Showing posts with label পুরুষের স্বাস্থ্য. Show all posts
Showing posts with label পুরুষের স্বাস্থ্য. Show all posts

Wednesday, October 9, 2019

স্পার্মাটিক কর্ড বা শুক্রবাহী নালীতে টিউমার Spermatic Cord Tumor চিকিৎসা হোমিওপ্যাথি

পুরুষদের স্পার্মাটিক কর্ড বা শুক্রবাহী নালীতে অনেকের ক্ষেত্রে টিউমার হতে দেখা যায়। ঠিক কি কারণে Spermatic Cord Tumor হয় এর সঠিক কারণ অনেক ক্ষেত্রেই জানা যায় না। তবে অনেকের ক্ষেত্রে আঘাতের ফলেও এই টিউমার তৈরী হতে পারে। যখন এই সমস্যা হয় তখন অনেক পুরুষই বিষয়টি আমলে নেন না। এক সময় এটি তাদের বন্ধ্যাত্বের সমস্যাও তৈরী করতে পারে।
এখানে যে টিউমারগুলি হয়ে থাকে তাদের অধিকাংশই বিনাইন প্রকৃতির। যেমন লাইপোমা। তবে দেখা গেছে প্রায় ২৫% ক্ষেত্রে মালিগন্যান্ট প্রকৃতির কিছু টিউমার হয়ে থাকে। যেমন -
  • Liposarcoma
  • Leiomyosarcoma
  • Rhabdomyosarcoma
  • Malignant fibrous histiocytoma
  • Fibrosarcoma
স্পার্মাটিক কর্ড বা শুক্রবাহী নালীতে টিউমার হলে কি কি লক্ষণ বা উপসর্গ দেখা দিতে পারে আসুন জেনে নেই -
  • স্পার্মাটিক কর্ডে ফোলা অনুভূত হবে 
  • কারো ক্ষেত্রে শক্ত এবং কারো ক্ষেত্রে কিছুটা নরম অনুভত হতে পারে 
  • কারো ক্ষেত্রে ব্যথা অনুভত হতে পারে আবার কারো ক্ষেত্রে ব্যথা থাকে না
  • কারো ক্ষেত্রে শিরার পাশাপাশি অন্ডোকোষেও ব্যথা হতে পারে 
  • ইনফ্লামেশন বেশি থাকলে  অন্ডোকোষ ফোলে যেতে পারে 
স্পার্মাটিক কর্ড বা শুক্রবাহী নালীতে টিউমার হলে অবস্ট্রাক্টিভ এজোস্পারমিয়া বা একপ্রকার পুরুষ বন্ধ্যাত্ব হতে পারে। সঠিক সময়ে এই রোগের চিকিৎসা না নিলে এটি বেশ জটিল আকার ধারণ করে। এই সমস্যা নির্মূলের মূলত কোন ভালো এলোপ্যাথিক চিকিৎসা নেই। স্পার্মাটিক কর্ড বা শুক্রবাহী নালীতে টিউমার Spermatic Cord Tumor নির্মূলের উন্নত চিকিৎসা মূলত হোমিওপ্যাথি। তবে এর জন্য এক্সপার্ট একজন হোমিও চিকিৎসকের পরামর্শ ক্রমে চিকিৎসা নেয়া জরুরী। 
বিস্তারিত

Friday, September 27, 2019

টেস্টিস বা অন্ডকোষের টিউমার ! স্থায়ী মুক্তি হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা

পুরুষদের টেস্টিস বা অন্ডকোষে যখন টিউমার হয় তখন তাকে Testicular Tumor বলা হয়ে থাকে। টেস্টিস বা অন্ডকোষের টিউমার হয় এর প্রকৃত কারণ অজানা। অন্ডকোষের বা টেস্টিকুলার টিউমার মূলত ২০ থেকে ৩৫ বছর বয়সী পুরুষদের ক্ষেত্রেই বেশি হতে দেখা যায়।
এখানে বিভিন্ন প্রকারের টিউমার হতে দেখা যায়। Germ cell tumors (95%) যেগুলির মধ্যে রয়েছে Seminoma tumor (40%) এবং Nonseminoma tumors 60% এর মধ্যে রয়েছে Embryonal carcinoma, Teratoma, Testicular choriocarcinoma, Yolk sac tumor, Mixed germ cell tumors তারপর আরেক প্রকারের মধ্যে রয়েছে Non germ cell tumors (5%) এখানে রয়েছে Leydig cell tumors, Sertoli cell tumors এবং Secondary testicular tumors যেমন Lymphoma. যখন অন্ডকোষে টিউমার হয় তখন মূলত টেস্টিস হঠাৎ করে ফুলে যায়, অস্বাভাবিকভাবে বড় হয়ে যায়। কারো ক্ষেত্রে ব্যথা থাকে কারো ক্ষেত্রে থাকে না।
টেস্টিস বা অন্ডকোষের টিউমার - লক্ষণসমূহ
  • টেস্টিসের অস্বাভাবিকভাবে বড় হওয়া
  • টেস্টিস হঠ্যাৎ ফুলে যাওয়া
  • বেশিরভাগ সময় ব্যথা থাকে না
  • কখনও কখনও প্রচন্ড ব্যথা নিয়েও আসতে পারে
  • ছোট বাদাম আকার থেকে কোকোনাট সাইজ পর্যন্ত হতে পারে
  • দূরবর্তী স্থানে ছড়াইয়া পরতে পারে যেমনঃ পেটে, গলায়, ফুসফুসে ইত্যাদি স্থান
  • স্তন ফুলে যেতে পারে
টেস্টিস বা অন্ডকোষের টিউমার - চিকিৎসা 
এই সমস্যার তেমন কোন এলোপ্যাথিক চিকিৎসা না থাকলেও হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় অন্ডকোষের টিউমার দূর হয়ে যায়।
বিস্তারিত

