Showing posts with label পরিপাকতন্ত্রের রোগ. Show all posts
Showing posts with label পরিপাকতন্ত্রের রোগ. Show all posts

Sunday, May 5, 2019

কেন আপনার IBS ভালো হচ্ছে না? Irritable Bowel Syndrome আইবিএস থেকে মুক্তির উপায়

আইবিএস Irritable bowel syndrome (IBS) সমস্যায় ভয়ের কিছু নেই। এটি যদিও অন্ত্রের রোগ তবে এই সমস্যাটি আপনার সার্বদৈহিক অবস্থার পরিবর্তন নিয়ে আসে। অর্থাৎ আপনি দেখে থাকবেন যখনই আপনি অসুস্থ হন তখন আপনার শরীরে নানা প্রকার পরিবর্তন সংগঠিত হয়। আপনার পিপাসা, জিহ্বা, লালা, ক্ষুধা, খাদ্য, পেটের গ্যাস, মল, মূত্র, ঘুম, সপ্ন, ঘাম, মন-মানুষিকতা ইত্যাদির কোন না কোন দিকে পরিবর্তন হচ্ছে। হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা মূলত রোগীর যাবতীয় শারীরিক, মানুষিক পরিবর্তনের লক্ষণ নিয়ে করা হয়ে থাকে।
আপনার শরীরে যে প্রকার রোগই সৃষ্টি হোক না কেন সেই পরিবর্তনগুলিকে বিবেচনায় এনে চিকিৎসা করা হলে শরীরে আক্রান্ত রোগ নির্মূল হয়ে শরীর যন্ত্র আবার বিশৃখল অবস্থা থেকে সুশৃঙ্খল অবস্থায় ফিরে আসে। আইবিএস এবং যাবতীয় জটিল রোগের  চিকিৎসার ক্ষেত্রেও হোমিওপ্যাথি সেটিই করে থাকে। তবে এর জন্য দরকার একজন উন্নত জ্ঞানধারী হোমিও চিকিৎসক।

এলোপ্যাথিক চিকিৎসা ব্যবস্থায় মূলত রোগের কারণ নির্ণয় করে চিকিৎসা দেয়া হয়ে থাকে। অথচ বহু ক্ষেত্রে রোগের পেছনের প্রকৃত কারণ ঠিকঠাক ভাবে নির্ণয় করা যায় না বিধায় বহু ক্রনিক রোগই এলোপ্যাথিক চিকিৎসায় নির্মূল হয় না। অথচ হোমিওপ্যাথি সেখানে শত বছর যাবৎ সফলতা দেখিয়ে আসছে। আইবিএস (IBS) মূলতো হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা বিজ্ঞানেই নির্দোষ ভাবে আরোগ্য করা সম্ভব হচ্ছে। কারণ এর পেছনের কারণ কি সেটা হোমিওপ্যাথির জানার কোন প্রয়োজন নেই। এই রোগটি হলে মানব শরীরে কি কি পরিবর্তন সংগঠিত হয় মূলত সেটাই বিবেচ্য বিষয় যা হোমিওপ্যাথি ছাড়া আর কোনো চিকিৎসা পদ্ধতি করতে পারে না। এই সবগুলি পরিবর্তন বিবেচনায় এনে একটি উন্নত হোমিও চিকিৎসা দিলে বেশ ভালো ফলাফল আশা করা যায়।
আইবিএস Irritable bowel syndrome (IBS) চিকিৎসার ক্ষেত্রে ক্লাসিক্যাল হোমিওপ্যাথি নির্দোষ আরোগ্য নিয়ে আসে তবে ক্ষেত্র বিশেষে কমপ্লেক্স হোমিওপ্যাথিও বেশ ভাল ফলাফল দিয়ে থাকে। মনে রাখা জরুরী, IBS এবং অন্য যেকোন প্রকার ক্রনিক রোগের চিকিৎসায় অবশ্যই এক্সপার্ট হোমিও চিকিৎসকের স্মরণাপন্ন হওয়া প্রয়োজন। 
বিস্তারিত

