এর কার্যকর চিকিৎসা হোমিওপ্যাথি

পিত্তথলির পাথর

অপারেশন ছাড়াই পিত্তথলির পাথর নির্মূলের কার্যকর চিকিৎসা

আইবিএস

পেটের পীড়া আইবিএস নির্মূলের স্থায়ী চিকিৎসা হোমিওপ্যাথি

আইবিডি

আলসারেটিভ কোলাইটিস ও ক্রনস ডিজিজ এর কার্যকর চিকিৎসা

ভেরিকোসিল

ভেরিকোসিলের অপারেশনবিহীন কার্যকর চিকিৎসা হোমিওপ্যাথি

মলদ্বারের রোগ

পাইলস, এনাল ফিশার এবং ফিস্টুলা সমস্যায় হোমিওপ্যাথি

কিডনি ও মূত্রনালী

কিডনি এবং মূত্রনালীর রোগের চিকিৎসা হোমিওপ্যাথি।

শিশুর জটিল রোগ

শিশুর জন্মগত ত্রুটি এবং মারাত্মক রোগ ব্যাধির কার্যকর চিকিৎসা

নারী স্বাস্থ্য স্ত্রীরোগ
নারীদের অর্থাৎ স্ত্রীরোগ সম্পর্কিত বিষয়াবলী
মা ও শিশু স্বাস্থ্য
মা ও শিশু স্বাস্থ্য সম্পর্কিত বিষয়াবলী
পুরুষদের স্বাস্থ্য
পুরুষদের স্বাস্থ্য সম্পর্কিত বিষয়াবলী
রোগ-ব্যাধি অসুখবিসুখ
নানা প্রকার রোগ-ব্যাধি সম্পর্কিত বিষয়াবলী
স্বাস্থ্য বিষয়ক টিপস
স্বাস্থ্য সম্পর্কিত যাবতীয় টিপস ও ট্রিকস

সাম্প্রতিক আপডেট

শুক্রবার, ৬ মে, ২০২২

ঔষধের মাধ্যমে পিত্তথলির পাথর চিকিৎসায় হোমিওপ্যাথিক ইনভেস্টিগেশন

পিত্তথলির পাথর গলানোর হোমিওপ্যাথি ঔষধ খুঁজে চলেছেন অনেকেই। কিন্তু জানেন কি ইন্টানেট সার্চ দিয়ে নিজের মতো করে কিছু হোমিও ঔষধ খেয়ে গেলেই জটিল এই সমস্যা থেকে আদৌ আপনি মুক্তি পাবেন না। তবে হ্যা, এ সংক্রান্ত জটিলতায় কিছুটা আরাম পেতে পারেন। পূর্ণাঙ্গ রোগ মুক্তির জন্য প্রথমেই আপনাকে একজন বিশেষজ্ঞ হোমিও চিকিৎসক খুঁজে বের করতে হবে যিনি এই সমস্যার সুচিকিৎসা দিতে জানেন।
বহু হোমিও চিকিৎসক ইতিপূর্বে বলে আসছেন, পিত্তথলিতে পাথর হলে হোমিওপ্যাথিতে অধিকাংশ রোগীই আরোগ্য হয় না এবং এর জন্য সার্জারি বা অপারেশন করা উচিত। কিন্তু আধুনিক রিয়েল হোমিওপ্যাথি ভিন্ন কথা বলছে। দেখা যাচ্ছে, প্রপার কেইস টেকিং করে যথাযথ চিকিৎসা দিলে রোগীর যাবতীয় জটিল উপসর্গ কিছু দিনের মধ্যেই দূর হয়ে যাচ্ছে এবং ধারাবাহিক চিকিৎসায় পিত্তথলির পাথরের সমস্যা পুরুপুরি নির্মূল হয়ে যাচ্ছে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই।
পিত্তথলির পাথর গলানোর হোমিওপ্যাথি ঔষধ
তাই জেনে রাখুন যেসব হোমিও ডাক্তাররা বলে থাকে পিত্তথলির পাথর হোমিওপ্যাথিতে ভালো হয় না তারা মূলতঃ হোমিওপ্যাথিক প্রপার চিকিৎসা জানে না বরং আপনি দেখবেন কিছু গদবাধা হোমিও ঔষধ যেমনঃ কোলেস্টেরিনাম, কার্ডুয়াস মেরিয়েনাস, ক্যালকেরিয়া কার্ব, মার্ক সল, আর্ণিকা, চেলিডোনিয়াম, চায়না, ডিজিটেলিস, আর্সেনিক এল্ব, ফসফরাস, ব্রায়োনিয়া, হাইড্রাসটিস, ডায়োঙ্কোরিয়া ইত্যাদি রোগীকে ক্রমাগত প্রয়োগ করে করে ব্যর্থ হয়ে বলছে রোগী আর ভালো হবে না তাই অপারেশন করুন!
ভালো করে জেনে রাখুন, কিছু ক্ষেত্রে এই ঔষধগুলি প্রয়োগ করে রোগীর যন্ত্রনা কিছুটা কমলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সমস্যা আদৌ নির্মূল করে না। 
তাই পিত্তথলিতে পাথর হলে এর চিকিৎসার জন্য রেজিস্টার্ড এবং দক্ষ একজন হোমিও চিকিৎসক খুঁজে বের করুন যিনি প্রপার কেইস টেকিং এবং হোমিওপ্যাথিক নিয়মে ইনভেস্টিগেশন করে যথাযথ চিকিৎসা দিতে পারেন। যেহেতু আপনার শরীরে শক্তিকৃত হোমিওপ্যাথিক ঔষধ প্রয়োগ করা হবে তাই হোমিওপ্যাথিক নিয়মে আপনার ইনভেস্টিগেশন করা হবে, এলোপ্যাথিক নিয়মে নয়। 

