Pancreatitis লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
Pancreatitis লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

সোমবার, ১৯ জুলাই, ২০২১

প্যানক্রিয়াটাইটিস ও ডায়াবেটিস নির্মূল হচ্ছে হোমিও চিকিৎসায় ! প্রামাণ্য কেইস

প্যানক্রিয়াটাইটিস এবং এর ফলে সৃষ্ট ডায়াবেটিস থেকে সম্পূর্ণ সেরে উঠে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে একমাত্র আশার আলো হল হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা বিজ্ঞান। বর্তমান বিশ্বে অন্যান্য চিকিৎসা পদ্ধতি যেখানে স্থায়ী চিকিৎসা দিতে ব্যর্থ হচ্ছে সেখানে অ্যাকিউট ও ক্রনিক প্যানক্রিয়াটাইটিস অর্থ্যাৎ অগ্ন্যাশয় বা প্যানক্রিয়াস প্রদাহ এবং এর ফলে সৃষ্ট ডায়াবেটিস নির্মূলের কার্যকর এবং স্থায়ী চিকিৎসা নিশ্চিত করছে হোমিওপ্যাথি। এটাও জেনে রাখুন, এর জন্য অবশ্যই রেজিস্টার্ড এবং অভিজ্ঞ একজন হোমিও চিকিৎসকের পরামর্শক্রমে চিকিৎসা নিতে হবে যিনি এই বিষয়গুলি ঠিকঠাক ভাবে হ্যান্ডেল করতে পারেন।

ধারাবাহিক ভাবে এ সংক্রান্ত আর্টিকেল এবং ভিডিও পাবেন আমাদের ওয়েবসাইটে। এবার আসুন প্রামাণ্য একটি কেইস নিয়ে আলোচনা করি। ২৫ বছর বয়স্কা রোগিণীর মাসে অন্তত একবার পেটে ভীষণ ব্যথা এবং বমি হয়। সাথে সাথে হাসপাতালে ভর্তি করে হয়। এর সাথে রয়েছে উচ্চ মাত্রার ডায়াবেটিস এবং এর জন্য দিনে দুইবার ইনসুলিন নিতে হয়। এ অবস্থায় রক্তে শর্করা বা সুগার এর মাত্রা-
  • খালি পেটে 14-15 mmol/l
  • ভরা পেটে 25-26 mmol/l
দুর্বিসহ এক জীবন যাপন করে চলেছেন। বিভিন্ন হাসপাতালে স্ত্রীকে নিয়ে দৌড়াচ্ছেন তার স্বামী। কিন্তু কোথাও এর কোন সমাধান পাননি। এলোপ্যাথিক চিকিৎসকগণ বার বার তাকে হতাশ করছিলেন এই বলে যে- এটি পেটের খুবই খারাপ একটি রোগ এবং তার স্ত্রী কখনো সুস্থ হবেন না। এভাবেই চলতে হবে সারা জীবন আর ঔষধ নিয়ে যেতে হবে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য।

এরই মধ্যে একদিন অনলাইনে তিনি জানতে পারলেন এলোপ্যাথিক চিকিৎসায় কোন ক্রনিক ডিজিসই ভাল হয় না ঔষধ খেয়ে খেয়ে থাকতে হয় অথচ হোমিওপ্যাথিতে রয়েছে এই সব সমস্যার কার্যকর সমাধান। কিন্তু এলোপ্যাথিক মেডিক্যাল মাফিয়ারা কখনো মানুষকে জানতেও দেয় না হোমিওপ্যাথিতে স্থায়ীভাবে ভাল হয়ে যায় জটিল এই প্যানক্রিয়াটাইটিস এবং এর ফলে সৃষ্ট ডায়াবেটিস।
প্রপার একটি হোমিও চিকিৎসায় মাত্র ৫ মাসের মধ্যেই সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে এলেন সেই রোগিনী। প্যানক্রিয়াটাইটিস নেই এবং এর ফলে সৃষ্ট ডায়াবেটিসও নেই। এখন তার রক্তে শর্করা বা সুগার এর মাত্রা স্বাভাবিক। বিস্তারিত ভিডিওতে দেখুন। ধন্যবাদ 
বিস্তারিত

