Showing posts with label চর্মরোগ. Show all posts
Showing posts with label চর্মরোগ. Show all posts

Tuesday, September 24, 2019

জক ইচ Jock Itch দুই রানের বা উরুর মধ্যবর্তী স্থানে চুলকানিযুক্ত চর্মরোগ

দুই রানের বা উরুর মধ্যবর্তী স্থানে অস্বস্তিকর চুলকানিতে আক্রান্তদের মধ্যে পুরুষের সংখ্যাই বেশি থাকে। এই চুলকানিকে বলা হয় হয় জক ইচ Jock itch বা Tinea Cruris. জক ইচ এক প্রকার রিং ওয়ার্ম বা দাদ। তবে এটি কিছুটা আলাদা ধরণের। সাধারণ চামড়ার বাইরের অংশে, নখে ফাঙ্গাল ইনফেকশনের কারণে এই রোগটি দেখা যায়। চামড়ার উপরিভাগে লাল বা খয়েরি রঙের র‍্যাশ দেখা যায় যা পানি ভর্তি থাকে, প্রচণ্ড চুলকায় এবং জ্বালাপোড়া হয়। এই রোগটি শরীরের কোন একটি অংশে হলে অন্যান্য অংশেও খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। এছাড়া এটি বিভিন্নভাবে অন্যের শরীরেও ছড়িয়ে যায়।
এটি হল একটি ফাঙ্গাল সংক্রমণ, যা ছোঁয়াচে। ত্বকের উপরিতলের উপর ছত্রাকের বৃদ্ধিটি যা আর্দ্র এবং উষ্ণ হয়। তাই, খুবই টাইট বা ভেজা অন্তর্বাস পড়লে তা ঝুঁকির বিষয় হতে পারে। অতিরিক্ত ওজনের ব্যক্তিদের যাদের ত্বকের ভাজ ছুঁতে থাকে, তাদেরও একটি বিশাল ঝুঁকি থাকে। সংক্রামিত টাওয়েল, চাদর ইত্যাদি ব্যবহার করার মাধ্যমে জক ইচ ছড়াতে পারে। যেহেতু এটি ভিষন ছোঁয়াচে তাই সংস্পর্শের মাধ্যমে আপনার শরীরের অন্য অংশেও ছড়িয়ে যেতে পারে। এই অবস্থাটি মহিলাদের থেকে পুরুষদের বেশি প্রভাবিত করে। আমাদের শরীরের আর্দ্র স্থান যেমন কটিসন্ধি, উরু বা রানের সংযোগস্থল এবং নিতম্বে এই ফাঙ্গাস/ছত্রাক বেশি জন্মায়। সাধারণত শরীরের এই স্থানগুলোতে ঘাম বেশি হয়, তৈলাক্ত থাকে ফলে ফাঙ্গাস তার উপযুক্ত পরিবেশ পেয়ে যায়।

নারী ও পুরুষ উভয়ই এই রোগে আক্রান্ত হন, তবে নারীদের রোগের ধরন ও প্রতিকারের পদ্ধতি কিছুটা ভিন্ন, যা পরবর্তী লেখায় বিস্তারিত তুলে ধরা হবে।এই রোগের ভাইরাস বিভিন্নভাবে এক শরীর থেকে অন্য শরীরের ছড়িয়ে পড়তে পারে। ব্যবহৃত পোশাক, পানি, বিছানা ইত্যাদি এর বাহক হিসেবে কাজ করে।

জক ইচ Jock Itch - লক্ষণ

  • উরুর সংযোগস্থল ও নিতম্বে তীব্র চুলকানি ভাব অনুভূত হওয়া
  • লাল বা খয়েরি রঙয়ের র‍্যাশ ও পানি ভর্তি ফুসকুড়ি দেখা দেয়া
  • চুলকানোর পর এই পানি ভর্তি ফুসকুড়িগুলো ফেটে যাওয়া
  • আক্রান্ত স্থানে পানি লাগলে জ্বালাপোড়া করা
  • আক্রান্ত স্থান কালো এবং শুষ্ক হয়ে যাওয়া
  • আকারে গোল হয় ।
  • ক্ষতর জায়গাটা খুবই প্রবলভাবে চিহ্নিত হয়ে যায়
  • ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার সমকেন্দ্রিক বৃত্তের ভিতর স্বাভাবিক দেখতে চামড়া থাকতেও পারে।
  • ক্ষতটি একটু উঁচু দেখাবে
  • ক্ষতটি সহ ফোস্কা হতে পারে
  • চুলকুনি এবং অস্বস্তি সাধারণতভাবে দেখা যায়
  • ব্যায়াম করলে উপসর্গগুলি আরও খারাপ হয়