Thursday, September 12, 2019

যুবকদের যৌন সমস্যা নির্মূলের অব্যর্থ চিকিৎসা রয়েছে 100% Natural

প্রি-ম্যাচিউর ইজাকুলেশেন বা সহবাসে স্থায়িত্বের অভাব, ইরেকশন ফেইলিউর বা পুরুষাঙ্গের উত্থানে দুর্বলতা, পেনিট্রেশন ফেইলিউর বা যৌনাঙ্গ ছেদনে অক্ষমতা। উত্থান জনিত সমস্যা, ইরেকশন সমস্যা সমাধান, পুরুষত্বহীনতা দূর করার উপায়, ধ্বজভঙ্গ রোগের চিকিৎসা, শীঘ্রপতন বন্ধ করার ঔষধ, ইরেকটাইল ডিসফাংশন এর সমাধান হলো যথাযথ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা গ্রহণ করা। তবে এর জন্য এমন একজন হোমিও চিকিৎসকের পরামর্শক্রমে চিকিৎসা নেয়া দরকার যিনি ক্লাসিক্যাল, ক্লিনিক্যাল এবং কমপ্লেক্স হোমিওপ্যাথিতে পারদর্শী।
পুরুষের শারীরিক অক্ষমতা বা দুর্বলতা আজকাল আমাদের সমাজে প্রকট আকার ধারণ করছে। একদম তরুণ থেকে শুরু করে যেকোনো বয়সী পুরুষের মাঝে দেখা যাচ্ছে এমন যৌন সমস্যা।অনেক পুরুষ অকালেই হারিয়ে ফেলছেন নিজের সক্ষমতা, উঠতি বয়সের যুবকরা রীতিমতো হতাশ হয়ে পড়ছেন। এতে বাড়ছে দাম্পত্যে অশান্তি, সন্তানহীনতার হার। এই সমস্যা দূর করতে গিয়ে ৮০% তরুণরাই ভুল চিকিৎসার শিকার হচ্ছেন এবং অকালে হারাচ্ছেন জীবনের সুখ স্বাচ্ছন্দ। আপনার মনে রাখা জরুরী। পুরুষ ও মহিলাদের যৌন সংক্রান্ত সমস্যাগুলি নিরাময়ের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া এবং অব্যর্থ চিকিৎসা হলো হোমিওপ্যাথি।
বিস্তারিত

Monday, September 9, 2019

পুরুষদের অন্ডকোষের জটিল রোগসমূহ | অন্ডকোষের রোগব্যাধি VS পুরুষ বন্ধ্যাত্ব

পুরুষদের কিছু জটিল স্বাস্থ্য সমস্যা রয়েছে যেগুলির সময় মত চিকিৎসা না নিলে জীবনভর ভুগতে হয়। কিছু কিছু ক্ষেত্রে আরো অধিকতর জটিলতা তৈরী করে থাকে। তাই প্রত্যেক পুরুষকেই বিষয়গুলি সম্পর্কে জেনে রাখা দরকর। Low Testosterone, Low Sexual Desire, Low Sperm Count, Azoospermia, Orchitis, Varicocele, Spermatocele, Hydrocele, Epididymitis, Testicular Atrophy, Testicular Microlithiasis 
এই সকল সমস্যার ভাল এলোপ্যাথিক চিকিৎসা না থাকলেও উন্নত হোমিও চিকিৎসা রয়েছে। তবে এর জন অভিজ্ঞ কোন হোমিও চিকিৎসকের পরামর্শক্রমে চিকিৎসা নেয়া জরুরি।
বিস্তারিত

Thursday, August 15, 2019

স্বপ্নদোষ Nocturnal Emission! কখন স্বাস্থ্য সম্মত কখন রোগ এবং চিকিৎসা কি?

ছেলেরা বয়ঃসন্ধিকালে পৌঁছালে তাদের বীর্যথলিতে বীর্য এবং অন্ডকোষে শুক্রাণু তৈরি হয়। সময়ের সাথে সাথে বীর্য ক্রমাগত বীর্যথলিতে জমা হতে থাকে। বীর্যথলির ধারণক্ষমতা পূর্ণ হওয়ার পর নিদ্রারত অবস্থায় অনিচ্ছাকৃতভাবে বীর্যপথে বীর্যপাত ঘটে দেহে বীর্যের ভারসাম্য নিয়ন্ত্রিত হয়, একেই স্বপ্নদোষ বলা হয়। স্বপ্নদোষের সময় অনেকে স্বপ্নে অবচেতনভাবে যৌন কর্মকাণ্ডের প্রতিচ্ছবি অবলোকন করেন, তবে উক্ত অনুভূতি ছাড়াও স্বপ্নদোষ সঙ্ঘটিত হয়। ব্যক্তিবিশেষের ক্ষেত্রে স্বপ্নদোষে বীর্যপাতের পরিমাণ কম বা বেশী হতে পারে।
স্বপ্নদোষ নারীদের ক্ষেত্রেও হতে পার, তবে তাঁর মাত্রা পুরুষদের তুলনায় অনেক কম। এছাড়া মেয়েদের স্বপ্নদোষের ফলে সাধারণত বীর্য নির্গত হয় না, ফলে তা স্বপ্নদোষ কিনা সেটি সহজে চিহ্নিত বা নির্ণয় করা যায় না।

স্বপ্নদোষ একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া, এটি কোন শারীরিক সমস্যা নয়। এটি প্রজননক্ষম জীব হিসেবে মানব প্রজাতির স্বাভাবিকভাবে বেড়ে ওঠার একটি অংশ। বয়ঃসন্ধিকালে দেহের যৌন বৈশিষ্ট্যসমূহ বর্ধনের ফলাফলস্বরূপ এটি ঘটে থাকে। স্বপ্নদোষ সঙ্ঘটনের ধারাবাহিকতার ক্ষেত্রে স্থান ও বয়সভেদে ব্যাপক বিভিন্নতা পরিলক্ষিত হয়। কিছু পুরুষ দাবি করেন যে তারা যে সময়কালটিতে সঙ্গম অথবা স্বমেহন কোনভাবেই যৌনকর্মে সক্রিয় হন না, কেবল তখনই এটি ঘটে থাকে।
কিছু পুরুষ তাঁদের টিন এজার বয়সে বা উঠতি কৈশোরে বহুসংখ্যকবার স্বপ্নদোষের সম্মুখীন হয়েছেন, আর বাকি পুরুষদের জীবনে একবারও এটি ঘটেনি। বয়ঃসন্ধিকালে যারা নতুনভাবে স্বপ্নদোষের অভিজ্ঞতা লাভ করেন তারা অনেকেই প্রথমদিকে একে স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ করতে পারেন না এবং আতঙ্ক ও হীনম্মন্যতা বোধ করেন। বয়স বাড়ার সাথে সাথে স্বপ্নদোষের পরিমাণ ধীরে ধীরে কমে যেতে থাকে। এছাড়াও স্বপ্নদোষ হতে নানা কারণে পারে, যেমন-
  • বয়ঃসন্ধিকালে যৌন হরমোনের আধিক্যের জন্য
  • স্বাভাবিকের চেয়ে অতিরিক্ত যৌন বিষয়ক চিন্তা করা
  • পর্ণগ্রাফি বা নীল ছবিতে আসক্ত হওয়া
  • যৌন উদ্দীপক বই পড়া
  • শয়নকালের পূর্বে যৌন বিষয়ক চিন্তা করা বা দেখা

