ভেরিকোসিল লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ভেরিকোসিল লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২০

পুরুষদের ভেরিকোসিল Varicocele অন্ডকোষের শিরাস্ফীতি কি ?

ভেরিকোসিল Varicocele মূলত পুরুষদের স্ক্রোটামে টেস্টিসের সাথের শিরা-ঘটিত একটি জটিল প্রকৃতির রোগ। এটি অনেকটা পায়ের ভেরিকোস ভেইনের (শিরা প্রসারিত হয়ে স্ফীত হয়) মতোই দেখতে (ছবি দেখুন...)। যখন স্ক্রোটামের ভেতর শিরার মধ্যে ভেরিকোস ভেইনের সৃষ্টি হয় তখনই আমরা একে ভেরিকোসিল বলে থাকি। প্রায় ২০% পুরুষদের ক্ষেত্রেই ভেরিকোসিল হয়ে থাকে। মূলত বয়ঃসন্ধিকাল থেকেই এটি পুরুষদের হতে দেখা যায়। দেখা গেছে প্রায় ৮৫% পুরুষদের ক্ষেত্রে ভেরিকোসিল বাম পাশে হয়ে থাকে আর প্রায় ১৫% ক্ষেত্রে ডান পাশে হয়ে থাকে।

এটি কারো বাম পাশে কারো ডান পাশে আবার কারো উভয় পাশে (Bilateral Varicocele) হয়ে থাকে। স্পার্মাটিক কর্ডের মাধ্যমে রক্ত অণ্ডকোষে প্রবাহিত হয়ে থাকে। কোন কারণ বশতঃ যদি টেস্টিকিউলার ভেইনের ভিতরের ভাল্ব ঠিক ঠাক ভাবে কাজ করতে না পারে তাহলেই ভেরিকোসিল সৃষ্টি হয়। মূলত এখানে স্ক্রোটামের ভেতরে Pampiniform Plexus নামক কিছু ভেইনের মধ্যেই রক্ত জমে গিয়ে সেগুলি অর্থাৎ শিরাগুলো প্রসারিত হয়ে যায় এবং ফুলে যায়। যেহেতু সেখানে দূষিত রক্ত জমা হতে থাকে তাই অনেকের ক্ষেত্রেই শিরা বা তার আশেপাশের অঞ্চলে ব্যথা বা জ্বালাপোড়ার সমস্যা দেখা দেয়।
পুরুষদের অন্ডকোষের এই শিরাস্ফীতি বা ভেরিকোসিল Varicocele যেকোন বয়সেই হতে পারে। তবে যথা সময়ে সঠিক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা নিলে এই সমস্যা খুব তাড়াতাড়িই ঠিক হয়ে যায়। জেনে রাখা ভালো বহু রোগ ব্যাধি রয়েছে যেগুলির কোন স্থায়ী এলোপ্যাথিক চিকিৎসা নেই। ভেরিকোসিল হলো তেমনই একটি রোগ যার মূলতঃ তেমন কোন এলোপ্যাথিক চিকিৎসা নেই। পুরুষদের ভেরিকোসিল Varicocele সংক্রান্ত সকল আর্টিকেল দেখুন এখানে....
বিস্তারিত

পুরুষদের ভেরিকোসিল Varicocele কেন এবং কিভাবে হয় ?

আগের পর্বে আমরা পুরুষদের ভেরিকোসিল Varicocele কি অর্থাৎ অন্ডকোষের শিরাস্ফীতি কি এ সম্পর্কে জেনেছি। এই পর্বে আমরা জানবো ভেরিকোসিল Varicocele হওয়ার কারণ কি অর্থাৎ ঠিক কি কি কারণে পুরুষদের ভেরিকোসিলের মত এটি জটিল সমস্যার সৃষ্টি হয়ে থাকে।

মূলত স্ক্রোটামেরর স্পার্মাটিক কর্ডের মাধ্যমে রক্ত অণ্ডকোষে প্রবাহিত হয়ে থাকে। কোন কারণ বশতঃ যদি টেস্টিকিউলার ভেইনের ভিতরের ভাল্ভ ঠিক ঠাক ভাবে কাজ করতে না পারে তাহলেই ভেরিকোসিল সৃষ্টি হয়। মূলত এখানে স্ক্রোটামের ভেতরে Pampiniform Plexus নামক কিছু ভেইনের মধ্যেই রক্ত জমে গিয়ে সেগুলি অর্থাৎ শিরাগুলো প্রসারিত হয়ে যায় এবং ফুলে যায়। যেহেতু সেখানে দূষিত রক্ত জমা হতে থাকে তাই অনেকের ক্ষেত্রেই শিরা বা তার আশেপাশের অঞ্চলে ব্যথা বা জ্বালাপোড়ার সমস্যা দেখা দেয়। বিষয়টি আপনারা ইতিমধ্যেই জেনেছেন।  এবার আসুন জেনে নেই কি কারণে ভেরিকোসিল হয়ে থাকে।
আপনি যখন কোন রোগ ব্যাধির পেছনের কারণ খুঁজতে যাবেন বহু ক্ষেত্রেই এর প্রকৃত কারণটি খুঁজে পারেন না। হ্যা, এটাই সত্য। ঠিক কি কারণে ভ্যারিকোসিল হয় তা নিশ্চিত করে অনেক ক্ষেত্রেই বলা যায় না। তবে নিম্নুক্ত কিছু কারণে ভেরিকোসিল সৃষ্টি হতে প্রায়ই দেখা যায় -
  • স্ক্রোটাম এবং টেস্টিসে আঘাত পাওয়া 
  • যৌন বাহিত রোগে আক্রান্ত হওয়া 
  • যৌন বাহিত রোগে তীব্র এন্টিবায়োটিকের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
  • যক্ষা এবং এই সংক্রান্ত এলোপ্যাথিক চিকিৎসার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
  • তীব্র যৌন উত্তেজক ঔষধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
  • তীব্র হস্তমৈথন আসক্তি এবং এক সময় হঠাৎ ছেড়ে দেয়া
  • ভারী জিনিস উত্তোলনের কাজ করা 
  • সামরিক বাহিনীর প্রশিক্ষণ
  • দীর্ঘদিন যাবৎ ক্রমাগত দাঁড়িয়ে কাজ করা 
  • দীর্ঘদিন যাবৎ ক্রমাগত গরম পরিবেশে কাজ করা
  • এছাড়াও অনেক অজানা কারণেও ভেরিকোসিল হতে পারে 
পুরুষদের ভেরিকোসিল Varicocele সংক্রান্ত সকল আর্টিকেল দেখুন এখানে....
বিস্তারিত

পুরুষদের ভেরিকোসিল Varicocele এর লক্ষণ ও উপসর্গ কি কি ?

