পাইলস লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
পাইলস লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

মঙ্গলবার, ৩১ মে, ২০২২

অর্শ বা পাইলসের প্রাথমিক উপসর্গ ও ঘরোয়া চিকিৎসা

অর্শ বা পাইলসের প্রাথমিক উপসর্গ সৃষ্টি হলে এর জন্য এলোপ্যাথি হোমিওপ্যাথি আয়ুর্বেদিক বা ঘরোয়া চিকিৎসা কোনটা নিবেন সেটা নিয়ে অনেকেই চিন্তায় পড়ে যান। তাই শুরুতে আপনি নিজে নিজেই কিভাবে ঘরোয়া চিকিৎসায় সুস্থ হয়ে উঠতে পারেন সেটাই থাকছে আজকের পর্বে। প্রাথমিক পর্যায়ের পাইলসে রক্ত যাওয়া, মলদ্বারে ব্যথা বা জ্বালা, ছোট মাংসের মতো দলা তৈরী হতে পারে। যখন শুধু রক্ত যায় আর মাংসপিণ্ড বা দলা তৈরি হয়, এ সময়ে অনেক ক্ষেত্রেই কিছু নিয়ম কানুন অনুসরণ করেই আপনি সেরে উঠতে পারেন।

প্রথমেই অর্থাৎ সমস্যার শুরুতেই ফোলা ও ব্যথা কমানোর জন্য আপনি ঠিক কি করে উপরকার পেতে পারেন যেটা জেনে নিন।পাইলসের সমস্যা দেখা দিলে আপনি গরম পানি ব্যবহার করতে পারেন। এক্ষেত্রে একটি পাত্রে সহনীয় পর্যায়ের গরম পানি নিয়ে দিনে ১০-১৫ মিনিট বসে পড়ুন। এভাবে দিনে কয়েকবার এই ভাপ নিতে পারেন। বিশেষত, পায়খানা করার পর যাদের ব্যথা বা জ্বালা থাকে তারা ভালো রেজাল্ট পেয়ে যাবেন।
অর্শ বা পাইলসের প্রাথমিক উপসর্গ ও চিকিৎসা
আবার পাইলস এর ঘরোয়া চিকিৎসার ক্ষেত্রে বরফ বিশেষ ভূমিকা পালন করে। কারণ বরফ দেহে রক্ত চলাচল সচল করতে সহায়তা করে এবং ব্যথা দূর করে থাকে। এক টুকরো বরফ নিয়ে মলদ্বারের আক্রান্ত স্থানে দিয়ে আরাম পেতে পারেন।

যদি কারো দীর্ঘদিনের আমাশয়ের সমস্যা থাকে এবং এর ফলে অর্শ বা পাইলসের সমস্যা জেগে উঠে তাহলে যে খাবারগুলি গ্রহণ করলে আপনি ভালো থাকেন সেগুলি গ্রহণ করুন এবং যেগুলি খেলে আপনার পেটের সমস্যাসহ আনুসঙ্গিক আরো সমস্যা তৈরি হয় সেগুলি বিশেষ করে প্রাণীজ খাবার বাদ দিন। তাতেও উপরকার না হলে অভিজ্ঞ একজন হোমিও চিকিৎসকের পরামর্শক্রমে চিকিৎসা নিয়ে আপনার পেটের অসুখ ঠিক করুন দেখবেন আপনার পাইলসের সমস্যাও দূর হয়ে গেছে। পুরাতন আমাশয় নির্মূলের জন্য ঘরোয়া চিকিৎসা আপনাকে কিছুটা আরাম দিলেও প্রপার হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা ছাড়া এর থেকে নিস্তার পাওয়া দুস্কর।
 
পাইলসের সমস্যায় প্রতিদিন সকালে খালি পেটে স্বাভাবিক তাপমাত্রার গরুর দুধের সাথে একটি লেবু চিপে তার রস মিশিয়ে সাথে সাথে খেয়ে নিতে হবে। ভালো লাগলে টানা ৭-১০ দিন এই পদ্ধতি অনুসরণ করুন। সুফল পাবেন। কিন্তু যদি কারো ক্ষেত্রে এই পদ্ধতি অবলম্বন করলে পেটের যন্ত্রনা বেড়ে যায় তাহলে তিনি সেটি পরিহার করবেন।

আরেকটি পদ্ধতি অনুসরণ করে দেখতে পারেন। আদা ও লেবুর রস একসঙ্গে মিশিয়ে তাতে ১ চামচ মধু ভাল করে মিশিয়ে নিন। দিনে দুবার করে এই মিশ্রণটি খেয়ে যান। পাইলসের সমস্যা কমে আসবে। তবে যদি কারো দীর্ঘদিনের পেটের অসুখ থাকে তাহলে এই পদ্ধতি সহ্য নাও হতে পারে। সেক্ষেত্রে আপনি সেটা পরিহার করে বিকল্প পদ্ধতি অনুসরণ করুন।

