সোমবার, ১৩ মে, ২০১৯

একজিমা (Eczema) বা বিখাউজ ! কারণ লক্ষণ এবং প্রতিকার

একজিমা (Eczema) হলো এক প্রকাম চর্ম রোগ যা মূলত পামা, বিখাউজ, কাউর ঘা ইত্যাদি নামে আমাদের কাছে পরিচিত। চিকিৎসা শাস্ত্রে এটিকে সচরাচর এটপিক ডার্মাটাইটিস (atopic dermatitis) হিসাবে উল্লেখ করা হয়ে থাকে, কারণ অধিকাংশ ক্ষেত্রে একজিমার অন্যতম উৎস বংশগত বলে ধারণা করা হয়। এই রোগে ত্বকের বিশেষ কোন কোন স্থানে প্রদাহ সৃষ্টি হয়। আক্রান্ত স্থানলাল বর্ণদেখায়, এখানে পুঁজবটী জন্মে, চুলকায়, রস ক্ষরণ হতে পারে এবং মামড়ি পড়ে।

এটি কোন সংক্রামক রোগ নয়। তবে এ রোগ থেকে হাঁপানি এবং হে ফিভার হয়ে থাকে। এটি দীর্ঘ মেয়াদী সমস্যা যাতে অতি শুষ্ক ত্বক ফেটে যায়, পুরু হয়ে ওঠে, চুলকানির সৃষ্টি হয় এবং ফুস্কুড়ি হতে পারে। ঠিক কী কারণে একজিমা হয়ে থাকে তা এখনো জানা যায় নি। বলা হয়েছে অন্তর্ভূত কারণের (যেমনঃ এলার্জি) বহি:প্রকাশ একজিমা। শরীরের যে কোন স্থানেই একজিমা হতে পারে, তবে হাত, পা, বাহু, হাঁটুর বিপরীত পৃষ্ঠা, গোড়ালী, হাতের কব্জি, ঘাড় ও ঊর্ধ বক্ষস্থল ইত্যাদি অংশ বেশি আক্রান্ত হয়ে থাকে।

কিছু কারণ: রাসায়নিক দ্রব্য, ডিটারজেন্ট, সাবান অথবা শ্যাম্পু থেকে সংক্রমণ অ্যালার্জি হয় এমন বস্তু থেকে যেমন- পরাগ রেণু, ঘরবাড়ির ধুলা, পশুপাখির পশম, উল ইত্যাদি থেকে হরমোন পরিবর্তন, বিশেষ করে মাসিকের সময় এবং গর্ভাবস্থায় অতিরিক্ত গরম বা অতিরিক্ত ঠাণ্ডা ও স্যাঁতসেঁতে ভেজা আবহাওয়া।

একজিমার লক্ষণ ও উপসর্গ: লালচে, প্রদাহযুক্ত ত্বক, শুষ্ক, খসখসে, ফেটে যাওয়া ত্বক, ত্বকে চুলকানি, হাত ও পায়ের ত্বকের মধ্যে ছোট ছোট পানির ফুসকুড়ি, ত্বকে সংক্রমণ হলে ত্বক ভেজা ভেজা হয় এবং পুঁজ বের হতে পারে, ত্বকের যেসব জায়গা বারবার চুলকানো হয় সেগুলো পুরু হওয়া।

চিকিৎসা: একজিমা (Eczema) রোগের স্থায়ী চিকিৎসা মূলত হোমিওপ্যাথি। তবে এর জন্য অবশ্যই একজন এক্সপার্ট হোমিও চিকিৎসকের পরামর্শক্রমে চিকিৎসা নেয়া জরুরী। 
Dr Imran
ডাঃ দেলোয়ার জাহান ইমরান
ডিএইচএমএস, ডিএমএস, বিএসসি এন্ড এমএসসি; ঢাকা
রেজিস্টার্ড হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক (রেজিঃ নং-৩৩৪৪২)
যোগাযোগঃ আনোয়ার টাওয়ার, আল-আমিন রোড, কোনাপাড়া, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা।
ফোন : ০১৬৭১-৭৬০৮৭৪ এবং ০১৯৭৭-৬০২০০৪
প্রোফাইল ➤ ফেইসবুক ➤ ইউটিউব ➤