গ্যাংরিন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
গ্যাংরিন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০

পচনশীল ক্ষত গ্যাংরিন নিরাময়ে হোমিওপ্যাথিক ঔষধ ও চিকিৎসা স্থায়ী কার্যকর

গ্যাংগ্রিন এর হোমিও চিকিৎসা সম্পর্কে আজ আমরা জানবো। আগের পর্বে আমরা গ্যাংরিন সম্পর্কে বিস্তারিত জেনেছি। যখন টিস্যুতে কোন কারণে রক্তের সরবরাহ খুবই কমে যায় বা বন্ধ হয়ে যায় অথবা ব্যাক্টেরিয়ার গুরুতর সংক্রমণ ঘটে তখনই Gangrene গ্যাংরিন এর মতো পচনশীল দূষিত ক্ষত তৈরী হয়ে থাকে। সাধারণত ক্লোসট্রিডিয়াম পারফ্রিঞ্জেন্স নামক ব্যাকটেরিয়া, গ্রুপ এ স্ট্রেপ্টোকোক্কাস, স্ট্যাফাইলোকোক্কাস অরিয়াস এবং ভিব্রিও ভালনিফিকাস এর কারণে এই রোগ হয়ে থাকে। এই ব্যাকটেরিয়া সর্বত্র বিরাজ করে। এটি শরীরের ভিতরে প্রবেশ করে বিষাক্ত গ্যাস উৎপন্ন করে দেহের টিস্যু, কোষ ও রক্তনালীকে নষ্ট করে দেয় এবং গ্যাস গ্যাংরিন তৈরী করে থাকে।

আমরা সাধারণত দেখে থাকি, ডায়াবেটিক রোগীদের অনেকেরই পায়ে ঘা বা আলসার হয়ে থাকে। দীর্ঘদিন ডায়াবেটিস থাকার কারণে রোগীর পায়ে যে আলসার হয়ে থাকে তাকে ডায়াবেটিক ফুট বা ডায়াবেটিক ফুট সিন্ড্রম বলা হয়ে থাকে। পায়ের ঘা বিস্তার লাভ করলে একপর্যায়ে পচন ধরে অর্থ্যাৎ গ্যাংরিন সৃষ্টি হয়। গ্যাংরিন তৈরী হলে তীব্র জ্বালা-যন্ত্রনাসহ কঠিন কষ্ট করতে হয় ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীদের। তাছাড়া পৃথিবীতে যত রোগীর পা কাটা লাগে তার মধ্যে ৮৪% হল ডায়াবেটিক ফুট বা পা। অথচ প্রপার হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা নিলে ডায়াবেটিক রোগীদের গ্যাংরিন ভালো হয়ে যায় যা আমরা অনেকেই জানি না। রোগীর পা বা আক্রান্ত অঙ্গ কেটে ফেলার প্রয়োজন পড়ে না।

গ্যাংরিন যে শুধু হাত, পা বা হাত-পায়ের আঙুলেই হয় বিষয়টি তা নয়। এটি কানে, গলায়, পুরুষ ও নারীদের প্রজননতন্ত্র, ফুসফুস ইত্যাদিসহ শরীরের বিভিন্ন জায়গায় হতে পারে। তবে সেটা শরীরের যেখানেই হোক না কেন তা নির্মূলের জন্য রয়েছে ডায়নামিক হোমিওপ্যাথিক মেডিসিন। ভিডিওতে বিস্তারিত..
গ্যাংরিন সমস্যায় যারা আক্রান্ত হন তারা বলতে গেলে একটা নরকযন্ত্রনা ভোগ করে থাকেন। চিন্তা করে দেখুন - জীবিত থাকা অবস্থায় একটি মানুষের কোন অঙ্গে পচন ধরেছে, এর জন্য কি পরিমান দুর্বিসহ জ্বালা-যন্ত্রনা সহ্য করতে হচ্ছে তাকে। যখনই কেউ পচনশীল ক্ষত বা গ্যাংরিনে আক্রান্ত হন তাদেরকে এলোপ্যাথিক চিকিৎসকগণ অঙ্গটির ঐ অংশ কেটে ফেলার পরামর্শ দিয়ে থাকে কারণ গ্যাংরিন স্থায়ী ভাবে নিরাময়ের কোন এলোপ্যাথিক চিকিৎসা নেই। এর চিকিৎসা হলো হোমিওপ্যাথি। অথচ দেখা যায় নিজের অজ্ঞতার কারণে কোন প্রকার খুঁজ খবর না নিয়েই অঙ্গটির ঐ অংশ কেটে ফেলে দিচ্ছে আক্রান্ত ব্যক্তি। কিছুটা সময় ভালো থাকার পর সেখানে আবার গ্যাংরিন তৈরী হতে দেখা যায়, তখন আবার সেটা কেটে ফেলে দিয়ে বলা হয় - আর একভাবেই চলতে থাকে।