লিভার সিরোসিস (Liver Cirrhosis) রোগ কি? কারণ লক্ষণ প্রতিকার

লিভার সিরোসিস মানুষের যকৃতের দীর্ঘস্থায়ী রোগের ফল যা দীর্ঘস্থায়ী ক্ষত থেকে সৃষ্টি হতে পারে এবং মারাত্মক পর্যায়ের সিরোসিসে লিভারের কার্যক্ষমতা নষ্ট হয়ে মানুষের মৃত্যু ডেকে আনতে পারে। সিরোসিসের বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এতে যকৃতের সুস্থ-সবল কলা (tissue) ক্ষয়যুক্ত কলা বা নডিউল (nodule) দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয়ে যায় ফলে লিভার আর কাজ করতে পারে না।

সিরোসিসের প্রধান কারণগুলোর মধ্যে লিভারের দীর্ঘস্থায়ী রোগ এবং লিভারে সংক্রমণ ছাড়াও দীর্ঘদিন যাবৎ অতিরিক্ত মদ্যপান, হেপাটাইটিস বি, হেপাটাইটিস সি, ফ্যাটি লিভার রোগ ইত্যাদি। তবে সিরোসিসের প্রধান কারণ দেশ অনুযায়ী ভিন্ন হয়। যেমন ইউরোপ এবং আমেরিকায় সিরোসিস হয় প্রধানতঃ মদ্যপানের ফলে আর হেপাটাইটিস সি ভাইরাসের আক্রমেন। পক্ষান্তরে বাংলাদেশে প্রধানতঃ হেপাটাইটিস বি ভাইরাসের আক্রমণ আর ফ্যাটি লিভার লিভার সিরোসিসের পেছনে দায়ী (প্রায় আড়াই হাজার রোগীর উপরে জরীপ চালিয়ে দেখা গেছে। এছাড়াও অজানা কারণে লিভার সিরোসিস হতে পারে।
লিভার সিরোসিসের প্রাথমিক লক্ষণ ধরা পড়তে দেরি হয়। হঠাৎ রক্তে লিভার এনজাইমের অস্বাভাবিকতা বা আলট্রাসনোগ্রাফিতে যকৃতের আকার-আকৃতির পরিবর্তনের কারণ খুঁজতে গিয়ে লক্ষণ ধরা পড়ে। সাধারণত খাদ্যে অরুচি, ওজন হ্রাস, বমি ভাব বা বমি, বমি বা মলের সঙ্গে রক্তপাত, শরীরে পানি আসা ইত্যাদি হলো মূল উপসর্গ। পরে যকৃতের অকার্যকারিতার সঙ্গে কিডনির অকার্যকারিতা, রক্তবমি, রক্তে আমিষ ও লবণের অসামঞ্জস্য ইত্যাদি জটিলতা।

লিভার সিরোসিস (Liver Cirrhosis) এর উন্নত হোমিও চিকিৎসা রয়েছে। শুরু থেকেই যদি অভিজ্ঞ হোমিও চিকিৎসকের পরামর্শক্রমে ট্রিটমেন্ট স্টার্ট করা যায় তাহলে বেশ ভালো ফলাফল আশা করা যায়। 
বিস্তারিত