স্বপ্নদোষ - স্বাভাবিক মাত্রা

স্বাভাবিক ভাবে সপ্তাতে ১/২ বা মাসে ৫/৬ বার হতে পারে। এছাড়া রাতের বেলা গুরুপাক খাদ্য খেয়ে ঘুমালে পেটের গোলযোগের কারণেও কখনো কখনো হতে পারে।

স্বপ্নদোষ - চিকিৎসা 

স্বপ্নদোষ যদি সপ্তাহে ২ বারের বেশি বা মাসে ৫/৬ বারের বেশি হতে থাকে এবং সেটা ক্রমাগত হতে থাকে তাহলে এটাকে রোগের পর্যায়ে বিবেচনা করা হয়।  এ অবস্থায় এক্সপার্ট একজন হোমিও চিকিৎসকের পরামর্শক্রমে চিকিৎসা নিন কারণ এর চিকিৎসা মূলত হোমিওপ্যাথি। 
বিস্তারিত

Wednesday, April 17, 2019

টেস্টিকুলার এট্রোপি (Testicular Atrophy) পুরুষের অন্ডকোষ ছোট বা শুকিয়ে যাওয়ার কারণ এবং প্রতিকার

টেস্টিকুলার এট্রোপি (Testicular Atrophy) বলতে বুঝায় কোন কারণে পুরুষের অন্ডকোষ ছোট হয়ে যাওয়া বা শুকিয়ে যাওয়া। এর পেছনে রয়েছে নানা কারণ। তবে এর উন্নত চিকিৎসা রয়েছে হোমিওপ্যাথিতে। এর জন্য এক্সপার্ট কোন হোমিও চিকিৎসকের পরামর্শক্রমে চিকিৎসা নিন। বিস্তারিত ভিডিওতে....
বিস্তারিত

Sunday, April 14, 2019

পুরুষের বন্ধ্যাত্ব(Male Sterility) সমস্যার পেছনে যে জটিল কারণগুলি দায়ী ! মুক্তির উপায় কি?

পুরুষ বন্ধ্যাত্ব (Male Sterility or Infertility) আমাদের সমাজে বলতে গেলে ততটা আলোচিত এবং পরিচিত বিষয় নয়। বন্ধ্যাত্বের কারণগুলো বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ৪০ শতাংশ ক্ষেত্রে স্ত্রী, ৩৫ শতাংশ ক্ষেত্রে স্বামী এবং ১০-২০ শতাংশ ক্ষেত্রে স্বামী-স্ত্রী উভয়ের ত্রুটির জন্য গর্ভধারণ হয় না। বাকি ১০ শতাংশ ক্ষেত্রে অনুর্বরতার কোনো সঠিক কারণ খুঁজে পাওয়া যায় না। যদিও আমাদের দেশে এখনো গর্ভধারণ না করার জন্য প্রথমেই মেয়েদের দায়ি করা হয়।
পুরুষ বন্ধ্যাত্ব (Male Sterility) হওয়ার জন্য দায়ী কারণ গুলির মধ্যে রয়েছে - জন্মগত সমস্যা, টেসটোস্টেরন হরমোনের অভাব, আযস্পেরমেনিয়া আযুস্পেরমিয়া Azoospermia বা শুক্রাণু তৈরি না হওয়া, ক্ষতিগ্রস্ত শুক্রাণু, প্রজননতন্ত্রের নালী বন্ধ হয়ে যাওয়া, ত্রুটিপূর্ণ নালী, অণ্ডকোষ থলির সমস্যা, সিস্টিক ফাইব্রোসিস, প্রোস্টেট গ্রন্থির প্রদাহ, যৌন-বাহিত রোগসমূহ, শুক্রাশয়ের প্রদাহ, এপিডিডাইমিসের প্রদাহ, প্রায় সব ধরনের কেমোথেরাপি,মাম্পস, আঘাতজনিত অণ্ডকোষের ক্ষতি, অণ্ডকোষের ক্যান্সার, হরমোন জনিত সমস্যা ইত্যাদি।

এছাড়াও পরিবেশ দুষণ, কায়িক পরিশ্রমের অভাব, অতিরিক্ত গরমে কাজ করা, স্মাম্পস, টাইফয়েড, আর্থাইটিস, হাইড্রোসিল ইত্যাদি অসুখে শুক্রাণুর উৎপাদন কমে গিয়ে দেখা দেয় বন্ধ্যাত্ব। সেই সঙ্গে অতিরিক্তি ধুমপানও বন্ধ্যত্বের কারণ হতে পারে। বিস্তারিত ভিডিওতে...
পুরুষের বন্ধ্যাত্ব(Male Sterility) সমস্যার পেছনে যে জটিল কারণগুলি দায়ী সেগুলি উন্নত হোমিও চিকিৎসার মাধ্যমে দূর করা যায়। অনেক ক্ষেত্রে মূল কারণটি খুঁজে পাওয়া যায় না তবে সেক্ষেত্রেও ভয়ের কোন কারন নেই। হোমিওপ্যাথিতে রোগীর সার্বদৈহিক অবস্থার আলোকে ঔষধ প্রয়োগ করা হয়ে থাকে বলে রোগের পেছনের কারণটি কি সেটা জানা ততটা গুরুত্বপূর্ণ নয়। পুরুষের বন্ধ্যাত্ব (Male Sterility) চিকিৎসার জন্য অবশ্যই আপনাকে একজন এক্সপার্ট হোমিও চিকিৎসকের পরামর্শক্রমে চিকিৎসা নিতে হবে।
বিস্তারিত

Monday, April 8, 2019

পুরুষ বন্ধ্যাত্ব!! শুক্রবাহী নালিতে ব্লক বা প্রতিবন্ধকতা (Obstructive Azoospermia)

পুরুষদের ভাসডিফারেন্স বা শুক্রানুবাহী নালিতে ব্লক বা প্রতিবন্ধকতা (Obstructive Azoospermia এজোস্পার্মিয়া) হলে পুরুষ বন্ধ্যাত্ব তৈরী হতে পারে। এখানে যে ঘটনাগুলি ঘটে সেগুলি হলো -
  • Ejaculatory duct obstruction (EDO)
  • Obstruction of the Vas difference or Epididymis
  • Obstruction of the Epididymis
এর পেছনে যে কারণ গুলি রয়েছে - জন্মগত কারণ,কোন ধরণের আঘাত, জীবাণু সংক্রমণ, হাইড্রোসিলের সার্জারি, স্পার্মাটোসিলের সার্জারি ইত্যাদি। তবে এর রয়েছে সার্জারি-বিহীন স্থায়ী হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা। এর জন্য এক্সপার্ট কোন হোমিও চিকিৎসকের পরামর্শক্রমে চিকিৎসা নিন।