মঙ্গলবার, ১৮ মে, ২০২১

ক্রনিক প্যানক্রিয়াটাইটিস এবং এর ফলে সৃষ্ট ডায়াবেটিস নির্মূলের ম্যাজিক ট্রিটমেন্ট হোমিওপ্যাথি

অগ্ন্যাশয়ের দীর্ঘমেয়াদী প্রদাহ অর্থ্যাৎ ক্রনিক প্যানক্রিয়াটাইটিস এর ফলে অনেকেই ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হচ্ছেন। আর এলোপ্যাথিক ভুল চিকিৎসায় প্যানক্রিয়াটাইটিস এবং এর ফলে সৃষ্ট ডায়াবেটিসের জটিলতা দিন দিন বেড়ে চলেছে অনেকেরই। মনে রাখবেন - বর্তমান বিশ্বে ক্রনিক প্যানক্রিয়াটাইটিস Pancreatitis এবং এর কারণে সৃষ্ট যুক্ত ডায়াবেটিস নির্মূলের একমাত্র কার্যকর চিকিৎসা হলো হোমিওপ্যাথি। অগ্ন্যাশয়ের দীর্ঘমেয়াদী প্রদাহের ফলে অগ্ন্যাশয় ফুলে যায় আর যার ফলে ইনসুলিন উৎপাদনকারী সেলগুলো ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় যা মেরামত করে অগ্ন্যাশয়ের প্রদাহ স্থায়ীভাবে দূর করে ডায়াবেটিস নির্মূলের ক্ষেত্রে স্রষ্টার এক বিশেষ আর্শীবাদ হলো হোমিওপ্যাথি।
ক্রনিক প্যানক্রিয়াটাইটিসযুক্ত ডায়াবেটিস নির্মূলের ম্যাজিক ট্রিটমেন্ট হোমিওপ্যাথি

প্রিয় পাঠক আমি ডাঃ দেলোয়ার জাহান ইমরান। ক্রনিক প্যানক্রিয়াটাইটিসযুক্ত ডায়াবেটিস পেশেন্টদের চিকিৎসা দিয়ে আসছি। যারা বহু বছর যাবৎ এই সমস্যায় ভুগছিলেন এবং দেশ বিদেশে এলোপ্যাথিক চিকিৎসা নিয়েও স্থায়ী কোন ফলাফল পাননি। তারা সবাই ওয়ান টাইম এলোপ্যাথিক ঔষধ খেয়ে খেয়ে উপর পেটের ব্যথা এবং ক্রমাগত ইনসুলিন নিয়ে সুগার নিয়ন্ত্রণ রাখার চেস্ট করতেন কিন্তু রোগ জটিলতা দিন দিন বাড়তে থাকায় প্রায় সবার অবস্থাই খারাপের দিকে যাচ্ছিল। আপনারা জেনে হয়তো আনন্দিত হবেন যে, ক্রনিক প্যানক্রিয়াটাইটিস এবং এর ফলে সৃষ্ট ডায়াবেটিস স্থায়ীভাবে নির্মূলের ক্ষেত্রে হোমিওপ্যাথি বর্তমান বিশ্বে নাম্বার ওয়ান চিকিৎসা পদ্ধতি।