যদি দীর্ঘদিনের কোষ্টকাঠিন্য বা পায়খানা শক্ত থাকার কারণে কারো অর্শ বা পাইলসের সমস্যা সৃষ্টি হয় তাহলে পেটের এই সমস্যাটিই ব্যক্তির পাইলস সৃষ্টির পেছনের একটি প্রধান নিয়মক ও পরিপোষক কারণ হিসেবে কাজ করে। সেক্ষেত্রে যেভাবে জীবন যাপন করলে পায়খানা নরম এবং স্বাভাবিক থাকে সেভাবেই তাকে জীবনযাপন করতে হবে। প্রাণীজ খাদ্য যেমন গরু ছাগলের মাংস, ফাস্ট ফুড, জাঙ্ক ফুড এবং উগ্র মসলা জাতীয় খাদ্য পরিহার করে সবুজ শাক সবজি নিয়মিত খেয়ে যেতে হবে। 

এর সাথে প্রতিদিন সকাল সন্ধ্যায় ইসবগুল, বেলের শরবত এবং এর সাথে পর্যাপ্ত পানি পান করলে কোষ্টকাঠিন্য উপশম করে পাইলের সমস্যা কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করতে পারে। দেখা গেছে এভাবে চললে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে চলে আসে এবং এর সাথে পাইলসের সমস্যাটিও দূর হয়ে যায়। তারপরও যদি আপনি ঠিক না হতে পারেন তাতেও চিন্তার কিছু নেই। অভিজ্ঞ একজন হোমিও চিকিৎসক খুঁজে বের করে যথাযথ চিকিৎসা নিন, ঠিক হয়ে যাবেন ইনশা-আল্লাহ।
বিস্তারিত

সোমবার, ৩০ মে, ২০২২

পাইলস কোষ্ঠকাঠিন্য আইবিএস আমাশয় ও ক্যান্সার

আইবিএস কোষ্ঠকাঠিন্য আমাশয় ও ক্যান্সার এই বিষয়গুলি অনেক ক্ষেত্রেই অর্শ বা পাইল্‌স এর সাথে সম্পর্কিত। এর সাথে পাইলস এর ব্যাথা ফোলা কমানোর উপায় নিয়েও চিন্তায় পড়ে যান নতুন রোগীরা। রোগের পুরাতন অবস্থায় জেগে উঠে নানা প্রকার জটিল জটিল লক্ষণ ও উপসর্গ। এর মধ্যে রয়েছে ব্যথা জ্বলা ক্ষত চুলকানি রক্তপাত ইত্যাদি।

এ দেশে প্রায় অনেকেই অর্শ নিয়ে কষ্ট পেয়ে থাকেন। সঠিক খাদ্যাভ্যাসের অভাবে কোষ্ঠকাঠিন্য জেগে উঠে, দীর্ঘদিন যাবৎ এটি চলতে থাকলে পাইলস বা অর্শের সমস্যা সৃষ্টি হয় । বাপ দাদার আছে তাই আপনারও পাইলস হবে, বিষয়টি ঠিক এমন নয়। মলত্যাগের প্রক্রিয়া স্বাভাবিক থাকলে পাইলসের সমস্যা তৈরী হয় না।বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কোষ্ঠকাঠিন্যের রোগীদের পাইলসের সমস্যা দেখা দেয়। কারণ, এঁদের মলত্যাগের সময়ে অকারণ বার বার বেগ প্রদানের বদভ্যাস রয়েছে, যার বলে পাইলসের বলিরও সৃষ্টি হয়ে থাকে।
পাইলস কোষ্ঠকাঠিন্য আইবিএস আমাশয় ও ক্যান্সার
আবার দীর্ঘদিন ধরে আমাশয়ে ভুগতে থাকা লোকজনের ক্ষেত্রেও পাইলসের সমস্যা দেখা যায়। কারণ এক্ষেত্রে অনেকেরই বার বার মূল ত্যাগের একটি প্রবণতা লক্ষ্য করা যায় এবং এর ফলে মলদ্বারে বারবার চাপ পড়ে এবং সেখানকার শিরাগুলি ফুলে উঠে এবং পাইলসের বলির সমস্যা তৈরি হয়। এর সাথে আরো বহু লক্ষণ ও উপসর্গের জন্ম লাভ করে থাকে যেমনঃ মলদ্বারে জ্বালা ব্যথা, ক্ষত, চুলকানি, রক্তপাত ইত্যাদি। আইবিএস (IBS) থাকলেও অনেকের ক্ষেত্রে অর্শ বা পাইল্‌স সৃষ্টি হতে দেখা যায়।

এরপর আসছে পাইলস এবং ক্যান্সার প্রসঙ্গ। অনেকেই ভাবেন পাইলস হলেই ক্যান্সার হয় থাকে, বিষয়টি কিন্তু এমন নয়। সমস্যার শুরুতেই অভিজ্ঞ হোমিও চিকিৎসকের পরামর্শক্রমে ট্রিটমেন্ট নিলে আপনি খুব দ্রুত সুস্থতার দিকে এগুবেন। কিন্তু দেখা যায়, বহু বছর যাবৎ এই সমস্যায় কষ্ট পাচ্ছেন। সুচিকিৎসা না হওয়ায় বিভিন্ন অপচিকিৎসা বা কুচিকিৎসায় বছরের পর বছর চলতে থাকলে সেটি জটিলতর পরিস্থিতির সৃষ্টি করে থেকে। চূড়ান্ত অবস্থায় বয়স ৫০+ এর ক্ষেত্রে কিছু কিছু রোগীর সে অবস্থায় পাইলসসহ আরো নানা কারণে ক্যান্সার জেগে উঠতে পারে, যখন ব্যক্তির ভাইটাল ফোর্স খুব দুর্বলতর অবস্থায় পৌঁছায়। তবে পাইলস হলে সঠিক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা না নিয়ে বার বার সার্জারি বা অপারেশন করলেও মলদ্বারে ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি তৈরী হয়। এবিষয়ে সতর্ক থাকা উচিত।
বিস্তারিত