পুরুষদের বীর্যে যদি শূক্রাণু একেবারে না থাকে, তবে তাকে এজোসপারমিয়া বলা হয়। বীর্যে সম্বন্ধে একটু জানা দরকার। বীর্যটা হলো প্রজনন গ্রন্থির সিক্রেশান এর চারটি পদার্থের মিশ্রণ ছবি হবে।
  • অন্ডকোষে থেকে স্পার্ম 
  • ভাস গ্রন্থি থেকে তৈরি জলীয় পদার্থ 
  • প্রোস্টেট থেকে জলীয় পদার্থ এবং 
  • পিচ্ছিল পদার্থ।
শুক্রবাহী নালিতে ব্লক বা প্রতিবন্ধকতা থাকলে যদি অন্ডকোষ থেকে স্পার্ম তৈরি না হয় অথবা কম পরিমাণ তৈরি হয় সে ক্ষেত্রে ঐ এজোসপারমিয়া Azoospermia অথবা ওলিগোসপারমিক Oligospermia বলা হয়ে থাকে। ওলিগোসপারমিক হলো স্পার্ম কম পরিমাণ থাকা। এই সমস্ত ক্ষেত্রে সন্তান জন্ম দেয়ার ক্ষমতা থাকে না অথবা কমে যায়। সাধারণত একজন সুস্বাস্থ্য ও সবল পুরুষের প্রতি সিসিতে ১২০ থেকে ১৫০ মিলিয়ন শূককীট থাকে, যদি এর পরিমাণ ৪০ মিলিয়নের নিচে থাকে তাকে ওলিগোসপারমিয়া বলা হয়। তবে এখানে একটু জানা ভাল যে, সময় মত ওলিগোসপারমিয়া পুরুষদের চিকিৎসা না করলে ধীরে ধীরে এজোসপারমিয়া পুরুষ হিসেবে পরিগণিত হবে যাহা হবে অত্যন্ত দুরভাগ্যজনক।
পুরুষদের বন্ধ্যত্ব শনাক্তকরণের ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো রোগীর পরিপূর্ণ তথ্য ও ইতিহাস জানা। অনেক ক্ষেত্রে চিকিৎসকের কাছে তথ্য গোপন করা হয়। এই সমস্যার সবচেয়ে ভালো চিকিৎসা মূলত হোমিওপ্যাথি কিন্তু এর জন্য এক্সপার্ট কোন হোমিও চিকিৎসকের পরামর্শক্রমে চিকিৎসা নেয়া জরুরী।
বিস্তারিত

Monday, February 11, 2019

ভেরিকোসিল এর হোমিও ঔষধ ! R 42, PK-40, Rax 66, Varicocele Drops কতটা কার্যকর ??

Varicocele Drops, R 42, PK-40, Rax 66 এই ঔষধগুলি মূলত Varicose vein অর্থাৎ শিরাস্ফীতির ক্লিনিক্যাল আইটেম যেগুলি মূলত বেশ কিছু হোমিওপ্যাথিক ঔষধের কম্বিনেশন। হোমিওপ্যাথির ক্ষেত্রে রোগীর কেইস টেকিং এর উপর ভিত্তি করে ঔষধ এবং ঔষধের নির্দিষ্ট শক্তি প্রয়োগ করা হয়ে থাকে এবং রোগীর রোগের পর্যায় এবং তীব্রতাভেদে সময়ে সময়ে ঔষধের শক্তি বা পোটেন্সি পরিবর্তন করা হয়ে থাকে এবং রোগী ধীরে ধীরে সুস্থতার দিকে আগায় এবং একসময় সুস্থতা লাভ করে থাকেন। কিন্তু ক্লিনিক্যাল আইটেমে বহু ক্ষেত্রেই রোগীর নির্দিষ্ট ঔষধগুলি থাকে না বিধায় সেগুলি অধিকাংশ ক্ষেত্রেই রোগ আরোগ্যে ব্যর্থ হয় বা কিছুটা উপশম দেয় মাত্র। বিস্তারিত ভিডিওতে....
বিস্তারিত

Saturday, February 2, 2019

পুরুষের লিঙ্গে, অন্ডকোষে, স্ত্রী জননাঙ্গে আঁচিল বা জেনিটাল ওয়ার্টস (Genital Warts) ! চিকিৎসা নেয়া জরুরী

পুরুষের লিঙ্গে, অন্ডকোষে, স্ত্রী জননাঙ্গে যে আঁচিল হয় সেটিকে আমরা জেনিটাল ওয়ার্টস (Genital Warts) বলে থাকি। এটি মূলত হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাসের Human papillomavirus (HPV) দ্বারা হয়ে থাকে। নারী পুরুষ উভয়ের ক্ষেত্রেই এটি হতে পারে। এর ভালো চিকিৎসা রয়েছে হোমিওপ্যাথিতে। এর জন্য আপনাকে অভিজ্ঞ একজন হোমিও চিকিৎসকের পরামর্শক্রমে চিকিৎসা নিতে হবে। বিস্তারিত ভিডিওতে....
বিস্তারিত

Tuesday, January 29, 2019

স্পার্মাটোসিল (Spermatocele) স্পার্মাটিক সিস্ট ! পুরুষদের একটি বিরল রোগ

পুরুষদের প্রতিটি টেস্টিসের বা অণ্ডকোষের উপরের অংশ যেখানে বীর্য সংরক্ষিত হয় তাকে এপিডিডাইমিস বলে। এর মাধ্যমে শুক্রাণু টেস্টিকল থেকে স্পার্মাটিক নালীতে যেয়ে থাকে। এতে কোন ধরনের অস্বাভাবিক থলি বা সিস্ট ডেভেলপ করলেই তাকে স্পার্মাটোসিল (Spermatocele) বা স্পার্মাটিক সিস্ট (Spermatic or Epididymal Cyst) বলা হয়।

স্পারমাটোসিল মূলত কি ?

