Tonsillitis লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
Tonsillitis লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শনিবার, ১২ জুন, ২০২১

টনসিলাইটিস কি এবং কেন হয়? সার্জারী বা অপারেশনের ভয়াবহ কুফল

টনসিল সারানোর উপায় এবং টনসিল অপারেশন জটিলতা বা কুফল নিয়ে থাকছে বিস্তারিত। আমাদের মুখ গহ্বরের জিহ্বার গোড়ার দিকে গলার চার ধারে গোল করে সাজানো থাকে এক ধরণের লিম্ফ টিস্যু, যাদের সাধারণভাবে দেখা যায় না। কোন সংক্রমণ হলে এরা ফুলে উঠে। তখনই তাদের দেখা যায় ভিতর গলার দুধারে গোলাপি লাল গোল গোল সুপারির মত। এগুলিই হল টনসিল।

এই টনসিল হলো এক ধরণের লিম্ফ নোড যা আমাদের গলার ভেতরে চারটি গ্রুপে অবস্থান করে। এদের নাম লিঙ্গুয়াল (জিভের গোড়ায়), প্যালাটাইন (গলার দুধারে), টিউবাল ও অ্যাডেনয়েড (ফ্যারেঞ্জিয়াল টনসিল)। টনসিল আমাদের দেহে শ্বেত রক্তকণিকা উৎপন্ন করে থাকে। এই শ্বেত রক্তকণিকা বাহির থেকে দেহে প্রবেশকারী রোগের জীবাণুর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলে। কখনো শ্বেত রক্তকণিকা জীবাণুর বিরুদ্ধে ঠিকমতো কাজ করতে না পারলেই দেহে ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়া জনিত নানা প্রকার রোগের সৃষ্টি হয়।

সুতরাং বুঝতেই পারছেন, টনসিল হলো আমাদের শরীরের প্রতিরোধ ব্যবস্থার একটি বড় অংশ কিন্তু কখনো কখনো জীবাণুকে ধ্বংস করতে গিয়ে টনসিল গ্রন্থি নিজেই আক্রান্ত হয়ে পড়ে। ফলে ইনফেকশন হয় এবং এই গ্রন্থি ফুলে যায়। এই টনসিলগুলোর কোন একটির প্রদাহ হলেই তাকে বলে টনসিলাইটিস।

আমাদের গলার দু'ধারে অবস্থানরত প্যালাটাইন টনসিলে প্রদাহ মূলত বেশি দেখা যায়। আর টনসিল বলতে আমরা যেটা বুঝি সেটা হলো গলার দুধারে অবস্থানরত প্যালাটাইন টনসিল। ইতিমধ্যে জেনেছেন এই টনসিল আমাদের শরীরের একটি বড় প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তুলে বিভিন্ন জীবাণু, পরজীবী, ভাইরাস এবং বিষাক্ত পদার্থের বিরুদ্ধে।


লিম্ফ টিস্যু আমাদের শরীর রক্ষার প্রথম প্রহরী। গলা শ্বাসতন্ত্র এবং পরিপাক তন্ত্রের প্রবেশ পথ। তাই আমাদের গলায় অবস্থানরত টনসিল খাদ্যে এবং শ্বাস এর মাধ্যমে প্রবেশকৃত বিপদজনক পদার্থকে আটকে দেয়। এই কাজ করতে গিয়ে যে লড়াই চলে তাতে আরো কলা-কোষ প্রয়োজন, তাই টনসিল ফুলে উঠে, গলা ব্যথা, কান ব্যথা, ঢোক গিলতে সমস্যা, জ্বর, কাশি ইত্যাদি নানাবিধ উপসর্গের জন্ম দেয়। এই লড়াইয়ের ফলে মৃত কোষ তৈরি করে পুঁজ যা টনসিলের উপর সাদা প্যাচ হিসেবে দেখা যায়।

আপনি হয়তো খেয়াল করে থাকবেন সবারই কিন্তু টনসিল ইনফেকশন হয় না। কিছু কিছু মানুষের হয়। এর কারণ মূলত তাদের কনসিটিটিউশন যা তারা পেয়েছে জন্মলগ্ন থেকেই। বিভিন্ন ট্রিটমেন্ট সিস্টেম রোগ নির্ণয়ের জন্য শত প্রকার মেডিক্যাল টেস্ট করেই আপনাকে ঔষধ দিচ্ছে কিন্তু আদৌ আপনি ভালো হচ্ছেন না। এর কারণ মূলত আপনার DNA তে থাকা True Disease বা প্রকৃত রোগটি যার চিকিৎসা হোমিওপ্যাথি ছাড়া আর কোন ট্রিটমেন্ট সিস্টেমই ঠিক ভাবে দিতে পারে না। এই প্রকৃত রোগগুলি ভাইটাল ফোর্সকে কেন্দ্র করে শক্তিশালী বাধা বা দেয়াল তৈরী করে রাখে। এক্ষেত্রে ডিএনএ তে প্রডোমিন্যান্ট প্রকৃত রোগটি নির্ণয় করে সেটির চিকিৎসা দানের ক্ষেত্রে দক্ষ একজন হোমিও চিকিৎসক আপনার জীবনে আশার আলো হয়ে উঠতে পারে।