Wednesday, April 10, 2019

পেপটিক আলসার(Peptic Ulcer) গ্যাস্ট্রিক আলসার !! কারণ, উপসর্গ ও প্রতিকার

পেপটিক আলসার (Peptic Ulcer) বা গ্যাস্ট্রিক আলসার। খাদ্যনালীর নিম্নাংশ, পাকস্থলী, ডিউডেনামসহ অন্ত্রের ৫টি বিভিন্ন স্থানের যেকোন একটিতে ঘা বা ক্ষত তৈরী হলে আমরা মূলত এটিকে পেপটিক আলসার বলে থাকি। আমাদের পেট খালি থাকলে পেটের উপরিভাগে ব্যথা বা জ্বালাপোড়া অনুভূত হওয়া হল এর একেবারে সাধারণ লক্ষণ। এছাড়াও আরো লক্ষণ এবং উপসর্গ থাকতে পারে।
  • সাধারণত পেটের উপরি ভাগের মাঝখানে বক্ষ পিঞ্জরের ঠিক নিচে পেটিক আলসারের ব্যথা অনুভব হয়। তবে কখনো কখনো ব্যথাটা পেছনের দিকেও যেতে পারে।
  • এ জাতীয় রোগী ক্ষুধার্ত হলেই প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করে এবং খাবার খেলে সাথে সাথে ব্যথা কমে যায়।
  • অনেক সময় রাতের বেলা পেটে ব্যথার কারণে রোগী ঘুম থেকে জেগে উঠে কিছু খেলে ব্যথা কমে যায়।
  • পেপটিক আলসারের ব্যথা সাধারণত সবসময় থাকে না, একাধারে ব্যথাটা কয়েক সপ্তাহ চলতে থাকে তারপর রোগী সম্পূর্ণরূপে ভালো হয়ে যায়, এ অবস্থা কয়েকমাস থাকে তারপর আবার কয়েক সপ্তাহ ধরে ঠিক আগের মতো ব্যথা অনুভব হয়।
  • পেপটিক আলসার ব্যথা সাধারণত দুধ, এন্টাসিড, খাবার খেলে কিংবা বমি করলে অথবা ঢেকুর তুললে ব্যথা কমে যায়।
  • এছাড়াও পেপটিক আলসারের রোগীদের মধ্যে বুক জ্বালা, অরুচি, বমি বমি ভাব, ক্ষুধা মন্দা, কিংবা হঠাৎ করে রক্ত বমি অথবা পেটে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব হতে পারে।
পেপটিক আলসারের যে সমস্যাগুলো দেখা দিতে পারে
  • পাকস্থলী ফুটা হয়ে যেতে পারে
  • রক্ত বমি হতে পারে
  • কালো পায়খানা হতে পারে
  • রক্তশূন্যতা হতে পারে
  • পৌষ্টিক নালীর পথ সরু হয়ে যেতে পারে এবং রোগীর বার বার বমি হতে পারে
  • ক্যান্সার হতে পারে
পেপটিক আলসার বা গ্যাস্ট্রিক আলসার রোগের রয়েছে উন্নত হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা। এর জন্য এক্সপার্ট কোন হোমিও চিকিৎসকের পরামর্শক্রমে চিকিৎসা নিন।
বিস্তারিত

Friday, March 29, 2019

জন্ডিস (Jaundice) প্রকারভেদ কারণ, উপসর্গ এবং চিকিৎসা পদ্ধতি

জন্ডিস (Jaundice) রোগের উপসর্গ মাত্র এটি কোনো রোগ নয়। আমাদের লিভাবের কোষগুলো কোনো ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া বা এলোপ্যাথিক ঔষধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় নষ্ট হতে থাকলে রক্তে বিলিরুবিনের মাত্রা বেড়ে জন্ডিস দেখা দেয় (রক্তে বিলিরুবিনের স্বাভাবিক মাত্রা ০.২-০.৮ মিলিগ্রাম/ডি: লি)। বিলিরুবিনের রং হলুদ করে দেয়। জন্ডিসের লক্ষণের মধ্যে রয়েছে - চোখ ও প্রসাবের রং হলুদ হয়ে যাওয়া, আবার সমস্যা বেশি হলে পুরো শরীর গাঢ় হলুদবর্ণ ধারণ করতে পারে, ক্ষুধামন্দা, বমি বমি ভাব অথবা বমি, শারীরিক দুর্বলতা, জ্বর জ্বর অনুভূতি কিংবা কাঁপানি দিয়ে জ্বর আসা, পেট ব্যথা, অনেকসময় পায়খানা সাদা হয়ে যাওয়া, কোষ্ঠকাঠিন্য, পাতলা পায়খানা, যকৃত শক্ত হয়ে যাওয়া, শরীরে চুলকানি ইত্যাদি। জন্ডিসের উন্নত চিকিৎসা রয়েছে হোমিওপ্যাথিতে। এর জন্য এক্সপার্ট কোন হোমিও চিকিৎসকের পরামর্শক্রমে চিকিৎসা নিন। বিস্তারিত ভিডিওতে....
বিস্তারিত