  • দুধের মতো বা পরিষ্কার তরল থাকতে পারে
  • সাধারণত মৃত শুক্রাণু থাকতে দেখা যায়
  • আবার জীবন্ত শুক্রাণুও থাকতে পারে

কারণ ও লক্ষণ

স্পার্মাটোসিল(Spermatocele) এর সঠিক কারণ অজানা। তবে কোন কারণে যদি ইফারেন্ট নালীতে ব্লকেজ দেখা যায় তবে এই রোগ হতে পারে।এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে চিকিৎসকেরা যে লক্ষণগুলি চিহ্নিত করে থাকেন:
  • টেস্টিস বা শুক্রাশয়ে ব্যথা হতে পারে 
  • অণ্ডথলিতে চাকা/পিণ্ড অনুভূত হতে পারে 
  • অণ্ডথলি ফুলে যেতে পারে 
  • কারো কারো ক্ষেত্রে প্রস্রাব আটকে যাওয়া 
  • কুঁচকিতে ব্যথা হতে পারে 
  • ঘন ঘন প্রস্রাবের বেগ হওয়া
  • পুরুষত্বহীনতা দেখা দিতে পারে 
  • কনুইয়ের দুর্বলতা দেখা দিতে পারে 
  • পায়ে শক্ত পিণ্ড দেখা দিতে পারে 

স্পার্মাটোসিল (Spermatocele) এর চিকিৎসা 

সাধারণত যখন এটি ছোট থাকে এবং একই অবস্থানে থাকে তখন এর কারণে পুরুষদের প্রজনন ক্ষমতায় কোন সমস্যা হয় না এবং চিকিৎসার প্রয়োজন হয় না। তবে এর কারনে ব্যথা হলে অথবা পুরুষাঙ্গে রক্ত সরবরাহ কমে গেলে বা পুরুষত্বহীনতার লক্ষণ দেখা দিতে থাকলে এই রোগের চিকিৎসা নিতে হয়। যদি স্পার্মাটোসিলের আকারে কোন পরিবর্তন না আসে অর্থাৎ একটি আকৃতিতে থাকে এবং অন্য কোন সমস্যার সৃষ্টি না করে তাহলে চিকিৎসার প্রয়োজন হয় না।

কিন্তু স্পার্মাটোসিল আকারে বেশি বড় হয়ে গেলে বা অসুবিধার সৃষ্টি করলে অভিজ্ঞ একজন হোমিও চিকিৎসকের পরামর্শ ক্রমে চিকিৎসা নিন। এই রোগের আরেকটি চিকিৎসা হলো সার্জারি, যাকে স্পার্মাটোসেলেক্টোমি (Spermatocelectomy) বলা হয়ে থাকে। এর জন্য আপনাকে অভিজ্ঞ কোন সার্জনের পরামর্শ নেয়া জরুরী। 
বিস্তারিত

Saturday, January 26, 2019

টেস্টোস্টেরন (Testosterone) স্বল্পতা ! বয়স ৩০ এর পর যারা যৌন দুর্বলতায় ভুগছেন।

টেস্টোস্টেরন একটি স্টেরয়েড হরমোন যা কোলেস্টেরল থেকে আসে। টেস্টোস্টেরনকে অ্যান্ড্রোজেন বা পুরুষ হরমোন বলা হয়। এই হরমোন কমে গেলে পুরুষদের যৌন আকাঙ্ক্ষা কমে যায় এবং লিঙ্গোত্থানের ক্ষেত্রেও সমস্যা তৈরী হয়।
এই হরমোন প্রধানত পুরুষদের শুক্রাশয় দ্বারা নিঃসৃত হয়ে থাকে, কিন্তু খুব অল্প পরিমাণ টেস্টোস্টেরন নারীদের অ্যাড্রিনাল কর্টেক্স ও ডিম্বাশয় দ্বারাও নিঃসৃত হয়। বয়ঃসন্ধিকালে টেস্টোস্টেরনের মাত্রা বেড়ে যায়, কৈশোরের শেষের দিক থেকে ২০ বছর বয়সের প্রারম্ভে টেস্টোস্টেরনের মাত্রা সর্বাধিক হয় এবং তারপর এ মাত্রা কমতে থাকে। ৩০ বছর বয়সের পর, একজন পুরুষের টেস্টোস্টেরন মাত্রা ধীরে ধীরে কমে যাওয়াটা স্বাভাবিক এবং এ হ্রাস পাওয়া প্রতিবছর অব্যাহত থাকে।

আমাদের ডিজিটাল যুগে নানা প্রকার অস্বাস্থ্যকর লাইফস্টাইলের কারণে আজকাল পুরুষরা বয়স ৩০ পার হলেই টেস্টোস্টেরন হরমোন স্বল্পতায় ভুগেন। যা তাদের দাম্পত্য জীবনে ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করে থাকে। যখনই তারা এর স্বল্পতায় ভুগতে থাকেন তখন অনেকেই তাদের যৌনশক্তি কমে গেছে মনে করে নানাবিদ উত্তেজক ঔষধ গ্রহণ করতে থাকেন, যেগুলি তাৎক্ষণিক কিছুটা উত্তেজনা ছাড়া আদৌ ভালো কোন ফলাফল বয়ে আনে না।
বাজারে ন্যাচারাল, হারবাল, প্রাকৃতিক নাম দিয়ে যেসব যৌন উত্তেজক ঔষধ পাওয়া যায় সেগুলির অধিকাংশই ক্ষতিকর এবং এইগুলি ক্রমাগত গ্রহণের ফলে অনেকেরই ভাইটাল অর্গানগুলি ক্ষতিগ্রস্থ হতে থাকে। এর ফলে এক সময় অনেকেই ভয়ানক পেটের পীড়া, লিভার এবং কিডনি রোগে আক্রান্ত হন। কিছু নিয়ম কানুন পালন করেও আপনি টেস্টোস্টেরন হরমোনের ধারা অব্যাহত রাখতে পারেন। যেমন
  • খাবার : দুধ. ডিম, মধু, মেথি, রসুন নিয়মিত খেতে পারেন 
  • ব্যায়াম : সকাল সন্ধ্যা ব্যায়ামের অভ্যেস করুন 
  • পর্যাপ্ত বিশ্রাম এবং গভীর ঘুম
  • মানসিক চাপ দুশ্চিন্তা এড়িয়ে চলুন
  • মাঝে মাঝে ভিটামিন ও খনিজ সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করুন
তাছাড়া লক্ষণ সাদৃশ্যে কিছু দিন হোমিও চিকিৎসা নিলে এই সমস্যাটি দূর হয়ে যায়। এক্ষেত্রে লক্ষণ সাদৃশ্যে একেক জনকে একেক রকম হোমিও ঔষধ দিয়ে ট্রিটমেন্ট দিতে হয়। ভালো হয় সব সময় অভিজ্ঞ একজন হোমিও চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে জীবনযাপন করা। তাতে বহু অনাকাঙ্খিত স্বাস্থ সমস্যা থেকে অনায়াসেই মুক্ত থাকা যায়।
বিস্তারিত