আগের পর্বগুলিতে আমরা জেনেছি পুরুষদের ভেরিকোসিল Varicocele কি, কিভাবে সৃষ্টি হয় এবং এর কারণগুলি কি কি। আজকের পর্বে আমরা জানবো পুরুষের এই জটিল সমস্যায় কি কি লক্ষণ এবং উপসর্গ সৃষ্টি হয়ে থাকে অর্থাৎ ভেরিকোসিলের কি কি ক্লিনিক্যাল ফিচার আছে এই সম্পর্কে বিস্তারিত জানবো।

মূলত পুরুষদের অন্ডথলি বা স্ক্রোটামের ভেতরে Pampiniform plexus নামক কিছু শিরার নেটওয়ার্ক থাকে যেগুলির মধ্যেই দূষিত রক্ত জমে গিয়ে সেগুলি অর্থাৎ শিরাগুলো প্রসারিত হয়ে যায় এবং ফুলে যায়। যেহেতু সেখানে দূষিত রক্ত জমা হতে থাকে তাই সেগুলি ফুলতে থাকে এবং শিরা বা তার আশেপাশের অঞ্চলে ব্যথা বা জ্বালাপোড়ার সমস্যা দেখা দেয়। কারো কারো ক্ষেত্রে শুধু ফোলাটাই পরিলক্ষিত হয় বহু দিন যাবৎ কিন্তু কোন ব্যথা বা জ্বালা থাকে না। আসুন জেনে নিই ভেরিকোসিল হলে কি কি লক্ষণ এবং উপসর্গ সৃষ্টি করতে পারে -
  • টেস্টিসের উপরের শিরাগুলিতে টক্সিক ব্লাড বা দূষিত রক্ত জমে শিরাগুলি ফুলে যায়
  •  শিরাগুলি পেঁচিয়ে যায় এবং প্রসারিত হয়ে যায়
  • টেস্টিসের উপরের শিরাগুলি কাল বা নীল বর্ণ ধারণ করে
  • স্পার্মাটিক কর্ডে ব্যথা হয় এবং কেচুর মতো ফুলে যায়
  • অন্ডকোষ বা টেস্টিসে ব্যথা অনূভুত হয়
  • অন্তথলি বা স্ক্রোটাম ঝুলে যায়
  • অণ্ডথলিতে চাকা বা পিণ্ড
  • কুঁচকিতে ব্যথা
  • অণ্ডথলি বা স্ক্রোটাম ফুলে উঠে
  • বন্ধ্যাত্ব - অনেকের ক্ষেত্রেই দেখা যায়
  • তলপেটে ব্যথা অনুভূত হয় কারো ক্ষেত্রে
  • অনৈচ্ছিক মূত্রত্যাগ
  • পুরুষত্বহীনতা দেখা দেয়
  • পুরুষাঙ্গে ব্যথা হওয়া
  • পায়ুপথে ব্যথা হওয়া
উপরিউক্ত লক্ষণগুলি একই সাথে সবার ক্ষেত্রে প্রকাশ পাবে না। লক্ষণ এবং উপসর্গগুলি পার্সন টু পার্সন ভেরি করে। কারো ক্ষেত্রে দুয়েকটি লক্ষন প্রকাশ পায় কারো ক্ষেত্রে তারও বেশি। আবার দেখা গেছে কারো ক্ষেত্রে শুধু শিরা ফুলে আছে বহু বছর যাবত অথচ কোন ব্যথা বা জ্বালা নেই। কিন্তু হঠাৎ করেই এক সময় ব্যথা শুরু হয়ে গেলো। যথা সময়ে এই রোগের চিকিৎসা না নিলে এক সময় বেশ জটিলতার সৃষ্টি করে থাকে।
বিস্তারিত

সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২০

পুরুষদের ভেরিকোসিল Varicocele এর ফলে সৃষ্ট জটিলতাগুলি কি কি ?

ভেরিকোসিল হলো পুরুষদের শুক্রাণুর অস্বাভাবিকতা বা বন্ধ্যাত্ব সমস্যা তৈরীর একটি অন্যতম কারণ। এই পর্বে আমরা জানবো, ভেরিকোসিল Varicocele এর ফলে পুরুষদের কি কি জটিলতা তৈরি হতে পারে। যেহেতু এটি পুরুষদের স্ক্রোটামের শিরা-ঘটিত একটি জটিল প্রকৃতির রোগ তাই এর ফলে বহু ক্ষেত্রেই নানান জটিলতা তৈরী হয়ে থাকে তবে জটিলতাগুলি মূলত পার্সন টু পার্সন ভেরি করে অর্থাৎ সবার ক্ষেত্রে সমান ভাবে প্রকাশ পায় না। কারো ক্ষেত্রে পুরুষত্বহীনতা এবং কারো ক্ষেত্রে বন্ধ্যাত্বের সমস্যা প্রকট ভাবে তৈরী করে থাকে।

কিছু কিছু পেসেন্ট এর ক্ষেত্রে আমি দেখেছি গ্রেড-টু ভেরিকোসিল নিয়ে ৮/১০ বছর কাটিয়ে দিলেন তেমন কোন সমস্যাই হয়নি। কিন্তু হঠাৎ এক সময় তীব্র ব্যথা শুরু হলো আর অনলাইন সার্চ করে আমাকে ফোন দিয়ে তার বিস্তারিত সমস্যা বলতে শুরু করলো। শুরুতে তিনি বুঝতেই পারেননি এটি একটি সমস্যা বা রোগ। তাই বছর বছর ধরে তিনি সেটা পুষে রেখেছেন। কাউকেই কিছু বলেননি।

সাধারণভাবে যে সমস্যাগুলি পার্সন টু পার্সন ভেদে দেখা যায় - শিরাতে ব্যথা বা জ্বালাপোড়া, অন্ডকোষ বা টেস্টিসে ব্যথা অনূভুত হয়, অন্তথলি বা স্ক্রোটাম ঝুলে যায়, অণ্ডথলিতে চাকা বা পিণ্ড অনুভূত হওয়া, শিরাতে চাকা বা পিণ্ড অনুভূত হওয়া, কুঁচকিতে ব্যথা হওয়া, অণ্ডথলি বা স্ক্রোটাম ফুলে উঠে, তলপেটে ব্যথা অনুভূত হয় কারো ক্ষেত্রে, অনৈচ্ছিক মূত্রত্যাগ, পুরুষাঙ্গে ব্যথা হওয়া, পায়ুপথে ব্যথা হওয়া ইত্যাদি।
আবার আমার একজন পেসেন্ট যার ভেরিকোসিল গ্রেড-থ্রী ছিল। বয়স প্রায় ৩৬ বছর। তিনি বহু বছর যাবৎ এই সমস্যাটি নিয়ে ছিলেন। কিন্তু তাঁর কোন প্রকার যৌন দূর্বলতার সমস্যা ছিল না এবং বন্ধ্যাত্বের সমস্যাও ছিল না। ভেরিকোসিল থাকা অবস্থাতেই তিনি ৩ ছেলে-মেয়ের পিতা ছিলেন। কিন্তু ইদানিং কালে ভেরিকোসিলের জন্য তাঁর সমস্যা হচ্ছিল - স্ক্রোটাম বেশি ঝুলে থাকতো তাই তিনি প্রচণ্ড অস্বস্থি বোধ করছিলেন।
কিছু কিছু পেসেন্ট যাদের বয়স ২৮ থেকে ৩৬ যখন বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসা নিতে আমার কাছে আসেন তখন সিমেন এনালাইসিস রিপোর্টে শুক্রাণুহীনতার প্রমান পাওয়া যায়। কিন্তু ঠিক কি কারণে তাঁর এজোস্পার্মিয়া তৈরি হল পূর্বেকার এলোপ্যাথিক চিকিৎসকগণ তাঁকে কিছুই বলতে পারেননি। সরাসরি বলে দেয়া হলো আপনার বীর্যে শুক্রাণু নেই তাই আপনি বাবা হতে পারবেন না। আমি যখন তাকে একটা আলট্রাসনোগ্রাম করতে দেই তখন ধরা পড়ে দুই পাশেই ভেরিকোসিল সৃষ্টি হয়ে আছে। বিস্তারিত হিস্ট্রি নিয়ে দেখা গেলো বহু বছর যাবৎ সেখানে একটু একটু করে ব্যথা করছে। ব্যথার তীব্রতা কম হওয়ায় তেমন আমলে নেননি বিষয়টা। যার ফলাফল বন্ধ্যাত্ব।
প্রতি ১০০ জন পুরুষের মধ্যে ১৫-২০ জনের ভেরিকোসিল হয়ে থাকে। ভেরিকোসিলে আক্রান্ত প্রতি ১০ জনের মধ্যে ৪ জনের বন্ধ্যাত্বের সমস্যা হতে দেখা গেছে।
ভেরিকোসিলের কারণে এখানে মূলত দুটি ঘটনা ঘটে। একটি হলো - শুক্রাণু বা স্পার্ম আসতে বাধা যাকে বলা হয় অবস্ট্রাক্টিভ এজোস্পার্মিয়া এবং দ্বিতীয়টি হলো দীর্ঘদিন যাবৎ এই অঞ্চলে কোন প্রদাহ থাকলে সেখানকার যে সেল বা কোষ গুলি (জার্ম সেল) শুক্রাণু বা স্পার্ম তৈরী করে সেগুলি নষ্ট হয়ে যায়। এর ফলে দেখা যায় শুক্রাণুর গুণগত মান নষ্ট হয়ে যায়, শুক্রাণু বা স্পার্ম কম তৈরি হয় অথবা একেবারেই তৈরী হয় না।