Saturday, March 9, 2019

ডায়রিয়া ও আমাশয়যুক্ত দূরারোগ্য পেটের পীড়া - আইবিএস (IBS)

পুরাতন আমাশয়, পাতলা পায়খানা বা ডায়রিয়া মূলত আইবিএস (IBS) যা উন্নত হোমিও চিকিৎসায় নির্মূল হয়ে থাকে। Irritable bowel syndrome (IBS) সমস্যায় ঘন ঘন পাতলা পায়খানা, খাওয়ার পরই পায়খানার বেগ, ঘুম থেকে উঠেই বা তার কিছুক্ষন পর পায়খানার বেগ। মলের সাথে আম বা কখনো কখনো রক্ত যেতেও দেখা যায়। সাথে পেটের অস্বস্থি বা ব্যথা, মেজাজের ভারসাম্যহীনতা পরিলক্ষিত হয়। এছাড়াও একেক জনের ক্ষেত্রে একেক রকম লক্ষণ ও উপসর্গ প্রকাশ পেয়ে থাকে।
ডায়রিয়া ও আমাশয়যুক্ত দূরারোগ্য পেটের পীড়া মুলত প্রপার হোমিও চিকিৎসার মাধ্যমে নির্মূল হয়ে থাকে তবে এর জন্য আপনাকে সেই মানের একজন হোমিও ডাক্তারের তথ্যাবধানে ধৈর্য্য সহকারে চিকিৎসা নিতে হবে অন্যথায় ভাল ফলাফল আশা করা যায় না।

চিকিৎসক যদি ঠিকঠাক ভাবে কেইস টেকিং করে আপনাকে চিকিৎসা করে তাহলে ধাপে ধাপে আপনি সুস্থতার দিকে এগুবেন। এক্ষেত্রে আপনারও ধৈর্য্য ধরে চিকিৎসা নেয়া জরুরী। আপনার যাবতীয় সমস্যাবলী চিকিৎসকের সাথে যথা সময়ে শেয়ার করবেন যাতে চিকিৎসক আপনার সব কিছু সম্পর্কে বাস্তব ধারণা নিতে পাবেন। এক্ষেত্রে রোগী এবং চিকিৎসকের মধ্যে সম্পর্ক বন্ধুর মতো হওয়া চাই।  বিস্তারিত দেখুন ভিডিওতে....
বিস্তারিত

Wednesday, February 6, 2019

মলদ্বারের রোগ অ্যানাল ফিস্টুলা Anal Fistula (ভগন্দর বা নালী ঘা) কারণ এবং উপসর্গ

মলদ্বারে ফোঁড়া বা অ্যাবসেস হলে সেটা এক সময় বাইরে এবং পায়ুপথের ভিতরে ফেটে যায় এবং পায়ুপথের সঙ্গে বাইরের একটি সংযোগ বা নালি তৈরি করে যাকে Anal Fistula অ্যানাল ফিস্টুলা বা ভগন্দর বা নালী ঘা ও বলা হয়ে থাকে। এটি দিয়ে মলদ্বার বা পায়ুপথ থেকে পুঁজ, রক্ত, মল ইত্যাদি বাইরে আসতে থাকে।