আবার অনেক সময় এমনটিও দেখা যায়, বছরের পর বছর সংক্রমণে ভুগছে আর এলোপ্যাথিক বা রাসায়নিক ঔষধ যেমন নানা প্রকার উচ্চ শক্তির এন্টিবায়োটিক খেয়ে খেয়ে আরাম নিচ্ছে। এক সময় রোগ জটিল থেকে জটিলতম আকার ধারণ করছে। অর্থাৎ একটি চারা গাছ একসময় বট গাছের আকৃতি ধারণ করছে। এই অবস্থায় হোমিও মেডিসিন প্রয়োগ করে এটিকে ঠিক করে নিয়ে আসতে বেশ সময় লাগবে এটাই স্বাভাবিক। অধৈর্য্য হয়ে অনেকে সার্জারি বা অপারেশন করে টনসিলটাকেই কেটে ফেলে দিয়ে থাকে।

টনসিল ও লিম্ফ টিস্যু অপারেশনের কুফল

আপনারা জেনেছেন টনসিল হলো লিম্ফ টিস্যু যা আমাদের শরীর রক্ষার প্রথম প্রহরী। গলা শ্বাসতন্ত্র এবং পরিপাক তন্ত্রের প্রবেশ পথ। তাই যদি টনসিল না থাকে জীবাণুবা সংক্রমণ বিনা বাধায় ফুসফুস বা পাকস্থলীতে চলে যাবে এটাই স্বাভাবিক এবং বিনা নোটিশে ব্যক্তি জটিল এবং কঠিন রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়বেন। এক্ষেত্রে সংক্রমণের প্রাথমিক লক্ষণও জানা যায় না।

আর লিম্ফ টিস্যু সম্পর্কে আপনারা আগেই জেনেছেন। যেগুলি থাকলে কোন প্রকার সংক্রমণ পূর্ব থেকেই নির্ণয় করা যায়। যেমন এক্ষেত্রে লিম্ফ নোড ফুলে উঠলে সেটা থেকে পরীক্ষা করে জানা যায় ব্যক্তি ক্যান্সার, টিবি বা অন্য কোন জটিল রোগে আক্রান্ত হয়েছেন কিনা। আর যদি সেগুলি কারো না থাকে তাহলে এই সকল রোগ সংক্রমণের অনেক পরে অর্থ্যাৎ জটিল অবস্থায় বুঝা যায় যে তিনি ঐ রকম ভয়াভহ একটি রোগে আক্রান্ত হয়েছেন।

টনসিল শ্বেত রক্তকণিকা উৎপন্ন করে থাকে। এই শ্বেত রক্তকণিকা বাহির থেকে দেহে প্রবেশকারী ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া এবং বিভিন্ন জীবাণুর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলে। তাই যাদের টনসিল নেই তাদের সেই প্রাথমিক প্রতিরোধ ব্যবস্থাই থাকে না আর তারা দুর্বল জীবনীশক্তির অধিকারী হয়ে পড়েন এবং সহজেই নানা রোগে আক্রান্ত হতে পারেন। তাছাড়া কোন প্রকার পূর্ব নোটিশ ছাড়াই দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত হয়ে সঙ্কটাপন্নও অবস্থা তৈরী হতে পারে। এবার হয়তো বুঝতে পেরেছেন, টনসিলই হলো মানব দেহের ফার্স্ট লাইন অফ ডিফেন্স।

যা যা জেনেছেন

  • টনসিল অপারেশন
  • টনসিল অপারেশনের পর ইনফেকশন
  • টনসিল অপারেশনের পর সমস্যা
  • টনসিল অপারেশনের পর করণীয়
  • টনসিলের চিকিৎসা কি
  • টনসিল এর ঔষধ
  • টনসিল কি
  • টনসিল সারানোর উপায়
  • টনসিল কেন হয়
  • টনসিল ইনফেকশনের লক্ষণ
  • টনসিল ফোলা কমানোর উপায়
  • টনসিল bangla meaning
  • টনসিল meaning in bengali
  • টনসিল english word
  • টনসিল meaning english
বিস্তারিত