জেনে রাখুন গ্যাংরিন সেটা যত গুরুতরই হোক না কেন অধিকাংশ কেইসই প্রপার হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় অল্প সময়ের মধ্যেই ভালো হয়ে যায়। তাছাড়া এর ফলে পেসেন্টকে যে ব্যথা, যন্ত্রণা বা জ্বালা-পোড়া সহ্য করতে হয় হোমিও ঔষধ প্রয়োগ করার সাথে সাথেই সেটা কমতে শুরু করে। তাই কোন চিকিৎসক গ্যাংরিন আক্রান্ত অঙ্গ কেটে ফেলে দিতে বললে তাৎক্ষণিক ভাবে সেটা না করে নিকটস্থ রেজিস্টার্ড এবং দক্ষ একজন হোমিও চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করুন যিনি গ্যাংরিন এর সুচিকিৎসা দিতে পারেন। তখন আপনি একটা ম্যাজিক রেজাল্ট পেয়ে যাবেন ইনশা-আল্লাহ। 
বিস্তারিত

শুক্রবার, ১৪ আগস্ট, ২০২০

ডায়াবেটিক রোগীদের পায়ে ঘা, ক্ষতস্থানে দুর্গন্ধযুক্ত পচন বা গ্যাংরিন! চিকিৎসা হোমিওপ্যাথি

ডায়াবেটিক রোগীদের অনেকেরই পায়ে ঘা বা আলসার হয়ে থাকে। দীর্ঘদিন ডায়াবেটিস থাকার কারণে রোগীর পায়ে যে আলসার হয়ে থাকে তাকে ডায়াবেটিক ফুট বা ডায়াবেটিক ফুট সিন্ড্রম বলা হয়ে থাকে। পায়ের ঘা বিস্তার লাভ করলে একপর্যায়ে পচন ধরে অর্থ্যাৎ গ্যাংরিন সৃষ্টি হয়। গ্যাংরিন তৈরী হলে তীব্র জ্বালা-যন্ত্রনাসহ কঠিন কষ্ট করতে হয় ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীদের। তাছাড়া পৃথিবীতে যত রোগীর পা কাটা লাগে তার মধ্যে ৮৪% হল ডায়াবেটিক ফুট বা পা।

ডায়াবেটিস রোগীর পায়ে আঘাত লাগলে বা ক্ষত হলে সেখানে ক্ষুদ্র রক্তনালীর বিকাশ, এক্সট্রাসেলুলার ম্যাট্রিক্স, ত্বক ইত্যাদির বৃদ্ধি খুব ধীর গতিতে হয়। ফলে ক্ষত নিরাময় প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হয় এবং শুকাতে দীর্ঘ সময় লেগে যায়। এতে জীবাণু সংক্রমণের সম্ভাবনা বেড়ে যায়। কোন কোন ক্ষেত্রে ক্ষতস্থানে দুর্গন্ধযুক্ত পচন ধরে যায় অর্থাৎ গ্যাংরিন তৈরি হয়। গ্যাংরিন বিভিন্ন প্রকারের হয়ে থাকে - শুকনো, ভেজা এবং গ্যাস গ্যাংরিন। একেক টির ক্ষেত্রে একেক রকম লক্ষণ প্ৰকাশ করতে পারে। চূড়ান্ত কোন এলোপ্যাথিক চিকিৎসা না থাকায় রোগীর জীবন রক্ষার্থে অনেক সময় পা বা পায়ের কিছু অংশ কেটে বাদ দিতে পরামর্শ দেন এলোপ্যাথিক চিকিৎসকরা।
তবে আপনারা হয়তো অনেকেই জানেন না, ডায়াবেটিস রোগীদের গ্যাংরিন সারানোর কার্যকর হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা রয়েছে। ডায়াবেটিক রোগীদের পায়ে ঘা, ক্ষতস্থানে দুর্গন্ধযুক্ত পচন বা গ্যাংরিন সমস্যায় অভিজ্ঞ কোন হোমিও চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করে প্রপার ট্রিটমেন্ট নিন। আশা করি বিফল হবেন না ইনশা-আল্লাহ। 
ডায়াবেটিক রোগীদের পায়ে ঘা, ক্ষতস্থানে দুর্গন্ধযুক্ত পচন বা গ্যাংগ্রিন