এক্ষেত্রে দক্ষ একজন হোমিও  চিকিৎসক নির্বাচন করে চিকিৎসা নিতে পারলে আপনি সুনিশ্চিত ফলাফল পাবেন ইনশা-আল্লাহ। কারণ পিত্তথলির পাথর এবং এ সংক্রান্ত যাবতীয় জটিলতা নির্মূলের ক্ষেত্রে বর্তমান বিশ্বে একমাত্র হোমিওপ্যাথির সাফল্যের হার সবচাইতে বেশি। তবে এক্ষেত্রে প্রপার ইনভেস্টিগেশনের জন্য নিম্নোক্ত বিষয়গুলিও জানা প্রয়োজন-
  • প্রথমত রোগীর বর্তমান কষ্টের বর্ণনা
  • বর্তমান কষ্টের সম্পর্কযুক্ত লক্ষণ, কখন এবং  কিসে বাড়ছে বা কমছে
  • রোগীর পূর্ব রোগের ইতিহাস - ইতিপূর্বে কি কি রোগে কষ্ট করেছেন
  • রোগীর শৈশবের জীবনদর্শন
  • জন্মের সময় কোন প্রকার সমস্যা হয়েছিল কিনা বা সিজারিয়ান ডেলিভারী লেগেছিল কিনা
  • জন্মের পর পর কি কি স্বাস্থ সমস্যায় ভুগতে হয়েছিল
  • শিশুকালে কি কি অসুখ-বিসুখে কষ্ট করতে হয়েছিল
  • রোগীর বা তার পিতা-মাতার কারো কোন প্রাণীর কামড়-আঁচড়ের হিস্ট্রি আছে কিনা 
  • অথবা কোন প্রাণীর কামড়-আঁচড়ের ফলে ভ্যাক্সিন নিয়েছিল কিনা
  • তার পিতা-মাতা, দাদা-দাদী এবং নানা-নানী কে কোন কোন অসুখ-বিসুখে ভুগেছেন 
  • মাতার প্রথম মাসিকে কোন কষ্ট ছিল কিনা
  • মাতার প্রথম মাসিকের পূর্বে সাদাস্রাবের কোন দোষ ছিল কিনা
  • সন্তান হচ্ছে না বলে রোগীর জন্মের পূর্বে মাতাকে চিকিৎসা নিতে হয়েছিল কিনা 
  • মাতা দীর্ঘ দিন যাবৎ প্রজননতন্ত্রের কোন রোগে কষ্ট করেছেন কিনা
  • কারো কোন নেশাদ্রব্য গ্রহণ করার হিস্ট্রি আছে কিনা 
  • দীর্ঘকাল যাবৎ পরিবারের কারো কোন রোগে ভুগার হিস্ট্রি আছে কিনা
  • বংশে টিবি বা যক্ষা রোগের হিস্ট্রি আছে কি না 
ইত্যাদি আরো বহু বিষয় চিকিৎসক কেইস টেকিং এর সময় জেনে নিবেন। পেশেন্টকে অবশ্যই ঠিকঠাক তথ্যদি দিয়ে চিকিৎসককে সাহায্য করতে হবে। কারণ তার মধ্যে বিদ্যমান True diseases খুঁজে বের করে তার আলোকে যথাযথ চিকিৎসা দিলে অতি দ্রুত আশানুরূপ রেজাল্ট পাবেন ইনশা-আল্লাহ। 
বিস্তারিত