রবিবার, ২৯ মে, ২০২২

অর্শ বা পাইলস রোগের হোমিওপ্যাথিক ঔষধ ও চিকিৎসা

অপারেশন ছাড়া পাইলস এর চিকিৎসা এবং পাইলস থেকে চিরতরে মুক্তির উপায় কি? পাইলস কিভাবে ভালো হয় বিশেষ করে অর্শ রোগের হোমিওপ্যাথিক ঔষধ ও চিকিৎসা পদ্ধতি নিয়ে আলোকপাত করব এই পর্বে। মলদ্বারের অতি কষ্ট দায়ক এই রোগটি নিয়ে এখনো অনেকেরই মনে লুকোচুরি রয়েছে। লোক লজ্জায় বহু রোগীরা ডাক্তারের কাছে পর্যন্ত যেতে চান না বরং ইন্টারনেটের নানা উৎস যেমন ফেইসবুক, ইউটিউব থেকে বিভিন্ন ডাক্তার নামধারী ঔষধ বিক্রেতাদের দেখানো ঔষধের নাম জেনে নিজের মতো করে সেগুলি খেয়ে চলেছেন অনেকেই। বিশেষ করে হোমিওপ্যাথিক বিভিন্ন ঔষধ গোপনে গোপনে কিনে খেয়ে খেয়ে মলদ্বারের জটিল এই রোগ সারাবার চেষ্টা করে থাকেন অনেক শিক্ষিত শ্রেণীর লোকজন।

যেহেতু হোমিওপ্যাথিক ঔষধ কিছু না কিছু লক্ষণ কভার করে তাই যেই ঔষধই রোগীরা খান না কেন কিছুটা আরাম পেলেও রোগ পুরুপুরি ভালো হচ্ছে না বরং অনেকের রোগ জটিলতা দিন দিন বৃদ্ধি হচ্ছে। অবশেষে দোষ দিচ্ছে হোমিওপ্যাথিকে। অথচ শুরু থেকে অভিজ্ঞ এবং রেজিস্টার্ড একজন হোমিও চিকিৎসকের পরামর্শক্রমে ধৈর্য্য ধরে ঔষধ প্রয়োগ করা হলে এই সমস্যা ঠিক হতে খুব বেশি সময় লাগে না।
পাইলস রোগের হোমিওপ্যাথিক ঔষধ
আপনাকে বুঝতে হবে এই সমস্যা জেগে উঠার পেছনে বিভিন্ন বিষয় বা নিয়ামক কাজ করে থাকে। তাই প্রতিটি পেশেন্টের ক্ষেত্রে তার কনস্টিটিউশন অনুযায়ী ঔষধ প্রয়োগের সাথে সাথে জীবন যাত্রায় কিছুটা পরিবর্তন আনা জরুরী। আর এই কাজটি, কে কিভাবে করবেন সেটা তার চিকিৎসক ঠিক করে দিবেন।

অর্শ বা পাইলস রোগের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা

একটি মানুষ জন্মলাভের সময়ই বিভিন্ন দুরারোগ্য রোগের জেনেটিক ম্যাটেরিয়ালস নিয়ে জন্মায়। তার ভাইটাল ফোর্স যতদিন শক্তিশালী থাকে ততদিন সেগুলি নিস্তেজ অবস্থায় থাকে। কিন্তু চলমান জীবনে বিভিন্ন বিশৃঙ্খলায় বা নানাপ্রকার অভ্যাসগত বা পরিবেশগত কারণে যখন ভাইটাল ফোর্স দুর্বল হয়ে পড়ে তখনই সেই দুরারোগ্য রোগের জেনেটিক ম্যাটেরিয়ালস বা প্রকৃত রোগগুলি শরীরে নানা স্থানে নানা প্রকার জটিল জটিল লক্ষণ বা উপসর্গ সৃষ্টি করে থাকে আর সেই লক্ষণ বা উপসর্গ গুলিকে বিভিন্ন রোগের নামে মানুষের কাছে পরিচিত করে দেয়া হয়। অর্শ বা পাইলস তেমনই একটি জটিল রোগ। এই রোগ পুরুপুরি নির্মূল করতে হলে হোমিওপ্যাথিক নিয়মে প্রপার ইনভেস্টিগেশন করে শক্তিকৃত হোমিও ঔষধ ধাপে ধাপে প্রয়োগ করে করে রোগীর ভেতরে লুকিয়ে থাকা প্রকৃত রোগটিকে নিস্তেজ করা হয় এবং এর সাথে বাহিরে প্রকাশিত অর্শ বা পাইলস নামের রোগলক্ষণগুলিও বিদূরিত হয়ে রোগী সুস্থতা লাভ করে থাকে।