অ্যানাল ফিস্টুলা Anal Fistula  - কারণ

মলদ্বারের ভেতরে অনেক গ্রন্থি রয়েছে, এগুলোর সংক্রমণের কারণে ফোড়া হয়। এই ফোড়া এক সময় ফেটে গিয়ে মলদ্বারের চতুর্দিকের কোনো এক স্খানে একটি ছিদ্র দিয়ে বের হয়ে আসে এবং পুঁজ নির্গত হতে থাকে এবং তা নালী হয়ে বাহিরের দিকে বের হয় যা দেখতে পোড়ার মত মনে হয় । ( কেউ কেউ মনে করেন কৃমির বাসা থেকে এর উৎপত্তি ! আসলে তা ঠিক নয় তবে কৃমির উপদ্রবের কারনে নুখ দিয়ে চুলকাতে গিয়ে অনেক সময় পায়খানার রাস্থার ভিতরে ইনফেকশন বা ছিদ্র হয়ে হতে পারে ) অ্যানাল ফিস্টুলা হওয়ার অন্যান্য কারণগুলো হতে পারে-
  • মলাশয় বা পায়ুপথের ক্যান্সার - কোলনের শেষে একটি এলাকা যেখানে মল সংরক্ষিত হয়
  • যক্ষ্মা - এর কারনে প্রধানত ফুসফুসে ব্যাকটেরিয়ার ইনফেকশন ঘটে, কিন্তু পরবর্তীতে শরীরের বিভিন্ন অংশে ছড়িয়ে পড়তে পারে
  • এইচআইভি ও এইডস - এমন একটি ভাইরাস যা শরীরের ইমিউন সিস্টেমকে (রোগ এবং ইনফেকশনের বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষাকারী) আক্রমণ করে
  • ক্ল্যামিডিয়া - যৌন মিলনের মাধ্যমে ছড়ানো ইনফেকশন যা কোন উপসর্গ দেখায় না
  • সিফিলিস - ব্যাকটেরিয়ার ইনফেকশন যা ড্রাগ, রক্ত বা যৌন সম্পর্কের মাধ্যমে ছড়ায়
  • আলসার (বেদনাদায়ক কালশিটে)
  • অপারেশনের জটিলতা
  • স্বাস্থ্য সমস্যা নিয়ে জন্ম গ্রহন

অ্যানাল ফিস্টুলা Anal Fistula - লক্ষণ

  • পায়ুপথে ব্যথা হওয়া
  • পেটে তীক্ষ্ণ ব্যথা
  • মলের সাথে রক্ত যাওয়া
  • মলদ্বার দিয়ে রক্তক্ষরণ
  • পিঠের নিম্নাংশের মাংসপেশীতে টান বা খিঁচুনি দেখা দেওয়া
  • শরীরের নিম্নাংশে ব্যথা
  • মলের সাথে স্রাব বা মিউকাস নির্গত হওয়া
  • কোষ্ঠকাঠিন্য
  • পায়ুপথের চারিদিকে ফোলা বা চাকা
  • অনৈচ্ছিক মলত্যাগ
  • অণ্ডথলিতে চাকা/পিণ্ড

অ্যানাল ফিস্টুলা Anal Fistula -চিকিৎসা

এলোপ্যাথিতে এর ভালো কোনো চিকিৎসা নেই। তাই সেখানে ডাক্তারগণ সার্জারি করার পরামর্শ দেন। সাধারণত অ্যানাল ফিস্টুলার সার্জারির ফলে জটিলতার সৃষ্টি হয়। এর ফলে ইনফেকশন, মলত্যাগের চাপ ধরে রাখার ক্ষমতা কমে যাওয়া এবং পুনরায় অ্যানাল ফিস্টুলা হতে পারে। তাই সার্জারি করার আগে ভালোভাবে চিন্তা করে সিদ্ধান্ত নিবেন।

তবে  অ্যানাল ফিস্টুলার সমস্যার স্থায়ী চিকিৎসা রয়েছে হোমিওপ্যাথিতে। তবে এর জন্য অবশ্যই এক্সপার্ট একজন হোমিও চিকিৎসকের পরামর্শক্রমে চিকিৎসা নেয়া জরুরী। 
বিস্তারিত