অপারেশন ছাড়াই পিত্তথলির পাথর দূর করার কার্যকর উপায় রয়েছে

পিত্তথলির পাথর ল্যাপারোস্কোপিক অপারেশন খরচ কত বা গলব্লাডারে পাথর হলে কি খাওয়া উচিত ইত্যাদি বিষয় চিন্তা না করে খুব সহজেই ঔষধের মাধ্যমে খুব তাড়াতাড়ি এ সংক্রান্ত জটিলতা দূর করার উপায় সম্পর্কে বলবো আজকের পর্বে সাথে থাকছে এ সংক্রান্ত ভিডিও। ঢাকা চট্টগ্রাম বা দেশের বহু জায়গায় আপনি কিছু দক্ষ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক খুঁজে পাবেন যারা এই সমস্যা নির্মূলের প্রায় অব্যর্থ চিকিৎসা দিতে জানেন। তাই এই সমস্যায় আক্রান্ত রোগীকে প্রথমেই একজন এক্সপার্ট হোমিও চিকিৎসক খুঁজে বের করতে হবে যিনি এই রোগের ঠিকঠাক চিকিৎসা দিতে জানেন। কারণ বহু রোগীই বলে থাকেন হোমিওপ্যাথিক ঔষধ খেয়েছি কিন্তু সমস্যা যায়নি। অথচ তারা কিন্তু দক্ষ একজন হোমিও ডাক্তার দেখিয়ে চিকিৎসা নেননি, নিজের মতো করে ঔষধ কিনে খেয়েছেন। ফলশ্রুতিতে যা হওয়ার তাই হয়েছে।
পিত্তথলির পাথর দূর করার কার্যকর উপায় হলো হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা। তবে মাত্র ১-৩% ক্ষেত্রে এর বিকল্প হতে পারে ল্যাপারোস্কোপিক সার্জারি। অপারেশনের মাধ্যমে মূলতঃ পিত্তথলি কেটে ফেলে দেয়া হয়। তাই পিত্তপাথরী সমস্যায় বিশেষজ্ঞ হোমিও চিকিৎসক খুঁজে বের করুন এবং চিকিৎসা নিন। আশানুরূপ ফলাফল পাবেন ইনশা-আল্লাহ। 
অনেকেরই ধারণা, হোমিও ঔষধ খেলেই রোগ সেরে যাবে। বিষয়টি কিন্তু তা নয়। একই রোগের ক্ষেত্রে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা নিলে একেক জনের কনস্টিটিউশন অনুযায়ী একেক রকম ঔষধ আসবে। যেটি হোমিওপ্যাথিক নিয়মে প্রপার একটি ইনভেস্টিগেশন করে দক্ষ একজন হোমিও চিকিৎসক সিলেক্ট করবেন এবং সেটির নির্দিষ্ট পোটেন্সি রোগীর শরীরে প্রয়োগ করবেন। আপনি নিজের মতো করে কিছু লক্ষণ মিলিয়ে একটি হোমিও ঔষধ সিলেক্ট করে আপনার শরীরে প্রয়োগ করলে হয়তো কিছু সময়ের জন্য কিছুটা আরাম পাবেন কিন্তু রোগ আদৌ নির্মূল হবে না। আর সেই বোকামিটিই অনেকে করে থাকে।
অপারেশন ছাড়াই পিত্তথলির পাথর দূর করার উপায়
পিত্তথলির পাথর দূর করতে ল্যাপারোস্কোপিক পদ্ধতিতেও সম্পূর্ণ পিত্তথলিকে কেটে ফেলে দেয়া হচ্ছে আর এর ফলে পরবর্তীতে বেশির ভাগ রোগীরাই পেটের ভীষণ জটিলতায় ভুগে থাকে। অপারেশন বা অস্ত্রোপচারের পর কিছু কিছু রোগী দৃশ্যমান আরোগ্য লাভ করলেও এদের মধ্যে অনেক রোগী পরবর্তীতে ক্যান্সার, জন্ডিস, বি-ভাইরাস ইত্যাদি রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। তাই সর্বশেষ বিকল্প হিসেবে আপনি হয়তো সার্জারি চিন্তা করতে পারেন যা মাত্র ১%-৩% রোগীর ক্ষত্রে হতে পারে। কারণ অধিকাংশ কেইস প্রপার হোমিও চিকিৎসায় ঠিক হয়ে যায়।

পিত্তথলিতে পাথর হলে এর চিকিৎসার জন্য রেজিস্টার্ড এবং দক্ষ একজন হোমিও চিকিৎসক খুঁজে বের করুন যিনি প্রপার কেইস টেকিং এবং হোমিওপ্যাথিক নিয়মে ইনভেস্টিগেশন করে যথাযথ চিকিৎসা দিতে পারেন। দক্ষ চিকিৎসক নির্বাচন করে চিকিৎসা নিতে পারলে আপনি সুনিশ্চিত ফলাফল পাবেন ইনশা-আল্লাহ। কারণ পিত্তথলির পাথর সংক্রান্ত যাবতীয় জটিলতা নির্মূলের ক্ষেত্রে হোমিওপ্যাথির সাফল্যের হারই বেশি। তবে এক্ষেত্রে প্রপার ইনভেস্টিগেশনের জন্য রোগীর পূর্ব রোগের ইতিহাস, তার পিতা-মাতা, দাদা-দাদী এবং নানা-নানীর হিস্ট্রি জানা প্রয়োজন যা চিকিৎসক কেইস টেকিং এর সময় জেনে নিবেন। পিত্তথলির পাথর সমস্যায় শুরুতেই অপারেশন করার চিন্তা না করে আগে মেডিসিন প্রয়োগ করে সারানোর চেষ্টা করা উচিত।

যা যা জেনেছেন 

  • পিত্তথলির পাথরের চিকিৎসা
  • গলব্লাডার না থাকলে কি হয়
  • পেটে পাথর হলে কি খেলে ভালো হবে
  • পিত্তথলির পাথর অপারেশনের পর করণীয়
বিস্তারিত

বৃহস্পতিবার, ৫ মে, ২০২২

পিত্তথলিতে পাথর হলে কি কি লক্ষণ এবং জটিলতা হতে পারে

পিত্তথলির পাথর এর লক্ষণ এবং জটিলতাগুলি কি কি হতে পারে এ সম্পর্কে আলোকপাত করবো এই পর্বে। যেকারো পিত্তথলি বা গলব্লাডারে পাথর হলে প্রদাহ হতে পারে। যার অন্যতম লক্ষণ তৈলাক্ত খাবার ভালোভাবে হজম না হওয়া। পিত্তথলিতে পাথর হলে অনেক ধরনের লক্ষণ প্রকাশ পেতে থাকে। তবে ৯০ শতাংশ ক্ষেত্রেই পিত্তপাথর হওয়ার পরও কোন লক্ষণ থাকে না। পিত্তথলিতে পাথর এবং এ সংক্রান্ত নানা প্রকার জটিলতা থেকে প্রপার হোমিও চিকিৎসার মাধ্যমে আপনি খুব সহজেই রেহাই পেতে পারেন। 
পিত্তথলির পাথর এর লক্ষণ এবং এর জটিলতা