জক ইচ Jock Itch - চিকিৎসা

যেহেতু এটি মূলত একটি ফাঙ্গাল ইনফেকশন তাই এলোপ্যাথিতে বিভিন্ন প্রকার এন্টি-ফাঙ্গাল ঔষধের মাধ্যমে এর চিকিৎসা করা হয়ে থাকে। তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই এই সকল এলোপ্যাথিক ঔষধ এই রোগ স্থায়ী ভাবে নিরাময়ে ব্যর্থ হয়ে থাকে এবং সমস্যাটি দিন দিন জটিল এক প্রকার চর্মরোগের রূপ ধারণ করে থাকে। তবে এর স্থায়ী চিকিৎসা মূলত হোমিওপ্যাথি। এর জন্য অভিজ্ঞ কোন হোমিও ডাক্তারের পরামর্শক্রমে চিকিৎসা নিন। 
বিস্তারিত

Wednesday, September 11, 2019

নখ কুনি ও নখের ফাঙ্গাস! নখ মোটা পুরু বা ফেটে যাওয়া রোগের কার্যকর চিকিৎসা

নখের ফাঙ্গাস হল অতি সাধারণভাবে দেখতে পাওয়া একটি ছত্রাকের সংক্রমণ যা হাতের নখে বা পায়ের নখে হয়। এটি নখের ডগা বা প্রান্তভাগ থেকে শুরু করে নখের মধ্যবর্তী স্থানে ছড়িয়ে পড়ে এবং নখের রঙকে ফ্যাকাশে অথবা পরিবর্তিত করে। যদিও নখে ছত্রাক সংক্রমণ কোন গুরুতর বা জটিল পরিস্থিতি নয়, তবে এটি নিরাময় হতে দীর্ঘদিন সময় লাগতে পারে।
আবার কারো কারো নখ কুনির সমস্যাও দেখা দেয়। এর সাধারণ অবস্থা হল পায়ের বড় আঙুলর নখ পাশ নরম মাংসের মধ্যে বৃদ্ধি পাওয়া। ফলে কখনও কখনও ব্যথা, লালচেভাব, ফোলা, সংক্রমণ হয়

নখের ফাঙ্গাস -  লক্ষণ ও উপসর্গগুলি 

এর প্রধান লক্ষণ ও উপসর্গগুলি কি কি নখে ছত্রাকের সংক্রমণ নীচে দেওয়া উপসর্গগুলির মধ্যে যেকোন একটির কারণে হতে পারে:
  • নখের চারপাশে ব্যথা
  • নখের চারপাশের অংশ ফোলা
  • নখের আকারের পরিবর্তন
  • নখ শক্ত হয়ে যাওয়া
  • নখের রঙের ফ্যাকাশেভাব বা পরিবর্তন হয়ে যাওয়া
  • ভাঙ্গা নখ
  • নখের ভিতর ময়লা জমে থাকা
  • নখের প্রান্ত ভাগ ভেঙ্গে ভেঙ্গে যাওয়া
  • নখের চকচকে ও উজ্জ্বলভাব কমে যাওয়া

নখের ফাঙ্গাস - প্রধান কারণগুলি

সাধারণত হাতের নখের সংক্রমণের চেয়ে পায়ের নখের সংক্রমণ বেশি হতে দেখা যায়। নীচে দেওয়া পরিস্থিতিগুলি নখে ছত্রাক সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়:
  • নখে অথবা ত্বকে সামান্য আঘাত লাগা।
  • দুর্বল অনাক্রম্যতা
  • নখের বিকৃতি
  • নখের রোগ
  • চাপা জুতো পরিধানের ফলে নখে হাওয়া চলাচল বাধা পায়
  • বহুসময় ধরে ত্বক আর্দ্র বা ভিজে অবস্থায় থাকা

নখের ফাঙ্গাস - রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা

  • নখের স্বাস্থ্য পরীক্ষা
  • নখটিকে চাঁচা হয়, এবং টিস্যুটিকে একটি মাইক্রোস্কোপের মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ করা হয়। এটি নখে কি ধরনের ছত্রাক সংক্রমণ হয়েছে তা নিশ্চিত করতে সাহায্য করে।
চিকিৎসা: নখ মোটা পুরু বা ফেটে যাওয়া রোগের কার্যকর চিকিৎসা হোমিওপ্যাথি। এর জন্য এক্সপার্ট কোন হোমিও চিকিৎসকের পরামর্শক্রমে চিকিৎসা নিন।

নখের ফাঙ্গাস - পরামর্শ 

নখের সংক্রমণ প্রতিহত করার উপায়:
  • সর্বদা আপনার নখ ও তার পার্শ্ববর্তী ত্বককে পরিষ্কার ও শুষ্ক রাখুন
  • আপনার শরীর বা অন্য কারোর উপর অন্যান্য কোন ছত্রাক সংক্রমণের সংস্পর্শ হলে স্থানটিকে যথাযথভাবে ধুয়ে ফেলুন
  • অন্য ব্যক্তির হাত ও পা পরিষ্কারের সরঞ্জাম ব্যবহার এড়িয়ে চলুন
  • আপনার নখ ও ত্বকের সবচেয়ে ভালো পরিচর্যা করুন
নখের ফাঙ্গাস ঔষধ, হাতের নখের ফাঙ্গাস দূর করার উপায়, নখের ইনফেকশন, নখ মরে যাওয়া, ফাঙ্গাস এর চিকিৎসা, পায়ের নখের সমস্যা সমাধান, পায়ের নখ মরে যাচ্ছে এই সকল সমস্যার উন্নত চিকিৎসা মূলত হোমিওপ্যাথি। 
বিস্তারিত