অর্শ বা পাইলস রোগের হোমিওপ্যাথিক ঔষধ

হোমিওপ্যাথিতে এই রোগ চিকিৎসার জন্য রয়েছে বহু মেডিসিন। প্রথম ধাপের কিছু ক্ষেত্রে রোগের লক্ষণের উপর ভিত্তি করে ঔষধ প্রয়োগ করে থাকেন চিকিৎসকরা। দ্বিতীয় ধাপের কিছু ক্ষেত্রে রেপার্টরী থেকে রুব্রিক নিয়ে রোগীর সর্বদৈহিক অবস্থার আলোকে ঔষধ প্রয়োগ করা হয়ে থাকে। আবার চূড়ান্ত অবস্থায় রোগীর ভেতরে লুকিয়ে থাকা প্রকৃত রোগটিকে নিস্তেজ করার জন্য নির্বাচিত ঔষধ ধাপে ধাপে প্রয়োগ করা হয়ে থাকে। তবে এখানে রুব্রিক অনুযায়ী কিছু হোমিওপ্যাথিক ঔষধের তালিকা দেয়া হল। সুচিকিৎসার জন্য নিজে নিজে ঔষধ খাওয়া থেকে সম্পূর্ণ বিরত থাকুন এবং অভিজ্ঞ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকের পরামর্শক্রমে ট্রিটমেন্ট নিন।
অর্শ বা পাইলস রোগের হোমিওপ্যাথিক ঔষধ ও চিকিৎসা
অর্শ বা পাইলস রোগের হোমিওপ্যাথিক ঔষধ ও চিকিৎসা
অর্শ বা পাইলস রোগের হোমিওপ্যাথিক ঔষধ ও চিকিৎসাঅর্শ বা পাইলস রোগের হোমিওপ্যাথিক ঔষধ ও চিকিৎসাঅর্শ বা পাইলস রোগের হোমিওপ্যাথিক ঔষধ ও চিকিৎসা

যা যা জেনেছেন

  • পাইলসের ঔষধ
  • পাইলস কিভাবে ভালো হয়
  • অর্শ রোগ চিকিৎসা
  • অর্শ রোগের ঔষধ
  • অর্শ রোগ থেকে মুক্তির উপায়
  • অর্শ রোগের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা
  • অর্শ রোগের হোমিও ঔষধ
  • অর্শ নিরাময়ের উপায়
বিস্তারিত

শনিবার, ২৮ মে, ২০২২

অর্শ বা পাইলস থেকে ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি কতটুকু

অনেকেই মনে করেন, পাইলস থেকে ক্যান্সার হয়, বিষয়টি কিন্তু তা নয়। বরং যারা বারবার পাইলসের অপারেশন বা সার্জারি করেন তাদেরই ক্যান্সার হতে দেখা যায়। মলদ্বারের রোগের মধ্যে অর্শ বা পাইলস জটিল প্রকৃতির একটি রোগ। তবে রেক্টাম ক্যান্সারের রোগীদের একই সঙ্গে পাইলস ও ক্যান্সার থাকতে পারে। সে ক্ষেত্রে তাদের পাইলসের চিকিৎসা দেয়া হলে রোগীর কিছু জটিলতা কমলেও অধিকাংশ কষ্টগুলির সমাধান হয় না। তখন কিছু পরীক্ষা নিরীক্ষা যেমনঃ কোলনস্কপি বা সিগময়ডস্কপি করলে ক্যান্সার ধরা পড়ে।

বহু বছর যাবৎ পাইলসে ভুগছেন কিন্তু সঠিক হোমিও চিকিৎসা নিচ্ছেন না, এমন ক্ষেত্রে রোগটি ধীরে ধীরে জটিল থেকে জটিলতর হতে থাকে এবং বহু বছর ধরে রোগে ভুগতে ভুগতে কিছু ক্ষেত্রে ক্যান্সার হতে পারে। যাদের বয়স ৫০ এর বেশি অর্থাৎ যাদের ভাইটাল ফোর্স বিভিন্ন কারণে খুব দুর্বল হয়ে পড়ে তাদের ক্ষেত্রেই এমনটা হতে দেখা যায়। তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই বার বার পাইলসের অপারেশন বা সার্জারি করার ফলে ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি তৈরী হয়। এই বিষয়টিও স্মরণ রাখবেন। 
পাইলস থেকে কি ক্যান্সার হয়তাই পাইলস হলেই যে ক্যান্সার হয়ে যাবে বিষয়টি ঠিক এমন নয়। সঠিক সময়ে অভিজ্ঞ ডাক্তার দেখিয়ে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা নিলে অর্শ বা পাইলস এর মতো জটিল প্রকৃতির রোগটি সারতে খুব একটা সময় লাগে না। কিন্তু দেখা যায়, যারা হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা নিতে আসেন তারা মূলতঃ এলোপ্যাথিক চিকিৎসা নিতে নিতে ব্যর্থ হয়ে রোগের অবস্থা জটিল থেকে জটিলতর করে সব শেষে হোমিও চিকিৎসকের কাছে আসেন। সে অবস্থায় তাকে ঠিক করতে কিছুটা সময়ের প্রয়োজন। ধৈর্য্য ধরে চিকিৎসা নিলে তাদেরও জটিল উপসর্গগুলি নির্মূল হয়ে যায় এবং সুস্থতা লাভ করেন।