পিত্তথলিতে পাথর হলে তার লক্ষণ

  • উপরের পেটের ডান দিকে তীব্র ব্যথা যা ডান কাঁধে ছড়ায়।
  • মধ্য পেটে ব্যথা হয়।
  • পিঠের মধ্যভাগে ব্যথা হয়।
  • কারো আবার মধ্য পেটে ব্যথা হয়ে একেবারে পেছন দিকে চলে যায়।
  • বদহজম হয়, বিশেষ করে চর্বি ও তেলজাতীয় খাবারে।
  • বমি ও বমিবমি ভাব হতে পারে।
  • খাওয়ার পর গলায় তেতো ভাব।
  • বারবার ঢেঁকুর হওয়া।
  • পেটে গ্যাস।
  • ডায়রিয়া বা পাতলা পায়খানা।
  • পায়খানার রং সাদা সাদা হয়।
  • মাথা ঝিমঝিম করা।
  • মাথাব্যথা, বিশেষ করে ডান পাশে।
  • অনেক সময় কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসতে পারে।
  • জ্বরের সঙ্গে বমি হতে পারে।
  • জ্বরের সঙ্গে জন্ডিস হতে পারে। এ ক্ষেত্রে যা হয় তা হলো পাথর হয়তো পিত্তনালিতে চলে যায়।

পিত্তপাথরের জটিলতা

পিত্তথলিতে পাথরের জটিলতা নিম্নরুপঃ
  • গলব্লাডার বা পিত্তথলিতে প্রদাহ।
  • জন্ডিস এবং এর সাথে পিত্তনালীতে প্রতিবন্ধকতা।
  • অগ্ন্যাশয়ের নালীর প্রতিবন্ধকতা
  • অগ্ন্যাশয় প্রদাহ অর্থ্যাৎ প্যানক্রিয়েটাইটিস
  • গলব্লাডার বা পিত্তথলিতে ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়বে।

পিত্তথলিতে পাথর নিরাময়ের উপায় 

এই যন্ত্রনাদায়ক সমস্যা হোমিও চিকিৎসাতেই সেরে যায় অধিকাংশ ক্ষেত্রেই। তাই অপারেশন বা সার্জারির আদৌ কোন প্রয়োজন পড়ে না। তবে এর চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন রেজিস্টার্ড এবং দক্ষ হোমিও চিকিৎসক যিনি এই সমস্যার প্রপার ট্রিটমেন্ট দিতে জানেন। দক্ষ চিকিৎসক নির্বাচনে ব্যর্থ হলে আপনি এই সমস্যা থেকে আরোগ্য লাভ করতে প্রায় শত ভাগ বিফল হবেন।
বিস্তারিত

মঙ্গলবার, ৩ মে, ২০২২

আলসারেটিভ কোলাইটিস, পেপটিক ও ডিওডেনাল আলসারের চিকিৎসা

আলসারেটিভ কোলাইটিস, মিউকাস কোলাইটিস, পেপটিক ও ডিওডেনাল আলসার ইত্যাদির জন্য হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা না নিয়ে যদি রোগীরা তাদের খাবার তালিকা রদবদল বা ডায়েট কন্ট্রোল করে চলেন তাহলে কিছুটা আরাম পেলেও রোগ কিন্তু আদৌ নির্মূল হয় না। এক্সপার্ট একজন হোমিও চিকিৎসক দ্বারা চিকিৎসিত না হলে আইবিডি এবং এই সকল রোগ থেকে মুক্তি লাভ করাও অসম্ভব। কারণ এই রোগের চিকিৎসা দিতে হলে চিকিৎসককে অবশ্যই এর চিকিৎসা দানে দক্ষ হতে হবে। কিন্তু সাধারণ মানুষ যে ভুলটি প্রথমেই করে থাকে সেটি হলো, তারা দক্ষ একজন হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক নির্বাচন করতে ব্যর্থ হয়। ফলশ্রুতিতে ফলাফল শুন্য।

অনেকেই আবার এলোপ্যাথিক চিকিৎসা নিতে নিতে ফতুর হয়ে এক সময় বান্ডেল বান্ডেল ফাইল নিয়ে এসে হোমিও ডাক্তারকে বলেন - এই যে দেখুন বিগত ১০/১৫ বছর যাবৎ কত এলোপ্যাথিক ডাক্তার দেখিয়েছি, কত টেস্ট করিয়েছি কিন্তু কোন লাভ হয়নি। এই গুলি দেখে আপনি হোমিও চিকিৎসা দিন।
আলসারেটিভ কোলাইটিস, পেপটিক ও ডিওডেনাল আলসারের চিকিৎসাহোমিওপ্যাথি সম্পর্কে জ্ঞান না থাকার ফলেই মুলতঃ মানুষ এমনটি করে থাকে। প্রথমেই আপনাকে জানতে হবে বহু রোগ রয়েছে যেগুলির কোন এলোপ্যাথিক চিকিৎসাই নেই। আলসারেটিভ কোলাইটিস, মিউকাস কোলাইটিস, ডিওডেনাল আলসার ইত্যাদির কোন স্থায়ী এলোপ্যাথিক চিকিৎসা নেই। তাই এই সব রোগের জন্য এলোপ্যাথিক চিকিৎসকদের পেছনে দৌড়ানো বৃথা সময় এবং অর্থ নষ্ট ছাড়া আর কিছুই নয়। শুরুতেই যারা দক্ষ একজন হোমিও চিকিৎসক খুঁজে বের করে প্রপার হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা নিতে পারেন তারা সব দিক থেকেই ভালো থাকেন।