Saturday, August 24, 2019

শ্বেতী রোগ Leucoderma or Vitiligo ! কারণ লক্ষণ চিকিৎসা প্রতিরোধ

শ্বেতী রোগের প্রাকৃতিক ঔষধ স্থায়ী হোমিও চিকিৎসা কি হতে পারে ! Meaning in english is leucoderma or vitiligo. নারী কিংবা পুরুষ যে কোনো বয়সেই এই শ্বেতী রোগে আক্রান্ত হতে পারে। সাধারণত শরীরের যেসব অঙ্গ আবরণমুক্ত থাকে যেমন হাত, পা, মুখমণ্ডল এবং ঠোঁট ইত্যাদি অংশে শ্বেতী বেশি দেখা যায়। শ্বেতীরোগে সাধারণত শরীরের নির্দিষ্ট কিছু অংশে সাদা বর্ণের দাগ দেখা যায়। এ ছাড়া বংশগতভাবেও শ্বেতী রোগ হতে পারে। তবে শ্বেতী কোনো ছোঁয়াচে রোগ নয়।
ছোঁয়াচে রোগ না হলেও যে কেউ যেকোন সময় এ রোগে আক্রান্ত হতে পারেন। রোগটি মরণব্যাধি কিংবা ঘাতক নয়, তবে একবার শরীরে বাসা বাধলে তা থেকে মুক্তি পাওয়া দুস্কর। এই অসুখে আমাদের ত্বকের রং তৈরি করার কোষ বা মেলানোসাইট নিশ্চিহ্ন হয়ে যায় বা কমে যায়। বেশির ভাগ শ্বেতী আজকাল অতিরিক্ত রাসায়নিক ব্যবহার থেকে হয়। রোজকার জীবনে এই সব রাসায়নিক সকলের ত্বক সহ্য করতে পারে না। তখনই শুরু হয় সমস্যা।

একবার এ রোগ হলে দ্রুত তা শরীরের অন্য স্থানে ছড়িয়ে পড়ে। শ্বেতীতে আক্রান্ত রোগীরা বেশির ভাগই মানসিক অবসাদে ভোগেন। শ্বেতী বংশগতভাবেও হয়। প্রতি ১০০ জন শ্বেতী রোগীর মধ্যে ৩০ জনের ক্ষেত্রেই শ্বেতী হয় বংশগত ধারায়। বাকি ৭০ শতাংশের ক্ষেত্রে শ্বেতী সাদা দাগ ছড়াতে থাকে নিজস্ব কারণে, যার মূলে রয়েছে মেলানিনের কারসাজি।শ্বেতী রোগ বেশ কয়েক ধরণের হতে পারে:
  • শরীরের অল্প কিছু অংশে হতে পারে 
  • যে কোন একদিকে (বাম অথবা ডান দিকে) - এ ধরণের শ্বেতী শরীরের যেকোনো একপাশের হাত, পা বা মুখ আক্রান্ত হয়। অল্প বয়সেই রোগের লক্ষণ দেখা দেয়।
  • শরীরের অধিকাংশ জায়গায় - এ ধরণের শ্বেতী পুরো শরীরেই ছড়িয়ে পড়ে। সাধারণত এই ধরণের শ্বেতী বেশি দেখা যায়। প্রথমে এটি হাত, পা বা মুখের সামান্য অংশে ছোট ছোট সাদা দাগ হিসেবে দেখা দেয় এবং ক্রমে এগুলো একত্রিত হয়ে বড় আকার ধারন করে এবং সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে।

শ্বেতী রোগ - কারণ

এখনো পর্যন্ত বিজ্ঞানীরা শ্বেতীর সঠিক কারণ বের করতে পারেনি। তবে নিম্নোক্ত কারণে শ্বেতী হতে পারে, যেমন -
  • বংশগত কারণে
  • কেউ কেউ জন্মগতভাবে এই রোগে আক্রান্ত হয়
  • শরীরে মেলানিন উৎপাদনকারী কোষ ধ্বংসকারী পদার্থ তৈরী হওয়া
  • অত্যাধিক মানসিক অবসাদ
  • নির্দিষ্ট কিছু রাসায়নিক পদার্থ যেমন মনোইথাইলিন বেনজিন ইত্যাদির কারণেও শ্বেতী হতে পারে