Tuesday, January 1, 2019

যৌন বা শারীরিক অক্ষমতা (Sexual Inefficiency) নারী ও পুরুষের সমস্যা

যৌন বা শারীরিক অক্ষমতা (Sexual-Inefficiency) নারী ও পুরুষ উভয়ের ক্ষেত্রেই দেখা যায়। যদিও আমাদের সমাজে পুরুষরাই এই সমস্যাটি বেশি অনুভব করে থাকেন। পুরুষদের মধ্যে এর জন্য
ইত্যাদি বেশি হতে দেখা যায়। অন্যদিকে নারীদের ক্ষেত্রে 
  • যৌনকামনা নষ্ট হয়ে যায়
  • মিলনের চরম পর্যায়ে উত্তেজনা হারানো
  • যোনির শুষ্কতা এবং ব্যথা হতে দেখা যায়
এর পেছনে রয়েছে কিছু কারণ যা নির্ণয় করে সমস্যাটি দূর করার চেষ্টা করা হয়ে থাকে। যদিও অনেক ক্ষেত্রে কারণ নির্ণয় করাও সম্ভব হয়ে উঠে না সেক্ষেত্রে প্রপার একমাত্র হোমিও চিকিৎসা ছাড়া এর থেকে মুক্তি পাওয়া দুরূহ হয়ে উঠে। বিস্তারিত ভিডিওতে....
বিস্তারিত

Monday, December 31, 2018

পুরুষত্বহীনতা, ধ্বজভঙ্গ এবং লিঙ্গশিথীলতা(Impotence or Erectile Dysfunction)

পুরুষত্বহীনতা বা ধ্বজভঙ্গ(Impotence) এবং লিঙ্গশিথীলতা(Erectile Dysfunction) সমস্যায় অনেক সময় নানা কারণে কোন না কোন পুরুষ আক্রান্ত হয়ে থাকেন। এর পেছনে রয়েছে নানাবিদ কারণ। এ সম্পর্কে পুরুষদের কিছুটা জ্ঞান থাকা জরুরী। বিস্তারিত দেখুন ভিডিওতে......
বিস্তারিত

Sunday, December 30, 2018

পুরুষদের দ্রুতস্খলন বা অকাল বীর্যপাত (Premature Ejaculation) - কারণ ও প্রতিকার

যদি স্ত্রী সহবাস শুরু করার ২/১ মিনিটের মধ্যেই বীর্যপাত হয়ে যায় এবং এই সমস্যাটি যদি ক্রমাগত ভাবে চলতে থাকে তাহলে তাকে অকাল বীর্যপাত বা দ্রুতস্খলন বা প্রিম্যাচিওর ইজ্যাকিউলেইশন (Premature Ejaculation) বলা হয়ে থাকে। প্রপার ট্রিটমেন্ট না পাওয়ার কারণে অনেকেই নানা প্রকার চিকিৎসা নিয়েও এই সমস্যা থেকে খুব সহজে রেহাই পান না। অকাল বীর্যপাত বা দ্রুতস্খলন সমস্যাটির পেছনে রয়েছে কিছু বাস্তব কারণ যা প্রতিটি পুরুষেরই জেনে রাখা উচিত - বিস্তারিত ভিডিওতে.....
বিস্তারিত

Friday, December 28, 2018

অতিরিক্ত যৌন উত্তেজনা এবং যৌন অনীহা বা আকাঙ্ক্ষার বিলুপ্তি ! নারী ও পুরুষের সমস্যা

নারী বা পরুষের মধ্যে অতিরিক্ত যৌন উত্তেজনা (Hypersexuality) এবং যৌন আকাঙ্ক্ষার বিলুপ্তি (Hyposexuality) যেকোন সময় দেখা দিতে পারে। অনেকেই এই সমস্যায় আক্রান্ত হলে চিকিৎসকের কাছে যেতেও লজ্জ্বা পান। আপনার জানা উচিত - এই সমস্যাগুলি যেকারো হতে পারে। এই সমস্যাগুলির পেছনে রয়েছে বহু কারণ। তবে কারণ যাই থাকুক সঠিক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা নিলে এই সমস্যাগুলি দূর করা সম্ভব। বিস্তারিত দেখুন ভিডিওতে....
বিস্তারিত

Thursday, December 27, 2018

শুক্রমেহ, ধাতুদৌর্বল্য বা অবাঞ্চিত শুক্রক্ষরণ (Spermatorrhea) ! কারণ, লক্ষণ এবং প্রতিকার

পুরুষদের শুক্রমেহ, ধাতুদৌর্বল্য বা অবাঞ্চিত শুক্রক্ষরণ (Spermatorrhea) অর্থাৎ যখন তখন সামান্য উত্তেজনায় বীর্যপাত এই সমস্যাটি সব বয়সের পুরুষদের মধ্যেই দেখা যায়। কিন্তু আমাদের দেশে এটি সবচেয়ে বেশি দেখা যায় অবিবাহিত তরুনদের মধ্যেই। সময় মতো সঠিক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা না এটি কারো কারো ক্ষেত্রে দীর্ঘ সময়ের দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। শুক্রমেহ, ধাতুদৌর্বল্য বা অবাঞ্চিত শুক্রক্ষরণ (Spermatorrhea) এর কারণ, উপসর্গ এবং চিকিৎসা পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত রয়েছে ভিডিওতে.....
বিস্তারিত

Wednesday, December 26, 2018

অন্ডকোষের প্রদাহ বা অরকাইটিস (Orchitis) কি ? এর কারণ, লক্ষণ এবং চিকিৎসা পদ্ধতি

অরকাইটিস (Orchitis) হলো পুরুষের টেস্টিস বা অন্ডকোষের প্রদাহ অর্থাৎ অন্ডকোষ ফুলে যাওয়া, ব্যথা করা ইত্যাদি। এটি একটি বা দুটি অন্ডকোষের ক্ষেত্রে হতে পারে। অনেকে একে টেস্টিস ইনফেকশনও বলে থাকেন। অরকাইটিস বা অণ্ডকোষের প্রদাহ বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়া বা ভাইরাস দ্বারা ঘটতে পারে। এটা সাধারণত এপিডিডাইমিসের প্রদাহের ফলস্বরূপ হয়। অণ্ডকোষের শেষ প্রান্তে থাকে এপিডিডাইমিস। এটা একটি নল, যা ভাস ডিফারেন্স (শুক্রবাহী নালি) ও অণ্ডকোষকে সংযুক্ত করে।
অরকাইটিসের সবচেয়ে সাধারণ ভাইরাসজনিত কারণ হচ্ছে মাম্পস। মাম্পসের প্রায় ৩০ শতাংশ রোগীর অসুস্থতার সময় অরকাইটিস হয়। এটা সবচেয়ে বেশি হয় বয়ঃসন্ধিকাল পার হয়ে আসা ছেলেদের। ১০ বছর বয়সের আগে এটা তেমন একটা দেখা যায় না। এটা সাধারণ মাম্পস হওয়ার চার থেকে ছয় দিন পরে ঘটে। অরকাইটিস রয়েছে এমন এক-তৃতীয়াংশ ছেলেদের এটা ঘটে থাকে মাম্পসের কারণে। পরিণতিতে অণ্ডকোষ ছোট হয়ে যায়।