আপনি যখন এক্সপার্ট কোন হোমিও চিকিৎসকের কাছে যাবেন তখন মূলতঃ পূর্বেকার করা কোন মেডিক্যাল রিপোর্ট দেখে আপনার শরীরে হোমিওপ্যাথিক ঔষধ প্রয়োগ করা হবে না। হোমিওপ্যাথিক ঔষধ প্রয়োগ করার নির্দিষ্ট কিছু নিয়মনীতি রয়েছে। রোগীর শরীরে হোমিও ঔষধ প্রয়োগ করতে হলে হোমিওপ্যাথিক নিয়মে ইনভেস্টিগেশন করতে হয়। এর জন্য চিকিৎসক আপনাকে যে যে প্রশ্ন করবেন সবকিছুর ঠিকঠাক উত্তর দিতে হবে আপনাকে।

এক্ষেত্রে রোগের জন্মলগ্ন থেকে এ পর্যন্ত কি কি স্বাস্থ সমস্যা হয়েছে সব জানবেন চিকিৎসক। রোগীর পিতা-মাতা, দাদা-দাদী, নানা-নানী কে কোন কোন অসুখবিসুখে কষ্ট করেছেন বা করছেন তার বিস্তারিত তথ্যাদি জানতে হবে। কারো কোন প্রাণীর কামড় বা আঁচড়ের হিস্ট্রি আছে কিনা, কারো যক্ষা বা টিবি রোগের হিস্ট্রি আছে কিনা, রোগীর জন্মের সময় কোন সমস্যা হয়েছিল কিনা এসব বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য দিয়ে সাহায্য করতে হবে চিকিৎসককে। অর্থাৎ এখানে প্রপার একটি ইনভেস্টিগেশন করে চিকিৎক খুঁজে বের করবেন ঠিক কোন জেনেটিক ম্যাটেরিয়ালস এর কারণে রোগীর সমস্যাটি ঠিক হচ্ছে না এবং সেটিকে দূর করার জন্যই মূলত শক্তিকৃত হোমিওপ্যাথিক মেডিসিন প্রয়োগ করা হবে। এভাবেই ধীরে ধীরে চিরতরে দূর হয়ে যায় আলসারেটিভ কোলাইটিস, পেপটিক ও ডিওডেনাল আলসারের মতো জটিল সমস্যাগুলি। 

যা যা জেনেছেন

  • আলসার কত দিনে ভালো হয়
  • গ্যাস্ট্রিক আলসারের ঔষধ
  • আলসারের ঔষধ
  • কী খেলে আলসার ভাল হয়
  • গ্যাস্ট্রিক আলসারের হোমিও ঔষধ
  • ডিওডেনাল আলসারের লক্ষণ
  • গ্যাস্ট্রিক আলসার থেকে মুক্তির উপায়
  • আলসারের ঘরোয়া চিকিৎসা
  • আলসারেটিভ কোলাইটিস হোমিও চিকিৎসা
  • কোলন ইনফেকশন লক্ষণ
  • কোলাইটিস ট্রিটমেন্ট
  • কোলন ইনফেকশন কী
  • কোলাইটিস কেন হয়
  • কোলাইটিস ডায়েট
বিস্তারিত

রবিবার, ১ মে, ২০২২

পিত্তথলির পাথর হওয়ার কারণ ও তা দূর করার উপায়

অতিরিক্ত ওজন বা স্থূলতা, গর্ভাবস্থা, গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ খাওয়া, লিভারের রোগ, ডায়াবেটিস ইত্যাদিকে পিত্তথলিতে পাথর হওয়ার কারণ বলে দায়ী করা হলেও মূল বিষয়টি কিন্তু তা নয়। তাহলে পিত্তথলিতে পাথর কেন হয় অর্থাৎ পিত্তথলির পাথর হওয়ার কারণ মূলতঃ কি ? আমাদের পেটের ডানদিকে লিভারের পেছনে ও তলার দিকে থাকে আমাদের পিত্তথলি বা গলব্লাডার। পিত্তরস তৈরি করাই এর কাজ। খাবার হজমে, বিশেষ করে চর্বিজাতীয় খাবার হজম করতে পিত্তরস দরকার হয়। নানা কারণে এই পিত্তথলিতে বিভিন্ন পদার্থ অতিরিক্ত জমে গিয়ে পাথরের সৃষ্টি করে।
পিত্তথলির পাথর আসলে ছোট ছোট বালুর দানার মতো থেকে শুরু করে মটরের দানা বা তার চেয়েও বড় শক্ত দানাদার বস্তু, যা বিভিন্ন রঙের ও বিভিন্ন আকৃতির হতে পারে। এটা নির্ভর করে কী পদার্থ দিয়ে পাথরটা তৈরি তার ওপর। কোলেস্টেরল, বিলিরুবিন বা ক্যালসিয়াম ইত্যাদি পদার্থের সংমিশ্রণে তৈরি এই পাথরগুলো পিত্তরসের সঙ্গে মেশানো অবস্থায় থাকে এবং হালকা বাদামি, ময়লাটে সাদা বা কুচকুচে কালো রঙেরও হতে পারে।
পিত্তথলির পাথর হওয়ার কারণ

পিত্তথলির পাথর কাদের বেশি হয় ?

অতিরিক্ত ওজনের ব্যক্তিদের পিত্তথলিতে পাথর বেশি হতে দেখা যায়। পুরুষদের তুলনায় নারীদের এই প্রবণতা বেশি। এ ছাড়া চল্লিশোর্ধ্ব বয়স, জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি খাবার অভ্যাস, অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত খাদ্য গ্রহণ ইত্যাদি এই ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।

পিত্তথলির পাথর হওয়ার কারণ কি ?