তবে যে বিষয়ে আপনাদের সতর্ক হতে হবে - এ ক্ষেত্রে আপনি যেখানে সেখানে হোমিও চিকিৎসা নিলেই আর কিছু হোমিও ঔষধ খেলেই সুস্থ হয়ে যাবেন না। কারণ ক্রনিক প্যানক্রিয়াটাইটিস সমস্যার পেছনে দায়ী থাকে জটিল প্রকৃতির True Diseases বা প্রকৃত রোগ। একজন দক্ষ হোমিও চিকিৎসকই মূলত আপনার DNA তে Predominant প্রকৃত রোগগুলি হোমিওপ্যাথিক নিয়মে ইনভেস্টিগেশন করে নির্ণয় করতে পারেন। তখন সেই আলোকে প্রোপার হোমিও চিকিৎসা দিলেই ক্রনিক প্যানক্রিয়াটাইটিস এবং এর ফলে সৃষ্টি হওয়া ডায়াবেটিস স্থায়ী ভাবে নির্মূল হওয়া সময়ের ব্যাপার মাত্র।
এ ক্ষেত্রে আপনার DNA তে Predominant প্রকৃত রোগ বা True Diseases নির্ণয় করতে হোমিওপ্যাথিক নিয়মে একটি ইনভেস্টিগেশন প্রয়োজন যেহেতু আপনার শরীরে শক্তিকৃত হোমিওপ্যাথিক ঔষধ প্রয়োগ করা হবে। এক্ষেত্রে পেশেন্টের শৈশবের জীবনদর্শন, বিগত জীবনে কি কি স্বাস্থ জটিলতায় ভুগেছেন। তার নিকট আত্মীয় যেমনঃ মা-বাবা, ভাই-বোন, দাদা-দাদী, নানা-নানী তাদেরও হিস্টি নিবেন চিকিৎসক। এক্ষেত্রে অবশ্যই বিস্তারিত তথ্যাবলী দিয়ে সাহায্য করতে হবে চিকিৎসককে। ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন। ধন্যবাদ।

যা যা জেনেছেন 

  • ক্রনিক প্যানক্রিয়াটাইটিস রোগ কি
  • প্যানক্রিয়াটাইটিস বিশেষজ্ঞ
  • প্যানক্রিয়াটাইটিস এর চিকিৎসা
  • ক্রনিক প্যানক্রিয়াটাইটিস চিকিৎসা
  • তীব্র প্যানক্রিয়াটাইটিস চিকিৎসা
  • প্যানক্রিয়াটাইটিস বিশেষজ্ঞ বাংলাদেশ
  • প্যানক্রিয়াটাইটিস ও ডায়াবেটিস
বিস্তারিত

রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২০

অ্যাকিউট ও ক্রনিক প্যানক্রিয়াটাইটিস! অগ্ন্যাশয় বা প্যানক্রিয়াস প্রদাহের কারণ লক্ষণ জটিলতা চিকিৎসা