২-২০ শতাংশ পুরুষের অরকাইটিস হয় বিরল রোগ ব্রুসেলোসিসের কারণে। অরকাইটিস বা অণ্ডকোষের প্রদাহ প্রোস্টেট বা এপিডিডাইমিসের সংক্রমণের কারণে হতে পারে। যৌন সংক্রামক রোগ যেমন গনরিয়া ও ক্লামাইডিয়ার কারণেও এটা হতে পারে। সাধারণত ১৯ থেকে ৩৫ বছর বয়সী পুরুষদের যৌনবাহিত কারণে অরকাইটিস বা অণ্ডকোষের প্রদাহ বেশি হয়।

অরকাইটিস (Orchitis) - লক্ষণ

  • অণ্ডথলি ফুলে যাওয়া
  • অণ্ডকোষে ব্যথা হওয়া
  • ফুলে যাওয়া ও ভারী বোধ হওয়া
  • মাঝে মাঝে বীর্যে রক্ত যাওয়া
  • কুঁচকিতে ব্যথা অনুভব করা
  • যৌনসঙ্গমের সময় কিংবা বীর্যপাতের সময় ব্যথা করা
  • প্রস্রাবে ব্যথা ও জ্বালাপোড়া করা

অরকাইটিস (Orchitis) - কারণ

  • বয়স ৪৫ বছরের বেশি
  • মাম্পস রোগের বিরুদ্ধে অপর্যাপ্ত প্রতিরোধ ক্ষমতা
  • মূত্রপথের জন্মগত সমস্যা
  • জনন-মূত্রপথে অস্ত্রোপচার
  • অস্বাভাবিক যৌন আচর
  • যৌনসঙ্গিনীর আগে কোনো যৌনবাহিত রোগের ইতিহাস
  • একাধিক যৌনসঙ্গি
  • গনরিয়া অথবা অন্য যৌনবাহিত রোগের ইতিহাস
  • দীর্ঘদিন ফলিস ক্যাথেটারের ব্যবহার

অরকাইটিস (Orchitis) - জটিলতা

অরকাইটিসের কারণে পুরুষের প্রজনন ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যেতে পারে এবং একটি বা দু’টি অণ্ডকোষই ছোট হয়ে যেতে পারে। অরকাইটিসের কারণে আরো যেসব জটিলতা দেখা দিতে পারে সেসবের মধ্যে রয়েছে অণ্ডথলিতে ফোড়া হওয়া, অণ্ডকোষে রক্তপ্রবাহ কমে যাওয়া, অণ্ডথলির ত্বকে ফিস্টুলা হওয়া এবং দীর্ঘস্থায়ী এপিডিডাইমিসের প্রদাহ হওয়া। অণ্ডথলিতে কিংবা অণ্ডকোষে তীব্র ব্যথা হলে তাৎক্ষণিক অপারেশনের প্রয়োজন হয়। যদি আপনার অণ্ডথলিতে কিংবা অণ্ডকোষে তীব্র ব্যথা হয়, তাহলে দ্রুত হোমিও চিকিৎসা নেয়া জরুরী।

অরকাইটিস (Orchitis) - চিকিৎসা

যেকোনো চিকিৎসার প্রথমে আপনাকে রোগ সম্পর্কে নিশ্চিত হতে হবে। যদি রোগটি ব্যাকটেরিয়া জনিত কারনে হয়ে থাকে, তাহলে এলোপ্যাথিক চিকিৎসকগণ আপনাকে আপনাকে অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ গ্রহণ করতে বলবেন। গনরিয়া বা ক্লামাইডিয়ার ক্ষেত্রে যৌনসঙ্গিনীকেও চিকিৎসা দিতে হবে। এই সমস্যার ভালো একটি চিকিৎসা হলো হোমিওপ্যাথি। এর জন্য অভিজ্ঞ একজন হোমিও চিকিৎসকের পরামর্শক্রমে চিকিৎসা নেয়া জরুরী। 
বিস্তারিত

Sunday, December 23, 2018

ভেরিকোসিল Varicocele কি? কিভাবে হয়? এর উপসর্গ এবং চিকিৎসা পদ্ধতি

অনেকেই Varicocele ভেরিকোসিলকে পুরুষদের অন্ডকোষের শুক্রনালীর শিরা-ঘটিত রোগ বলে অবহিত করে থাকেন। সাধারণত কিছু কিছু পুরুষ এই সমস্যায় আক্রান্ত হলে কাউকে বলতে চান না এমনকি চিকিৎসাও নিতে চাননা। অথচ এর ভালো চিকিৎসা রয়েছে। স্পার্মাটিক কর্ডের মাধ্যমে রক্ত অণ্ডকোষে প্রবাহিত হয়ে যায়। ঠিক কি কারণে ভ্যারিকোসিল হয় তা নিশ্চিত নয়। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, যখন কর্ডের ভিতরের ভাল্ভ সঠিকভাবে রক্ত প্রবাহে বাধা দেয় তখন ভ্যারিকোসিল সৃষ্টি হয়। এর কারণে শিরাগুলো প্রসারিত হয়ে অণ্ডকোষের ক্ষতি করে। বয়ঃসন্ধিকালে সাধারণত ভ্যারিকোসিল হয়ে থাকে।
এটি সাধারণত বামদিকে হয়। তবে যেকোনো একটি অণ্ডকোষের ভ্যারিকোসিল উভয় অণ্ডকোষের শুক্রাণু উৎপাদনে প্রভাব ফেলে।