  • পিত্ত একটি তরল পদার্থ যার মধ্যে কিছু কঠিন পদার্থ থাকে। তরল পদার্থের পরিমাণ কমে গেলে কঠিন পদার্থের পরিমাণ বেড়ে গেলে পাথর হতে পারে। 
  • কোন কারণে যদি পিত্তথলির সঙ্কোচন ও প্রসারণের ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায় তাহলে পিত্তথলিতে পাথর হতে পারে। 
  • খাবারে কোলেস্টরলের পরিমাণ বেশি থাকলে পিত্তথলিতে পাথর হয়।
  • অর্থাৎ যারা চর্বি জাতীয় খাবার বেশি খায়, যারা ভেজাল খাবার খান।
  • বছরের পর বছর এলোপ্যাথিক গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ খেলেও পিত্তথলিতে পাথর হয়।
  • যেসব নারী নিয়মিত পিল খান তাদেরও পিত্তথলিতে পাথর হয়।
  • যাদের ডায়াবেটিস আছে তাদের পিত্তথলির পাথর হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।
  • যাদের লিভারের রোগে যারা আক্রান্ত তাদের  পিত্তথলিতে পাথর হতে পারে।
  • যেসব নারী বারবার গর্ভবর্তী হন তাদের  পিত্তথলিতে পাথর হতে পারে।
  • যারা শারীরিক পরিশ্রম কম করে তারাও পিত্তথলির পাথর হওয়ার ঝুঁকিতে ভোগেন।
  • যারা মোটা ও ওজন বেশি তাদের পিত্তথলিতে পাথর হতে পারে।

পিত্তথলির পাথরের সবচেয়ে উন্নত চিকিৎসা কি ?

মানুষের মনে একটা ভ্রান্ত ধারণা হলো - অপারেশন বা সার্জারি হলো পিত্তথলির পাথর দূর করার একমাত্র চিকিৎসা। এটা মূলত একটা ভ্রান্ত ধারণা আগেই বলেছি। কারণ, এলোপ্যাথিতে এই সমস্যার কোন চিকিৎসা নেই। ফলে এলোপ্যাথিক ডাক্তাররা সার্জারী করে পিত্তথলি কেটে ফেলে দিতে বলে থাকে। অথচ প্রপার হোমিও চিকিৎসায় শুধুমাত্র পার্শপ্রতিক্রিয়াহীন শক্তিকৃত ঔষধ প্রয়োগের মাধ্যমে  পিত্তথলির পাথর এবং এ সংক্রান্ত যাবতীয় জটিলতা সহজেই দূর হয়ে যায়। 

অপারেশন বা সার্জারির আদৌ কোন প্রয়োজন পড়ে না। তবে এর চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন রেজিস্টার্ড এবং দক্ষ হোমিও চিকিৎসক যিনি এই সমস্যার প্রপার ট্রিটমেন্ট দিতে জানেন। দক্ষ চিকিৎসক নির্বাচনে ব্যর্থ হলে আপনি এই সমস্যা থেকে আরোগ্য লাভ করতে প্রায় শত ভাগ বিফল হবেন। পিত্তথলির পাথর হওয়ার কারণ যাই হোক না কেন তা দূর করার কার্যকর উপায় হলো হোমিওপ্যাথি। 
বিস্তারিত

সোমবার, ২৪ জানুয়ারী, ২০২২

শিশুর নেফ্রোটিক সিনড্রোম এর কারণ লক্ষণ ও কার্যকর চিকিৎসা

শিশুর নেফ্রোটিক সিনড্রোম অর্থাৎ বাচ্চাদের জটিল এই কিডনি রোগের কারণ লক্ষণ এবং এলোপ্যাথিক ও হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা সম্পর্কে বিস্তারিত জানবো এই পর্বে। Nephrotic Syndrome সমস্যায় কিডনির ছাঁকনি সাময়িক ভাবে শরীরের আমিষ জাতীয় পদার্থ বা অ্যালবুমিন ধরে রাখতে পারে না এবং প্রস্রাবের সঙ্গে তা বের হয়ে যাওয়ার কারণে রক্তনালিতে অ্যালবুমিনের ঘাটতি দেখা দেয়। নেফ্রোটিক সিনড্রোম সাধারণত দুই থেকে ছয় বছরের শিশুদের হয়ে থাকে। 

শিশুদের নেফ্রোটিক সিনড্রোম ইন চিলড্রেন - কষ্টগুলি

  • এই সমস্যায় শিশুর শরীর ধীরে ধীরে  ফুলে যায়
  • ফোলাটা প্রথমে মুখমণ্ডলের দিকে শুরু হয়। এরপর আস্তে আস্তে সমস্ত শরীরে ছড়িয়ে যায়
  • প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যায়
  • পেটে ব্যথা অনুভূত হয়
  • শিশুর অনেক সময় জ্বর হয়
  • কফ, কাশি হয়
  • শ্বাসকষ্ট হতে পারে, কারণ নেফ্রোটিক সিনড্রমের ফলে ফুসফুসের পর্দায় পানি জমে যায়
শিশুর নেফ্রোটিক সিনড্রোম

শিশুদের নেফ্রোটিক সিনড্রোম কেন হয়?