Tuesday, February 5, 2019

এনাল ফিশার (Anal Fissure) মলদ্বারে ফাটা, ঘা, ব্যথা, জ্বালা,চুলকানি, রক্ত, পুঁজ আসা

এনাল ফিশার (Anal Fissure) মলদ্বারের বা পায়ুপথের একটি রোগ। এই সমস্যা হলে মলদ্বারে ফাটা, ঘা, ব্যথা, জ্বালা, চুকলানি, রক্ত, পুঁজ ইত্যাদি দেখা দিয়ে থাকে। দীর্ঘ দিন যাবৎ কোষ্ঠকাঠিন্য, পাতলা পায়খানা, IBS, ইত্যাদির কারণে এনাল ফিশার বেশি হতে দেখা যায়। এনাল ফিশার দুই ধরনের হয়ে থাকে। হঠাৎ সঙ্কটজনক হয়ে উঠা এনাল ফিশার (Acute Fissure) এবং দীর্ঘস্থায়ী এনাল ফিশার (Chronic Fissure)।

এনাল ফিশার (Anal Fissure)  প্রধান কারণগুলো

  • কোষ্ঠকাঠিন্যের জন্য পায়ু নালীর মাধ্যমে শক্ত, বড় আকারের মল নামার ফলে এনাল ফিশার হয়
  • Inflammatory Bowel Disease(IBD), Irritable bowel syndrome-IBS Crohn's disease এর ফলেও ফিশার হতে পারে
  • গর্ভাবস্থায় এবং সন্তানের জন্মের সময় ফিশার হওয়ার সম্ভাবনা থাকে
  • এছাড়াও পাতলা পায়খানা এবং স্থায়ী ডায়রিয়াও এই রোগের কারণ হতে পারে

এনাল ফিশার (Anal Fissure) - প্রধান লক্ষণ এবং উপসর্গগুলো

  • এই রোগের সাধারণ লক্ষণ হল ব্যথা এবং রক্তপাত
  • সাধারণত, মলত্যাগ করার সময় ব্যথাটা শুরু হয় এবং প্রায় এক ঘন্টার জন্য থাকতে পারে
  • এতে চুলকানি এবং ফোলা ভাব ও অনুভব করা যায়
  • সাধারনত ব্যথার তীব্রতা সহ্য করা যায়, কিন্তু কখনো কখনো অসহ্য ব্যথাও হতে পারে
  • পায়খানায়, টিস্যু পেপারে, বা মলদ্বারের চারপাশে লাল রক্তের দাগ দেখা যায়
  • মলদ্বারের চামড়ায় একটি পাতলা ফাটল দেখা যায়
  • দুইবার মলত্যাগ করার মাঝে এই লক্ষণগুলো সাধারনত আর দেখা যায় না

এনাল ফিশার (Anal Fissure) - প্রতিরোধ

প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ উত্তম। প্রতিরোধের জন্যে নিন্মোক্ত বিষয়গুলো মেনে চলা যেতে পারে।
  • কোষ্ঠকাঠিন্য যাতে না হয় সে ব্যবস্থা করা
  • অতিরিক্ত চাপ দিয়ে মলত্যাগের বদভ্যাস ত্যাগ করা
  • বারে বারে মলত্যাগের অভ্যাস ত্যাগ করা
  • নিয়মতান্ত্রিক জীবনযাপন
  • অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা না করা
  • ডায়রিয়া হলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া
  • পেটের যেকোন পীড়ায় যথাযথ হোমিও ট্রিটমেন্ট নিয়ে সেটা নির্মূল করা

এনাল ফিশার (Anal Fissure) - কার্যকর চিকিৎসা

হোমিওপ্যাথি হলো এনাল ফিশার সমস্যার সবচেয়ে উন্নত চিকিৎসা। পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন ঔষধ প্রয়োগের মাধ্যমে এই সমস্যা দূর করতে এক্সপার্ট কোন হোমিও চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করুন।
বিস্তারিত