ভেরিকোসিল রোগের কারন

  • প্রকৃত কারণ অজানা 
  • আঘাত পাওয়া 
  • তীব্র হস্তমৈথন আসক্তি এবং এক সময় হঠাৎ ছেড়ে দেয়া 
  • ভারী জিনিস উত্তোলন
  • দীর্ঘদিন যাবৎ ক্রমাগত দাঁড়িয়ে কাজ করা 
  • দীর্ঘদিন যাবৎ ক্রমাগত গরম পরিবেশে কাজ করা ইত্যাদি
  • তবে অজানা কারণেও ভেরিকোসিল হতে পারে 

ভেরিকোসিল রোগের উপসর্গ 

  • বাম দিকে বেশি হয় এবং ডান দিকে কম হয়
  • টেস্টিসের উপরের শিরাগুলিতে টক্সিক ব্লাড জমে শিরাগুলি ফুলে যায়, 
  • টেস্টিসের উপরের শিরাগুলিতে টক্সিক ব্লাড জমে কাল হয়ে যায়, পেঁচিয়ে যায় 
  • স্পার্মাটিক কর্ডে ব্যথা হয় এবং কেচুর মতো ফুলে যায় 
  • অন্ডকোষে ব্যথা হয় 
  • অন্ডকোষ ঝুলে যায়  
  • অণ্ডথলিতে চাকা বা পিণ্ড
  • কুঁচকিতে ব্যথা
  • অণ্ডথলি ফুলে যাওয়া 
  • বন্ধ্যাত্ব
  • তলপেটে ব্যথা
  • অনৈচ্ছিক মূত্রত্যাগ
  • পুরুষত্বহীনতা
  • পুরুষাঙ্গে ব্যথা হওয়া 
  • পায়ুপথে ব্যথা হওয়া
  • পুরুষাঙ্গ কখনো শক্ত ও সোজা হয়, কখনো বাঁকা হয়ে থাকে 

চিকিৎসা 

  • হোমিওপ্যাথি - বলতে গেলে একটি উত্তম একটি চিকিৎসা পদ্ধতি। যদিও স্থায়ীভাবে ঠিক হতে কিছুটা সময় লাগে। 
  • সার্জারী - তবে সার্জারী করলে পুনরায় হওয়ার সম্ভবনা থাকে ৯৮% . হয় কয়েক মাসের মধ্যে আবার হবে অথবা কয়েক বছরের মধ্যে আবার হবে। আর যখন পুনরায় হয় তখন দ্বিগুন লক্ষণ নিয়ে শুরু হয়। 
বিস্তারিত

Friday, December 21, 2018

এইডস (AIDS) কি এবং কেন হয় ? উৎপত্তির কারণ, লক্ষণ এবং এইডস থেকে বাচার উপায়

এইডস বা AIDS হলো Acquired Immuno Deficiency Syndrome যা এইচ.আই.ভি. অর্থাৎ HIV (human immunodeficiency virus) ভাইরাস দ্বারা গঠিত একটি যৌনবাহিত রোগ। এটি মানুষের দেহে রোগ-প্রতিরোধের ক্ষমতা বা প্রতিরক্ষা হ্রাস করে দেয়ার ফলে মানব শরীরে বিভিন্ন রোগের লক্ষণ প্রকাশিত হতে থেকে। আক্রান্ত ব্যক্তির যে সব স্থানে এইডস এর জীবাণু (HIV) পাওয়া যায় তার মধ্যে Semen, Blood, Vaginal fluids, Saliva, Mother's Milk এই গুলির মাধ্যমে এইডস ছড়ায় কিন্তু Tears এবং Urine এর মাধ্যমে ছড়ায় না কারণ সাধারণত বাহিরের পরিবেশে এটি বেশিক্ষন বেঁচে থাকে না। তবে বহু ক্ষেত্রেই এটি সংক্রমণের ঝুঁকি থেকে যায় যেমন সেলুনে যদিও কেউ এ বিষয়ে আপনাকে বলবে না। কিন্তু আমাদের দেশে যেরকমটি হয়ে থাকে - এক জনের কাজ করার ফাঁকে অন্য জনের গালে বা ঘাড়ে সার্ভিস দেয়ার সময় সেকেন্ডের মধ্যেই ক্ষুর বা রেজার লাগিয়ে দেয়া হচ্ছে - এটাও ঝুঁকিমুক্ত নয়।

আপনার পাশে থাকা লোকটি অন্য যেকোনো রোগে আক্রান্ত হলেই সে সম্পর্কে আপনার সাথে যখন তখন গল্প জুড়ে দিবে অথচ এই রোগে আক্রান্ত হলে কস্মিনকালে সে আপনাকে বুঝতে দিবে না। যার কারণে HIV এর বহু রেকর্ডই পাবলিকলি প্রকাশিত হয় না।

তাই যে ক্ষেত্রে মিনিমাম রিস্কও রয়েছে সেটার বিষয়েও সতর্ক হওয়া উচিত। HIV আক্রান্ত এক জন মালয়েশিয়ান প্রবাসী আমাকে ফোন করে একবার জানিয়েছেন - HIV সংক্রমণের ঝুঁকিপূর্ণ কোন কাজেই তিনি লিপ্ত ছিলেন না, কাউকেই রক্ত দেননি এবং নিজেও রক্ত নেননি কোন দিন এবং ধর্মীয় অনুশাসনও মেনে চলেন কিন্তু তিনি কিভাবে HIV সংক্রমিত হলেন তিনি নিজেই জানেন না।

আজ পর্যন্ত লিস্টেড হোক বা না হোক সে বিষয়ে এইডস বা AIDS হওয়ার মিনিমাম রিস্কও রয়েছে সে বিষয়ে সতর্ক থাকা উচিত। কারণ এই সমস্যার বহু রেকর্ডই লিস্টেস্ট হয় না এবং কেউ প্রকাশও করে না। যে সব দেশে গণহারে মানুষ এই রোগে আক্রান্ত হয় সেসব দেশেই মূলত বেশি লিস্টেড হয়।

এইডস (AIDS) এর উৎপত্তি, লক্ষণ, এইডস টেস্ট, কিভাবে ছড়ায় আর কিভাবে ছড়ায় না এ সম্পর্কে বিস্তারিত দেখুন ভিডিওতে......
আক্রান্ত ব্যক্তির যে সব স্থানে এইডস এর জীবাণু পাওয়া যায় তার মধ্যে Semen, Blood, Vaginal fluids, Saliva এই গুলির মাধ্যমে এইডস ছড়ায় কিন্তু Tears এবং Urine এর মাধ্যমে ছড়ায় না। এইডস সম্পর্কে বিস্তারিত আরো জানতে >>>>
বিস্তারিত