সাধারণতঃ পাইলস হওয়ার পেছনে যে বিষয়গুলি ভূমিকা পালন করে সেগুলির মধ্যে রয়েছে দীর্ঘদিন কোষ্ঠকাঠিণ্যে ভোগা, পুরনো ডায়রিয়া, মলত্যাগে দীর্ঘক্ষণ টয়লেটে বসে থাকা ও দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকা ইত্যাদি। এছাড়া পারিবারিক ইতিহাস, আঁশযুক্ত খাবার কম খাওয়া, ভারি মালপত্র বহন করা, স্থুলতা, কায়িক শ্রম কম করা।

গর্ভকালীন সময়ে, পায়ুপথে যৌনক্রিয়া, যকৃত রোগ বা লিভার সিরোসিস ইত্যাদি কারণেও এ রোগের আশংকা বেড়ে যায়। সর্বোপরি পোর্টাল ভেনাস সিস্টেমে কোনো ভাল্ব না থাকায় উপরিউক্ত যে কোন কারণে পায়ু অঞ্চলে শিরাগুলোতে চাপের ফলে পাইলস সৃষ্টি হয়।

অর্শ বা পাইলসের কারণে পায়ুপথে বিভিন্ন কষ্টকর লক্ষণ বা উপসর্গের সৃষ্টি হতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে- মলদ্বার বা পায়ূপথে ব্যথা, মলদ্বারের চারপাশে চুলকানি, মলদ্বারে জ্বালাপোড়া, মল সাথে বা মলত্যাগের পর রক্ত যাওয়া, মলদ্বারের চারপাশে শক্তভাব, মলত্যাগের সময় ব্যথাহীন রক্তপাত, মলদ্বারের কাছে বেদনাদায়ক বলি, বসার সময় ব্যথা বা অস্বস্তি, মলদ্বারে রক্তক্ষরণ।

মূলতঃ এই সমস্যা হওয়ার পেছনে যে বিষয়টি বেশি দেখা যায় তাহলো দীর্ঘস্থায়ী পেটের অসুখ। আর যে প্রকৃত রোগটি এর পেছনে বেশি দায়ী থাকে তা হলো Tubercular Miasm যেটি হলো Psoric Miasm (Psora) এবং Syphilitic Miasm (Syphilis) এর মিলিত ফল। কিছু ক্ষেত্রে PRS থাকতে দেখা যায়। তাই হোমিওপ্যাথিক নিয়মে সেগুলির চিকিৎসা দিলে সময়ের ব্যবধানে অর্শ বা পাইলস রোগ নির্মূল হয়ে যায়। মাত্র কিছু ক্ষেত্রে (১%-২%) অপারেশন করে পাইলস এর বলি কেটে ফেলা হয়।

যা যা জেনেছেন

  • পাইলস এর ছবি
  • পাইলস কিভাবে ভালো হয়
  • পাইলস অপারেশন
  • পাইলস দেখতে কেমন
  • অর্শ রোগের অপারেশন
  • পাইলস থেকে কি ক্যান্সার হয়
  • অর্শ রোগ চিকিৎসা
  • অর্শ রোগ কেন হয়
  • অর্শ রোগের ছবি
বিস্তারিত

শুক্রবার, ২৭ মে, ২০২২

পাইলস হলে কি কি সমস্যা হয় অর্শ রোগের কারণ প্রতিকার

পাইলসকে আমরা হেমোরয়েড বা অর্শ রোগ বলে থাকি। মলদ্বারের রোগগুলির মধ্যে এটি একটি জটিল প্রকৃতির সমস্যা। পাইলস ক্রমান্বয়ে আকারে বেড়ে গিয়ে নিচে নেমে আসে। পুরনো ডায়রিয়া বা কোষ্ঠকাঠিন্যের কারণে চাপ খেয়ে পায়ুপথের বিভিন্ন স্থানে রক্তের শিরা ফুলে ক্রমশ নিচের দিকে নামতে থাকে বা বলির সৃষ্টি করে থাকে। এর আবার বিভিন্ন পর্যায় রয়েছে। পাইলস ব্যথাহীন হলেও প্রচুর রক্তপাত হতে পারে। জীবন যাত্রার পরিবর্তন এবং সঠিক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা দিয়ে অধিকাংশ পাইলসই সারানো সম্ভব। মাত্র কিছু ক্ষেত্রে অপারেশন করে পাইলস এর বলি কেটে ফেলা হয়। 

অর্শ বা পাইলসের কারণ

সাধারণতঃ পাইলস হওয়ার পেছনে যে বিষয়গুলি ভূমিকা পালন করে সেগুলির মধ্যে রয়েছে দীর্ঘদিন কোষ্ঠকাঠিণ্যে ভোগা, পুরনো ডায়রিয়া, মলত্যাগে দীর্ঘক্ষণ টয়লেটে বসে থাকা ও দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকা ইত্যাদি। এছাড়া পারিবারিক ইতিহাস, আঁশযুক্ত খাবার কম খাওয়া, ভারি মালপত্র বহন করা, স্থুলতা, কায়িক শ্রম কম করা।