শিশুদের নেফ্রোটিক সিনড্রোমে ৯০ শতাংশের কোন কারণ আজ পর্যন্ত আবিষ্কার করতে পারেনি এলোপ্যাথিক চিকিৎসা শাস্ত্র। তাই এলোপ্যাথিতে এর চিকিৎসা অনেকটাই জটিল। তবে হোমিওপ্যাথিতে এই সমস্যার একটি কার্যকর ম্যানেজমেন্ট রয়েছে। আর বাকি ১০ ভাগ হলো সেকেন্ডারি নেফ্রোটিক সিনড্রোম। অর্থ্যাৎ কোন না কোন কারণের জন্য এই সমস্যা হয়ে থাকে। যেমনঃ 
  • কোন সংক্রমণ থেকে নেফ্রোটিক সিনড্রোম দেখা দিতে পারে যেমনঃ ম্যালেরিয়া
  • সিফিলিসের কারণে হতে পারে
  • বাচ্চার যদি লিম্ফোমা, লিউকোমিয়া হয় এসব কারণেও এই সিনড্রোম দেখা দিতে পারে
  • বিভিন্ন প্রকার এলোপ্যাথিক ওষুধের কারণে হতে পারে
  • উচ্চ রক্তচাপের ওষুধ খাওয়ার জন্য নেফ্রোটিক সিনড্রোম হতে পারে
  • পোকা, সাপ বা মৌমাছি কামড় দিলেও নেফ্রোটিক সিনড্রোম হতে পারে
আপনারা জেনেছেন, শিশুদের ৯০ শতাংশ নেফ্রোটিক সিনড্রোম কোন কারণ ছাড়াই হয়ে থাকে বলে দাবী করে এলোপ্যাথিক চিকিৎসা শাস্ত্র। তাই অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এর প্রপার চিকিৎসা দিয়ে আরোগ্য করতে ব্যর্থ হয় এলোপ্যাথিক চিকিৎসকরা। অথচ শৈশবের জীবনদর্শন, শিশুর মাতাপিতা, দাদা-দাদী, নানা-নানীর হিস্ট্রি নিয়ে অনায়াসেই একটি কার্যকর ম্যানেজমেন্ট দিতে পারে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা শাস্ত্র।

শিশুদের নেফ্রোটিক সিনড্রোম চিকিৎসা

অ্যান্টিবায়োটিক, স্টেরয়েড দিয়ে মূলতঃ শিশুর নেফ্রোটিক সিনড্রোম এর চিকিৎসা দিয়ে থাকে এলোপ্যাথিক চিকিৎসকরা। এলোপ্যাথিক ওষুধ প্রয়োগের ফলে জটিলতা যদি বেশি দেখা দেয়, তখন স্টেরয়েডের সঙ্গে অন্য ওষুধ ব্যবহার করে থাকে ডাক্তাররা। কারণ স্টেরয়েডের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াগুলো বেশি জটিলতার সৃষ্টি করে থাকে। সর্বোপরি এই সমস্যার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন ভাল চিকিৎসা নেই এলোপ্যাথিতে। 
তবে একেবারেই হতাশ হওয়ার আদৌ কোন কারণ নেই। বর্তমান বিশ্বে শিশুর নেফ্রোটিক সিনড্রোম সমস্যায় কার্যকর চিকিৎসা হলো হোমিওপ্যাথি। তবে এটা ভাববেন না যে, একজন হোমিও ডাক্তারের কাছে গেলেন, রোগের কথা বললেন, ডাক্তার কিছু ঔষধ দিল সেগুলি আপনার শিশুকে খাওয়ালেন আর অমনি সে ভালো হয়ে গেল !!  বিষয়টি এমন নয়।
এখানে প্রথমেই আপনাকে দক্ষ একজন হোমিও চিকিৎসক খুঁজে বের করতে হবে যিনি শিশুদের এই প্রকারের জটিল সমস্যাগুলি হ্যান্ডেল করতে পারেন। এখানে হোমিওপ্যাথিক নিয়মে একটি প্রপার ইনভেস্টিগেশন জরুরী। শৈশবের জীবনদর্শন, শিশুর মাতাপিতা, দাদা-দাদী, নানা-নানীর হিস্ট্রি পর্যালোচনাপূর্বক চিকিৎসক বুঝতে পারবেন কোন True Diseases প্রি-ডোমিনেন্ট থাকার ফলে শিশুটির মধ্যে নেফ্রোটিক সিনড্রোম এর মতো একটি জটিল সমস্যা জেগে উঠেছে। এখানে মূলতঃ সেই সমস্যাটিকে নির্ণয় করে রিসিসিভ করার জন্য যথাযথ চিকিৎসা দিবেন দক্ষ একজন হোমিও চিকিৎসক। তখনই মূলতঃ শিশুর নেফ্রোটিক সিনড্রোম নির্মূলের দিকে আগাবে এবং একসময় চিরতরে দূর হয়ে যাবে ইনশা-আল্লাহ।

যা যা জেনেছেন

  • নেফ্রোটিক সিনড্রোম ইন চিলড্রেন
  • শিশুদের কিডনি রোগের লক্ষণ
  • নেফ্রোটিক সিনড্রোম রোগীর খাবার
  • শিশু কিডনি রোগ
  • কিডনি রোগের লক্ষণ ও প্রতিকার
  • বাচ্চাদের প্রস্রাবে ইনফেকশনের লক্ষণ
  • কিডনি বড় হয়ে যাওয়া
  • কিডনি ছোট হওয়ার কারন
  • শিশু কিডনি বিশেষজ্ঞ ডাক্তার ঢাকা
বিস্তারিত