শ্বেতী রোগ - লক্ষণসমূহ

  • মুখমণ্ডল, বাহু, হাত বা পায়ের চামড়া বিবর্ণ হয়ে যাওয়া (অধিক প্রচলিত),
  • শরীরে সাদা বা হালকা ফুস্কুরি দেখা দেয়া,
  • শরীরের অন্যান্য অংশ যেমন: বগল, কুচকি, যৌনাঙ্গ বা পায়ুপথ ইত্যাদির চামড়া বিবর্ণ হয়ে যাওয়া,
  • মুখগহবর ও নাকের ভেতরে বিবর্ণ রঙের কোষ দেখা যাওয়া,
  • চুল, ভ্র, চোখের পাপড়ি বা মুখের লোম সাদা হয়ে আসা,

শ্বেতী রোগ - চিকিৎসা

এলোপ্যাথিতে বিভিন্ন ধরণের স্টেরয়েড জাতীয় মলম, এবং মুখে খাবার স্টেরয়েড জাতীয় ওষুধ, রিভোফ্লবিন ইত্যাদি ব্যবহার করা হয়ে থাকে। আবার বিভিন্ন থেরাপি এবং সার্জারীও করা হয়ে থাকে। তবে এর উন্নত চিকিৎসা মূলত হোমিওপ্যাথি। এর জন্য এক্সপার্ট কোন হোমিও চিকিৎসকের পরামর্শক্রমে ধৈর্য ধরে চিকিৎসা নিতে হবে। কারণ এর চিকিৎসা মূলত দীর্ঘমেয়াদি।

শ্বেতী রোগ - সতর্কতা

  • কোনও রাসায়নিক ব্যবহারের ফলে শরীরে কোনও সাদা দাগ হচ্ছে কি না সে দিকে খেয়াল রাখতে হবে। তেনমনটা দেখা দিলেই বন্ধ করতে হবে ক্ষতিকর রাসায়নিক দেওয়া জিনিসের ব্যবহার।
  • ডিটারজেন্ট ব্যবহারের সময় গ্লাভস ব্যবহার করুন। সাবান, তেল, শ্যাম্পুর বেলায় বিজ্ঞাপনী চমকে প্রভাবিত হয়ে না কিনে, চেষ্টা করুন ত্বক বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে কিনুন
  • শ্বেতী ধরা পড়লে ছেড়ে দিন প্লাস্টিক বা রবারের জুতো পরা। সার্বিকভাবেই প্লাস্টিক ব্যবহার বন্ধ করে ফেলতে পারলে ভাল হয়
  • কোনও রকম ফরসা হওয়ার ক্রিম, হেয়ার ডাই ব্যবহার সম্পূর্ণ বন্ধ করে দিতে হবে
  • সানস্ক্রিন ব্যবহারের সময় ইউভি এ ও ইউভি বি দুটোই ব্লক করছে কি না দেখুন। কেবল এসপিএফ-ই নয়, নজর রাখতে হবে পিএফ ফ্যাক্টরেও। এ ক্ষেত্রেও চিকিৎসকের অনুমোদন দেওয়া সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন।
  • স্বাস্থ্যকর ডায়েট ও পর্যাপ্ত ঘুম মানসিক চাপ কমায়। 
বিস্তারিত

Monday, May 13, 2019

একজিমা (Eczema) বা বিখাউজ ! কারণ লক্ষণ এবং প্রতিকার

একজিমা (Eczema) হলো এক প্রকাম চর্ম রোগ যা মূলত পামা, বিখাউজ, কাউর ঘা ইত্যাদি নামে আমাদের কাছে পরিচিত। চিকিৎসা শাস্ত্রে এটিকে সচরাচর এটপিক ডার্মাটাইটিস (atopic dermatitis) হিসাবে উল্লেখ করা হয়ে থাকে, কারণ অধিকাংশ ক্ষেত্রে একজিমার অন্যতম উৎস বংশগত বলে ধারণা করা হয়। এই রোগে ত্বকের বিশেষ কোন কোন স্থানে প্রদাহ সৃষ্টি হয়। আক্রান্ত স্থানলাল বর্ণদেখায়, এখানে পুঁজবটী জন্মে, চুলকায়, রস ক্ষরণ হতে পারে এবং মামড়ি পড়ে। 