ডায়াবেটিক রোগীদের পায়ে ঘা - কারণ 

দীর্ঘদিন ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীদের যেসব কারণে পায়ে ক্ষত তৈরি হওয়ার প্রবণতা অনেক বেশি, সেগুলো হলো :
  • পায়ের বোধশক্তি কমে আসা (নিউরোপ্যাথি)
  • পায়ের রক্ত চলাচলের পরিমাণ কমে যাওয়া (পেরিফেরাল ভাস্কুলার ডিজিজ)
  • ছোট কোনো ক্ষত বা পায়ের তলায় তৈরি হওয়া ফাটল (ক্র্যাক) দিয়ে জীবাণুর অনুপ্রবেশ ইত্যাদি।
ডায়াবেটিক নিউরোপ্যাথী: ডায়াবেটিক নিউরোপ্যাথী হল পায়ে ব্যথার অনুভূতি কমে যাওয়া বা অসারতা। পা তখন গরম বা ঠাণ্ডা কোন বস্তুর সংস্পর্শে এলেও রোগী তা বুঝতে পারে না। তৈরি হয় ছোট একটি ক্ষত, যেটা পরবর্তী সময়ে বড় হতে থাকে। আবার বোধশক্তি না থাকায় অনেক সময় পায়ে ছোটখাটো আঘাত বা পায়ে কোনো কিছু ফুটে গেলেও রোগী বুঝতে পারে না। সেখান থেকে তৈরি হয় বড় ক্ষত।

পেরিফেরাল ভাস্কুলার ডিজিজ: পায়ের হাড়, মাংস অর্থাৎ পায়ের কোষ অথবা  টিস্যুগুলো বা বাঁচিয়ে রাখার জন্য সঠিক মাত্রায় রক্তপ্রবাহ প্রয়োজন। ডায়াবেটিক রোগীদের এই রক্তপ্রবাহে ব্যাঘাত ঘটে, ফলে পায়ে সহজে ক্ষত সৃষ্টি হয়, তৈরি হওয়া ক্ষত সহজে সারে না। রক্তপ্রবাহ একেবারেই বন্ধ হয়ে গেলে পায়ে পচন ধরে, যেটাকে বলা হয় গ্যাংরিন।

পায়ের তলায় ফাটল (ক্র্যাক): দীর্ঘদিনের ডায়াবেটিক রোগীদের পায়ের তলার চামড়া শুকিয়ে ফাটল তৈরি হয়। এই ফাটলগুলো দিয়ে রোগজীবাণুর সংক্রমণ ঘটে এবং পায়ে ও পায়ের হাড়ে ক্ষত  বা অস্টিওমায়েলাইটিস সৃষ্টি হতে পারে।

ডায়াবেটিক রোগীদের পায়ে ঘা - চিকিৎসা

এই সমস্যার ক্রনিক অবস্থায় তেমন কোন এলোপ্যাথিক চিকিৎসা না থাকায় সার্জারি করে পা কেটে ফেলার পরামর্শ দেয়া হয়ে থাকে। কিন্তু আপনি হয়তো জানেন না ডায়াবেটিক রোগীদের পায়ে ঘা, ক্ষতস্থানে দুর্গন্ধযুক্ত পচন বা গ্যাংরিন সমস্যার কার্যকর হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা রয়েছে। অভিজ্ঞ হোমিও চিকিৎসকের পরামর্শক্রমে প্রপার ট্রিটমেন্ট নিলে এই সমস্যা দূর হয়ে পা আবার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে।