যেহেতু দীর্ঘদিন প্রদাহ থাকার কারণে সেখানকার সেল বা কোষগুলি ড্যামেজ হতে থাকে তাই যে সেল বা কোষগুলি (Leydig cells) টেস্টোস্টেরোন হরমোন তৈরী করে সেগুলিও দিন দিন নষ্ট হতে থাকায় টেস্টোস্টেরোন হরমোনের লেভেল কমতে থাকে। এ অবস্থায় অনেক পুরুষই শারীরিক দুর্বলতা এবং যৌন দুর্বলতায় ভুগতে থাকেন। কারো কারো ক্ষেত্রে পুরুষত্বহীনতাও দেখা দেয়।

ভেরিকোসিলের কারণে একবার এজোস্পার্মিয়া/বন্ধ্যাত্ব অথবা পুরুষত্বহীনতার সমস্যা তৈরী হলে সেখান থেকে ব্যাক করা অনেকটা কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। তাই পুরুষদের ভেরিকোসিল Varicocele হলে অবহেলা না করে যথা সময়ে প্রপার হোমিও চিকিৎসা নিয়ে সেটাকে নির্মূল করা উচিত।
বিস্তারিত

ভেরিকোসিলের মেডিক্যাল টেস্ট ও গ্রেড নির্ণয় Varicocele Diagnosis Tests & Grade

ইতিমধ্যে আপনারা জেনেছেন পুরুষদের ভেরিকোসিল হলে কি কি লক্ষণ এবং উপসর্গ দেখা দিয়ে থাকে। এবার আমরা জানবো অন্ডকোষে& Varicocele হয়েছে আপনি বুঝবেন কিভাবে অর্থাৎ ভেরিকোসিলের মেডিক্যাল টেস্ট ও গ্রেড নির্ণয় পদ্ধতি Diagnosis Tests and Grade সম্পর্কে। মূলত কিছু লক্ষণ দেখে আপনি অনুমান করতে পারেন যেমন - স্ক্রোটামের ভেতর শিরাতে রক্ত জমে গিয়ে ফুলে উঠবে। রাতের বেলায় ফোলা থাকবে না। কারো ক্ষেত্রে ব্যথা অথবা জ্বালাপোড়া হতে পারে। স্ক্রোটাম বা অন্ডথলি ঝুলে যাবে। কুঁচকির দিকে ব্যথা অনুভত হতে পারে।

তবে মেডিক্যাল টেস্ট করে সহজেই এটি নির্ণয় করা যায়। চিকিৎসক Ultrasound করে ভেরিকোসিল কন্ফার্ম করতে পারেন। এটি আবার Sonography or Ultrasonography নামেও পরিচিত। এখানে মূলতঃ সেখানকার ছবি নেয়ার জন্য শরীরের টিস্যুতে উচ্চ ফ্রিকুয়েন্সির শব্দ তরঙ্গ (High frequency sound waves) প্রবেশ করানো হয়। তবে যে নামে চিকিৎসকরা আপনাকে টেস্টটি লিখে দিবেন তা হল - USG of Scrotum.
ডায়াগনস্টিক সেন্টারে যদি আপনি আল্ট্রাসনোগ্রাম করেন তাহলেও কিছু ক্ষেত্রে ভালোভাবে সেটা নির্ণয় নাও হতে পারে। এমন কিছু রিপোর্টও আমি দেখেছি যেগুলিতে ভুল রেজাল্ট ছিল। এর কারণ হলো, যিনি টেস্ট করবেন তিনি যদি রেডিওলোজি ও ইমেজিং এ দক্ষ না হন তাহলে হয়তো আপনাকে গদবাধা একটি রিপোর্ট ধরিয়ে দিবে। তাই স্ক্রোটামের আল্ট্রাসনোগ্রাম করতে হলে অবশ্যই ভালো একটি ল্যাব থেকে করা জরুরী। এখানে শিরার প্রশস্ততা অনুসারে ভেরিকোসিলের গ্রেড নির্ধারণ করা হয়ে থাকে।
Varicocele Test Name: USG of Scrotum
-----------------------------------------------------
Grade 0:   2 - 2.5 mm
Grade 1:   2.5 - 3 mm
Grade 2:   3 - 3.5 mm
Grade 3:   > 3.5 mm
গ্রেড - ০:  ২ - ২.৫ মিলি
গ্রেড - ১:  ২.৫ - ৩ মিলি (ভালসালভা ম্যানুভারের মাধ্যমে বুঝা যায়)
গ্রেড - ২: ৩ - ৩.৫ মিলি (ভালসালভা ম্যানুভার ছাড়াও বুঝা যায়)
গ্রেড - ৩: ৩.৫ মিলি এর বেশি (এমনিতেও ভালো বুঝা যায়)
এর উপরেও গ্রেডিং করা হয়ে থাকে - গ্রেড ৪, গ্রেড ৫....। তবে ৩ গ্রেডই সমস্যা অত্যধিক তীব্রতর বলে বিবেচিত করা হয়। আল্ট্রাসনোগ্রাম করার সময় চিকিৎসক আপনাকে শ্বাস নিয়ে নিচের দিকে চাপ দিতে বলবেন যাকে আমরা Valsalva Maneuver বলে থাকি। এটি করার সময় আপনার চিকিৎসক স্ফীত শিরাগুলি নির্ণয় করবেন। সাধারণত এই প্রক্রিয়ার সময় আক্রান্ত শিরা স্বাভাবিক শিরা থেকে ৩ মিলি প্রশস্ত হয়ে থাকে। ভেরিকোসিলে আক্রান্ত হলে আপনার চিকিৎসক বন্ধ্যাত্বের সমস্যায় আক্রান্ত হয়েছেন কিনা সেটা বুঝার জন্য সিমেন টেস্টও দিতে পারেন।
বিস্তারিত

শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২০

ভেরিকোসিল Varicocele এর হোমিওপ্যাথিক পেটেন্ট ঔষধ কি আদৌ কার্যকর ?