এটি কোন সংক্রামক রোগ নয়। তবে এ রোগ থেকে হাঁপানি এবং হে ফিভার হয়ে থাকে। এটি দীর্ঘ মেয়াদী সমস্যা যাতে অতি শুষ্ক ত্বক ফেটে যায়, পুরু হয়ে ওঠে, চুলকানির সৃষ্টি হয় এবং ফুস্কুড়ি হতে পারে। ঠিক কী কারণে একজিমা হয়ে থাকে তা এখনো জানা যায় নি। বলা হয়েছে অন্তর্ভূত কারণের (যেমনঃ এলার্জি) বহি:প্রকাশ একজিমা। শরীরের যে কোন স্থানেই একজিমা হতে পারে, তবে হাত, পা, বাহু, হাঁটুর বিপরীত পৃষ্ঠা, গোড়ালী, হাতের কব্জি, ঘাড় ও ঊর্ধ বক্ষস্থল ইত্যাদি অংশ বেশি আক্রান্ত হয়ে থাকে। 
কিছু কারণ: রাসায়নিক দ্রব্য, ডিটারজেন্ট, সাবান অথবা শ্যাম্পু থেকে সংক্রমণ অ্যালার্জি হয় এমন বস্তু থেকে যেমন- পরাগ রেণু, ঘরবাড়ির ধুলা, পশুপাখির পশম, উল ইত্যাদি থেকে হরমোন পরিবর্তন, বিশেষ করে মাসিকের সময় এবং গর্ভাবস্থায় অতিরিক্ত গরম বা অতিরিক্ত ঠাণ্ডা ও স্যাঁতসেঁতে ভেজা আবহাওয়া।

একজিমার লক্ষণ ও উপসর্গ: লালচে, প্রদাহযুক্ত ত্বক, শুষ্ক, খসখসে, ফেটে যাওয়া ত্বক, ত্বকে চুলকানি, হাত ও পায়ের ত্বকের মধ্যে ছোট ছোট পানির ফুসকুড়ি, ত্বকে সংক্রমণ হলে ত্বক ভেজা ভেজা হয় এবং পুঁজ বের হতে পারে, ত্বকের যেসব জায়গা বারবার চুলকানো হয় সেগুলো পুরু হওয়া।

চিকিৎসা: একজিমা (Eczema) রোগের স্থায়ী চিকিৎসা মূলত হোমিওপ্যাথি। তবে এর জন্য অবশ্যই একজন এক্সপার্ট হোমিও চিকিৎসকের পরামর্শক্রমে চিকিৎসা নেয়া জরুরী। 
বিস্তারিত

Wednesday, April 3, 2019

গ্যাংগ্রিন (Gangrene) পচনশীল দূষিত ঘা বা ক্ষত! নিরাময় হতে পারে যেভাবে।

গ্যাংগ্রিন (Gangrene) দূষিত পচা হয়ে থাকে যখন টিস্যু বা কলাতে পচন ধরে। এটা বিভিন্ন প্রকারের হয়ে থাকে - শুকনো, ভেজা এবং গ্যাস গ্যাংগ্রিন। একেক টির ক্ষেত্রে একেক রকম লক্ষণ প্ৰকাশ করতে পারে। গ্যাংগ্রিন (Gangrene) বা গ্যাংরিন একটি গুরুতর অবস্থা সংঘটিত হয় শরীরের টিস্যু মারা গেলে। কোন আঘাত বা সংক্রমণের ফলে অথবা রক্ত সঞ্চালনের কোনো দীর্ঘস্থায়ী স্বাস্থ্য সমস্যা ভোগার ফলে এটি হতে পারে। গ্যাংরিন প্রাথমিক কারণ রক্ত সঞ্চালনের টিস্যুর কমে যাওয়া যেটি কোষের মৃত্যুর কারণ। ডায়াবেটিস ও দীর্ঘমেয়াদী ধূমপান গ্যাংগ্রিনের ঝুঁকি বৃদ্ধি করে।
শুকনো গ্যাংগ্রিন (Dry Gangrene)
  • এই প্রকার গ্যাংগ্রিন মূলত ডায়বেটিস রোগীদের বেলায় বেশি দেখা যায়
  • ধীরে ধীরে রোগের বিস্তার হয়
  • খুব বেশি দুর্গন্ধ থাকে না৷
  • আক্রান্ত চামড়া শুকনো এবং কখনো কালো বর্ণের হয়ে থাকে 
  • সাধারণত ইনফেকশন থাকে না
ভেজা গ্যাংগ্রিন (Moist Gangrene)
  • সাধারণত ইনফেকশন থাকে
  • ক্ষতস্থান থেকে দুর্গন্ধ বের হবে
  • দ্রুত রোগের বিস্তার হয় 
  • আক্রান্ত চামড়া ভেঁজা ভেঁজা হয়ে থাকে
  • প্রথম দিকে আক্রান্ত স্থানের চামড়া লালচে এবং পরে নীলাভ বর্ণ ধারণ করে 
গ্যাস গ্যাংগ্রিন (Gas Gangrene)
  • চামড়ার ক্ষতস্থানে ইনফেকশন থাকে
  • আক্রান্ত স্থান থেকে দুর্গন্ধ বের হয়
  • আক্রান্ত স্থান লালচে বর্ণের হয়ে থাকে 
  • ব্যাকটেরিয়া আক্রমণ করে গ্যাস তৈরি করে 
  • দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে রোগীর মৃত্যু হতে পারে
গ্যাংগ্রিনের উন্নত চিকিৎসা রয়েছে হোমিওপ্যাথিতে। এর জন্য এক্সপার্ট কোন হোমিও চিকিৎসকের পরামর্শক্রমে চিকিৎসা নিন।
বিস্তারিত