সোমবার, ১০ জানুয়ারী, ২০২২

শিশুর মলদ্বার দিয়ে রক্তক্ষরণ বন্ধই হচ্ছে না ! করনীয় কি

বাচ্চাদের রক্ত আমাশয়, এনাল ফিসার, আইবিডি, আইবিএস, বিরল ক্ষেত্রে পাইলস ইত্যাদি হলো মলদ্বার দিয়ে রক্তক্ষরণের অন্যতম কিছু কারণ যেগুলির কার্যকর হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা রয়েছে। কোন শিশুর পায়খানার সময় মলদ্বার দিয়ে রক্তক্ষরণ হলে বহু ক্ষেত্রেই শিশুটির রক্ত আমাশয় হয়েছে বলে মনে করা হয়। কিন্তু যখন দেখা যায় এই সমস্যা কোন এন্টিবায়োটিক দিয়েও ঠিক হচ্ছে না তখন হয়তো শিশুর পিতামাতার টনক নড়ে উঠে।
 
রক্ত আমাশয় হলে শিশু পায়খানা করার সময় চাপ দিবে। রক্তের সঙ্গে পিচ্ছিল একটা পদার্থ এবং পায়খানাও থাকবে। আর যদি পলিপের জন্য হয় তাহলে টাটকা রক্ত যাবে। কোন ব্যথা থাকবে না।
শিশুর মলদ্বার দিয়ে রক্তক্ষরণ
ক্রোন'স ডিজিস হলো শিশুদের মলদ্বার দিয়ে রক্তক্ষরনের একটি বড় কারণ। এটি হলো আইবিডি এর একটি ধরণ এবং বড় রকমের একটি সংক্রমণ যা পাচন তন্ত্রের আস্তরণের আভ্যন্তরীণ অংশকে আক্রমণ করে। এছাড়াও এটি আবার কোলাইটিসের একটি রূপ হিসেবেও অভিহিত। এই সংক্রমণের ফলে অন্ত্রের মধ্যে আলসার হয়ে থাকে যা তীব্র প্রদাহের কারণ। এই আলসারগুলিই আবার মল পাস করার সময় ফেটে যেতে পারে এবং তার পরিণামে ডায়রিয়ার পাশাপাশি মলদ্বার থেকে রক্ত পড়তে থাকে।

আইবিএস IBS হিসেবে সুপরিচিত এই রোগটিতে বহু শিশু এবং প্রাপ্ত বয়স্করাও ভুগে থাকেন। এটি এমন একটি অবস্থা যেখানে অন্ত্র আলোড়ন বা মল ত্যাগ অনিয়মিত ধারায় হয়ে থাকে, যার পরিণামে কোষ্ঠকাঠিন্যের সাথে ডায়রিয়া বা আমাশয়ও হয়ে থাকে। এই লাগাতার আমাশয় অথবা ডায়রিয়ার উপস্থিতি এবং মল পাস করানোর জন্য অন্ত্রের পেশীগুলির তীব্র জোরাল আন্দোলন রক্ত কোষগুলিকে ফাটিয়ে দিতে পারে, যার ফলে মলদ্বারের মধ্যে রক্তক্ষরণ হতে থাকে।

আরেকটি কারণে শিশুদের পায়খানার সঙ্গে রক্ত যায় সেটি হলঃ এনাল ফিসার। আজকাল অতি আধুনিক পিতামাতার শিশুরা বাইরের খাবার, ফাস্টফুড, জাংফুড ইত্যাদির প্রতি অভ্যস্ত হয়ে পড়ছে। এগুলো খাওয়ার কারণে পায়খানা শক্ত হয় এবং এক সময় মলদ্বার ফেটে যায়। ফেটে গেলে পায়খানার সঙ্গে রক্ত আসে। একে আমরা বলি এনাল ফিসার। এটাতে কিন্তু শিশুরা পায়খানা করতে চাইবে না। দেখবেন যখন বেগ হবে, লাফালাফি করছে। বসতে চাচ্ছে না। আর পায়খানা আঠার মতো লেগে থাকে এবং ফোঁটা ফোঁটা রক্ত পড়ে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে শিশুদের পাইলসও হতে দেখা যায়।

শিশুর মলদ্বারে রক্তক্ষরণ: চিকিৎসা

কারণ যেটিই হোক, যখন দেখবেন এলোপ্যাথিক চিকিৎসকদের এন্টিবায়োটিক কেন তাদের কোন চিকিৎসাতেই কাজ হচ্ছে না বরং লাগাতার অযথা একের পর এক মেডিক্যাল টেস্ট দিয়ে দিয়ে শিশুর জীবন উল্টো দুর্বিষহ করে তুলছে তখন কাল বিলম্ব না করে দক্ষ এবং রেজিস্টার্ড একজন হোমিও চিকিৎসক খুঁজে বের করে প্রোপার চিকিৎসা নিবেন। মনে রাখবেন, এলোপ্যাথিক চিকিৎসায় নতুন রোগ অর্থাৎ একিউট ডিজিস ভালো হলেও পুরাতন রোগ বা ক্রনিক ডিজিস আদৌ ভালো হয় না। সেগুলির একমাত্র স্থায়ী চিকিৎসা হোমিওপ্যাথি।

যা যা জেনেছেন 

  • বাচ্চাদের রক্ত আমাশয় হলে কি করনীয়
  • বাচ্চাদের রক্ত আমাশয় ঔষধ
  • পায়খানার রাস্তায় ব্যথা হলে করণীয়
  • বাচ্চাদের রক্ত আমাশয় হলে কি খাওয়া উচিত
  • বাচ্চাদের রক্ত আমাশয় কেন হয়
  • পায়খানার সাথে রক্ত যাওয়ার চিকিৎসা
  • পায়খানার সাথে রক্ত পড়া কিসের লক্ষণ
বিস্তারিত