ভেরিকোসিলের জন্য Dr. Reckeweg R42, Pekana PK 40, Rax 66, HomyoXpert Varicocele Homeopathic Medicine ইত্যাদি হলো কিছু ঔষধ কোম্পানির তৈরী করা কয়েকটি হোমিওপ্যাথিক পেটেন্ট ঔষধ। ১৫% - ২০% পুরুষই ভেরিকোসিল সমস্যায় আক্রান্ত হয়ে থাকেন এবং আক্রান্তদের মধ্যে অনেকেই নানা জটিলতায় ভুগে থাকেন তাছাড়া প্রতি ১০ জন Varicocele সমস্যায় আক্রান্ত পেসেন্টের মধ্যে ৪ জনই বন্ধ্যাত্বের সমস্যায় আক্রান্ত হয়ে থাকেন। তাই ঔষধ কোম্পানিগুলি এই সমস্যার জন্য ঔষধ তৈরি করবে এটা অস্বাভাবিক কিছু নয়।

যদিও Dr. Reckeweg R42, Pekana PK-40, Rax 66 ঔষধগুলি পায়ের ভেরিকোস ভেইন বা শিরা স্ফীতির জন্য তৈরী করা হয়েছে কিন্তু একই প্রকৃতির রোগ হওয়ায় ঔষধ কোম্পানিগুলির মার্কেটিংয়ের লোকজন সেগুলি ভেরিকোসিল চিকিৎসার ক্ষেত্রে ব্যবহারের জন্যও মার্কেটিং করে থাকে। তাছাড়া কিছু ঔষধ সরাসরি ভেরিকোসিলের জন্য তৈরী করা যেমন : HomyoXpert Varicocele Medicine.
এখন প্রশ্ন হলো এই ঔষধগুলি কি আদৌ ভেরিকোসিল নির্মূল করে ?
যদি এক কথায় উত্তর দিতে হয় তবে ৯৯.৯% ক্ষেত্রেই উত্তর হবে - না !
হ্যা, আপনি ঠিকই পড়েছেন। এই ঔষধগুলি হলো শিরাস্ফীতির ক্লিনিক্যাল আইটেম যেগুলি মূলত বেশ কিছু হোমিওপ্যাথিক ঔষধের কম্বিনেশন। এখানে কম্বিনেশনে যে ঔষধগুলি ব্যবহার করা হয়েছে সেগুলির প্রত্যেকটির আলাদা লক্ষন এবং উপসর্গ রয়েছে। ভেরিকোসিলের জন্য এভাবে ঔষধ প্রয়োগে রোগ নির্মূল হতে দেখা যায়নি বরং কিছুটা উপশম দিলেও রোগ জটিলতা দিন দিন বাড়তে দেখা গেছে। অর্থাৎ আপনার রোগ যত পুরাতন হবে তার জটিলতা দিন দিন বাড়তে থাকবে। আসুন জার্মানির কম্বিনেশন পেটেন্ট ঔষধ Dr. Reckeweg R42 এবং Pekana PK-40 এর উপাদানগুলি দেখি -
Aesculus Belladonna Calcium fluoratum
Carduus marianus Hamamelis Mezereum
Placenta Secale Vipera berus
উপরে উল্লেখিত ঔষধগুলি দিয়েই মূলত Dr. Reckeweg R 42 এবং Pekana PK 40 কম্বিনেশন ক্লিনিক্যাল আইটেম তৈরী করা হয়েছে। এই ঔষধগুলির নিম্নতম শক্তি ব্যবহার করা হয়েছে Dr. Reckeweg R42 কম্বিনেশন তৈরিতে। আবার পাকিস্তানের Rax 66 কম্বিনেশনে ব্যবহৃত হোমিও ঔষধগুলি হলো -
Populus Aesculus Calcium fluoratum
Hamamelis Pulsatilla Silicea
মূলত স্থানিক যে লক্ষণ প্রকাশ করে থাকে সেগুলি বিবেচনা করেই এই ঔষধগুলির নির্দিষ্ট একটি শক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। এই যেমন একটি ব্যথা কমাবে, একটি চুলকানি কমাবে, একটি ফোলা কমাবে, একটি রক্ত চলাচল স্বাভাবিক রাখবে ইত্যাদি। কিন্তু রোগ আদৌ নির্মূল করে না। এই ঔষধের কম্বিনেশন সাময়িক আরাম দিয়ে থাকে মাত্র। আবার কারো কারো ক্ষেত্রে সেটিও দেয় না। তবে রোগটি নতুন হলে দীর্ঘ মেয়াদী ব্যবহারে মাত্র কিছু ক্ষেত্রে প্রায় ১০০০ জনের মধ্যে ২/১ জনের ঠিক হয়ে যেতে পারে সৌভাগ্যক্রমে। কিন্তু দীর্ঘ মেয়াদী এই সকল কম্বিনেশন ঔষধ ব্যবহার আদৌ নিরাপদ নয়।
এই সকল পেটেন্ট ঔষধ মূলত হোমিওপ্যাথির নিয়মনীতির বহির্ভুত তাই এভাবে তৈরীকৃত পেটেন্ট কম্বিনেশন কোন হোমিও ঔষধ বলে বিবেচিত হয় না। বহু মানুষের মধ্যেই গোপনে নিজে নিজে ঔষধ কিনে খাওয়ার একটা প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়। এই চিন্তাধারা থেকেই কিছু ঔষধ প্রস্তুতকারক কোম্পানী এই ধরণের পেটেন্ট ঔষধ তৈরী করে থাকে। 
হোমিওপ্যাথির ক্ষেত্রে রোগীর কেইস টেকিং এর উপর ভিত্তি করে ঔষধ এবং ঔষধের নির্দিষ্ট শক্তি প্রয়োগ করে থাকেন অভিজ্ঞ চিকিৎসকগণ। তাছাড়া রোগীর রোগের পর্যায় ও তীব্রতাভেদে সময়ে সময়ে ঔষধের শক্তি বা পোটেন্সি পরিবর্তন করা হয়ে থাকে এবং রোগী ধীরে ধীরে সুস্থতার দিকে আগায় এবং একসময় সুস্থতা লাভ করে থাকেন। কিন্তু ভেরিকোসিলের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত ক্লিনিক্যাল আইটেমে বহু ক্ষেত্রেই রোগীর উপযোগী নির্দিষ্ট ঔষধগুলি এবং ঔষধের নির্দিষ্ট শক্তি থাকে না বিধায় সেগুলি  সাময়িক সময়ের জন্য কিছুটা উপশম বা আরাম দিলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রেই রোগ আরোগ্যে ব্যর্থ হয়।
কিছু কিছু পেটেন্ট হোমিওপ্যাথিক ঔষধ অন্যান্য কিছু রোগের ক্ষেত্রে কিছুটা ফলাফল দিলেও ভেরিকোসিলের ক্ষেত্রে তেমনটি দেখা যায়নি। তাই ভেরিকোসিল সমস্যা নির্মূলের জন্য অবশ্যই অভিজ্ঞ কোন হোমিও চিকিৎসকের পরামর্শক্রমে চিকিৎসা নেয়া জরুরি। চিকিৎসক আপনার উপযোগী ঔষধ নির্দিষ্ট শক্তিতে এবং নির্দিষ্ট মাত্রায় প্রয়োগ করে করে ইম্প্রোভমেন্টে নিয়ে যাবেন এবং প্রয়োজন মতো ঔষধের শক্তি পরিবর্তন করে সামনে আগাবেন। এভাবেই মূলত ভেরিকোসিলের সমস্যা স্থায়ীভাবে নির্মূল করা হয়ে থাকে।
বিস্তারিত

বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২০

পুরুষদের ভেরিকোসিল Varicocele সার্জারি কতটা নিরাপদ ও কার্যকর ?