Saturday, January 5, 2019

দাদ (in english Ringworm) প্রকারভেদ, উপসর্গ এবং চিকিৎসা পদ্ধতি

দাদ (in english Ringworm or Taeniasis) এটি একটি সংক্রামক রোগ যা সহজেই আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে সুস্থ দেহে বিস্তার লাভ করতে পারে। তাই এই চর্মরোগটি হওয়ার সাথে সাথেই চিকিৎসার মাধ্যমে নির্মূল করা উচিত। বিস্তারিত দেখুন ভিডিওতে.....
বিস্তারিত

Thursday, August 30, 2018

ত্বকের সোরিয়াসিস রোগের কারণ, লক্ষণ এবং কার্যকর চিকিৎসা

সোরিয়াসিস Psoriasis ত্বকের একটি জটিল রোগ, এই ধারণাটি হওয়ার যথেষ্ট কারণ রয়েছে। এক দশক আগে সোরিয়াসিসের নামই এই ভূখণ্ডের মানুষজন জানতো না। কেননা এটি পাশ্চাত্যের রোগ হিসেবে পরিচিত ছিল। তবে এখন ১০ জনের মধ্যে তিনজনের এই রোগ হয়। তাই এই বিষয়ে সতর্ক করা হচ্ছে। সোরিয়াসিস ত্বকের একটি প্রদাহজনিত রোগ যা সংক্রামক বা ছোঁয়াচে নয়।

এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি জটিল চর্মরোগ যা কখনোই সম্পূর্ণ সারে না - বলে থাকেন এলোপ্যাথিক চিকিৎসকগণ কারণ আমাদের এলোপ্যাথিতে এর তেমন কোন স্থায়ী কার্যকর চিকিৎসা নেই শুধু ঔষধ প্রয়োগ করে করে রোগীকে আরাম দেয়ার চেষ্টা করা হয়, অথচ হোমিও চিকিৎসায় এই রোগ থেকে আরোগ্য লাভ করছেন লোকজন। আমাদের দেশে ঠিক কত জন এই সোরিয়াসিস রোগে আক্রান্ত তার কোনো হিসাব বা সঠিক পরিসংখ্যান নেই। যে কোনো বয়সের নারী ও পুরুষ এই রোগে আক্রান্ত হতে পারেন। তবে ৩০ বছর বয়সের পরে এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে।

আমাদের দেহে ২১ দিন পরপর নতুন চামড়া গজায়। কিন্তু সোরিয়াসিসের ক্ষেত্রে দেখা যায় সেটা খুব দ্রুত হচ্ছে। মাছের আশের মতো জায়গায় জায়গায় চামড়াগুলো উঠে যাচ্ছে। শরীরের নির্দিষ্ট কিছু জায়গা মাথা,ঘাড়, কনুই, হাঁটুতে এগুলো হচ্ছে। ব্যক্তিগতভাবে একটি মানুষের জন্য এটি বিব্রতকর। সামাজিক ভাবেও এটি বিব্রতকর। আর নতুন রোগ হিসেবে এটা আতঙ্ক তৈরি করে অনেকের মাঝে।

সোরিয়াসিস রোগে ত্বকে প্রদাহযুক্ত দাগ হয়। সাধারণত, মানুষের ত্বকের কোষ প্রতিনিয়ত মারা যায় এবং নতুন করে কোষ তৈরি হয়। সোরিয়াসিস রোগীদের ক্ষেত্রে এই মারা যাওয়া কোষের সংখ্যা ও বিস্তারের মাত্রা অস্বাভাবিক হয়ে উঠে। ত্বকের সবচেয়ে গভীর স্তর থেকে মৃত কেরাটিনোমাইটস উপরের স্তরে চলে আসতে সাধারণত ২৮ দিন সময় লাগে। কিন্তু সোরিয়াসিস এর ক্ষেত্রে এই সময় লাগে ৫ থেকে ৭ দিন। এই রোগ সম্পর্কে এখনো সঠিকভাবে জানা যায়নি। তকে কিছু কারণ যেমন: ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাল ইনফেকশন, ত্বকে আঘাত, আবহাওয়া, কিছু এলোপ্যাথিক ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায়, অতিরিক্ত লাল মাংস গ্রহণ এবং হতাশা ইত্যাদি কারণে সোরিয়াসিস হতে পারে।