কোন কারণে আমাদের প্যানক্রিয়াস বা অগ্ন্যাশয়ে প্রদাহ হলে তাকে প্যানক্রিয়াটাইটিস Pancreatitis বলা হয়ে থাকে। প্যানক্রিয়াস দেহের খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ। এর অবস্থান পেটের ভেতর পাকস্থলীর পেছনে, যার ওজন প্রায় ৮০ গ্রামের মতো। প্যানক্রিয়াসের কাজ হল দু'টি। একটি হলো পাচক রস বা এনজ়াইম তৈরি করা। যা আমাদের খাবার হজম করতে সাহায্য করে। শর্করা, আমিষ এবং স্নেহ এই তিন ধরনের খাবার হজমেই সাহায্য করে অগ্ন্যাশয়ে তৈরি হওয়া এই উৎসেচক। প্যানক্রিয়াসের সঙ্গে আবার কিছু ডাক্টের মাধ্যমে ইনটেস্টাইন বা অন্ত্রের সংযোগ থাকে। যেগুলি দিয়ে প্যানক্রিয়াসে তৈরি পাচক রস অন্ত্রে পৌঁছয়। তার পরেই খাবার হজমের প্রক্রিয়া শুরু হয়। একে এক্সোক্রিন প্যানক্রিয়াস বলে। প্যানক্রিয়াসের আর একটি কাজ হল ইনসুলিন বা ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণকারী হরমোন তৈরি করা। একে এন্ডোক্রিন প্যানক্রিয়াস বলে।  
শুরুতেই জেনে রাখুন, অ্যাকিউট ও ক্রনিক প্যানক্রিয়াটাইটিস প্রপার হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় সম্পূর্ণ ঠিক হয়ে যায়। তবে এর জন্য আগে একজন দক্ষ হোমিও চিকিৎসক খুঁজে বের করবেন যিনি রিয়েল হোমিওপ্যাথিক থেরাপিউটিক মেথডে চিকিৎসা দিতে জানেন। অন্যথায় ফলাফল শূন্যও হতে পারে।
সাধারণত পাচক রস বা এনজ়াইমস তৈরি হওয়ার পরে তা প্যানক্রিয়াসে নিষ্ক্রিয় অবস্থায় থাকে। অন্ত্রে পৌঁছনোর পরেই সেগুলি সক্রিয় হয়। এবং খাবার হজমের ক্ষমতা তৈরি হয়। কিন্তু কোনও কারণে যদি প্যানক্রিয়াসে থাকা অবস্থাতেই এনজ়াইমগুলি সক্রিয় হয়ে ওঠে, তখন তা প্যানক্রিয়াস গ্ল্যান্ডকেই হজম করতে শুরু করে। হজম করার এই প্রক্রিয়ার ফলে ইনফ্ল্যামেটরি মিডিয়েটর বেরোয়। যা ইনফ্ল্যামেশন বা প্রদাহে সাহায্য করে। অগ্ন্যাশয়ের এই প্রদাহকেই প্যানক্রিয়াটাইটিস বলে। এর ফলে ডায়বেটিসে আক্রান্ত হচ্ছেন বহু মানুষ। প্যানক্রিয়াসের প্রদাহ দুই রকমভাবে হতে পারে-
  • অ্যাকিউট প্যানক্রিয়াটাইটিস
  • ক্রনিক প্যানক্রিয়াটাইটিস
অ্যাকিউট প্যানক্রিয়াটাইটিস:-  যে সকল কারণে উপরের পেটে মাঝারি হতে তীব্র ব্যথা হয় সেগুলির মধ্যে অ্যাকিউট প্যানক্রিয়াটইটিস বা প্যানক্রিয়াসের আকস্মিক তীব্র প্রদাহ অন্যতম। কোন কারণে আমাদের প্যানক্রিয়াসে আকস্মিক তীব্র প্রদাহ ঘটলে তাকে অ্যাকিউট প্যানক্রিয়াটাইটিস বলা হয়ে থাকে। এর ফলে কিডনি কাজ করা বন্ধ করে দিতে পারে বা হার্টফেল হতে পারে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে অ্যাকুইট প্যানক্রিয়াটাইটিসের প্রধান কারণ পিত্তনালির পাথর বা গলস্টোন। এ ছাড়া অতিরিক্ত মদ্যপান, রক্তে ক্যালসিয়ামের মাত্রা বৃদ্ধি, ডায়াবেটিস, অগ্ন্যাশয়ে আঘাত, এলোপ্যাথিক ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, অতিরিক্ত ওজন, সার্জারি, ইনফেকশন, জন্মগত ত্রুটি, আলসার বা জিনগত কারণেও অগ্ন্যাশয়ের প্রদাহ হতে পারে। তবে অনেক ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কোন কারণ খুঁজে পাওয়া যায় না ।

ক্রনিক প্যানক্রিয়াটাইটিস:- প্রচুর মদ্যপানের কারণে দীর্ঘমেয়াদী বা ক্রনিক প্যানক্রিয়াটিটিস দেখা দেয়। এটা দীর্ঘসময় ধরে থাকে এবং রিয়েল হোমিওপ্যাথিক ট্রিটমেন্ট ছাড়া এর ঠিক হওয়ার সম্ভাবনাও খুবই কম থাকে। ক্রনিক প্যানক্রিয়াটাইটিস রোগীর ঘন ঘন পেটে ব্যথা হয়। খাদ্য হজম হয় না। ওজন কমে যায়। ফেনাযুক্ত পায়খানা হয়। ডায়াবেটিস হতে পারে।
অ্যাকিউট ও ক্রনিক প্যানক্রিয়াটাইটিস