গর্ভকালীন সময়ে, পায়ুপথে যৌনক্রিয়া, যকৃত রোগ বা লিভার সিরোসিস ইত্যাদি কারণেও এ রোগের আশংকা বেড়ে যায়। সর্বোপরি পোর্টাল ভেনাস সিস্টেমে কোনো ভাল্ব না থাকায় উপরিউক্ত যে কোন কারণে পায়ু অঞ্চলে শিরাগুলোতে চাপের ফলে পাইলস সৃষ্টি হয়। তবে এইগুলি পাইলস এর প্রকৃত কারণ নয়। 
মূলতঃ এই সমস্যা হওয়ার পেছনে যে বিষয়টি বেশি দেখা যায় তাহলো দীর্ঘস্থায়ী পেটের অসুখ। আর যে প্রকৃত রোগটি এর পেছনে বেশি দায়ী থাকে তা হলো Tubercular Miasm যেটি হলো Psoric Miasm (Psora) এবং Syphilitic Miasm (Syphilis) এর মিলিত ফল। তাই হোমিওপ্যাথিক নিয়মে সেগুলির চিকিৎসা দিলে সময়ের ব্যবধানে অর্শ বা পাইলস রোগ নির্মূল হয়ে যায়।
পাইলস হলে কি কি সমস্যা হয়

পাইলস হলে কি কি সমস্যা হয়

অর্শ বা পাইলসের কারণে পায়ুপথে বিভিন্ন কষ্টকর লক্ষণ বা উপসর্গের সৃষ্টি হতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে-
  • মলদ্বার বা পায়ূপথে ব্যথা।
  • মলদ্বারের চারপাশে চুলকানি।
  • মলদ্বারে জ্বালাপোড়া।
  • মল সাথে বা মলত্যাগের পর রক্ত যাওয়া।
  • মলদ্বারের চারপাশে শক্তভাব ।
  • মলত্যাগের সময় ব্যথাহীন রক্তপাত।
  • মলদ্বারের কাছে বেদনাদায়ক বলি।
  • বসার সময় ব্যথা বা অস্বস্তি।
  • মলদ্বারে রক্তক্ষরণ।
  • পায়খানার রাস্তা দিয়ে পিচ্ছিল পদার্থ আসা। 

পাইলসের কি কি জটিলতা হতে পারে

বার বার অপারেশন না করলে পাইলস সাধারণত বিপজ্জনক জটিলতার দিকে পরিচালিত করে না। কয়েকটি জটিলতা হল: 
  • রক্তস্বল্পতা, যদি রক্তপাত দীর্ঘায়িত হয়।
  • থ্রম্বোসিস (হেমোরয়েডে রক্ত ​​জমাট বাঁধা) দ্বারা সৃষ্ট তীব্র ব্যথা।
  • সেকেন্ডারি ইনফেকশন, ফোড়া বা আলসারেশন। 
  • বারবার অপারেশন করলে ক্যান্সার হতে পারে। 

অর্শ বা পাইলস নিরাময়ের উপায় 

আগেই বলেছি, জীবন যাত্রার পরিবর্তন এবং সঠিক হোমিওপ্যাথিক দিয়ে অধিকাংশ পাইলসই সারানো সম্ভব। মাত্র কিছু ক্ষেত্রে অপারেশন করে পাইলস এর বলি কেটে ফেলা হয়। তাই এই সমস্যায় রেজিস্টার্ড এবং অভিজ্ঞ একজন হোমিও চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করুন এবং সঠিক চিকিৎসা নিন। ব্যথাহীন বা ব্যথা ও জ্বালাযুক্ত যে ধরণের অর্শ বা পাইলসই হোক না কেন আপনি ভালো ফলাফল পাবেন ইনশা-আল্লাহ।

যা যা জেনেছেন

  • পাইলস কিভাবে ভালো হয়
  • পাইলসের ঔষধ
  • পাইলস হলে কি কি সমস্যা হয়
  • অর্শ রোগের চিকিৎসা
  • অর্শ রোগের লক্ষণ
  • অর্শ রোগের অপারেশন
  • অর্শ রোগের লক্ষণ ও প্রতিকার
  • অর্শ নিরাময়ের উপায়
  • পায়খানার রাস্তা চুলকায় কেন
  • পায়খানার রাস্তা ফুলে যায় কেন
  • পায়খানার রাস্তায় ঘা হলে করণীয়
  • পায়খানার রাস্তা দিয়ে পিচ্ছিল
  • পায়খানার রাস্তা ব্যাথা করে কেন
  • পায়খানার সাথে রক্ত পড়া কিসের লক্ষণ
  • পায়খানার রাস্তায় ব্যথা হলে করণীয়
  • পাইলস এর ফোলা কমানোর উপায়
  • পাইলস এর চিকিৎসা কোথায় ভালো হয়
  • পাইলস এর ব্যাথা কমানোর উপায়
  • পাইলস এর আধুনিক চিকিৎসা
বিস্তারিত

সোমবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০২০

অপারেশন ছাড়া পাইলস বা অর্শ থেকে চিরতরে মুক্তির উপায়

অর্শ Haemorrhoids, Piles বা পাইলস সারানোর উপায় এবং সার্জারী বা অপারেশন ছাড়া পাইলস এর চিকিৎসা হলো হোমিওপ্যাথি এবং সাথে যে জিনিসটি প্রয়োজন সেটি হলো ব্যক্তির জীবনযাত্রার ক্ষেত্রে কিছু পরিবর্তন নিয়ে আসা। অর্শ বা পাইলস হলো মলদ্বারের ভেরিকোজ ভেইন অর্থাৎ রেক্টামের নিচের অংশে এবং মলদ্বারে ফুলে যাওয়া এবং ফাঁপা শিরা। এই রোগ হলে মলদ্বারে আঙ্গুর ফলের মতো বলি বের হতে পারে, সাথে রক্তপাত, মলদ্বার ভেজা, চুলকানি এবং জ্বালাযন্ত্রণা থাকতে পারে।

অনেকেই অপারেশন করে অর্শ বা পাইলসের  বলি অপসারণ বা কেটে ফেলে এর যন্ত্রনা থেকে মুক্তি পেতে চায় যদিও ৯৮% ক্ষেত্রেই তা সম্ভব নয়। এই সমস্যায় সার্জারী করলেও সেটা আবার হয়ে যায় বহু ক্ষেত্রেই। কারণ অর্শ বা পাইলসের সার্জারী বা অপারেশন হলো একটি সাময়িক চিকিৎসা আদৌ কোন স্থায়ী চিকিৎসা নয়। পাইলসের উপসর্গের মধ্যে রয়েছে পায়খানার সঙ্গে রক্ত যাওয়া, এ রক্ত সাধারণত টাটকা লাল হয়। তাছাড়া মলদ্বারে ব্যথা বা জ্বালা, মলদ্বারে মাংসপিণ্ড ফুলে ওঠা যাকে বলি বলা হয়ে থাকে, যা কখনও কখনও মলদ্বারের বাইরে ঝুলে পড়ে এবং হাত দিয়ে ভেতরে ঢুকিয়ে দিতে হয়। আর সেটাই কেটে সাময়িক সময়ের জন্য আরাম দেয়া হয়ে থাকে। তবে মলদ্বারে পাইলসের বলি ছাড়া অন্য আর কোন উপসর্গ না থাকলে সেক্ষেত্রে মাত্র ১-২% ক্ষেত্রে এই বলিগুলি কেটে দিলেই পেশেন্ট আরাম পেয়ে যায়। 
সব ক্ষেত্রেই সার্জারী বা অপারেশন অর্শ বা পাইলস সারানোর কোন স্থায়ী উপায় নয়। কারণ এখানে মূল রোগটির কোন চিকিৎসা করা হচ্ছে না বরং মূল রোগ কর্তৃক সৃষ্ট একটি উপসর্গের চিকিৎসা করা হচ্ছে। তাছাড়া এই রকম জটিল সমস্যাগুলির মূলত কোন স্থায়ী এলোপ্যাথিক চিকিৎসা নেই। কারণ এলোপ্যাথিক চিকিৎসায় রেজাল্ট অফ ডিজিসের চিকিৎসা করা হয় মূল রোগের কোন চিকিৎসাই করা হয় না। 

সার্জারী বা অপারেশন করলেও অর্শ বা পাইলস আবার হয় কেন?

দেখা যায়, অর্শ বা পাইলস হওয়ার পেছনে বহু দিনের নানা প্রকার পেটের পীড়াকে সাধারণভাবে দায়ী করা হয়ে থাকে যদিও এই রোগ হওয়ার প্রকৃত কারণ হলো রোগীর DNA. বিস্তারিত দেখুন। আপনি বহু দিন যাবৎ পেটের পীড়া যেমন - আমাশয়, ডায়রিয়া, কোষ্ঠকাঠিন্য, IBS, IBD ইত্যাদিতে ভুগছেন। আপনার পেটের অসুখ যেমন আমাশয়, ডায়রিয়া, কোষ্ঠকাঠিন্য ইত্যাদি দীর্ঘদিন থাকলে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই রেক্টামে বারবার চাপ সৃষ্টি হওয়ার ফলে সেখানে অর্থাৎ মলদ্বারের ভেতর বা বাহিরে শিরা ফুলে অর্শ বা পাইলসের বলি তৈরি হলো আর আপনি সার্জারি করে সেটিকে কেটে ফেলে কিছুটা সময়ের জন্য স্বস্তি পেলেন মাত্র আপনার মূল সমস্যা তো থেকেই গেলো। 