সোরিয়াসিস রোগের লক্ষণ

সোরিয়াসিস একজন থেকে অন্যজনে এমনকি শরীরের এক অংশ থেকে অন্য অংশেও ছড়ায় না। সোরিয়াসিস হলে সাধারণত যেসব লক্ষণ ও উপসর্গগুলো দেখা দেয় :
  • ত্বক পুরু হয়ে যায় এবং লালচে দাগ পড়ে 
  • ত্বক চুলকায় অথবা ব্যথা হয়
  • ছোট বড় নানা আকারে লাল বর্ণের একটি/অনেকগুলো ম্যাকুল/প্যাচ দেহের নানা স্থানে প্রকাশ পায়। ঈষৎ ধূসর বর্ণের চকচকে প্রচুর আঁশ উঠে
  • কোন প্রকার ফুসকুড়ি হয় না, রস পড়ে না
  • প্যাঁচ মিলিয়ে গিয়ে আবারও আসে, কোন কোন প্যাঁচ দীর্ঘদিন স্থায়ী হয়। অতিরিক্তি চুলকালে ক্ষতের সৃষ্টি হয়ে মধুর ন্যায় আঠালো রস বের হয়
  • ক্ষত মিলিয়ে যাওয়ার পর কোন দাগ থাকে না
  • আঁইশ উঠিয়ে দিলে তার নীচটা মসৃণ ও শুষ্ক দেখায়
  • শরীরের প্রায় সবখানেই হয়ে থাকে, অত্যাধিক বেশি হলে পুরো শরীরে হয়ে থাকে
  • নখ আক্তান্ত হলে নখের চারপাশে ও নখের নীচে ঘন আঁশ জমে নখ মোটা, ভেঙ্গে যায় ও বিকৃত হয়ে যায়, বিবর্ণ দেখায়, নখ ফাংগাস ইনফেকশনের মতো দেখায়
  • যাদের সোরিয়াসিসের সঙ্গে আর্থাইটিস থাকে তাদের ভয়ানক কষ্ট ভোগ করতে হয়। গায়ে সামান্য সূর্যতাপ লাগলে রোগী অসস্তিবোধ করে।
  • কদাচিৎ কোন কোন রোগীতে সর্বাঙ্গের ত্বক আক্রান্ত হয়ে লাল হয়ে প্রদাহ জন্মায় এবং তার ওপর পাতলা আঁশ স্তরে স্তরে জমা হয়
  • কোন কোন ক্ষেত্রে মাথার ত্বক আক্রান্ত হতে পারে এবং হাতের নখের রঙ নষ্ট হয়ে যায় এবং গর্ত (Pitted) হয়ে যায়। 
  • সোরিয়াসিসে আক্রান্ত প্রতি দশজনে একজনের বাত (আর্থ্রাইটিস) হতে পারে। একে সোরিয়াটিক আর্থ্রাইটিস বলা হয়। এর ফলে হাত ও পায়ের আঙ্গুল, পিঠ, কোমর এবং হাঁটু ব্যথায় আক্রান্ত হয়।

সোরিয়াসিসের কারণ

  • হোমিওপ্যাথিক দৃষ্টি কোন থেকে সোরা ধাতু দোষই হলো মূল কারণ
  • জীবাণু সংক্রমণ
  • লিভার ক্রিয়ার গোলযোগ থাকলে
  • শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার অভাব
  • খাদ্যাখাদ্য
  • পুষ্টির অভাব
  •  শীত প্রধান অঞ্চল
  • কালো লোকদের তুলনায় সাদা/ফর্সা লোকদের বেশি হয়

সোরিয়াসিস রোগ নির্ণয়

  • প্রথম দর্শনে এ রোগ নির্ণয় করা কঠিন, কারণ অন্যান্য চর্ম রোগের সাথে ভুল হওয়া খুব স্বাভাবিক
  • মাথার সোরিয়াসিসের সাথে মাথার খুশকি পার্থক্য করতে হবে
  • অন্যান্য চর্ম রোগের আঁশের সাথে এর পার্থক্য করতে হলে এর আঁইশ খুবই পাতলা, চকচকে, রূপালী কালারের ন্যায় হয়
  • এতে মাথার চুল নষ্ট হয় না, জট হয় না
  • সোরিয়াসিসের সাথে কোষ্ঠ-কাঠিন্য থাকতে পারে, সিফিলিস, একজিমা, নখের ফাংগাস ইনফেকশন, ক্যান্সারের সাথে পার্থক্য করে জেনে নিতে হবে। সোরিয়াসিস থেকেও স্কীন ক্যান্সার হতে পারে

ত্বকের সোরিয়াসিস রোগের চিকিৎসা

অনেক এলোপ্যাথিক ডাক্তারই আপনাকে বলে থাকবে - হোমিও চিকিৎসা নিয়েই নাকি সোরিয়াসিস রোগীরা ক্ষতিগ্রস্থ হয়!!! এটা একটা পাগলের প্রলাপ ছাড়া আর কিছুই নয়। কারণ হোমিওপ্যাথি নিয়ে পড়াশোনা না করে এ সম্পর্কে কথা বললে মানুষ তাদের মূর্খ্ ছাড়া আর কিছুই বলবে না কারণ এলোপ্যাথি এবং হোমিওপ্যাথি দুটি আলাদা চিকিৎসা শাস্ত্র। কারণ এখানে ঔষধ আলাদা - এলোপ্যাথিক ঔষধ হলো ম্যাটেরিয়াল যা একটি নির্দিষ্ঠ সময় পর নষ্ট হয়ে যায় কিন্তু হোমিও ঔষধ হল শক্তি বা পোটেন্সি যা কখনো নষ্ট হয় না অর্থাৎ এর কোন এক্সপায়ার ডেট নেই।