প্যানক্রিয়াটাইটিস - লক্ষণ ও উপসর্গ

  • পেটের উপরিভাগে এবং পিঠে তীব্র ব্যথা
  • পেট ফুলে যাওয়া।
  • বমি বমি ভাব
  • বমি হওয়া
  • দ্রুত হৃদস্পন্দন
  • তীব্র ব্যথার সঙ্গে বমি হতে পারে
  • অনেক ক্ষেত্রেই রোগী অজ্ঞান হয়ে যায়
  • জ্বর হওয়া
  • ডায়রিয়া হওয়া
  • ওজন কমে যাওয়া
  • অতিরিক্ত ঘাম হওয়া
  • অগ্নাশয় বা পিত্তনালি বন্ধ হয়ে যাওয়া
  • পিত্তনালি সরু হয়ে গেলে জন্ডিস দেখা দিতে পারে
  • হঠাৎ প্রদাহে রোগী মারাও যেতে পারে

প্যানক্রিয়াটাইটিস - কারণগুলি কি কি

  • মদ্যপান
  • গলব্লাডারে পাথর
  • অগ্নাশয়ের বংশগত সমস্যা
  • এলোপ্যাথিক ঔষধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া যেমন : স্টেরয়েড
  • পেটে আঘাত পাওয়া
  • প্যানক্রিয়াটিক ক্যান্সার
  • হাইপারগ্লাইসেমিয়া এবং হাইপারট্রাইগ্লাইসেরিডেমিয়া
  • মাম্পস

প্যানক্রিয়াটাইটিস - রোগ নির্ণয়

  • রক্তে অ্যামাইলেজের মাত্রা
  • আল্ট্রাসাউন্ড
  • কিছু ক্ষেত্রে সিটিস্ক্যান
  • কিছু ক্ষেত্রে ইআরসিপি

প্যানক্রিয়াটাইটিস - জটিলতা

  • অগ্ন্যাশয়ের ক্ষতিগ্রস্ত কোষে ঘা বা ফোঁড়া তৈরি হওয়া
  • শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি দেখা দেওয়ার কারণে খিঁচুনি হওয়া
  • অগ্ন্যাশয়-সংলগ্ন অন্ত্রনালি সরু হয়ে যাওয়া
  • অগ্ন্যাশয় ক্ষতিগ্রস্ত হলে উৎপন্ন তরল পদার্থ জমে জমে এক ধরনের সিস্ট Psendocyst তৈরি করে
  • জটিলতা হিসেবে রোগীর ডায়াবেটিসও হতে পারে
  • শ্বাসতন্ত্র আক্রান্ত হয়ে শ্বাসকষ্ট শুরু হতে পারে
  • অন্যান্য অঙ্গের কার্যকারিতা নষ্ট হতে পারে যেমন : কিডনি বিকল হওয়া, লিভার বিকল হওয়া ইত্যাদি
  • পিত্তনালি বন্ধ হয়ে গিয়ে জন্ডিস হতে পারে
  • ভালো হয়ে যাওয়ার পরও অনেক রোগী দীর্ঘমেয়াদি ধীরগতির প্রদাহে আক্রান্ত হতে পারে। সঠিক সময়ে রোগনির্ণয় এবং চিকিৎসা শুরু না হলে রোগী মারা যেতে পারে।

প্যানক্রিয়াটাইটিস - চিকিৎসা

এটি একটি জটিল প্রকৃতির সমস্যা। অগ্ন্যাশয়ে হঠাৎ প্রদাহ একটি জরুরি অবস্থা। যত দ্রুত সম্ভব হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা শুরু করতে হয়। মনে রাখতে হবে, আইসিইউ-এর ব্যবস্থা রয়েছে, এমন হাসপাতালে রোগীকে ভর্তি করা ভাল। কারণ এ সময়ে হঠাৎই রোগীর বিভিন্ন অঙ্গ বিকল হতে শুরু করে, শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা দেখা দিতে পারে। সে ক্ষেত্রে আইসিইউ বা সিসিইউ জরুরি। পিত্তে পাথরের জন্য এই রোগ হলে অস্ত্রোপচার বাধ্যতামূলক হয়ে পড়ে। তবে প্যানক্রিয়াটাইটিস সারিয়ে নিয়ে তবেই অস্ত্রোপচার করতে হবে।