যা যা জেনেছেন -

  • ডায়াবেটিক ফুট
  • ডায়াবেটিস ক্ষত
  • ডায়াবেটিস রোগীর ক্ষত
  • ডায়াবেটিস রোগীর পায়ে ঘা
  • ডায়াবেটিসে পায়ের সমস্যা
  • ডায়াবেটিস রোগীর পায়ের ব্যথা
  • ডায়াবেটিস রোগীর পায়ের যত্ন
বিস্তারিত

বৃহস্পতিবার, ৪ এপ্রিল, ২০১৯

গ্যাংরিন Gangrene পচনশীল দূষিত ঘা! ডায়াবেটিক রোগীদের পচনশীল ক্ষত চিকিৎসা

গ্যাংরিন Gangrene হলো টিস্যু বা সেলের মৃত্যু ঘটার ফলে তৈরী হওয়া পচনশীল দূষিত ক্ষত। এটি মূলত নেক্রোসিস ঘটার ফলে অর্থাৎ টিস্যু বা সেলের মৃত্যু ঘটার ফলে হয়ে থাকে। যখন টিস্যুতে কোন কারণে রক্তের সরবরাহ খুবই কমে যায় বা বন্ধ হয়ে যায় অথবা ব্যাক্টেরিয়ার গুরুতর সংক্রমণ ঘটে তখনই Gangrene গ্যাংরিন/গ্যাংগ্রিন এর মতো সমস্যা তৈরী হয়ে থাকে। সাধারণত ক্লোসট্রিডিয়াম পারফ্রিঞ্জেন্স নামক ব্যাকটেরিয়া, গ্রুপ এ স্ট্রেপ্টোকোক্কাস, স্ট্যাফাইলোকোক্কাস অরিয়াস এবং ভিব্রিও ভালনিফিকাস এর কারণে এই রোগ হয়ে থাকে। এই ব্যাকটেরিয়া সর্বত্র বিরাজ করে। এটি শরীরের ভিতরে প্রবেশ করে বিষাক্ত গ্যাস উৎপন্ন করে দেহের টিস্যু, কোষ ও রক্তনালীকে নষ্ট করে দেয় এবং গ্যাস গ্যাংরিন তৈরী করে থাকে।

এই রোগটি হঠাৎ করেই হয়ে থাকে। সাধারণত কোন আঘাত প্রাপ্ত স্থানে বা অপারেশন হয়েছে এমন অংশে এটি বেশি হয়ে থাকে, এসময় ব্যক্তি কোন ধরনের জ্বালাপোড়া বা ব্যথা অনুভব করে না। রক্তনালীর বিভিন্ন সমস্যা যেমন - অ্যাথেরোস্ক্লেরোসিস, ডায়াবেটিস বা কোলন ক্যান্সারে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে এই রোগ হওয়ার ঝুঁকি অনেক বেশি। সাধারণতঃ হাত, পা, পায়ের আঙ্গুলে বেশি হতে দেখা যায় তবে তা আমাদের পেশী এবং অভ্যন্তরীণ অঙ্গেও হতে পারে।

শরীরে কোন অঙ্গে রক্ত সরবরাহ কমে গেলে বা সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেলে আক্রান্ত স্থানের সেল অথবা টিস্যুর মৃত্যু ঘটে। আঘাতজনিত কারণে দেহের কোন অংশের রক্তনালী ছিড়ে গেলে ঐ অংশে পচনশীল ক্ষতের সৃষ্টি হতে পারে। আবার ডায়াবেটিসের মতো কিছু কিছু রোগের কারণে বিভিন্ন অংশে বিশেষ করে হাত পায়ে পচনশীল ক্ষতের সৃষ্টি হতে পারে।

গ্যাংরিন বিভিন্ন প্রকারের হয়ে থাকে - শুকনো, ভেজা এবং গ্যাস গ্যাংরিন। একেকটির ক্ষেত্রে একেক রকম লক্ষণ প্ৰকাশ করতে পারে। গ্যাংরিন Gangrene একটি গুরুতর অবস্থা সংঘটিত হয় শরীরের টিস্যু মারা গেলে। ডায়াবেটিস ও দীর্ঘমেয়াদী ধূমপান গ্যাংরিন এর ঝুঁকি বৃদ্ধি করে। নিম্নে বিভিন্ন প্রকার গ্যাংরিন এর বৈশিষ্টগুলি সম্পর্কে আলোকপাত করা হল-