ভেরিকোসিল Varicocele সার্জারী করার বিভিন্ন পদ্ধতি রয়েছে। এই পদ্ধতিগুলির প্রায় সবগুলিতেই মূলত স্ক্রোটামের মধ্যে শিরাগুলিতে (Pampiniform plexus veins) রক্ত চলাচল বন্ধ করার ব্যবস্থা করা হয়ে থাকে। সার্জারি করার পূর্বে স্থানিক চেতনানাশক ব্যবহার করা হয়ে থাকে। সাধারণত নিন্মোক্ত দুই ধরনের অস্ত্রোপচার বা সার্জারী পদ্ধতি বেশি প্রচলিত -

মাইক্রোস্কোপিক ভেরিকোসিলেক্টমি (Microscopic Varicocelectomy)

এই প্রক্রিয়ায় সার্জন স্ক্রোটামের উপরে ১ সেন্টিমিটার পর্যন্ত কেটে থাকেন। এটি আবার পেটের দিকে বা কুঁচকির নিচের দিকে কেটেও করা হয়ে থাকে। নির্দিষ্ট শিরাতে রক্ত প্রবাহ বন্ধ করতে সেটি কেটে দুই পাশ ব্লক করে দেয়া হয় অথবা বেঁধে দেয়া হয়। প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ হতে ২ থেকে ৩ ঘন্টা সময় নেয়।

ল্যাপারোস্কপিক ভেরিকোসিলেক্টমি (Laparoscopic Varicocelectomy)

এই প্রক্রিয়ায় মূলত আক্রান্ত শিরাগুলিতে রক্ত চলাচল বন্ধ করতে পেটে চিকন টিউব প্রবেশ করানো হয়ে থাকে এবং আক্রান্ত শিরাতে রক্ত চলাচল বন্ধ করার জন্য দুইপাশ ব্লক করে মাঝে কেটে দেয়া হয়। প্রায় ৩০-৪০ মিনিটের মধ্যেই এটি সম্পন্ন করা যায়।
পুরুষদের ভেরিকোসিল Varicocele সার্জারি
সার্জারী করার ফলাফল ও ঝুঁকি:
  • উপরিউক্ত দুটি সার্জারীর ক্ষেত্রেই ফলাফল একই হয়ে থাকে - কারো ক্ষেত্রে ভেরিকোসিল থেকে যায়। 
  • সার্জারী মূলত ভেরিকোসিলের একটি স্থানীক এবং সাময়িক সমাধান কোন স্থায়ী সমাধান নয়। ভেরিকোসিলের মূল সমস্যা হলো টেস্টিকুলার ভেইনের ভাল্ব অকেজো থাকে কিন্তু এখানে সেটা ঠিক করার কোন ব্যবস্থাই করা হয় না। তাই ব্যথা সাময়িক ভাবে কমলেও ভেরিকোসিল আবার হয়ে যায় অন্যান্য শিরাতে।
  • সার্জারি করে সাময়িক কিছুটা আরাম পাওয়া যায় মাত্র। কিছুটা সময় পর আবার আগের থেকে আরো বেশি তীব্রতর আকারে ভেরিকোসিলের লক্ষণ প্রকাশ পায়।
  • সার্জারী করার পর হাইড্রোসিল হওয়ার ঝুঁকি থাকে।
  • সার্জারী করার সময় টেস্টিকুলার আর্টারি ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে।

পারকিউটেনিয়াস এম্বোলাইজেশন (Percutaneous Embolization)

এই মূলত মেইন টেস্টিকুলার ভেইনে করা হয়ে থাকে। সেখানে এঞ্জিওগ্রাফিক্যালি শিরাতে রক্ত প্রবাহ বন্ধ করা হয়ে থাকে। প্রথমে মেইন টেস্টিকুলার ভেইনে একটি ক্যাথেটার স্থাপন করা হয়ে থাকে। তারপর বিশেষ ধরণের প্লাগস (যাকে আমরা কয়েল বলে থাকি) স্থাপন করা হয়ে থাকে। দুটি কয়েলের মাধবর্তী স্থানে স্ক্লেরোসেন্ট ফোম (Sclerosant foam) ইনজেক্ট বা প্রবেশ করানো হয়। এই প্রক্রিয়ায় ভেইনে রক্ত প্রবাহ বন্ধ করে সেখানে ভেরিকোসিল নিয়ন্ত্রণ করা হয়ে থাকে।
এই প্রক্রিয়ার ফলাফল ও ঝুঁকি:
  • ভেরিকোসিল থেকে যায় কারো কারো ক্ষেত্রে। 
  • কিছুটা সময় ভালো থাকলেও আবার ভেরিকোসিল হয়ে যায় তখন এর তীব্রতা থাকে বহুগুণ বেশি। 
  • কয়েল যেখানে স্থাপন করা হয় সেখান থেকে সরে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে।
  • সেখানে ইনফেকশন হওয়ার ঝুঁকি থাকে। 

ভেরিকোসিল সার্জারি কতটা নিরাপদ ?  

সার্জারি মূলত ভেরিকোসিলের স্থায়ী কোন সমাধান নয়। এটি ব্যথা এবং অস্বস্থি লাঘবের একটি সাময়িক ব্যবস্থা মাত্র। সার্জারি করার ২ মাস থেকে ২/৩ বছরের মধ্যেই সমস্যা আরো দ্বিগুন বেগে দেখা দেয়, তবে মাঝের এই সময়টাতে কিছুটা আরাম পাওয়া যায়। যেহেতু এলোপ্যাথিতে ভেরিকোসিলের কোন চিকিৎসা নেই তাই ডাক্তারের কাছে দ্বিতীয়বার গেলে রোগীদের পুনরায় সার্জারি করতে বলা হয় অথবা তাদের ফিরিয়ে দেয়া হয়। ঐ সকল ভুক্তভুগী রোগীরা তখন হোমিওপ্যাথি চিকিৎসার আশ্রয় নিয়ে থাকে এবং যথাযথ হোমিও চিকিৎসার মাধ্যমে ধীরে ধীরে সুস্থতা লাভ করে।

কোন ভালো এলোপ্যাথিক চিকিৎসকই আপনাকে ভেরিকোসিল সার্জারি করতে বলবে না তারা আপনাকে অভিজ্ঞ কোন হোমিও চিকিৎসকের কাছে পাঠিয়ে দিবে। যেসব পুরুষদের বয়স ৬০ বছরের উপর তাদের সার্জারি করলে হয়তো তেমন কোন সমস্যা নেই কিন্তু তরুণ এবং যুবকদের ভেরিকোসিল সার্জারি করলে পরিণামে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সারাজীবন ভুগতে হয়।
বিস্তারিত

বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২০

পুরুষদের ভেরিকোসিল Varicocele এর হোমিওপ্যাথিক ঔষধ ও চিকিৎসা

ইতিপূর্বে আপনারা জেনেছেন পুরুষদের ভেরিকোসিল Varicocele কেন হয়, কিভাবে হয়, এই রোগের লক্ষণ উপসর্গ জটিলতা, হোমিওপ্যাথিক কি কি পেটেন্ট ঔষধ রয়েছে এবং ভেরিকোসিলের বিভিন্ন সার্জারি পদ্ধতি ও এ সংক্রান্ত কি কি জটিলতা হতে পারে। এ পর্বে আমরা জানবো স্ক্রোটামের ভেরিকোসিল সমস্যা হলে রেপার্টরীর আলোকে এর হোমিওপ্যাথিক ঔষধ ও চিকিৎসা কি হতে পারে।

যেহেতু পুরুষদের জটিল এই রোগের কোন এলোপ্যাথিক ঔষধ বা চিকিৎসা নেই তাই অনেকেই ইন্টারনেট সার্চ করে নানা প্রকার হোমিওপ্যাথিক ঔষধের নাম জেনে নিজে নিজে সেগুলি খাওয়া শুরু করে দেয়। অথচ হোমিওপ্যাথিক ঔষধ প্রয়োগ করার নির্দিষ্ট নিয়মনীতি রয়েছে। এর বাহিরে গিয়ে এলোপ্যাথির মত হোমিও ঔষধ প্রয়োগ করলে আদৌ কোন কাজে আসে না, কিছু ক্ষেত্রে সাময়িক কিছুটা উপশম বা আরাম দিয়ে থাকে মাত্র। তাছাড়া ক্রমাগত স্থূল মাত্রায় হোমিও ঔষধ অনবরত খাওয়ার ফলে রোগ মুক্তি তো দূরের কথা কেউ কেউ উল্টো নানা প্রকার স্বাস্থ জটিলতায় আক্রান্ত হচ্ছেন। জেনে রাখা ভালো - আপনার সমস্যার উপযোগী নির্দিষ্ট হোমিওপ্যাথিক ঔষধ নির্দিষ্ট শক্তিতে নির্দিষ্ট মাত্রায় প্রয়োগ করাই হলো আপনার জন্য নিরাপদ। আর এটা করতে পারেন দক্ষ একজন হোমিও চিকিৎসক।

অনেকেই আমাকে ফোন করে বলেন স্যার, ইন্টারনেট সার্চ করে দেখলাম একজন হোমিও ডাক্তার ভেরিকোসিলের জন্য Hamamelis, Rhus Tox, Nux Vomica, Pulsatilla, Arnica খেতে বললেন। আমি ডাক্তার যেভাবে বললেন আমি সেভাবেই ঔষধ খেলাম কিন্তু আমার ভেরিকোসিল ভালো হয়নি।

আবার কেউ কেউ ফোন করে বলছেন একজন ডাক্তার আমাকে Aurum metallicum, Spongia, Conium, Calcarea fluor, Acid Fluor ইত্যাদি খেতে বললেন আমি তার কথায় নির্দিষ্ট নিয়মে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত ঔষধ খেলাম কিন্তু আমার ভেরিকোসিল ভালো হয়নি। কেউ কেউ বলছেন ইন্ডিয়ার এক ইউটিউবে ডাক্তারের পরামর্শে Dr. Reckeweg R42 Varicocele Drop, Rhododendron দীর্ঘ দিন যাবৎ খেয়েও আমার ভেরিকোসিল ভালো হয়নি বরং ভেরিকোসিলের গ্রেড আরো বেড়েছে।
হোমিওপ্যাথিতে নির্দিষ্ট রোগের নির্দিষ্ট কোন ঔষধ নেই। তবে রেপার্টরীতে নির্দিষ্ট নামের রোগের জন্য আপনি বহু হোমিও ঔষধ পেয়ে যাবেন। কিন্তু সেই ঔষধগুলি রোগীর বর্তমান সমস্যা, সার্বদৈহিক অবস্থা ও তার কস্টিটিউশনের আলোকে নির্দিষ্ট নিয়মনীতি অনুসরণ করে চিকিৎসকগণ নির্দিষ্ট মাত্রায় প্রয়োগ করে থাকেন। তাই একেক জনের ক্ষেত্রে কস্টিটিউশন অনুসারে একই নামের রোগের ক্ষেত্রে একেক রকম হোমিও ঔষধ আসবে।
ইন্টারনেটে এবং ইউটিউবে ডাক্তাররা বলছে, ঔষধ খেলেই আমি ভালো হয়ে যাবো অথচ তারা যেভাবে বলছে সেভাবে খেয়েও আমি সুস্থ হচ্ছিনা। এর কারণ মূলত কি? যারা সস্তা পাবলিসিটি করে বেড়ায়, ইউটিউবে সস্তা লাইক আর সাবস্ক্রাইব নেয়ার জন্য আপনাকে প্রলুব্ধ করে বেড়ায় তাদের প্রেসক্রাইব করা ভুল ঔষধ ভুল ভাবে আপনি আপনার শরীরে অযথাই প্রয়োগ করছেন হোমিওপ্যাথির কোন প্রকার নিয়মনীতি না মেনেই। আর তাই ঔষধও কাজ করছে না। আপনাকে আগে জানতে হবে এলোপ্যাথি আর হোমিওপ্যাথি দুটি সম্পূর্ণ আলাদা চিকিৎসা শাস্ত্র। দুইটার চিকিৎসক, মেডিসিন এবং মেডিসিনের প্রয়োগ পদ্ধতি সম্পূর্ণ ভিন্ন। হোমিও ঔষধ প্রয়োগ করার নির্দিষ্ট নিয়মনীতি রয়েছে। এর বাহিরে গিয়ে এলোপাথির মতো সারা জীবন ধরে হোমিও ঔষধ খেয়ে গেলেও আপনার কোন উপকারে আসবে না বরং উল্টো ক্ষতিগ্রস্থ হবেন নিজের অজান্তেই।

এবার আসুন ভেরিকোসিল চিকিৎসায় কি কি হোমিও ঔষধ ব্যবহার করা যেতে পারে সে সম্পর্কে বিশদ আলোচনায় যাই। প্রথমেই দেখুন James Tyler Kent এর রেপার্টরীতে Genitalia অধ্যায়ে Varicocele এর জন্য কি কি ঔষধ নির্দেশ করা আছে -
Hering's The Guiding Symptoms of Our Materia Medica এ ভেরিকোসিলের কি কি ঔষধ নির্দেশ করা আছে -
এবার আসুন জনপ্রিয় Synthesis Repertory তে পুরুষদের ভেরিকোসিলের জন্য কি কি ঔষধ নির্দেশ করা আছে 
ঔষধের নামের অক্ষরের স্টাইল এবং কালার মূলতঃ ঔষধের গুরুত্ব অনুসারে তাদের গ্রেড বুঝানো হয়ে থাকে। বিষয়টা আমার ভিডিওটি দেখলেই ভালো ভাবে বুঝতে পারবেন। হয়তো খেয়াল করলে দেখতে পাবেন সবগুলি রেপার্টরি প্রায় একই ঔষধ নির্দেশ করছে। আর পুরুষদের অন্ডথলির শিরাস্ফীতি বা ভেরিকোসিলের জন্য সর্বাগ্রে হোমিও চিকিৎসকগণ এই ঔষধগুলিই চিন্তা করে থাকেন তাও আবার যারা রেপার্টরি ব্যবহার করতে জানেন।