কেউ যদি বারবার অ্যাকিউট প্যানক্রিয়াটাইটিসে আক্রান্ত হন, তখন প্যানক্রিয়াস ক্ষতিগ্রস্ত হতে থাকে। সে ক্ষেত্রে প্রপার হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা ভালো ফলাফল বয়ে আনে। দেখা যায় যারা এই সমস্যায় আক্রান্ত হন তাদের কিছু দিন পর পরই হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়। এর চিকিৎসায় বিভিন্ন কারণে সার্জারি করার পরামর্শ দিয়ে থাকে এলোপ্যাথিক চিকিৎসকগণ কিন্তু এক্ষেত্রে এর চিকিৎসা বেশ ব্যয়বহুল। 
তবে আপনি হয়তো জেনে স্বস্তি পাবেন যে - প্যানক্রিয়াটাইটিস এর মতো জটিল প্রকৃতির রোগের অসাধারণ চিকিৎসা রয়েছে রিয়েল হোমিওপ্যাথিক থেরাপিউটিক সিস্টেমে। তবে এর জন্য অবশ্যই দক্ষ একজন হোমিও চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করবেন আশা করি নিরাশ হবেন না ইনশা-আল্লাহ। 
প্যানক্রিয়াটাইটিসে আক্রান্তদের ক্ষেত্রে যে ত্রুটি প্রকট থাকে তার মধ্যে প্রধান হলো PRS - Post Rabies Syndrome. তবে আমি ডাঃ দেলোয়ার জাহান ইমরান, প্যানক্রিয়াটাইটিসে আক্রান্ত কিছু পেশেন্টের মধ্যে TD এবং কিছু পেশেন্টের মধ্যে PTS প্রিডোমিনেন্ট পেয়েছি। তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই হিস্ট্রি নিলে পোস্ট রেবিস সিন্ড্রম দোষে দোষ্ট কোন না কোন তথ্য উঠে আসে। আসুন এ সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিই..