শুকনো গ্যাংরিন Dry Gangrene

  • এই প্রকার গ্যাংরিন মূলত ডায়বেটিস রোগীদের বেলায় বেশি দেখা যায়
  • ধীরে ধীরে রোগের বিস্তার হয়
  • খুব বেশি দুর্গন্ধ থাকে না৷
  • আক্রান্ত চামড়া শুকনো এবং কখনো কালো বর্ণের হয়ে থাকে 
  • সাধারণত ইনফেকশন থাকে না

ভেজা গ্যাংরিন Moist Gangrene

  • সাধারণত ইনফেকশন থাকে
  • ক্ষতস্থান থেকে দুর্গন্ধ বের হবে
  • দ্রুত রোগের বিস্তার হয় 
  • আক্রান্ত চামড়া ভেঁজা ভেঁজা হয়ে থাকে
  • প্রথম দিকে আক্রান্ত স্থানের চামড়া লালচে এবং পরে নীলাভ বর্ণ ধারণ করে 

গ্যাস গ্যাংরিন Gas Gangrene

  • চামড়ার ক্ষতস্থানে ইনফেকশন থাকে
  • আক্রান্ত স্থান থেকে দুর্গন্ধ বের হয়
  • আক্রান্ত স্থান লালচে বর্ণের হয়ে থাকে 
  • ব্যাকটেরিয়া আক্রমণ করে গ্যাস তৈরি করে 
  • দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে রোগীর মৃত্যু হতে পারে
ডায়াবেটিক রোগীদের অনেকেরই পায়ে ঘা বা আলসার হয়ে থাকে। দীর্ঘদিন ডায়াবেটিস থাকার কারণে রোগীর পায়ে যে আলসার হয়ে থাকে তাকে ডায়াবেটিক ফুট বা ডায়াবেটিক ফুট সিন্ড্রম বলা হয়ে থাকে। পায়ের ঘা বিস্তার লাভ করলে একপর্যায়ে পচন ধরে অর্থ্যাৎ গ্যাংরিন সৃষ্টি হয়। গ্যাংরিন তৈরী হলে তীব্র জ্বালা-যন্ত্রনাসহ কঠিন কষ্ট করতে হয় ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীদের। তাছাড়া পৃথিবীতে যত রোগীর পা কাটা লাগে তার মধ্যে ৮৪% হল ডায়াবেটিক ফুট বা পা। অথচ প্রপার হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা নিলে ডায়াবেটিক রোগীদের গ্যাংরিন ভালো হয়ে যায়। রোগীর পা বা আক্রান্ত অঙ্গ কেটে ফেলার প্রয়োজন পড়ে না।

গ্যাংরিন এর চিকিৎসা 

গ্যাংরিন এর উন্নত চিকিৎসা রয়েছে হোমিওপ্যাথিতে। এর জন্য এক্সপার্ট কোন হোমিও চিকিৎসকের পরামর্শক্রমে চিকিৎসা নিন। একসময় দেখবেন প্রপার একটা হোমিও চিকিৎসার মাধ্যমেই এই সমস্যাটি দূর হয়ে রোগী স্বাভাবিক বা সুস্থ হয়ে উঠেছেন। হোমিওপ্যাথিতে গ্যাংরিন চিকিৎসার সাফল্য অনেক বেশি। রেজিস্টার্ড এবং দক্ষ একজন হোমিও চিকিৎসকের পরামর্শক্রমে চিকিৎসা নিলে রোগীর আক্রান্ত অঙ্গ কেটে ফেলার প্রয়োজন পড়ে না বরং সমস্যাটি দূর হয়ে আক্রান্ত অঙ্গ পূনরায় স্বাভাবিক হয়ে উঠে।

যা যা জেনেছেন

  • Gangrene
  • Gas gangrene
  • গ্যাংগ্রিন এর হোমিও চিকিৎসা
  • গ্যাংরিন এর চিকিৎসা
  • Gangrene meaning in bengali
বিস্তারিত