আপনারা যারা ইন্টারনেট বা ইউটিউব সার্চ করে করে ঔষধের নাম জানতে চান তারা মূলত ঘুরে ফিরে এই ঔষধ গুলিই পেয়ে থাকেন। কিন্তু রোগের ঔষধ সাজানো আছে অথচ ঔষধ খেয়েও আপনার রোগ সারছে না কেন ? উত্তর খুব সহজ। আপনি এলোপ্যাথিক নিয়মে হোমিওপ্যাথিক ঔষধ খেয়ে আদৌ কোন রেজাল্ট পাবেন না কিছুটা উপশম ছাড়া। এখান থেকে ঔষধ প্রয়োগ করতে হলে আপনার বিস্তারিত তথ্যাদির অনুসন্ধান করা জরুরি এবং হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার রয়েছে নিজস্ব নিয়মনীতি। সেই আলোকে একজন অভিজ্ঞ হোমিও চিকিৎসকই মূলত মেডিসিন সিলেক্ট, মাত্রা নির্ণয় এবং প্রয়োগের মতো কঠিন কাজটি করতে পারেন।

যেমন ধরুন এখানে একটি মেডিসিন আছে Lachesis. এই ঔষধ প্রয়োগ করতে হলে ঔষধটির একটি সার্বিক চরিত্র আপনার মধ্যে থাকতে হবে তা নাহলে এই ঔষধ আপনার ভেরিকোসিল আদৌ সারাবে না। ঔষধের সার্বিক চরিত্র আপনার কেইস টেকিং করেই মূলত চিকিৎসক নির্ণয় করবেন এবং ঔষধটি একটি নির্দিষ্ট শক্তিতে এবং নির্দিষ্ট মাত্রায় আপনার শরীরে প্রয়োগ করবেন। এখানে চিকিৎসক কেইস টেকিং এর সময় আপনার পিপাসা, জিহ্বা, লালা, ক্ষুধা, খাদ্য, ঘুম, ঘাম, পায়খানা, প্রস্রাব, স্বপ্ন, কিসে আপনার সমস্যা বাড়ছে, কখন বাড়ছে, কিসে সমস্যা কমছে এবং কখন কমছে এই সব কিছু আপনার থেকে জেনে নিবেন এবং নোট করবেন।
এলোপ্যাথিতে রোগ নির্ণয়ের জন্য নানা প্রকার মেডিক্যাল টেস্টের প্রয়োজন হয়। যার জন্য আলাদা টাকা পয়সা খরচ করতে হয়। হোমিওপ্যাথিতে এর জন্য কোন টেস্ট করে আলাদা ভাবে টাকা পয়সা খরচ করার প্রয়োজন নেই। হোমিও ঔষধ প্রয়োগের রয়েছে নির্দিষ্ট নিয়মনীতি। এখানে কেইস টেকিং করে ঔষধ সিলেকশন করতে হয় ক্রনিক রোগের ক্ষেত্রে। তাই আপনার হিস্ট্রি নেয়ার সময় চিকিৎসককে কিছুটা সময় ও প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে সাহায্য করতে হবে আপনার নিজের স্বার্থেই অন্যথায় আপনি নিজেই ক্ষতিগ্রস্থ হবেন। 
কেইস টেকিং করে চিকিৎসক আপনার জন্য নির্দিষ্ট ঔষধটি বের করে সেটি নির্দিষ্ট শক্তিতে এবং নির্দিষ্ট মাত্রায় আপনার শরীরে প্রয়োগ করবেন। তাতে দেখা যায় প্রপার হোমিও ট্রিটমেন্ট নিলে খুব জটিল প্রকৃতির ভেরিকোসলও ধীরে ধীরে সেরে যায়। ব্যক্তি বিশেষে আরোগ্য লাভের সময়টা হয়তো  কম বেশি লাগে। 
ভেরিকোসিলের চিকিৎসা নেয়ার জন্য পুরুষরা যখন হোমিও ডাক্তারের কাছে আসেন তখন তাদের রোগের তীব্রতা থাকে অনেক বেশি এবং এর সাথে আরো অনেক রোগেও তারা আক্রান্ত থাকেন। অর্থাৎ রোগীর মধ্যে এক সাথে অনেকগুলি সমস্যা থাকে। চিকিৎসক রোগীর পা থেকে মাথা পর্যন্ত বিস্তারিত হিস্ট্রি নিয়ে ঠিকঠাক ওষুধ প্রয়োগ করার পরও দেখা যায় রোগীর রোগ সারছে না অনেক ক্ষেত্রেই। এবার বুঝেন অবস্থা ! যেখানে ঠিকঠাক ভাবে ঔষধ প্রয়োগ করে চিকিৎসককেই রোগ সারাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে সেখানে আপনি ইন্টারনেট সার্চ করে ঔষধের নাম বের করে নিজে নিজে ঔষধ প্রয়োগ করছেন আপনার শরীরে। এবার হয়তো আপনি চিন্তায় পড়ে গেলেন !

যখন এভাবে ঔষধ প্রয়োগ করার পরও কোন রেসপন্স আসছে না তখন এক্সপার্ট হোমিও চিকিৎসকরা মূলত রোগীর ভিন্ন একটি দিকে দৃষ্টি দেন আর সেটা হলো তার কনস্টিটিউশন (Constitution)। বিষয়টি হয়তো আপনার কাছে এবার কিছুটা হলেও জটিল মনে হতে পারে। হ্যা, হবারই কথা। কারণ এইগুলি নিতান্তই হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকদের বিষয়, যারা বছরের পর বছর পড়াশোনা করে এই বিদ্যা আয়ত্ব করেছেন। এটা হোমিওপ্যাথির বাহিরে কোন এলোপ্যাথিক ডাক্তার বা সাধারণ লোকদের বিষয় নয়। আসুন দেখি পেসেন্টরা কি কি কনস্টিটিউশনের হয়ে থাকে এবং সেগুলির ক্ষেত্রে কি কি মেডিসিন হতে পারে। এখানে মূলত আমি Synthesis Repertory রেপার্টরি থেকেই বিষয়টি আপনাদের দেখাচ্ছি -
কনস্টিটিউশন (Constitution) অনুসারে ঔষধগুলিও আপনারা দেখুন -
এবার আপনার চিকিৎসক বেশ অভিজ্ঞতা সম্পন্ন হলেই তিনি আপনার কনস্টিটিউশনে হাত দিবেন। তখন হয়তো কেইস টেকিং এর পরিধি আরো বাড়বে। চিকিৎসক আপনার ছেলেবেলা থেকে আজ পর্যন্ত সকল রোগের ইতিহাস, আপনার জীবনদর্শন, আপনার পিতা-মাতা, দাদা-দাদি, নানা-নানী কে কোন রোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন সব কিছুই রেকর্ড করে আপনার কনস্টিটিউশন অনুসারে আপনার জন্য উপযুক্ত ঔষধ বের করবেন। এবার ভাবুন, ভেরিকোসিলের জন্য আপনি হয়ত ইন্টারনেট ঘেটে কয়েকটা ঔষধের নাম জেনেই আত্মতৃপ্তি নিয়ে বসে ছিলেন। অথচ এই সমস্যার জন্য আপনার চিকিৎসককে কতগুলি ঔষধ চিন্তা করতে হচ্ছে। 