পোস্ট রেবিস সিন্ড্রম যাদের ক্ষেত্রে প্রিডোমিনেন্ট

যেকোন Animal Bite (Dogs, Cats, Bates, Snakes etc) এবং ঐ Bite এর কারণে চিকিৎসায় ব্যবহৃত Vaccine বা টিকা জনিত সমস্যা, পরবর্তী সময়ে এবং পরবর্তী প্রজন্মগুলিতে যেসকল জটিল পরিস্থিতি তথা বিভিন্ন অস্বাভাবিক এবং ভয়ঙ্কর সমস্যার সৃষ্টি হয়, সেগুলিকে একত্রে Post Rabies Syndrome (PRS) আখ্যা দেয়া হয়েছে।
  • এই বিষে বিষাক্ত Zygote থেকে সৃষ্ট শিশু, কখনো কখনো মাকে গর্ভাবস্থায় ভীষণ কষ্ট দেয় অর্থাৎ গর্ভাবস্থায় মা ভীষণ কষ্ট ভোগ করেন যদিও সব ক্ষেত্রে এমনটি হয় না।
  • এই বিষাক্ত Zygote থেকে সৃষ্ট শিশু মারাত্মক দৈহিক ত্রুটি নিয়ে জন্ম নেয়, অবস্থা এমন ভয়ঙ্কর থাকে যে জন্ম নেয়ার সঙ্গে সঙ্গে NICU তে ভর্তি করতে হয়, কাউকে আবার তক্ষনি অপারেশন করতে হয়, যেমন CDH - Congenital Diaphragmatic Hernia, শিশু জন্ম নিয়েছে কিন্তু মলদ্বার হয়নি ইত্যাদি।
  • শিশু জন্ম নেয়ার আগের মুহূর্তে মায়ের পানি ভেঙে গিয়ে এমন ভযঙ্কর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল যে শিশুটিকে তক্ষনি পেট কেটে (Cesarean Section) না করলে মারা যেত।
  • শিশুটি মায়ের পেট থেকে বেরিয়ে এসেছিলো নীলবর্ণ, মৃতপ্রায় অবস্থায়, বাঁচবার কোন আশাই ছিল না।
  • এর আগে দুটি শিশু যথাক্রমে তিন মাসে এবং পাঁচ মাসে নষ্ট হয়ে গেছে। অনেক চিকিৎসার পর এই শিশুটি মৃতপ্রায় হয়ে জন্মেছে।
  • আবার এমন বিষাক্ত Zygote থেকে সৃষ্ট শিশু জন্ম নিয়েছে দুরারোগ্য Genetic Disease নিয়ে যেমনঃ Down Syndrome, Cerebral palsy, Autism, Juvenile Diabetes mellitus, Gilbert Syndrome, Thalaseemia, Hemophilia, Huntington's Chorea, SLE (Systemic lupus erythrematosus), Psoriasis, Neurofibromatosis, Congenital Heart Diseases etc.
  • কখনো এমন বিষাক্ত Zygote থেকে সৃষ্ট শিশু Pancreas এর তীব্র সমস্যা নিয়ে জন্মায়। এই সমস্যা পরবর্তী সময়ে Acute pancreatitis, Chronic pancreatitis, Pancreatic carcinoma ইত্যাদি রূপে প্রকাশ পায়।
  • Post Rabies Syndrome (PRS) প্রকট, এমন শিশুরা মায়ের গর্ভে অবস্থান কালে মাকে ভীষণ কষ্ট দেয়, Neonatal period এও মাকে ভীষণ কষ্ট দেয় যেমনঃ দিবারাত্র ভীষণ কান্না, যার জন্য মায়ের খাওয়া-ঘুম থাকে না, আবার হঠাৎ হঠাৎ এমন ভয়ংকর অসুস্থ হয়ে যায় যে চিকিৎসকের নির্দেশে তক্ষনি হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়। এই সকল শিশু অপ্রতুল Vital Force নিয়ে জন্মায় যার কারণে তাদের Immune System খুব দুর্বল থাকে ফলে এরা খুব সহজেই বিভিন্ন Infectious disease (Severe Pneumonia, Bronchitis, Typhoid, Gastroenteritis, Cold, Cough, Fever, Measles, Mumps, Pox, Tonsillitis, Cholera, Malaria etc) এ আক্রান্ত হয় এবং প্রত্যেকটি Infectious disease ই দ্রুত ভয়ঙ্কর রূপ নেয়।
  • আবার এমনও হতে পারে যে জন্মের সময় একটু সমস্যা ছিল বা ছিল না কিন্তু কিছু দিন পর ক্যান্সার বা ক্যান্সারের মতো ভয়ঙ্কর রোগ শুরু হলো।
এছাড়া সারাটা জীবন একটা না একটা সমস্যা লেগেই থাকে, সুস্থতার আনন্দ সৃষ্টিকর্তা তাদের জন্য মঞ্জর করেননি। এদের বয়স যত বাড়তে থাকে এদের রোগের জটিলতাও বাড়তে থাকে, কারণ PRS প্রকট এমন শিশু বা মানুষেরা যখন কোন দৈহিক বা মানুষিক সমস্যার চিকিৎসার জন্য বিভিন্ন Therapeutic System এর চিকিৎসকের কাছে যান, তারা Symptomatic বা উপরি উপরি চিন্তা করে লক্ষণ ভিত্তিক চিকিৎসা দিয়ে তাৎক্ষণিক আরাম দিয়ে পেসেন্টকে সন্তুষ্ট করেন কিন্তু যে কারণে ঐ কষ্টকর লক্ষণগুলির সৃষ্টি, সেটির কোন প্রতিকার করা হয় না বলে মূল সমস্যা জটিল থেকে জটিলতর এবং সবশেষে জটিলতম অবস্থায় পৌঁছায়। তখন চিকিৎসকরা বলেন - "বয়স হয়েছে, আমরাও যথাসাধ্য চেষ্টা করেছি, বাড়িতে নিয়ে গিয়ে ভালোমন্দ খেতে দিন।"