আবার এলোপ্যাথিক এবং হোমিওপ্যাথিক ঔষধের ফার্মাকোপিয়া এবং ফার্মাকোলজি সবই আলাদা। তাই কোন এলোপ্যাথিক ডাক্তার হোমিওপ্যাথি নিয়ে পড়াশোনা না করে কখনো হোমিও ঔষধ প্রয়োগ করতে পারেন না। অর্থাৎ কাউকে এলোপ্যাথিক ডাক্তারি করতে হয় তাকে এলোপ্যাথি নিয়ে পড়াশোনা করতে হবে আবার যদি কাউকে হোমিওপ্যাথিক ডাক্তারি করতে হয় তাকে হোমিওপ্যাথি নিয়ে পড়াশোনা করতে হবে।

পৃথিবীর বহু উচ্চ ডিগ্রীধারী এলোপ্যাথিক ডাক্তারগণও হোমিওপ্যাথি সম্পর্কে একেবারে নূন্যতম ধারণাও রাখেন না। তাদের অনেকেই নানা এলোপ্যাথিক ওষুধ কোম্পানিতে চাকরি করার কারণে হোমিওপ্যাথি সম্পর্কে বিষদ্গার করে থাকেন। চিকিৎসা বিজ্ঞানী ডাঃ টেইলর কেন্ট তাদের অজ্ঞ আর মূর্খ্য বলে অবহিত করেছেন। বাস্তবেও তাই।

এবার আসুন আমাদের মূল বিষয়বস্ততে ফিরে যাই। অতীতের রেকর্ড থেকে এটি নিঃসন্দেহে প্রমাণিত হয় - যারা এই রোগ থেকে মুক্তি লাভ করেছেন তারা প্রায় সবাই হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা নিয়েই সুস্থ হয়েছেন। কারণ যারা শুধু এলোপ্যাথি নিয়ে পড়াশোনা করেছেন তারা সরাসরি আপনাকে বলবে সোরিয়াসিস এলোপ্যাথিতে নির্মূল হয় না - ঔষধ খেয়ে খেয়ে রোগের তীব্রতা কমিয়ে রাখতে হয়। কারণ এই রোগ স্থায়ীভাবে নির্মূলের কার্যকর ঔষধ এলোপ্যাথিতে এখন পর্যন্ত নেই। তাই এলোপ্যাথিক চিকিৎসকগণ সেটাই শিখে আসছেন এবং জেনে আসছেন।

অথচ দেখা যাচ্ছে বহু এলোপ্যাথিক ডাক্তারের দ্বারে দ্বারে ঘুরে বহু টাকা পয়সা খরচ করে অবশেষে কোন এক হোমিও চিকিৎসকের চিকিৎসাতেই আরোগ্য লাভ করছেন সোরিয়াসিস রোগীরা। সোরিয়াসিসে আক্রান্ত ব্যক্তিকে মনে রাখতে হবে যে - হোমিওপ্যাথি ঔষধ রোগীর সর্ব প্রকার লক্ষণ যেমন চারিত্রিক, শারীরিক, মানুষিক এবং যে রোগে আক্রান্ত সে রোগের লক্ষণ অনুসারে নির্বাচন করা হয়। যা একজন অভিজ্ঞ হোমিও চিকিৎসকের পক্ষেই করা সম্ভব।

কিন্তু আমাদের দেশের অনেক মানুষই ডাক্তারের তথ্যাবধানে ভালো এবং উন্নত একটি চিকিৎসা না নিয়ে দুয়েকটি ঔষধের নাম জেনেই সেটা খেয়ে রোগ নির্মূলের বৃথা চেষ্টা চালায় যা একসময় তার রোগটিকে ধীরে ধীরে জটিল পর্যায়ে নিয়ে যায়। অথচ ঠিক সময়ে ডাক্তারের তথ্যাবধানে থেকে চিকিৎসা নিলে সে হয়তো ভালো একটা রেজাল্ট পেতো। তাছাড়া রোগীকেও মনে রাখতে হবে এই সকল রোগ যেগুলি আমাদের এলোপ্যাথিতে স্থায়ী চিকিৎসা নেই সেগুলি হোমিও চিকিৎসা নিলে কিছুটা ধৈর্য ধরে চিকিৎসা চালিয়ে যেতে হবে কারণ এ ক্ষেত্রে এই রোগের সাথে সাথে শরীরে আরো কিছু জটিলতা প্রকাশ পায় এবং সব মিলিয়ে ট্রিটমেন্ট করতে গেলে ডাক্তারকেও প্রজ্ঞাবান হতে হয়। 
বিস্তারিত