এখন হয়তো আপনি কিছুটা হলেও বুঝতে পারছেন, শুধু হোমিও ঔষধ রোগের নাম ধরে এলোপ্যাথির মতো খেয়ে গেলেই রোগ সেরে যায় না। এর জন্য রয়েছে নির্দিষ্ট নিয়ম নীতি। তাই এক্সপার্ট কোন হোমিও চিকিৎসকের পরামর্শক্রমে চিকিৎসা নেয়া অধিক জরুরি। ভালো থাকুন, ধন্যবাদ। 
বিস্তারিত

মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল, ২০২০

ভেরিকোসিল Varicocele রোগীদের জীবন যাপনে কিছু বিধি নিষেধ

আগের পর্বগুলিতে পুরুষদের ভেরিকোসিল Varicocele অন্ডকোষের শিরাস্ফীতি কি, কিভাবে হয়, এর জটিলতা, চিকিৎসা পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। এ পর্বে আমরা জানবো ভেরিকোসিল রোগীদের জন্য কিছু বিধি নিষেধ সম্পর্কে।

যারা ভেরিকোসিলে আক্রান্ত হন তাদের স্ক্রোটাম ঝুলে যেতে দেখা যায়। সে সময় ব্যথা অনুভূত হওয়া এবং তীব্র অস্বস্থির জন্ম দিয়ে থাকে। অনেকেই তখন বেঁধে রাখার জন্য ব্যবস্থা করে থাকেন। ইতিমধ্যে আপনারা জেনেছেন ভেরিকোসিল হলে কি কি যন্ত্রণাদায়ক লক্ষণ এবং উপসর্গ দেখা দেয়। ভেরিকোসিল সুচিকিৎসার পাশাপাশি আরো কিছু মেইনটেনেন্স এর প্রয়োজন পড়ে যা প্রত্যেক রোগীকেই পালন করা কর্তব্য। আসুন এ সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিই -

খাবার দাবারে বিধি নিষেধ

  • মাংস, চর্বিজাতীয় ও উচ্চ প্রোটিন জাতীয় খাবার বর্জন করুন
  • তৈলাক্ত খাবার, ভাজাপোড়া, ফাস্টফুড, জাংফুড বর্জন করুন
  • মিষ্টি, চিনি এবং মিষ্টি জাতীয় খাবার বর্জন করুন
  • চা, কফি এবং গরুর দুধ বর্জন করুন
  • শাকসবজি, ফল এবং ফলের জুস থেকে পারেন
  • যেসব খাবার আপনার কোষ্ঠকাঠিন্য তৈরি করে সেগুলি বর্জন করুন

জীবন যাপনে বিধি নিষেধ

  • কর্মস্থলে টানা দাঁড়িয়ে থাকবেন না, মাঝে মাঝে বসুন
  • টানা বসেও থাকবেন না মাঝে মাঝে হাঁটাচলা করুন
  • তীব্র গরম পরিবেশে দীর্ঘক্ষণ কাজ করা থেকে বিরত থাকুন
  • দীর্ঘ সময় গাড়ি বা মোটর সাইকেল চালানো থেকে বিরত থাকুন
  • টাইট প্যান্ট বা কাপড় পড়া থেকে সম্পূর্ণ বিরত থাকুন
  • বাসায় থাকলে লুঙ্গি পড়ুন অর্থাৎ স্থানটি যাতে কখনো গরম হয়ে না যায় খেয়াল রাখুন
  • আক্রান্ত শিরাতে দিনে কয়েকবার বরফ লাগান যাতে ঠান্ডা থাকে
  • গোসলের সময় শুরুতেই মাথায় পানি ঢালবেন না
  • গোসলের সময় প্রথমেই পানি দিয়ে স্থানটি ভিজিয়ে নিন। তারপর পায়ের গোড়ালী, তারপর হাটু পর্যন্ত, তারপর কোমড় এবং সর্বশেষে মাথায় পানি ঢালুন
  • অধিক ভারী জিনিস উত্তোলন করা থেকে বিরত থাকুন
  • হালকা ব্যায়াম এবং সকাল বিকাল হাঁটা চলা করা
  • ব্যথা তীব্র হলে বিছানায় শুয়ে পা দুটি কিছুক্ষন উপর দিকে দিয়ে রাখুন

যা থেকে বিরত থাকবেন

  • চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া যখন তখন এন্টিবায়োটিক ও ব্যথা নাশক ঔষধ খাবেন না
  • তীব্র যৌন উত্তেজনা সৃষ্টি করে এমন ঔষধ খাওয়া পরিহার করুন
  • নিজ নির্বাচনে অনবরত ঔষধ স্থুলমাত্রায় হোমিওপ্যাথিক ঔষধ খাওয়া থেকে বিরত থাকুন
ইন্টারনেট বা বিভিন্ন সোর্স থেকে নাম জেনে বিভিন্ন হোমিওপ্যাথিক ঔষধ স্থুলমাত্রায় অনবরত খেয়ে যাবেন না। এলোপ্যাথিক ঔষধ এবং অসদৃশ হোমিওপ্যাথিক ঔষধ অনবরত খেতে থাকলে সেটা সাময়িক কিছুটা আরাম দিলেও আপনার মধ্যে মেডিসিনাল ট্রমা তৈরি করবে এবং দিন দিন আপনার ভাইটাল ফোর্স দুর্বল হতে থাকবে। যার ফলে আপনি আরো নানা প্রকার স্বাস্থ সমস্যায় ভুগতে থাকবেন। বিশেষ করে আপনি দেখবেন, সব কাজকর্ম ঠিকই করে যেতে পারছেন অথচ আপনি ভালো নেই।  তাই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া এলোপ্যাথি বা হোমিওপ্যাথি যেকোন ঔষধ খাওয়া থেকে বিরত থাকুন।  
যে সকল পেসেন্ট আমার ট্রিটমেন্টে থাকেন দ্রুত সুস্থতার জন্য তাদের অবস্থার আলোকে বিধি নিষেধ বা মেইনটেনেন্সটা কিছু দিনের জন্য আমি নির্ধারণ করে দেই যা ব্যক্তি বিশেষে একেক জনের ক্ষেত্রে একেক রকম হয়ে থাকে। অর্থাৎ আপনার চিকিৎসক আপনার মেইনটেনেন্স নির্ধারণ করে দিবেন যা মূলত চিকিৎসকের দক্ষতার উপর নির্ভর করে।
বিস্তারিত

পুরুষদের ভেরিকোসিল Varicocele নির্মূলের প্রামাণ্য কেইস

পুরুষদের ভেরিকোসিল Varicocele, এপিডিডাইমাল সিস্ট এবং বন্ধ্যাত্ব নির্মূলের প্রামাণ্য কেইস
বিস্তারিত