এছাড়া Post Rabies Syndrome (PRS) প্রকট নিয়ে জন্মানো শিশুদের মধ্যে বিভিন্ন অস্বাভাবিকতা দেখা যায় যেমন -
  • ভয়ঙ্কর দৈহিক পরিস্থিতি নিয়ে শিশুটি ভুমিষ্ঠ হয়েছে
  • জন্মাবার পর দীর্ঘক্ষণ কান্না করেনি, এমনকি অনেক চেষ্টার পরও
  • দীর্ঘক্ষণ পায়খানা প্রস্রাব করেনি
  • স্তনপান করেনি বরং বলা ভালো স্তনপান করবার শক্তিটুকু ছিল না
  • মস্তিষ্কে বা অন্য কোন অঙ্গে বড় টিউমার নিয়ে জন্মেছে
  • অসামঞ্জস্য দৈহিক গড়ন
  • শিশুটি ভূমিষ্ঠ হয়েছে দাঁত, চুল, দাঁড়ি, গোঁফ ইত্যাদি নিয়ে
  • জন্ম সময়ে শিশুটির মলদ্বার ছিল না
  • শিশুটি জন্মেছে মাথাটি অস্বাভাবিক বড়
  • এমন বিপদজনক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় যে EDD [Expected date of delivery] এর ১ থেকে ২ মাস পূর্বেই গর্ভের শিশুকে বের করে নিতে হয় (Cesarean Section) অন্যথায় শিশুটির জীবন সংশয় দেখা দিতে পারে
  • শিশুটি জন্ম নেয়ার পর থেকে বা ১-২ দিন পর থেকে দিবারাত্র অবিরাম কান্না দীর্ঘদিন ধরে, কোন কিছুতেই কান্না বন্ধ হতো না, বেদনানাশক বা অচেতন করার ঔষধ না দিলে
এছাড়া আরো যে যে কারণে Post Rabies Syndrome (PRS) সদৃশ পরিস্থিতি তৈরী হয় -
  • শিশুটি গর্ভে আসার আগে বাবা অথবা মা খুব কঠিন রোগের জন্য প্রচুর ঔষধ খেয়েছিলেন
  • শিশুটি জন্মগ্রহণ করার পর বাবা অথবা মায়ের ক্যান্সার ধরা পড়েছে
  • এই শিশুটি গর্ভে আসার পূর্বে পরপর তিনবার বিভিন্ন সময়ে বা মাসে Spontaneous Abortion হয়েছে বলে প্রচুর ঔষধ খাওয়ার পর এই শিশুটি জন্মেছে
  • গর্ভের শিশুটিকে অনাকাঙ্খিত মনে করে বিভিন্ন ঔষধ খেয়ে Induced Abortion করার চেষ্টা হয়েছিল কিন্তু গর্ভপাত হয়নি
  • পাঁচ বছর আগে বিয়ে হলেও কোন সন্তান হয়নি বলে প্রচুর ঔষধ খেয়ে এই শিশুটি জন্মেছে
  • বিষধর সাপের দংশন এবং দংশনজনিত চিকিৎসার পর বিভিন্ন জটিল সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে
  • মায়ের ছোট বেলা অর্থাৎ প্রথম মাসিকের আগে থেকেই সাদা স্রাবের সমস্যা ছিল
  • মায়ের প্রথম মাসিকে প্রচন্ড ব্যথা (Dysmenorrhoea) ছিল।

প্যানক্রিয়াটাইটিস - সাবধানতা

ক্রনিক প্যানক্রিয়াটাইটিস হলে চর্বিজাতীয় খাবার যেমন ডিম, দুধ, রেড মিট এড়িয়ে চলতে হবে। তেল জাতীয় খাবার বা ভাজাভুজিও চলবে না। ধূমপান এবং মদ্যপানও বন্ধ করতে হবে। 
  • পেনক্রিয়াস কি
  • অগ্নাশয়ের অবস্থান
  • অগ্নাশয় ইনফেকশন
  • পেনক্রিয়াস পাথর
  • প্যানক্রিয়াস ইনফেকশন
  • প্যানক্রিয়াটাইটিস রোগীর খাদ্য
  • ক্রনিক প্যানক্রিয়াটাইটিস
  • প্যানক্রিয়াটাইটিস ক্যান্সার
  • অ্যাকিউট প্যানক্রিয়াটাইটিস
  • প্যানক্রিয়াটাইটিস বিশেষজ্ঞ
  • প্যানক্রিয়াস ইনফেকশন
  • অগ্নাশয় ভালো রাখার উপায়
বিস্তারিত