অর্থাৎ যেহেতু আপনার পেটের অসুখের স্থায়ী চিকিৎসা না করে একটা লক্ষণ বা উপসর্গের চিকিৎসা করলেন তাই কিছুটা সময় পর আবার আপনার মলদ্বারের ভেতর বা বাহিরে শিরা ফুলে অর্শ বা পাইলসের বলি তৈরি হচ্ছে। গর্ভাবস্থায়ও অর্শ বা পাইলস তৈরী হতে পারে আবার এর কারণে মলদ্বার দিয়ে রক্তও যেতে পারে। 
Piles এর সার্জারী বা অপারেশন ছাড়া স্থায়ী চিকিৎসা
এখানে মূলত সার্জারী বা অপারেশন অর্শ বা পাইলস সারানোর কোন স্থায়ী উপায় নয় বরং জোড়াতালি মার্কা একটি সাময়িক আরাম দেয়ার চিকিৎসা মাত্র। আপনার পেটের সমস্যার স্থায়ী চিকিৎসা না করা হলে আপনি বার বার অর্শ বা পাইলসের সমস্যায় আক্রান্ত হতে পারেন। আর এই রকম জটিল রোগ-ব্যাধির মূলত কোন স্থায়ী এলোপ্যাথিক চিকিৎসা নেই। কারণ এলোপ্যাথিক চিকিৎসায় রেজাল্ট অফ ডিজিসের চিকিৎসা করা হয় মূল রোগের কোন চিকিৎসাই করা হয় না। মূল রোগটি থাকে মানুষের DNA এর মধ্যে যা জন্মলগ্ন থেকেই মানুষ নিয়ে আসে। সেখানে যে True Disease টি প্রি-ডোমিনেন্ট অবস্থায় থাকে সেটিই শরীরে নানা প্রকার লক্ষণ ও উপসর্গ তৈরি করে থাকে আর সেই লক্ষণ ও উপসর্গগুলিকে রোগের নাম দিয়ে চিকিৎসা করে থাকে এলোপ্যাথিক চিকিৎসা শাস্ত্র। কিন্তু DNA তে বিদ্যমান True Disease কে প্রচ্ছন্ন করার কোন এলোপ্যাথিক চিকিৎসাই নেই। 

আর তাই এলোপ্যাথিক চিকিৎসায় অর্শ বা পাইলসের মতো সমস্যাগুলি স্থায়ীভাবে ভালো হয় না ৯৫% ক্ষেত্রেই। ৫% ক্ষেত্রে পেটের সমস্যা নিয়ন্ত্রণ করে চললে কিছুটা সুফল পাওয়া যায় মাত্র। তাছাড়া আপনি হয়তো দেখে থাকবেন, বিভিন্ন রোগ-ব্যাধিতে এলোপ্যাথিক চিকিৎসকরা ঔষধ খেয়ে যেতে বলে সারা জীবন ধরে। আর কিছু কিছু সমস্যায় সার্জারী করে রোগ লক্ষণ বা উপসর্গের চিকিৎসা দিয়ে সাময়িক আরাম দেয়ার চেষ্টা করা হয়ে থাকে মাত্র, নির্দোষ ভাবে রোগ আদৌ নির্মূল হয় না।

অর্শ বা পাইলসের সার্জারী বা অপারেশন জটিলতাগুলির মধ্যে রয়েছে - ঘন ঘন মল ত্যাগের প্রবৃত্তি সৃষ্টি হওয়া, মলদ্বার ফুটো হয়ে যাওয়া, ইনফেকশন ঝুঁকি ইত্যাদি। তবে পাইলস সার্জারী করার পর সেটি ৯৫% ক্ষেত্রেই আবার হয়ে যায়। অর্থাৎ যেহেতু মূল রোগের চিকিৎসা না করে মূল রোগটি সৃষ্ট একটি লক্ষণ বা উপসর্গের চিকিৎসা করা হচ্ছে তাই DNA তে বিদ্যমান True Disease টি আবার মলদ্বারে সেই লক্ষন ও উপসর্গ তৈরী করে থাকে। আর এই কারণে সার্জারী বা অপারেশন করেও Piles আদৌ সারানো যায় না।

অর্শ বা পাইলস সারানোর স্থায়ী উপায় কি?

বর্তমান বিশ্বে অর্শ বা পাইলস সারানোর একটি স্থায়ী উপায় হলো অভিজ্ঞ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকের পরামর্শক্রমে সঠিক চিকিৎসা নেয়া। এই মেথডে চিকিৎসা দিলে বা নিলে যে কারণে পাইলস তৈরি হয়ে থাকে সেটি অর্থাৎ রোগীর DNA তে বিদ্যমান অর্শ বা পাইলসের লক্ষণ সৃষ্টিকারী True Disease টি প্রচ্ছন্ন হয়ে আসে তখন পায়খানার সঙ্গে রক্ত যাওয়া, মলদ্বারে মাংসপিণ্ড ফুলে ওঠা, মলদ্বারে ব্যথা বা জ্বালার মতো উপসর্গগুলি স্থায়ী ভাবে দূর হয়ে যায় এবং তা আর ফিরে আসে না। তবে এই সমস্যার চিকিৎসা নিতে হলে আগে আপনাকে রিয়েল হোমিওপ্যাথিতে এক্সপার্ট একজন হোমিও চিকিৎসক খুঁজে বের করতে হবে যিনি ঠিকঠাক ভাবে আপনার কেইস টেকিং করে চিকিৎসা কার্যটি সম্পাদন করতে পারবেন। ধন্যবাদ। 

যা যা জেনেছেন

  • পাইলস কি
  • পাইলস এর চিকিৎসা কোথায় ভালো হয়
  • অপারেশন ছাড়া পাইলস এর চিকিৎসা
  • পাইলস অপারেশন
  • পাইলস অপারেশন এর খরচ
  • পাইলস এর চিকিৎসা
  • পাইলস অপারেশন ভিডিও
  • পাইলস এর ডাক্তার ঢাকা
  • পাইলস সারানোর উপায়
  • পাইলস চিকিৎসা
  • অর্শ রোগের হোমিও ঔষধ
  • piles center dhaka
  • piles doctor specialist
  • colorectal surgeon in uttara dhaka
  • colorectal surgeon in bsmmu
বিস্তারিত